Explore With Rakibul

Knowledge cannot be destroyed by bombing.


Explore With Rakibul

কেন কম বুদ্ধিমান বা 'Dumb' ইনফ্লুয়েন্সাররা আপনার চেয়ে বেশি আয় করছে?
সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই চোখে পড়ে দামি গাড়ি, বিলাসবহুল জীবন আর লাখ টাকার খেলা। অন্যদিকে, দেশের শিক্ষিত তরুণদের প্রায় অনেকেই বেকার। ব্যাপারটা অদ্ভুত না? আমরা ছোটবেলা থেকে জেনে এসেছি, ভালো করে পড়াশোনা করলেই জীবনে সফল হওয়া যায়। কিন্তু আজকের ডিজিটাল যুগে এই ধারণাটা কি সত্যিই কাজ করছে?


মূল ধারণাটি হলো:
টাকা নয়, অ্যাটেনশনই (Attention) হলো আসল কারেন্সি। যার দিকে মানুষের মনোযোগ যত বেশি, তার মূল্য তত বেশি। লাইক, শেয়ার আর ভিউ এখন সরাসরি টাকায় রূপান্তরিত হয়।
তাহলে কম যোগ্য মানুষেরা কিভাবে এত অ্যাটেনশন পাচ্ছে?
• ইমোশনাল ম্যানিপুলেশন: মানুষের আবেগ কাজে লাগিয়ে সহানুভূতি আদায় করা বা মানবিকতার নাটক সাজিয়ে কন্টেন্ট তৈরি করা।
• ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতা:: এদের মধ্যে ব্যর্থ হওয়ার ভয় নেই। তাই তারা যেকোনো কিছু করতে দ্বিধা করে না।
• দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ: অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের কারণে তারা দ্রুত কাজ শুরু করে দেয়, যেখানে বুদ্ধিমানেরা পারফেক্ট প্ল্যানের জন্য অপেক্ষা করতে করতে পিছিয়ে পড়ে।


তাহলে যোগ্যরা পিছিয়ে কেন?
কারণ আমাদের মধ্যে কাজ করে:
• ব্যর্থতার ভয়: "লোকে কী বলবে?"—এই ভেবে আমরা ঝুঁকি নিতে ভয় পাই।
• পারফেকশনিজম: সবকিছু ১০০% নিখুঁত না হওয়া পর্যন্ত আমরা কাজ শুরুই করি না।
• Fixed Mindset: আমরা ভাবি, আমাদের প্রতিভা সীমাবদ্ধ। তাই নতুন কিছু চেষ্টা করতে বা শিখতে চাই না।

সাফল্যের সংজ্ঞা: স্বল্পমেয়াদী বনাম দীর্ঘমেয়াদী
• ইনফ্লুয়েন্সারদের সাফল্য: এদের সাফল্য মূলত "Attention Economy"-এর উপর নির্ভরশীল। অর্থাৎ, তারা মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে দ্রুত অর্থ উপার্জন করে। এই সাফল্য প্রায়শই খুব দ্রুত আসে, দেখতে আকর্ষণীয় হয় এবং আর্থিকভাবে লাভজনক মনে হতে পারে। কিন্তু এর ভিত্তি সবসময় মজবুত হয় না। এটি ট্রেন্ড-নির্ভর এবং অত্যন্ত পরিবর্তনশীল। আজ যিনি জনপ্রিয়, কাল তিনি হারিয়ে যেতে পারেন। এই পথে মানসিক চাপও অনেক বেশি।
• উচ্চশিক্ষিতদের সাফল্য: আপনার সাফল্য একটি ভিত্তির উপর তৈরি হয়। জ্ঞান, দক্ষতা এবং বছরের পর বছর ধরে অর্জিত অভিজ্ঞতা হলো আপনার মূলধন। একজন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, গবেষক বা একজন দক্ষ পেশাজীবীর অবদান সমাজের জন্য দীর্ঘস্থায়ী। এই পথে সাফল্য হয়তো ধীরে আসে, কিন্তু তা অনেক বেশি টেকসই (sustainable) এবং সম্মানজনক হয়। এর আর্থিক নিরাপত্তাও দীর্ঘমেয়াদী।
সহজ কথায়, ইনফ্লুয়েন্সারদের সাফল্য একটি ১০০ মিটার স্প্রিন্টের মতো, আর আপনার সাফল্য একটি ম্যারাথন দৌড়ের মতো। স্প্রিন্টে দ্রুত খ্যাতি পাওয়া যায়, কিন্তু ম্যারাথনে টিকে থাকতে প্রয়োজন হয় ধৈর্য, কৌশল এবং গভীর ক্ষমতার।
একজন ইনফ্লুয়েন্সারের flashy জীবনযাত্রা দেখে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। তাদের সাফল্যের পথ আর আপনার পথ এক নয়। আপনার শিক্ষা এবং জ্ঞান আপনাকে যে সম্মান, স্থিতিশীলতা এবং মানসিক প্রশান্তি দেবে, তা হয়তো মিলিয়ন ডলারের গাড়ির থেকেও অনেক বেশি মূল্যবান এবং দীর্ঘস্থায়ী।



২. মূল সমস্যাটা কোথায়?
পৃথিবী বদলে গেছে। এখন শুধু মেধা বা জ্ঞান থাকলেই হয় না, সেটিকে বাজারজাত (market) করার ক্ষমতাও থাকতে হয়।
• আত্মবিশ্বাসের খেলা (The Dunning-Kruger Effect): অনেক কম জ্ঞানী মানুষ তাদের সীমিত জ্ঞান নিয়েও প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী হয়। ফলে তারা কোনো কিছুতে ঝাঁপিয়ে পড়তে ভয় পায় না। অন্যদিকে, অনেক শিক্ষিত এবং বুদ্ধিমান মানুষ কোনো কিছু করার আগে অতিরিক্ত চিন্তা করেন, খুঁত বের করেন এবং ব্যর্থতার ভয়ে পিছিয়ে যান (যাকে Analysis Paralysis বলে)।
• ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতা: ইনফ্লুয়েন্সাররা সমালোচনা বা "লোকে কী বলবে" এসবের ভয় পায় না। তারা নির্দ্বিধায় ঝুঁকি নেয়। অন্যদিকে, শিক্ষিত সমাজ প্রায়ই সম্মান বা সামাজিক অবস্থানের কথা ভেবে ঝুঁকি এড়িয়ে চলে।


৩. তাহলে আপনার করণীয় কী?
আপনার উচ্চশিক্ষা আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি। এটিকে কোনোভাবেই ছোট করে দেখার কারণ নেই। আপনাকে শুধু এর সাথে আধুনিক যুগের কিছু কৌশল যোগ করতে হবে:
• নিজের জ্ঞানকে তুলে ধরুন: আপনার যে বিষয়ে দক্ষতা আছে, তা নিয়ে কথা বলুন, লিখুন বা কন্টেন্ট তৈরি করুন। আপনার জ্ঞানকে মানুষের কাছে পৌঁছানোর মাধ্যম হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করুন।
• যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ান: ইনফ্লুয়েন্সারদের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো মানুষের সাথে সংযোগ স্থাপন করার ক্ষমতা। আপনার একাডেমিক জ্ঞানের সাথে এই সফট স্কিলটি যোগ করুন।
• Growth Mindset গ্রহণ করুন: ভাববেন না যে আপনার শেখা শেষ। প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শিখুন, নতুন চ্যালেঞ্জ নিন এবং ছোটখাটো ব্যর্থতাকে ভয় পাবেন না।
শেষ কথা:

আপনার উচ্চশিক্ষা কোনোভাবেই ব্যর্থ নয়, বরং এটি আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি। এর সাথে শুধু আধুনিক যুগের কিছু কৌশল যোগ করলেই আপনি আরও টেকসই এবং অর্থপূর্ণ সাফল্য অর্জন করতে পারবেন।

4 months ago | [YT] | 0

Explore With Rakibul

৩০ বছরের ইতিহাস এও যেটা সম্ভব হয় নাই, সেটা আমাকে আপনাকে সমাধান করতে হলে আগে নিজের স্বার্থ ত্যাগ করতে হবে। অথবা ৬ বছরে গ্র‍্যাজুয়েট করার লেগেসি থেকেই যাবে।

অবাক লাগেও সত্য যে, বুয়েটের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে বের হয়েছে ১৯ ব্যাচ ৫ বছর এর একটু কম সময়ে। জিনিস তা নর্মালাইজ করার ট্রাই করা হচ্ছে।

গ্রাজুয়েট করা সিনিওর দের কাছে যা শুনলাম , 'বুয়েট মানেই ৬ বছর'। এরশাদ আর ফখরুদ্দীন এর আমলে ৮ বছর ও লেগেছে এক ব্যাচ বের হতে। ১১ ব্যাচ এর বের হতেও ৬-৬.৫ বছর লেগেছে খুব ভুল না বললে।

এই জিনিস টা বর্তমানে নর্মালাইজ হয়ে যাচ্ছে। অনেকের মতে 'বুয়েটে যতদিন পড়বা ততদিন একটা ট্যাগ থাকবে। এটা ভালো তোমাদের জন্য।' মানে 'Being a BUETian was the greatest achievement'- কিভাবে এটা লজিকাল হয় বুঝতেসি না।

Placement নামে একটা জিনিস আছে। IIT তে।খুব ভুল না বললে ৩য় বর্ষেই এক ধরণের চাকরি এর অফার পেয়ে যায় তারা।সব ডিপার্টমেন্ট ই। অথচ আমরা আদৌ ইঞ্জিনিয়ার থাকবো না, নাকি অন্য লাইনে যাবো এটাই বুঝে উঠতে পারি না। অর্থাত আমাদের এই সুযোগ বা ব্যবস্থা কেন করা হয় না এটা অবশ্যই একটা জানা দরকার। কারণ আপনি জানেন দেশে জবের ফিউচার নাই।

এখন এখানে পড়ে চাকরি যদি আপনি কনফার্ম না করতে পারেন তাহলে তাকে আপনি কাঁচা পয়সার লোভ থেকে সরাতে পারবেন না। এটা খুব ভয়াবহ জিনিস- কারো জন্য শখ পূরণ তো কারো জন্য ফ্যামিলির একমাত্র ভরসা।

আমাদের সমস্যা হচ্ছে না চাকরি এর ব্যবস্থা তো দূর, চাকরি এর পোস্ট ও খালি নেই।

বুয়েট অনেক এমন ফ্যামিলি এর ছেলে মেয়ে আছে, যাদের ফ্যামিলি এই পরিমাণ সাপোর্ট দিতে পারবে যে ৬ বছরে গ্রাজুয়েট করেও ছেলের বিয়ে দিয়ে ছেলের বউকেও পালতে পারবে। কিন্তু আপনাকে বুঝতে হবে যে সবাই এমন সোনার চামুচ মুখে দিয়ে বড় হয় না। অনেকের ১ম বর্ষ থেকেই ফ্যামিলি এর হাল ধরা লাগবে। এখানে যেমন কোটিপতি, আমলা দের ছেলে মেয়ে পড়ে - এখানে অনেক ছেলে মেয়ে পড়ে যাদের ফ্যামিলি চালাতে হবে।

দিন শেষে বুয়েটের ইন্টার্নাল প্রব্লেম সব কিছুর মেইন ইশারা যাবে একমাত্র জব ও ফিউচার এর ক্ষেত্রে। আর এমন না যে সবাই বাইরে যাবে। অনেকে বাধ্য হয়ে দেশে থাকতে হবে। বুয়েট অথোরিটির এমন কোনো কাজ নাই যে করতে পারবে না। অযৌক্তিক বয়কট(যেমন গতবারের পানির ইস্যু) এসব না করে অথোরিটি কে এসব ব্যাপারে ফোর্স করা যেতো।

আমাদের ফান্ডিং কেন কম , এই ব্যাপারে আন্দোলন করা যেতো।কেন আমরা মান্ধাতার আমলের জিনিস ব্যবহার করব এটার বিরুদ্ধে আন্দোলন করা যেতো।

৬০০০ জনকে মাসিক একটা ১০ হাজার টাকার ভাতা দিতে খুব সমস্যা হওয়ার কথা ছিল না সরকার এর। কোটি কোটি টাকা প*তা আর সম**মী দের জন্য দেয়া হয় আর বাতসরিক ৭২০ কোটি টাকা দেয়া কোনো ব্যাপার ছিলো না। বাইরে থেকে ইঞ্জিনিয়ার না এনে আমাদের পিছে অনেক কিছু করা যেতো।

আমাদের ইন্টার্নাল অনেক প্রব্লেম ও আছে।
১. মিড এ আমরা বসতে চাই না কারণ টিউশন আছে। As if আমাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল টিউশন।
২. এডমিশন টাইম আসলে টিউশন বাদে জীবনের অন্য উদ্দেশ্য থাকে না। যত পারা যায় এক্সাম পিছাতে থাকি।
৩. কারো এক্সপেক্টেড রেজাল্ট না আসলে খাতা দেখতে পারে না। একটা সিটি তেই খাতা দেখালে এতো জনের মার্ক্স বাড়ে। এতো বড় খাতাতে তাহলে কি হতে পারে বলার অপেক্ষা নেই।
৪. বছরে ২ বার এডমিশন আর প্রি এডমিশন পিরিয়ডে পড়া শুনা আমরা করি না টাকা কামাই দিয়ে PL এও এসে আমরা কিছু পড়ি না।
৫. কেও আমার জন্য জীবন দিলেও আমার যায় আসবে না।নাসিফ ভাই মরে গেলেও যায় আসতো না কারো। 'ইউনিটি চিবিয়ে খাইতাম'। কিন্তু অপ্রয়োজনীয় বয়কটে আমরা ঠিক ই আগে করতাম
৬. ইস্যু গুলো সবাই শুরু থেকে রেইজ করলেও কারো পাত্তা থাকে না শুধু পাওয়া যায় এক্সাম এ আগে। বয়কট বয়কট লিখে তারপর আসল কাজে নাই। অথোরিটি বলবে পরের টার্মে। দিয়ে ১ মাস পরীক্ষায় বসবে। and the cycle will continue.
৭. নিজে কাজ করবো না কিন্তু অন্য কেও করলে ব্লেইম দিবো যে তুই কেন নিজে থেকে করতে গেলি।
৮. আন্দোলনের জন্য বয়কট করা হয়েছিল। এই কারণেই একদল ডেডিকেটেড ভাবে আন্দোলন করেছে।কিন্তু যারা আসেন নি- তাঁদের খুব প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই অন্যান্য কাজ বা ট্যুর দিয়েছেন।
৯. আপনার ইন্ডাস্ট্রিয়াল এটাচমেন্ট এর জন্য কেন আমার ছুটি থাকবে?আমি কেন ক্লাস বাদ দিব? কেন পিছাই যাবো? কেন ১ মাস টার্ম ব্রেক দরকার?

যা বলেছি সব সত্য। ৯টা জিনিস এর প্রত্যেকটা আমাদের মধ্যে আছে। ৯ টা পয়েন্ট ই আপনাকে ট্রিগার দিবে।

বিশ্বাস করেন, যদি ৬ বছরে বের না হতে চান নিজেকে শুধরান। সেইম গ্রাউন্ড এ আসেন। আর তাছাড়া যদি মনে করেন খামচাখামচি জাস্টিফাইড , ৭ বছর লাগলেও সমস্যা নেই তাহলে কিছু বলার নেই।

আপনাদের সবার প্রতি একটি অত্যন্ত ভালো ধারণা ছিল বলে বুয়েটে এসেছিলাম। কিন্তু আপনারা এটা ভালো মতই বুঝিয়ে দিয়েছেন কেও কারো না এখানে। নিজের স্বার্থের এগেইন্সটে কথা বললেই ভিলেইন বানায় দেয়া হবে।

কমন গ্রাউন্ডে আসেন। মিড সিস্টেম, খাতা দেখা, প্লেসমেন্ট সহ অনেক ব্যাপারে কাজ করা যাবে। সমস্যা আইডেন্টিফাই করে দিয়েছি- এখন ৬ বছরে গ্র‍্যাজুয়েট করবেন নাকি ৪ বছরে এটা আপনাদের ব্যাপার।

কমেন্টে নেগেটিভ কিছু বা যাই বলেন - সত্য এগুলোই।

4 months ago | [YT] | 0

Explore With Rakibul

পৃথিবীতে অনেক পানি আছে কিন্তু পৃথিবীতে পরিস্কার পানি খুবই কম। দিন দিন এই পরিস্কার পানির পরিমান কমতেছে৷ পানির জন্য একদিন পৃথিবীতে যুদ্ধ হবে, একজন আরেকজনকে খুন করবে। আমরা এই সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার চেষ্টা করবো৷

5 months ago | [YT] | 0

Explore With Rakibul

তুমি যদি মনে কর জেগে থেকে অজ্ঞানের মত সময় অপচয় করব-তাহলে স্মার্টফোনের রঙিন দুনিয়ায় মত্ত হয়ে পড়ো,
কখন কেটে যাবে ২৪ ঘন্টা টেরি পাবে না....হুশ ফিরে দেখবে জীবন হয়েছে লক্ষ্যভ্রষ্ট |
✍️
M.Rafique Sir

5 months ago | [YT] | 0

Explore With Rakibul

কলেজ লেভেলে এত লেখকের বই থাকার কি আসলেই কোনো দরকার আছে? শুধু একটি বই থাকলে কি খুব বেশি ক্ষতি হতো?

প্রতিটি সাবজেক্টের কমপক্ষে ৪–৫টি প্রকাশনীর বই বাজারে আছে। কলেজে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই শিক্ষার্থীরা বই কেনা নিয়ে এক ধরনের নোংরা রাজনীতির শিকার হয়।

ধরুন, কোনো কলেজে গণিতের শিক্ষক আছেন দুইজন। একজন একটি প্রকাশনীর কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে সবাইকে সেই বই কিনতে বলবেন, আরেকজন অন্য প্রকাশনীর কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে তার বই কিনতে বলবেন। শেষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা দুই প্রকাশনীর বই-ই কিনবে। কিন্তু পরীক্ষার আগের রাতে সে দেখবে— ওই বইগুলোতে তার কলমের আঁচড়ও পড়েনি!

আমার কলেজে একবার এমন হয়েছে— সবাই এক প্রকাশনীর বই কিনছিল, আমিও কিনেছি। ছয় মাস পর শিক্ষক বদল হলো, আর নতুন স্যার তার নিজের প্রকাশনীর বই দিয়ে পড়ানো শুরু করলেন। তখন আবার বাধ্য হয়ে নতুন বই কিনতে হলো।

বই পড়ানো নিয়েও কত নোংরামি!

5 months ago | [YT] | 0

Explore With Rakibul

একটা কমন ট্রেন্ড কিছু হলেই কোচিং গুলোকে দোষ চাপানো৷ ভাই, কোনো ভালো স্যার, কিংবা কোচিং বলবে না তুমি বইয়ের ম্যাথ বাদ দিয়ে আমার ম্যাথ করো৷

কোচিংগুলোর টার্গেট থাকে সবসময় টপারদের নিয়ে৷ বুয়েটে টপ ১০ এ রাখবে এমন টার্গেট থাকে তাদের৷ তারপর তাদের নিয়ে পরের বছর ব্রান্ডিং করবে৷ তাই তারা কিছু advance লেভেলের ম্যাথ করায়৷

যাদের টপ ১০ এ থাকার ইচ্ছে নাই৷ তাদের জন্য এগুলা না ভাই৷ নিজের পড়াশুনা নিজে বুঝে না করে দিনশেষে কোচিং নিয়ে ট্রল করে লাভ নাই ভাই৷

6 months ago | [YT] | 0

Explore With Rakibul

কালকে EEE CT 😥 আল্লাহ তুমি রহমত দান করো।

6 months ago | [YT] | 0

Explore With Rakibul

Bangladesh is one of the most affected countries by climate change. Although our contribution to it is minimal, we are suffering the most.😥😓

6 months ago (edited) | [YT] | 0

Explore With Rakibul

"সরকার আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাণিজ্য ব্যবধান কমিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বেশি দাম দিয়ে হলেও গম আমদানি করা হবে। তারই অংশ হিসেবে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সমঝোতা চুক্তি করা হয়।"

আগে আমরা ভারতের কাছে বন্দী ছিলাম, এখন কি তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বন্দী হতে চলেছি?

6 months ago | [YT] | 0