PRANARAM Sangeet

"Pranaram Sangeet"-
spiritual musical series produced by
Pranaram Ramakrishna Society is a genuine attempt at infusing the abundance of our cultural heritage in the younger generations. What better agency than Music can there be to inspire the young and aged alike?
Its now time for us to bow before the lineage of Gurus and relish the beatitude of divine buoyancy.
Jay Pranaram Thakur Sri Ramakrishna!!!

---------------------------


---------------------


PRANARAM Sangeet

ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের সপ্তস্বর—(সা, রে, গা, মা, পা, ধা, নি)— আমাদের সাতটি চক্র এবং গ্রহশক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রতিটি স্বর একটি নির্দিষ্ট দেবতা, গ্রহ এবং প্রকৃতির নীতিকে নির্দেশ করে।

সা (ষড়জ) ময়ূরের ডাক থেকে উদ্ভূত বলে মনে করা হয় এবং এটি গণেশের সাথে যুক্ত, মূলাধার চক্রকে প্রতিনিধিত্ব করে যা আমাদের স্থায়িত্ব, ভিত্তি ও জাগরণ শুরু করে।
রে (ঋষভ) গরুর ডাক থেকে উদ্ভূত এবং ব্রহ্মার সাথে সম্পর্কিত, যা স্বাধিষ্ঠান চক্র, আমাদের শক্তি কেন্দ্রকে সক্রিয় করে।
গা (গান্ধার) যা ছাগলের ডাক থেকে উদ্ভূত বলে মনে করা হয়, দেবী সরস্বতীর সাথে সম্পর্কিত এবং মণিপুর চক্রের সাথে যুক্ত যা আমাদের সৃজনশীল শক্তিকে উদ্দীপিত করে।
মা (মধ্যম) বকের আওয়াজ থেকে সৃষ্ট এবং বিষ্ণুর সাথে সংযুক্ত, যা অনাহত চক্রের সাথে অনুরণিত হয়। আমাদের মধ্যে ভক্তি এবং পবিত্রতা জাগিয়ে তোলে।
পা (পঞ্চম) কোকিল থেকে উদ্ভূত, যা নারদ বা কৃষ্ণকে প্রতিনিধিত্ব করে এবং বিশুদ্ধ চক্রে স্পন্দিত হয়, সত্যকে পরিমার্জিত করে।
ধা (ধৈবত), ঘোড়া থেকে উদ্ভূত, শিব এবং আজ্ঞা চক্রের সাথে সম্পর্কিত যা আমাদের অন্তর্দৃষ্টি উন্মোচন করে।
নি (নিষাদ), হস্তী থেকে প্রাপ্ত, সহস্রার চক্রে চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে, যা আত্মাকে ঐশ্বরিকের সাথে একীভূত করে। যেখানে দিব্য মিলনের সমাপ্তি ঘটে।

জ্যোতিষশাস্ত্রীয় সঙ্গীততত্ত্ব অনুসারে, প্রতিটি গ্রহ সাতটি স্বরের একটিকে নিয়ন্ত্রণ করে। সা (ষড়জ) সূর্যের সাথে, রে (ঋষভ) বুধের সাথে, গা (গান্ধার) শুক্রের সাথে, মা (মধ্যম) মঙ্গলের সাথে, পা (পঞ্চম) চন্দ্রের সাথে, ধা (ধৈবত) বৃহস্পতির সাথে এবং নি (নিষাদ) শনির সাথে সম্পর্কিত।
একজন ব্যক্তির রাশি, অধিপতি গ্রহ এবং বাদ্যযন্ত্রের স্বরকে একত্রিত করে নিরাময়কারী রাগ তৈরি করা যেতে পারে। প্রতিটি স্বর শুদ্ধ, কোমল বা তীব্র হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, 'মা' সাধারণত শুদ্ধ হয়, কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এটি তীব্র হতে পারে। এই প্রবন্ধে স্বরগুলোকে গ্রহের দূরত্ব এবং গুণাবলীর সাথে সংযুক্ত করা হয়েছে।
শাস্ত্র অনুসারে, নির্দিষ্ট কিছু রাশির জাতক-জাতিকারা নির্দিষ্ট রাগ শুনলে উপকৃত হন। উদাহরণস্বরূপ, কর্কট রাশির জাতক, যার অধিপতি গ্রহ চন্দ্র, তার 'পা' স্বরের উপর ভিত্তি করে তৈরি রাগ শোনা উচিত।

1 week ago | [YT] | 11

PRANARAM Sangeet

🙏শ্রীশ্রী মায়ের পুণ্য দর্শন, ১৯/১০/২০২৫,
শ্রীশ্রী মাতৃমন্দির, জয়রামবাটী🙏

4 months ago | [YT] | 159

PRANARAM Sangeet

সঙ্গীতের উৎপত্তি নিয়ে ৬টি মজার প্রাচীন বিশ্বাস

মূ
লত দেবতাদের দূত হিসেবে কাজ করা হার্মিস নিজেও ছিলেন
চৌর্যবৃত্তি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সাহিত্যের দেবতা। শৈশবে একবার তিনি তাকে আটকে রাখা বাঁধন ছিড়ে চলে গিয়েছিলেন তার ভাই অ্যাপোলো যেখানে নানা পশু চড়াচ্ছিলেন, ঠিক সেখানে। এরপর শুরুতে কিছুক্ষণ ভাইকে তার কাজে সাহায্য করলেও পরবর্তীতে সেখান থেকে একটি কচ্ছপ ধরে সেটিকে হত্যা করেন হার্মিস। এরপর সেই কচ্ছপের খোলসটিকে পরিপূর্ণ রুপে পরিষ্কার করে নেন তিনি। পরে অ্যাপোলোর গরুর নাড়িভুঁড়ি ব্যবহার করে সেই খোলককে তিনি একটি বীণায় রূপান্তরিত করেন! প্রাচীন গ্রীকরা ধারণা করতো, দেবতা হার্মিসই বিশ্বের প্রথম বীণাটি তৈরি করেছিলেন। পরবর্তীতে যখন তাকে পশুহত্যার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলো, তখন তিনি বীণায় এত চমৎকার সুর তুললেন যে, অ্যাপোলো সেই বীণার বিনিময়ে নিজের পশুগুলোই দিয়ে দিলেন হার্মিসকে। বীণার পাশাপাশি বাঁশি ও প্যানপাইপ উদ্ভাবনের কৃতিত্বও হার্মিসকে দিতো গ্রীকরা।

গ্রীক মিথলজিতে সঙ্গীতের সাথে জড়িত আরেক গুরুত্বপূর্ণ যে ব্যক্তির কথা এসেছে, তিনি অর্ফিয়াস। তাকে ‘সঙ্গীতের জনক’ও বলা হয়ে থাকে। অ্যাপোলোর কাছ থেকে বীণা পেয়ে তিনি এতটাই চমৎকারভাবে সেটি বাজাতে শুরু করেন যে গাছপালা, পশুপাখি, এমনকি নিরেট পাথরও নাকি তার সুরে অভিভূত হয়ে নাচতে শুরু করে দিয়েছিলো। মৃত্যুর পর তার সেই বীণাকে স্বর্গের মাঝেই রেখে দেয়া হয় একটি নক্ষত্রপুঞ্জ হিসেবে। সেখানে থেকেই সেই বীণা সুর তুলে যাবে অনন্তকাল।



ঝড়ের দেবতা সুসানুর উপর রাগ করে একবার আমাতেরাসু গিয়ে বসে রইলেন এক গুহার মধ্যে। এদিকে তার অনুপস্থিতিতে পুরো সৃষ্টিজগত অন্ধকারে ঢেকে গেলো, বন্ধ হয়ে গেল খাদ্যশস্যের উৎপাদন। দেবতারা সবাই প্রাণপণ চেষ্টা করতে লাগলেন আমাতেরাসুর অভিমান ভাঙাবার, কিন্তু ব্যর্থ হলেন প্রত্যেকেই। এমন সংকটময় পরিস্থিতি থেকে সৃষ্টিজগতকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন উজুমি। তিনি সারা গা মস ও গাছের পাতা দিয়ে ঢেকে চলে যান আমাতেরাসুর গুহার সামনে। এরপর সেখানে তিনি অনবরত গান গাইতে থাকেন, সাথে চলতে থাকে তার নাচ। একসময় হঠাৎ করে তার ছদ্মবেশ খুলে যায়, দেবতারা তার আসল রুপ জানতে পেরে কর্কশ কণ্ঠে অট্টহাসি শুরু করে। তাদের সেই হাসি শুনে কৌতূহলবশত গুহা ছেড়ে বেরিয়ে আসেন আমাতেরাসু। আর এভাবেই ভয়াবহ এক সংকট থেকে রক্ষা পায় পুরো সৃষ্টিজগত!

৫) মিশরীয় সংস্কৃতি

লেখালেখি কিংবা গণনায় ব্যস্ত হিসেবে চিত্রায়িত ঠথকে প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা জ্ঞানের দেবতা হিসেবে মানতো। মানবদেহ ও আইবিস পাখির মাথাবিশিষ্ট ঠথের হাতে লেখালেখির জন্য সবসময় কলম ও বোর্ড থাকতোই!

খ্রিস্টপূর্ব ১ম শতকে গ্রীক ইতিহাসবিদ ডিওডোরাস সাইকালাস ঠথকে প্রথম বীণা তৈরির কৃতিত্ব দিয়েছিলেন। বলা হয়ে থাকে, প্রাচীন মিশরের বীণাগুলো তিন তার বিশিষ্ট ছিলো, যা মিশরের তিনটি ঋতুকে প্রতিনিধিত্ব করতো। ঠথ কীভাবে বীণাটি বানিয়েছিলেন তা শুনলে বেশ মজাই পেতে হবে। একদিন দেবতা ঠথ নীল নদের তীর ধরে হেঁটে যাচ্ছিলেন। সামনে পড়েছিলো মৃত একটি কচ্ছপের শুকিয়ে যাওয়া খোলস। হঠাৎ করে তার মনের মাঝে কী খেয়াল চাপলো কে জানে, তিনি সজোরে লাথি বসিয়ে দিলেন সেই খোলসে!

লাথি দেয়ার পর খোলস থেকে যে শব্দ বেরোলো তা শুনে বেশ ভালো লেগে যায় ঠথের। তাই তিনি খোলসটা আবার কুড়িয়ে আনেন। এরপর বিভিন্ন প্রাণীর নাড়িভুঁড়ি তাতে লাগিয়ে তিনি তৈরি করেন সুমধুর সুর সৃষ্টিকারী এক বীণা!

৬) চীনা সংস্কৃতি

চীনা ধর্ম হিসেবে পরিচিত চীনের হান জনগোষ্ঠীর মেনে চলা ধর্মবিশ্বাসে এক দেবতা ছিলেন হুয়াংদি। উপকথা থেকে জানা যায়, একবার তিনি লিং লুন নামক এক ব্যক্তিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন সুরসৃষ্টির জন্য। দেবতার কাছ থেকে এমন নির্দেশ পেয়ে লিং লুন একটি বাঁশি বানালেন। কিন্তু ওতে সুর ঠিকমতো তৈরি হতো না। এমনকি একবার হুয়াংদি যখন লিং লুনের বাড়ির পাশে দিয়ে ঘোড়ায় চড়ে যাচ্ছিলেন, তখন লুনের বাঁশির শব্দ শুনে ঘোড়াটি চমকে উঠে পা ছোড়াছুঁড়ি শুরু করে দেয়। এতে ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে যান দেবতা নিজেই!

এমন ঘটনায় লজ্জায় দেবতার পায়ে গিয়ে পড়েন লিং লুন। তার মৃত্যু অনিবার্য ভেবে নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু হুয়াংদি দয়াপরবশ হয়ে লিং লুনকে তার কাজ চালিয়ে নিতে বলেন। এভাবে বাঁশি উন্নততর করার চেষ্টা করতে করতে একদিন তিনি ফিনিক্স পাহাড়ে গিয়ে পৌঁছেন। সেখানে নারী ও পুরুষ ফিনিক্স পাখিদের সুমধুর কণ্ঠ শুনে তাদের সুরের সাথে মিলিয়ে বাঁশিতে বানান তিনি। এভাবেই প্রাচীন চীনের কিংবদন্তীতে ‘সুরের প্রতিষ্ঠাতা’ হিসেবে নিজের জায়গা পাকাপোক্ত করে নিয়েছিলেন লিং লুন।

5 months ago | [YT] | 11

PRANARAM Sangeet

*মা গো তুমি*
*রাজরাজেশ্বরী মা,*
*তুমিই গোলকে*
*বিষ্ণুর কমলা- নারায়ণী।*
কৈলাসে মা তুমি শিব ঘরনী
সতী, তুমি দক্ষ নন্দিনী।।

*ত্রেতায় তুমিই মা*
*মিথিলা আদরিণী,*
*শ্রী রামের পরিণীতা*
*জনক দুহিতা সীতা।।*
কৃষ্ণ প্রাণাধিকা আহ্লাদিনী শক্তি
তুমিই দ্বাপরে শ্রীমতী রাধা,
জীবের ভক্তি- মুক্তি।।

*তুমি মা সারদা, তুমি সরস্বতী*
*শ্রীরামকৃষ্ণের সাধন শক্তি।*
তুমি মা জ্ঞান দায়িনী
কলির কলুষ হারিণী
তুমি মা তারা- তারিণী,
তুমি সর্ব মোক্ষ প্রদায়িনী মুক্তি।।

কথা- তপতী মুখোপাধ্যায়
সুর ও কণ্ঠে - স্নেহাংশু দত্ত 👇

https://youtu.be/dV2FOIXVSNQ

6 months ago | [YT] | 10

PRANARAM Sangeet

জয় প্রাণারাম ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

7 months ago | [YT] | 17

PRANARAM Sangeet

সঙ্গীত নিয়ে কিছ ভুল ধারণা 🎸

১)বাচ্চাকে স্টেজে উঠিয়ে গান না গাইয়ে, সঠিক চর্চায় আবদ্ধ করুন(অন্তত একটানা ১৫-২০ বছর)।শখে আর যা হোক অন্তত গানবাজনা হয়না।সেটা বয়সের সাথে আপনি এবং আপনার বাচ্চা বুঝে যাবেন।
২)শুধুমাত্র রিয়ালিটি শো তে গাওয়ার বা সুযোগ পাওয়ার জন্য গান শেখা বন্ধ করুন।
৩)সঠিক গুরু নির্বাচন করুন যে গান তোলানোর বদলে ভিত শক্ত করার পেছনে সময় দেয়।
৪)নিজের বাচ্চাকে কিশোর,লতা,রফি,আশা ভাবা বা বলা বন্ধ করুন।
৫)টাকা রোজগার করার জন্য গান শেখা বন্ধ করুন।আপনি সঠিক তৈরী হলে আপনাকে টাকা রোজগারের কথা ভাবতে হবেনা বরং তা নিজে নিজেই আপনার রোজগারের মাধ্যম হয়ে যাবে।
৬)গান গাইতে পারলেই সে শিক্ষিত শিল্পী এটা ভাবা বন্ধ করুন।
৭)১-২ বছরে সঙ্গীত শেখা যায় এটা ভাবা বন্ধ করুন। সারা জীবনও কম একবিন্দু সঙ্গীত শিক্ষার জন্য।
৮)শাস্ত্রীয়সঙ্গীত একঘেয়ে ভাবা বন্ধ করে পারলে ওটাই শিখুন। আপনার পর্যাপ্ত ধৈর্য্য ক্ষমতা না থাকায় হয়তো আপনার ওইটা মনে হয়। নইলে ভীত ছাড়া বাড়ি যখন তখন ঝড়ে উড়ে যায়।
৯)মাথা থেকে পারলে এই অহংকারবোধটা সরিয়ে দিন যে আপনিই একমাত্র দারুন গান গাইতে পারেন। হয়তো অনেক গুনি ব্যক্তির কাছে সেটা জলভাত। আপনাকে জায়গায় দাড়ঁ করিয়ে ঘাম বার করে দিতে পারে।আপনার থেকে বয়সে ছোটোও হতে পারে।সবসময় সঙ্গীতের ছাত্র হিসাবে নিজেকে গ্রহণ করুন।
১০)সঙ্গীতকে কখনো ছোট করে দেখবেন না , আপনি সারা মাসে যেই টাকা রোজগার করেন সেটা হয়তো একজন সঙ্গীত শিল্পীর একদিনের রোজগার, মাস তো ছেড়েই দিলাম।তাই অযথা জিজ্ঞেস করবেন না যে গান ছাড়া আর কি করেন।

#সংগৃহীত #স্বপ্নকুটির_A_House_of_Love

7 months ago | [YT] | 46

PRANARAM Sangeet

8 months ago | [YT] | 24

PRANARAM Sangeet

গান আমরা সকলেই ভালোবাসি। ছোটবেলায় কমবেশি সকলেই গেয়েছি - বাথরুমে বা কলতলায় স্নান করতে করতেই হোক বা প‍্যাঁপোঁ হারমোনিয়াম বাজিয়ে রীতিমতো রেওয়াজ করেই হোক। তখনকার দিনে চট করে নেট খুলে lyrics দেখে নেওয়ার সুযোগ ছিলনা। তাই ভুলভাল কত কিছুই না প্রাণ খুলে গেয়ে গেছি। fb এ একটা post দেখে ছোটবেলার সেই ভুলভাল গাওয়া গানগুলোর কথা মনে পড়ে গেল। সেগুলোকে আজ ধুলো ঝেড়ে মনের তাক থেকে নামিয়ে আনলাম। সাথে জুড়ে দিলাম সেই post এর comment থেকে পাওয়া অন‍্যদের কিছু হাস‍্যকর স্মৃতিচারণ।

অনেক বছর আগে আমার বান্ধবীর সাত/আট বছরের ছেলেকে গান শোনাতে বলেছিলাম। কচি কন্ঠে সে সেদিন মন খুলে গেয়েছিল "মায়াবন বিরিয়ানি হরিণী"। বিহারিণী শব্দ টির সাথে পরিচিত না হওয়ার ফলে নিজের অত‍্যন্ত প্রিয় খাবারের নামটি সে ওই স্থানে বসিয়ে দিয়েছিল। গানের প্রশংসা তো করেইছিলাম - তার সাথে আমি আর ওর মা সেদিন কি দমফাটা হাসি হেসে আজও মনে আছে।

ওকে নিয়ে হাসতে গিয়ে আরো দুচারটে রবীন্দ্রসঙ্গীত এর দফারফা হওয়ার গল্প বলে ফেলি। এই ভুল গুলো আমরা অনেকেই করেছি।

ছোটবেলা থেকেই কানে ঢুকত 'পোস্তোদের ডাক দিয়েছে'। কিছুতেই সেই কচি বয়সে মাথায় ঢুকত না পোস্তদের এত ডাকাডাকি কেন।
পরে শুনেছিলাম শ্রীজাতও নাকি ছোটবেলায় ভাবতেন গানটা 'পোস্তদের ডাক দিয়েছে' । বড় হয়ে যখন জানতে পারলেন ওটা 'পৌষ', তখন বড় কষ্ট পেয়েছিলেন, কারণ পোস্ত নিয়ে ওই একটাই গান তিনি জানতেন।

অনেক দিন পর্যন্ত 'একটু কুছোঁয়া লাগে, একটু কুকথা শুনি'... শুনেছি আর ভেবেছি এ আবার কেমনতর গান? কুছোঁয়া, কুকথা - এই নিয়েও গান??? কোনো topic ই বাদ দিলেননা দেখি !

'মরবি না ওঠে কোন সুরে বাজি' - এই গানটা শুনলে খুব ছোটবেলায় ভাবতাম - না না কেউ মরবেনা - এই আশ্বাস দিচ্ছেন কবি।

facebook এ একজন লিখেছিলেন যে 'জাগরনে যায় বিভাবরী' গানটি শুনলে তিনি ভাবতেন বিভাবরী যুদ্ধে গেলে যাক, আমি কেন জাগব? 'জাগো রণে যায় বিভাবরী' - ভুল তো শোনেননি উনি, শুধু একটু মানে বের করতে ছোট্ট গলদ হয়েছিল।
এই রবীন্দ্রসংগীতটিরই 'এই হিয়া ভরা বেদনাতে' লাইনটাকে ছোটবেলায় একজন শুনতেন 'এই ইয়া বড়া পেঁচো রাতে'। কি ভয়ানক lyrics. ভাগ‍্যিস গানের রচয়িতা পরপারে পাড়ি দিয়েছেন অনেক দিন আগে।

আবার আরেক জন লিখেছেন সেই গানটার কথা যেখানে - 'তুমি যে গিয়াছ বকুল বিছানো পথে'... কি করে যেন হয়ে গেল 'তুমি জেগে আছ, বকুল বিছানা পাতে'। আহাহা!! কি আরামের এ গান! খাওয়া দাওয়া শেষ করে কেউ অপেক্ষা করছে বকুল এসে বিছানা পেতে দেবে।

'মুক্তির মন্দির সোপান তলে' এটাকে 'সোফার তলে' ভাবার মত লোক ও পাওয়া গেছে।

রবীন্দ্রসঙ্গীত ছেড়ে একটু অন‍্য গান গাই।

ছোটবেলায় সিনেমা টিনেমা বাড়িতে একদম নিষিদ্ধ ছিল। বন্ধু বান্ধবের মুখেই গান শোনা।
'কোন শেয়ালের স্বপ্ন নিয়ে যেন আমায় কে ডাকে আয় চলে আয়' ... আহা! এই গানের সুর আমাকে মুগ্ধ করেছিল। কিন্তু অবাক হতাম - গানে 'শেয়ালের স্বপ্ন' নিয়ে এত মাতামাতি কেন? শেয়াল স্বপ্ন দেখে এটাও কম আশ্চর্য করেনি। 'কোন সে আলো' কানে ঢুকত শেয়াল হয়ে।

একজন মনে করিয়ে দিল - নচি দা কত দরদ দিয়ে গেয়েছিল 'হাজার কবিতা, বেকার সবিতা"। সবিতার বেকারত্ব নিয়ে আমিও কত চিন্তা করেছি কতদিন। পরে বুঝতে পেরেছি সবিতাকে নিয়ে এত উতলা হওয়ার কোনো প্রয়োজন ছিল না। 'সবই তা' থেকে সবিতা। সামান‍্য ভুল। নচিদা মাফ করে দেবেন।

হিন্দী সিনেমার সেই গানটাকেই বা ভুলি কি করে? 'আপ য্যায়সা কোই মেরি জিন্দেগী মে আয় তো বাপ বন যায়'... হায় হায়!!! - কত শতবার শুনে শুনে যে এর মর্মোদ্ধার করতে হয়েছিল - 'বাত বন যায়'।

এটাও fb এই একজন লিখেছেন 'তবু যারা বিশ্বাস করে না তিমি আছে, তাদের মাছরাঙা করো প্রভু...' কি আর বলব! এটি শোনার পর থেকে আসল কথাগুলো আমি আর মনে করতে পারছি না। আবছা মনে আসছে ' মার্জনা করো প্রভু'।

সত‍্যিই মার্জনা করো প্রভু।"
(সংগৃহীত)

8 months ago | [YT] | 31

PRANARAM Sangeet

আজ সাধক সঙ্গীতশিল্পী পান্নালাল ভট্টাচার্যের ৯৫ তম জন্মবার্ষিকী।।🙏
🌺🎶🎶🌺🎶🎶🌺🎶🎶🌺🎶🎶🌺

পান্নালাল ভট্টাচার্য (জন্মঃ- ০৫ মার্চ, ১৯৩০ - মৃত্যুঃ- ২৭ মার্চ, ১৯৬৬)

তিনি শ্যামাসঙ্গীতের গায়নরীতিতে এক নতুন ধারার প্রবর্তন করেছিলেন। তিনি আরেক বিখ্যাত গায়ক ধনঞ্জয় ভট্টাচার্যের ছোট ভাই। মূলত গীতিকার রামপ্রসাদ সেন এবং কমলাকান্ত ভট্টাচার্য রচিত গান গেয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন পান্নালাল। মাত্র ৩৬ বছর বয়সে এই খ্যাতনামা গায়ক আত্মহত্যা করেন। তাঁর গান আজও বাঙালি সমাজে অত্যন্ত পরিচিত। ‘পান্নালাল ভট্টাচার্যের সব থেকে বড় গুণ, তাঁর গান শেষ হওয়ার পরেও একটা রেশ থেকে যায়। মৃত্যুর এত বছর পরেও, ভক্তিমূলক সঙ্গীতের ক্ষেত্রে এমন একচ্ছত্র আধিপত্য সত্যিই বিরল। সাধক শিল্পী না হলে এটা অসম্ভব।
১৯৪৭ সালে বিখ্যাত গায়ক সনৎ সিংহের সঙ্গে গান গাওয়া শুরু করেন পান্নালাল। তখন তাঁর বয়স মাত্র ১৭ বছর। শুরুতে কণ্ঠ অপরিণত থাকার যুক্তিতে এইচএমভি-র পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি তিনি। তার পর তিনি মেগাফোনে গান গাওয়া শুরু করেন। প্রথম দিকে পান্নালাল আধুনিক বাংলা গান গাইতেন। তার পর সনৎ সিংহের এক বন্ধু পান্নালালকে দিয়ে প্রথম হিট শ্যামাসঙ্গীতটি গাওয়ান। সেটি ছিল, ’আমার সাধ না মিটিল, আশা না পুরিল, সকলই ফুরায়ে যায় মা...’। এই গানটি আজও ক্লাসিক হিসেবে বাঙালি সমাজে সমাদর পায়।
যদিও ‘আমার সাধ না মিটিল’ গানটি পান্নালালের প্রথম রেকর্ড করা শ্যামাসঙ্গীত নয়। এর আগে তিনি বেশ কিছু শ্যামাসঙ্গীত রেকর্ড করেছিলেন। তার মধ্যে ছিল, ‘আমার মায়ের পায়ের জবা হয়ে’, ‘তুই নাকি মা দয়াময়ী’, ‘তুই যে কেমন দয়াময়ী’, ‘সকলই তোমারই ইচ্ছা’, ‘আমায় দে মা পাগল করে’, ‘মুছিয়ে দে মা আমার এ দুটি নয়ন’ ইত্যাদি। ভক্তিরস সিঞ্চিত গায়কির একটি ধরন পান্নালাল তৈরি করেছিলেন। তাঁর কণ্ঠের বিশেষ চরিত্র এবং ভক্তিভাব বাংলার অসংখ্য কালীভক্তের মন জয় করে নেয়। তিনি নিজেও কালীভক্তে পরিণত হয়েছিলেন এবং সর্বদা সেই ভাবনার জগতেই থাকতেন। ’সঙ্গীত গবেষক সর্বানন্দ চৌধুরী মনে করেন পান্নালালের সাফল্যের কারণ দু’টি। তিনি বললেন, ‘এক অদ্ভুত মায়া আছে তাঁর উচ্চারণে। দ্বিতীয়ত, তাঁর গায়কির মধ্যে রয়েছে সারল্য৷ ভক্তিসঙ্গীতে ভাবটা খুব জরুরি। সেখানে কালোয়াতি চলবে না। ‘আমাদের গান এখন বড় সাজিয়ে -গুছিয়ে পরিবেশন করা হয়। এই আড়ম্বর, এই কৃত্রিমতা ভক্তিসঙ্গীতে একেবারেই চলবে না। এখানেই পান্নালালের জয়। ’

জীবনের শেষ দিনগুলিতে পান্নালাল কোনও কারণে সব সময়ই বিষণ্ন থাকতেন। এর কারণ নির্দিষ্ট ভাবে জানা যায় না। ১৯৬৬ সালের ২৭ মার্চ তাঁদের কাঁকুলিয়া রোডের বাড়িতে পান্নালাল আত্মহত্যা করেন।।

পান্নালালের ইচ্ছা ছিল চলচ্চিত্রের নেপথ্য গায়ক হবেন, আধুনিক গান গাইবেন। সেসময় বাংলা আধুনিক গানে স্বর্ণযুগের খ্যতিমানরা হলেন শচীন দেববর্মণ, ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, জগন্ময় মিত্র প্রমুখেরা। পান্নালালের মধ্যে ভক্তিরসের সন্ধান পেয়ে ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে সতের বৎসর বয়সে তার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা প্রফুল্ল ভট্টাচার্য তাকে আর বন্ধু সনৎ সিংহ কে নিয়ে যান এইচ এম ভি'তে। 'আমার সাধ না মিটিল আশা না ফুরিল, সকলই ফুরায়ে যায় মা' শ্যামাসঙ্গীত দিয়ে তার প্রথম গান গ্রামোফোন কোম্পানিতে রেকর্ড হয়। পান্নালাল ধনঞ্জয় ভট্টাচার্যের কথামতো আধুনিক আর ছবিতে নেপথ্য সঙ্গীত ছেড়ে ভক্তিমূলক গানকে নিজের কণ্ঠে ঠাঁই দিলেন এবং প্রকৃত অর্থে সাধক -গায়ক হয়ে উঠলেন। পান্নালাল জীবদ্দশায় ৩৬ টি আধুনিক গান সমেত ১৮ টি রেকর্ড, ৩ টি বাংলা ছায়াছবির গান এবং চল্লিশটি শ্যামাসঙ্গীতের রেকর্ড করেছেন।"শ্রী অভয়" নাম দিয়ে তার লেখা ও সুর দেওয়া বেশ কিছু শ্যামাসঙ্গীত আছে।

🎶তার জনপ্রিয় শ্যামাসঙ্গীত গুলি হল -
আমার চেতনা চৈতন্য করে
আমি মন্ত্রতন্ত্র কিছু জানিনে মা
আমি সকল কাজের পাই হে সময়
অপার সংসার নাহি পারাপার
ভেবে দেখ মন কেউ কারো নয়
চাই না মা গো রাজা হতে
আমার কালো মেয়ের পায়ের তলায়
আমার মায়ের পায়ে জবা হয়ে
তুই নাকি মা দয়াময়ী
তুই যে কেমন দয়াময়ী
সকলই তোমারি ইচ্ছা
আমায় দে মা পাগল করে
মুছিয়ে দে মা আমার এ দুটি নয়ন
মনেরই বাসনা শ্যামা ইত্যাদি।।

🙏🙏জন্মদিবসে স্মরণে শ্রদ্ধায় সঙ্গীতশিল্পী পান্নালাল ভট্টাচার্যকে🙏🙏
🙏🌺🙏

11 months ago | [YT] | 80

PRANARAM Sangeet

1 year ago | [YT] | 36