S.Baidya MATHS CLASSES is official YouTube Channel Of SUVANKAR BAIDYA (Entertainer, Motivator & Teacher )
আমার এই চ্যানেলটা তাদের জন্য যারা অংক খুব ভালো করে শিখতে চাও| কিন্তু খুব দুর্বল হওয়ায় সেই বিষয়গুলিকে আয়ত্ত করতে পারছো না| তো যারা সেই বিষয়গুলি খুব মনোযোগ দিয়ে শিখতে চাও| তারা আমার চ্যানেলের সব কটা ভিডিও খুব ভালো করে দেখো এবং প্রত্যেকটা ক্লাসের জন্য আলাদা আলাদা প্লেলিস্ট করা আছে| আর একটা কথা বলে রাখি ভুল মানুষ মাত্রই হয় আমারও হয়তো অংক করাতে গিয়ে কখনো ভুল হতে পারে অযথা নোংরা ভাষায় গালাগালি না করে ভদ্র ব্যবহার করাটাই কাম্য||
Hello students,
S.Baidya MATHS CLASSES Sir' heartily welcomes you.My channel gives you a complete solution of all your doubts related to mathematics. Now, you don't have to go anywhere else because this channel works on the queries of its viewers. Now your parents don't have to pay high fee for your tuition. If you watch my videos regularly and practice them, then I assure you that you will definitely be able to perform excellent in the exams.
S.Baidya MATHS CLASSES
3 months ago | [YT] | 6
View 0 replies
S.Baidya MATHS CLASSES
7 months ago | [YT] | 3
View 0 replies
S.Baidya MATHS CLASSES
1897 সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মাদ্রাজে তোলা স্বামী বিবেকানন্দের ছবি।। ছবিটি তোলেন টি জি আপ্পাবান মুদালিয়র।।
🙏🙏🙏
"আমার কথা বিশ্বাস কর, তখনই- কেবল তখনই তুমি প্রকৃত হিন্দুপদবাচ্য, যখন মাত্র ঐ নামটিতেই তোমার ভিতরে বৈদ্যুতিক শক্তি সঞ্চারিত হইবে। তখনই- কেবল তখনই তুমি প্রকৃত হিন্দুপদবাচ্য হইবে, যখন যে কোন দেশীয়, যে কোন ভাষাভাষী হিন্দুনামধারী হইলেই অমনি তোমার পরমাত্মীয় বোধ হইবে। তখনই- কেবল তখনই তুমি হিন্দুপদবাচ্য, যখন হিন্দুনামধারী যে কোন ব্যক্তির দুঃখ কষ্ট তোমার হৃদয় স্পর্শ করিবে আর তুমি নিজ সন্তান বিপদে পড়িলে যেরূপ উদ্বিগ্ন হও তাহার কষ্টেও সেইরূপ উদ্বিগ্ন হইবে। তখনই- কেবল তখনই তুমি হিন্দুপদবাচ্য যখন তুমি তাহাদের নিকট হইতে মহান গুরুগোবিন্দ সিংহের মত সর্বপ্রকার অত্যাচার, নির্যাতন সহ্য করিতে প্রস্তুত হইবে।"
"যদি এই পৃথিবীর মধ্যে এমন কোন দেশ থাকে, যাহাকে 'পুণ্যভূমি' নামে বিশেষিত করা যাইতে পারে, যদি এমন কোন স্থান থাকে, যেখানে পৃথিবীর সকল জীবকেই তাহার কর্ম্মফল ভোগ করিবার জন্য আসিতে হইবে, যেখানে ঈশ্বরের অভিমুখী জীবমাত্রকেই পরিণামে আসিতে হইবে, যেখানে মনুষ্য জাতির ভিতর সর্বাপেক্ষা অধিক ক্ষমা, দয়া, পবিত্রতা, শান্তভাব, প্রভৃতি সদগুনের বিকাশ হইয়াছে, যদি এমন কোন দেশ থাকে, যেখানে সর্বাপেক্ষা অধিক আধ্যাত্মিকতা ও অন্তদৃষ্টির বিকাশ হইয়াছে তবে নিশ্চয়ই বলিতে পারি, তাহা আমাদের মাতৃভূমি এই ভারতবর্ষ। এই সেই প্রাচীনভূমি, যে স্থান হইতে উৎসারিত হইয়াই তত্ত্বজ্ঞান পরবর্তীকালে অন্যান্য দেশে প্রসার লাভ করিয়াছিল। এই সেই ভারতভূমি, বস্তুজগতে যে ভূমির আধ্যাত্মিকতার বিচ্ছুরণ সাগরসদৃশী প্রবাহমানা স্রোতস্বিনীর সহিত উপমেয়। এই সেই ভারতভূমি, যেখানে অনন্ত হিমালয় স্তরে স্তরে উত্থিত হইয়া তুষারশৃঙ্গের দ্বারা যেন স্বর্গরাজ্যের রহস্যনিচয়ের প্রতি দৃষ্টিপাত করিতেছে। এই সেই ভারত যে দেশের মৃত্তিকা শ্রেষ্ঠ ঋষিমুনিগণের পদধূলিতে পবিত্রীকৃত। এখানেই সর্বপ্রথম মনুষ্যের যথার্থ স্বরূপ ও অন্তর্জগতের রহস্য সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা উদিত হইয়াছিল। এইখানেই আত্মার অমৃতত্ত্ব, অন্তর্যামী ঈশ্বরের অস্তিত্ব এবং জীব ও জগতে অনুসৃত পরমাত্মার সুমহান তত্ত্বের প্রথম উদ্ভব। ধর্ম ও দর্শনের সর্ব্বোচ্চ আদর্শসকল এইখানেই চরম পরিণতি লাভ করিয়াছিল। এই সেই ভূমি যেখান হইতে ধর্ম ও দার্শনিক তত্ত্বসমূহ বন্যার মত প্রবাহিত হইয়া সমগ্র পৃথিবীকে প্লাবিত করিয়াছে।"
"নাসতঃ সজ্ জায়তে
অনস্তিত্ব হইতে কোন অস্তিত্বের উদ্ভব সম্ভব নহে। যাহা অসৎ তাহা কোন সদুত্তরের হেতুও হইতে পারে না। শূন্যতা হইতে কোন বস্তু জাত হয় না। কার্য-কারণ নিয়ম আর্য্যজাতিরই মতো সু-প্রাচীন। এই নিয়ম সর্বশক্তিমান, কোন দেশ বা কালের সীমায় ইহা আবদ্ধ নয়। প্রাচীন ঋষি কবিগণ ইহার মহিমা কীর্তন করিয়াছেন। দার্শনিকগণ ইহা প্রণয়ন করিয়াছেন এবং ইহাকেই ভিত্তিপ্রস্তররূপে স্বীকার করিয়া আজ পর্যন্ত হিন্দুজাতি তাহার জীবন দর্শন রচনা করিয়া চলিয়াছে। যদি বিভিন্ন দেশের ইতিহাস তুলনা করা যায় তবে দেখা যাইবে এই সহিষ্ণু নিরীহ হিন্দুজাতির নিকট পৃথিবী যতটা ঋণী আর কোন জাতিরই নিকট ততটা নহে। 'নিরীহ হিন্দু' কথাটি সময়ে সময়ে তীব্র নিন্দারূপেই প্রযুক্ত হইয়া থাকে। কিন্তু যদি কোন তিরস্কারবাক্যের মধ্যে গভীর সত্য লুক্কায়িত থাকে তবে ইহাতেই আছে। হিন্দুগণ চিরকালই ঈশ্বরের মহিমান্বিত সন্তান।"
"আমরা পূর্বেই দেখিয়াছি আমাদের ধর্ম্মই আমাদের তেজ, বীর্য, এমনকি রাষ্ট্রীয় জীবনের মূল ভিত্তি। আমি এখন এই বিচার করিতে যাইতেছি না যে, ধর্ম্ম সত্য কি মিথ্যা। আমি বিচার করিতে যাইতেছি না যে ধর্ম্মেই আমাদের রাষ্ট্রীয় জীবনের ভিত্তি স্থাপন করায় পরিণামে আমাদের কল্যাণ বা অকল্যাণ হইবে। ভালই হউক, বা মন্দই হউক, ধর্ম্মে আমাদের রাষ্ট্রীয় ভিত্তি রহিয়াছে। তোমরা উহা ত্যাগ করিতে পার না। চিরকালের জন্য উহাই তোমাদের রাষ্ট্রীয় জীবনের ভিত্তিস্বরূপ রহিয়াছে। সুতরাং আমাদের ধর্ম্মে আমার যেমন বিশ্বাস আছে তোমাদের যদি তেমন নাও থাকে তথাপি তোমাদিগকে এই ধর্ম্ম অবলম্বন করিয়াই থাকিতে হইবে। তোমরা এই ধর্ম্মবন্ধনে চিরআবদ্ধ। যদি ধর্ম্ম পরিত্যাগ কর তবে তোমরা চূর্ণ-বিচূর্ণ হইয়া যাইবে। ধর্ম্মই আমাদের জাতির জীবনস্বরূপ, ইহাকে দৃঢ় করিতে হইবে।... আমাদের কাজের মূল কথাটা সবসময় মনে রেখো। ধর্ম্মে একটুও আঘাত না করে জনসাধারণের উন্নতি। তোমরা কি সাম্য, স্বাধীনতা, কার্য ও উৎসাহে ঘোর পাশ্চাত্য এবং ধর্ম্মবিশ্বাসে ও সাধনে ঘোর হিন্দু হতে পার? এইটিই করতে হবে, এবং আমরাই তা করব। ভারতবর্ষের প্রাণশক্তি রয়েছে ধর্ম্মে। তোমরা যদি ধর্ম্মকে কেন্দ্র না করে ধর্ম্মকেই জাতীয় জীবনের প্রাণশক্তি না করে রাজনীতি, সমাজনীতি বা অন্য কিছুকে তার জায়গায় বসাও, তবে তোমরা একেবারে লুপ্ত হয়ে যাবে। এরকম যাতে না হয় সেই জন্য তোমাদেরকে সব কাজ করতে হবে ধর্ম্মের মধ্য দিয়ে- যা তোমাদের প্রাণশক্তি। ভারতে যে-কোনও সংস্কার বা উন্নতির চেষ্টা করা হোক, প্রথমত ধর্ম্মের উন্নতি প্রয়োজন। ভারতকে সামাজিক বা রাজনৈতিকভাবে প্লাবিত করার আগে প্রথমে আধ্যাত্মিকভাবে প্লাবিত করো। আমি অবশ্য একথা বলছি না যে, আর কিছুর প্রয়োজন নেই। আমি একথা বলছি না যে রাজনৈতিক বা সামাজিক উন্নতির কোনও প্রয়োজন নেই। আমার এইটুকু বক্তব্য- আর আমার ইচ্ছা, তোমরা এটা ভুলো না যে ঐগুলি গৌণ, ধর্ম্মই মুখ্য। ভারতবাসী প্রথমে চায় ধর্ম্ম, তারপর অন্যান্য জিনিস।.... সুতরাং এইটিই বেশ স্মরণ রাখিবে, তোমরা যদি ধর্ম্ম ছাড়িয়া দিয়া পাশ্চাত্য জাতির জড়বাদসর্বস্ব সভ্যতার অভিমুখে ধাবিত হও, তোমরা তিনপুরুষ যাইতে না যাইতেই বিনষ্ট হইবে। ধর্ম্ম ছাড়িয়া দিলে হিন্দুর জাতীয় মেরুদণ্ডই ভাঙিয়া যাইবে। যে ভিত্তির উপর জাতীয় সুবিশাল সৌধ নির্মিত হইয়াছিল তাহাই ভাঙিয়া যাইবে। ফল দাঁড়াইবে- সম্পূর্ণ ধ্বংস। অতএব হে বন্ধুগণ, ইহাই আমাদের জাতীয় উন্নতির পথ- আমাদের প্রাচীন পূর্বপুরুষগণের নিকট হইতে আমরা যে অমূল্য ধর্ম্মসম্পদ উত্তরাধিকারসূত্রে পাইয়াছি তাহাকে প্রাণপণে ধরিয়া থাকাই আমাদের প্রথম ও প্রধান কর্তব্য। তোমরা কি এমন দেশের কথা শুনিয়াছ যে দেশে বড় বড় রাজারা নিজদিগকে প্রাচীন রাজগণের অথবা পুরাতন দুর্গনিবাসী, পথিকদের সর্বস্ব লুন্ঠনকারী দস্যু ব্যারনগণের বংশধর বলিয়া পরিচয় দিতে গৌরব বোধ না করিয়া অরণ্যবাসী অর্ধনগ্ন মুনিঋষির বংশধর বলিয়া নিজেদের পরিচয় দিতে গৌরবান্বিত মনে করেন? তোমরা কি এমন দেশের কথা শুনিয়াছ? যদি না শুনিয়া থাকো, শোন- আমাদের মাতৃভূমিই সেই দেশ। অন্যান্য দেশে বড় বড় ধর্মাচার্যগণ নিজেদের কোন প্রাচীন রাজার বংশধর বলিয়া প্রতিপন্ন করিতে চেষ্টা করেন, এখানে বড় বড় রাজারা নিজেদের কোন প্রাচীন ঋষির বংশধর বলিয়া প্রমাণ করিতে সচেষ্ট। এই কারণেই আমি বলিতেছি, তোমরা ধর্ম্মে বিশ্বাস কর বা নাই কর, যদি জাতীয় জীবনকে অব্যাহত রাখিতে চাও তবে তোমাদিগকে এই ধর্ম্মরক্ষায় সচেষ্ট হইতে হইবে। এক হস্তে দৃঢ়ভাবে ধর্ম্মকে ধরিয়া অপর হস্ত প্রসারিত করিয়া অন্যান্য জাতির নিকট যাহা শিখিবার তাহা লও। কিন্তু মনে রাখিও যে সেইগুলিকে হিন্দুজীবনের সেই মূল আদর্শের অনুগত রাখিতে হইবে। তবেই ভবিষ্যত ভারত অপূর্বমহিমাণ্ডিত হইয়া আবির্ভূত হইবে। আমার দৃঢ় ধারনা শীঘ্রই সে শুভদিন আসিতেছে। আমার বিশ্বাস ভারত শীঘ্রই অভূতপূর্ব শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী হইবে।"
"তোমরা যে শত শতাব্দীর অত্যাচার সহ্য করিয়া এখনও অক্ষতভাবে দাঁড়াইয়া আছ তাহার কারণ তোমরা সযত্নে এই ধর্ম্মরক্ষা করিয়াছ, উহার জন্য অন্য সকল স্বার্থ ত্যাগ করিয়াছ। এই ধর্ম্মরক্ষার জন্য তোমাদের পূর্বপুরুষগণ সাহসপূর্বক সকলই সহ্য করিয়াছিলেন, এমন কি মৃত্যুকে পর্যন্ত আলিঙ্গন করিতে প্রস্তুত ছিলেন। বৈদেশিক বিজেতাগণ আসিয়া মন্দিরের পর মন্দির ভাঙিয়াছে, কিন্তু এই অত্যাচার-স্রোত যেই একটু বন্ধ হইয়াছে, আবার সেখানে মন্দিরের চূড়া উঠিয়াছে। অনেক গ্রন্থপাঠে যাহা না শিখিতে পারো, গুজরাটের সোমনাথ মন্দিরের মত (2026 সালে সোমনাথ মন্দিরে প্রথম আক্রমণের 1000 বছর পূর্ণ হয়েছে) দাক্ষিণাত্যের অনেক প্রাচীন মন্দির তোমাদিগকে অধিকতর শিক্ষা দিতে পারে, তোমাদের জাতির ইতিহাস সম্বন্ধে গভীরতর অন্তদৃষ্টি দিতে পারে। লক্ষ্য করিয়া দেখ ঐ মন্দির শত শত আক্রমণের ও শত শত পুনরভ্যুত্থানের চিহ্ন ধারণ করিয়া আছে- বার বার নষ্ট হইতেছে আবার সেই ধ্বংসাবশেষ হইতে উত্থিত হইয়া নূতন জীবন লাভ করিয়া পূর্বেরই মত অচল অটলভাবে বিরাজ করিতেছে। সুতরাং এইখানেই- এই ধর্ম্মেই আমাদের রাষ্ট্রীয় মন, রাষ্ট্রীয় প্রাণপ্রবাহ দেখিতে পাইবে। ধর্ম্ম অনুসরণ কর, তোমরা গৌরবান্বিত হইবে। ধর্ম্ম পরিত্যাগ কর, তোমাদের মৃত্যু নিশ্চয়। এই রাষ্ট্রীয় জীবন-প্রবাহের বিরুদ্ধে যাইতে চেষ্টা করিলে তাহার একমাত্র পরিণাম হইবে বিনাশ।... আসল কথা হচ্ছে যে নদীটা পাহাড় থেকে ১০০০ ক্রোশ নেমে এসেছে, সে কি আর পাহাড়ে ফিরে যায়, না যেতে পারে? যেতে চেষ্টা যদি একান্ত করে তো এদিক ওদিক ছড়িয়ে পড়ে মারা যাবে, এইমাত্র। সে নদী যেমন করে হোক সমুদ্রে যাবেই, দুদিন আগে বা পরে, দুটো ভাল জায়গার মধ্য দিয়ে, না হয় দু-একবার আস্তাকুঁড় ভেদ করে। যদি এ দশ হাজার বৎসরের জাতীয় জীবনটা ভুল হয়ে থাকে তো এখন উপায় নেই, এখন একটা নূতন চরিত্র গড়তে গেলেই মরে যাবে বই তো নয়।"
"আমাদিগকে আমাদের প্রকৃতি অনুযায়ী উন্নতির চেষ্টা করিতে হইবে। বৈদেশিক সংস্থাগুলি জোর করিয়া আমাদিগকে যে প্রণালীতে চালিত করিবার চেষ্টা করিতেছে তদনুযায়ী কাজ করিবার চেষ্টা বৃথা। উহা অসম্ভব, আমাদিগকে যে ভাঙিয়া চুরিয়া অপর জাতির মতো গড়িতে পারা অসম্ভব, সেজন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। আমি অন্যান্য জাতির সামাজিক প্রথার নিন্দা করিতেছি না। তাহাদের পক্ষে উহা ভাল হইলেও আমাদের পক্ষে নহে। তাহাদের পক্ষে যাহা অমৃত আমাদের পক্ষে তাহা বিষবৎ হইতে পারে। প্রথমে এইটিই শিক্ষা করিতে হইবে। অন্য ধরণের বিজ্ঞান ঐতিহ্য ও পদ্ধতি অনুযায়ী গঠিত হওয়াতে তাহাদের আধুনিক সামাজিক প্রথা একরূপ দাঁড়াইয়াছে। আমাদের পশ্চাতে আবার অন্য ধরণের ঐতিহ্য এবং সহস্র সহস্র বৎসরের কর্ম রহিয়াছে। সুতরাং আমরা স্বভাবতই আমাদের সংস্কার অনুযায়ী চলিতে পারি।"
8 months ago | [YT] | 3
View 0 replies
S.Baidya MATHS CLASSES
11 months ago | [YT] | 2
View 0 replies
S.Baidya MATHS CLASSES
How to calculate (a+b+c)^2 gemetrycally
1 year ago | [YT] | 0
View 0 replies
S.Baidya MATHS CLASSES
1 year ago | [YT] | 5
View 1 reply
S.Baidya MATHS CLASSES
How to Practice Mathematics:
অনেক ছাত্রছাত্রী চোখে দেখে গণিত মনে রাখার চেষ্টা করে অর্থাৎ মুখস্ত করার চেষ্টা করে যা সম্পুর্ণ ভুল পদ্ধতি। গণিত অনুশীলনের মাধ্যমে অভ্যাস করতে হয়।
গণিতের সূত্রাবলী সম্পুর্ণ হৃদয়ঙ্গম করতে হয়, যা কখনই ভুলে যাওয়া চলে না।
প্রচেষ্টা হল গণিতের মূল মন্ত্র। একটা গণিত শিখে নিয়ে সেটা থেকে একই রকম বা সামান্য ভিন্ন গণিত করতে পারাটাই প্রচেষ্টা।
করতে পারা গণিতও অনেক সময় ভুল হয়, তার জন্য প্রয়োজন আরো বেশি অধ্যাবসায় ও মনোযোগ।
গণিতের প্রতি ভীতি ও দুর্বলতা হলো শিক্ষার্থীদের কাছে গণিত না পারার প্রধান কারণ। গণিতের প্রতি ভয় নয় গণিতকে ভালোবাস্তে হবে, গণিতকে একটি চ্যালেঞ্জ হিসাবে গ্রহণ করতে হবে। করতে না পারা অঙ্ককে করবই এই জেদ মনে রাখতে হবে।
সর্বোপরি, শিক্ষার্থীকে গণিতে মেধাবী করে গড়ে তুলতে অভিভাবক ও শিক্ষকের গুরুত্ব অপরিসীম। অভিভাবক ও শিক্ষকেরা তার সমস্যার কথাগুলি জেনে নিয়ে তা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করবে এবং তাকে মনোবল ও উৎসাহ জাগাবে।
2 years ago | [YT] | 6
View 0 replies
S.Baidya MATHS CLASSES
মনে না থাকলে দেখে নাও আবার।
youtube.com/live/RMaNk0BcwFA?si=xGlDbyMA0lCGA9HY
2 years ago (edited) | [YT] | 7
View 0 replies
S.Baidya MATHS CLASSES
4 years ago | [YT] | 21
View 0 replies
S.Baidya MATHS CLASSES
m.facebook.com/story.php?story_fbid=14406464929884…
4 years ago | [YT] | 9
View 0 replies
Load more