আজকে ইরান যুদ্ধের ১০ দিন পার হয়ে গেল। Donald Trump এখন যুদ্ধ থামানোর জন্য বেশ দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দিসে। অলরেডি Vladimir Putin-কে ফোন দিছে, তারপর দাবি করছে যে পুতিনও নাকি যুদ্ধ থামাইতে আগ্রহী। মানে ট্রাম্প চায়—যুদ্ধটা শেষ হোক।
কিন্তু ট্রাম্পের এই আহ্বানের পরেই ইরান একটা কুইক রেসপন্স দিছে। ইরান জানায় দিছে—যুদ্ধ কখন শেষ হবে সেটা ইরান ঠিক করবে, আমেরিকা চাইলেই এখন আর এটা থামাইতে পারবে না। কেন জানেন? কারণ ইরান এই সমস্যার একটা পার্মানেন্ট সলিউশন চায়।
ধরেন, ইরান যদি এখন ট্রাম্পের কথায় রাজি হয়ে যুদ্ধ থামায়া দেয়, তাহলে এমন তো কোন গ্যারান্টি নাই যে Israel দুইদিন পর আবার ইরানে অ্যাটাক করবে না। ইসরাইল মিডল ইস্টে কোনো মুসলিম দেশকেই শান্তিতে থাকতে দিবে না—এটাই বাস্তবতা। আর মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল বা আমেরিকাকে জবাব দেওয়ার ক্ষমতা শুধু Iran-এরই আছে। আর এইজন্যই ইরানকে নিয়ে তাদের এত সমস্যা।
ইরানকে যদি কোনোভাবে থামানো যায়, তাহলে ইসরাইল অন্য মুসলিম দেশগুলোর দিকে হাত বাড়াবে। তখন যারা এখন ইসরাইলকে তলে তলে সাপোর্ট দিচ্ছে, তারাও বাঁচতে পারবে না।
সো, ইরান আপাতত কোনো লুজ ডিল করে যুদ্ধ থামাবে না। হ্যাঁ, এই যুদ্ধে ইরানের অনেক ক্ষতি হইতেছে। আমরা টিভিতে যা দেখি, বাস্তবে ইরানের ক্ষতি তার চেয়েও অনেক বেশি।
কিন্তু তারপরেও ইরানের জন্য এখন সবচেয়ে বেস্ট অপশন হইলো—এই যুদ্ধটাকে আরও লম্বা করা। কেন? কারণ ইরান যদি যুদ্ধটা টাইনা নিতে পারে, তাহলে ইসরাইল আর আমেরিকার যে পরিমাণ ইকোনমিক লস হবে, সেই ধাক্কা সামলাইয়া তারা সামনে খুব তাড়াতাড়ি আর নতুন করে যুদ্ধ শুরু করার সাহস পাবে না।
এটা ইরানের জন্য খুবই কঠিন, কিন্তু এটাই তাদের জন্য এখন টিকে থাকার রাস্তা। আমি কিন্তু যুদ্ধ চাই না বা সিভিলিয়ান মানুষ মারা যাক সেটাও চাই না। আমি জাস্ট ইরানের পয়েন্ট অফ ভিউ থেকে ফিউচারটা বলতেছি।
ইরান যদি এখন চুক্তি করে ফেলে, তাহলে কিছুদিন পর ইসরাইল আর আমেরিকা আবার একই খেলা শুরু করবে। কিন্তু তারপরও বলা যায় না কখন ইরান আবার সিদ্ধান্ত চেঞ্জ করে ফেলে, যুদ্ধের নিউজ প্রত্যেক মুহূর্তে চেঞ্জ হয়। দেখা যাক কি হয় সামনে।
এটা সূরা বাকারার ১১ এবং ১২ নাম্বার আয়াতের অর্থ (কোনরকম ব্যাখ্যা ছাড়া) । একটু দেখেন তো আমেরিকার সাথে মিলে কিনা,
“আর যখন তাদেরকে বলা হয়, ‘পৃথিবীতে ফাসাদ (অশান্তি) সৃষ্টি করো না’, তখন তারা বলে, ‘আমরাই তো সংশোধনকারী। জেনে রাখো! তারাই তো প্রকৃতপক্ষে ফাসাদ সৃষ্টিকারী, কিন্তু তারা তা উপলব্ধি করে না।”
শুধু মুসলমানরাই ধর্ম ত্যাগ করে নিজেদের সেকুলার প্রমাণ করতে ব্যস্ত। এইটাই মধ্যপ্রাচ্যের ও মুসলিম বিশ্বের ট্র্যাজেডির সারাংশ।
পৃথিবীতে যত যুদ্ধ, যত সংঘর্ষ, যত আন্তর্জাতিক বিরোধ তার বেশিরভাগই দেখা যায় ধর্মীয় পরিচয় আর আদর্শের জায়গা থেকে শুরু হইছে।
ইসরায়েলকে ধরি—তারা নিজেদের জিউইশ স্টেট হিসেবে ডিক্লেয়ার করেই দাঁড়িয়ে আছে। ইসরায়েল কখনোই বলবে না, আমরা সেকুলার। তারা গর্বের সঙ্গে বলে, আমরা জিউইশ ন্যাশন।
ভারতকে দেখেন, সংবিধানে সেকুলার লেখা থাকলেও, বাস্তবে এখন পুরো রাষ্ট্রটাকেই হিন্দুত্ববাদ কন্ট্রোল করে। হিন্দু রাস্ট্র বানানোর প্রোজেক্ট তারা চালাচ্ছে রীতিমতো। মসজিদ ভাঙা, গরু নিয়ে মানুষ মারা, মুসলিমদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া সব কিছু তারা ধর্মীয় পরিচযের উপর ভিত্তি করেই করে যাচ্ছে। এমনকি ছোট ছোট রাষ্ট্রগুলাও নিজেদের ধর্মীয় পরিচয়কে রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে ধরে রাখে।
কিন্তু মুসলিম দেশগুলোর কী অবস্থা? এইখানেই সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি।
বিএনপি জনগণকে এতটাই টায়ার্ড কইরা ফেলছে যে, আওয়ামী লীগ আবার মানুষের মুখে মুখে ফিরে আসতেছে!
মানে , এক দলের ব্যর্থতা আরেক দলকে লাইমলাইটে আনে। আর এই কারণেই আওয়ামী লীগ খুব দ্রুতই ফিরবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে। একদিন না একদিন এমনেও ফিরতো, তবে সেই ফেরা এখন সময়ের ব্যাপার।এই রাজনীতির মরণচক্রে মানুষ আটকা পড়তেছে। যেইখানে আসলে কেউ ভালো না, শুধু একটারে হজম করতে না পারলে আরেকটা অপশন হিসেবে সামনে আসে।
এই জিনিসটা আমরা ট্রাম্প আর বাইডেনের ক্ষেত্রেও দেখছি। বাইডেন প্রশাসনের সময় গাজায় ইজরাইল যা করছে সেটা ট্রাম্পের নির্বাচনে জেতার একটা বড় কারণ ছিল। আমেরিকার সাধারণ মানুষ ট্রাম্পকে ভোট দিল even though তারা জানত, ট্রাম্প ইসরায়েলের আরো আরো দৃঢ় সমর্থক। ট্রাম্প নির্বাচনে জিতে সরাসরি বলল , আমি গাজা ধ্বংস করব, হামাসকে মুছে ফেলব। অথচ মানুষ ট্রাম্পকেই ভোট দিল কারণ বিকল্প নাই।
বাংলাদেশও এখন ঠিক সেই অবস্থায়। এইটাই এখনকার রাজনীতির সবচেয়ে দুঃখজনক বাস্তবতা।
তবে একটা কথা বলে রাখি , নেক্সট টাইম আওয়ামীলীগ আসলে কিন্তু শুধু ছাত্র নেতাদের কাটবে না, সাথে যারা এখন জনগণের মন জয় করতে পারতেছে না তাদেরকেও কাটবে। আর এমনিতেও আওয়ামীলীগ এগ্রেসিভ রাজনীতি করে। এখন যেমন আপনাদের আওয়ামী লীগকে দরকার, আওয়ামী লীগ যখন আসবে তখন কিন্তু আওয়ামী লীগের আপনাদেরকে দরকার হবে না। সো সাবধানে,,
ডক্টর ইউনূসের পিছনে পইড়া লাভ নাই, এনসিপির পিছনে পইরাও লাভ নাই। এনসিপি যতটুকু হারাবে, আপনারা তার চেয়ে অনেক বেশি হারাবেন। বরং জনগণের পিছনে পড়েন। সরভাইব করতে পারবেন।
৬৭ বছরের বৃদ্ধ, যিনি নিজের জীবনের শেষ প্রান্তে এসে কোনো আর্থিক বিনিময় না নিয়েই মানুষের জন্য খুঁড়েছেন তিন হাজার কবর। পাশে ছিল একমাত্র সঙ্গী – একটি ঘোড়া। দীর্ঘদিন এই ঘোড়াটিই ছিল তার ছায়াসঙ্গী, তার নীরব সহযোদ্ধা।
কিন্তু নির্মমতার যেন কোনো সীমা থাকে না। অবলা সেই ঘোড়াটিকেও কেউ নির্মমভাবে হত্যা করলো। শুধু নির্মম আনন্দের শিকার হলো একটি প্রাণ।
একজন মানুষ যখন অন্যের জন্য এতটা নিঃস্বার্থ হতে পারে, তখন সমাজ কেন তার সেই একমাত্র সঙ্গীকেও রক্ষা করতে পারে না? কেন এমন নিষ্ঠুরতা?
সবাই বলতেছে "রিক্সা ভাঙা হইতেছে ", "গরিবরে মাইরা ফেলা হইতেছে " —কিন্তু এই রিক্সাগুলা কি কালকে প্রথম রাস্তায় নামছে?
গত ৯ মাস ধইরা বলা হইতেছে — "এইটা লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি। এইটা প্রধান সড়কে চললে বিপদ হবেই।” ডিএনসিসি বলছে, পুলিশ বলছে, ফেসবুকে পোস্ট দিছি, মাইকিং হইছে — তাও কেউ শোনে নাই । ডাইরেক্ট রাস্তায় গিয়া বলা হইছে। যারা বোঝাইতে গেছে, তারাই উলটা গালি খাইছে , মাইর খাইছে। তখন কেউ শোনে নাই।একটা রিক্সা চলতেছে — ঠিক আছে।কিন্তু যদি ওই রিক্সার কারণে একটা পরিবার রাস্তার ওপর মারা যায়, তখন তো চোখের পানি ফেইলা কিছু হবে না।
এই রিকশাগুলার অনেক সমস্যা আছে। এই রিক্সাগুলার শেইপ ভালো না। সামনের দিকে একটা মোটা রড লাগানো থাকে । এই রডটা কোন গাড়িতে লাগলে একদম দাগ বইসা যায়।এই রিক্সাগুলা নিয়ন্ত্রণে থাকে না, যারা এগুলো চালাইতেছে — তাদের ম্যাক্সিমাম সিগন্যাল বোঝে না, ওভারটেক করতে চায় বাইক, প্রাইভেট কারের সাথে রেস করে। এই রিক্সাগুলার কারণে রাস্তায় খুব বিশ্রী এক্সিডেন্ট হয়। এখন অভিযান শুরু হইছে — সবার মুখে “রিজিক”, “মানবতা”, “গরিবের জীবন”। — এই কথাগুলা তখন কই ছিল, যখন রিক্সা চালায়া শহরের রাস্তা ব্লক কইরারাখা হইতেছিল? এখন ধরা খাইছে — তাই চোখে পানি। মানবতার গল্প। আমিও মানুষ — কষ্ট দেখি, অবশ্যই খারাপ লাগে। কিন্তু প্রশ্ন হইতেছে — এই মানবতা কার জন্য?যদি একজন রাস্তায় মারা যায়, কারণ এক চালক উল্টা রাস্তায় চালাইছে — তখন এটার বিচার কি ?
ঠিক আছে একজন চালক কিস্তিতে গাড়ি কিনছে , ওর সংসার চলে এইটাতে। কিন্তু আপনি যদি জানেন — গাড়িটা মেইন রোডে অবৈধ, তারপরও চালান — তাহলে আইন ইচ্ছা কইরা ভাঙতেছেন। এটা তো কেউ জোর কইরা করে নাই।
নিজেই করছেন, জেনেশুনে। এইসব রিক্সা চালানো বন্ধ হইতেছে ঠিক আছে,কিন্তু চালকের সঙ্গে যারা এই রিক্সা বানাইতেছে, আমদানি করতেছে, বিক্রি করতেছে, রাস্তা ছাড় দিতেছে — তাদেরও ধরা লাগবে। তারা আরও বড় অপরাধী। কারণ তারা গরিব মানুষরে বিপদে ফেলতেছে, বিক্রি করছে এমন জিনিস — যেটা রাস্তার জন্য বিপদ।এই শহরের রাস্তায় কেও হাটতেছে, কেউ বাইক চালাইতেছে কেউ বাস চালাইতেছে , একটা অসতর্ক রিক্সা সবার জন্য বিপদ তৈরি করতেছে। রিক্সাওয়ালা কোন লেন মানতেছে না। তার মধ্যে জ্যাম দিন দিন খালি বাড়তেছে তাই বলতেছি — আমরা শত্রু না। আমরা শৃঙ্খলা চাই। রিক্সা বন্ধ করা হচ্ছে না — অবৈধ রিক্সা থামানো হইতেছে।
শহরে নিয়ম ফিরে আসে, যেন মানুষ নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে। শেষ কথা খুব সহজ —মানবতা দরকার, কিন্তু আইন না মানলে কান্না দিয়ে কিছু হবে না। শহরটারে যদি নিরাপদ রাখতে হয়, তাহলে মেইন রোডে কোনো অবৈধ অটোরিক্সা চলবে না। এইটা রিক্সার বিরুদ্ধে না —
আজকে টাফ দিন ছিল ভারতের জন্য। এতটাই যে, যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাবে তড়িঘড়ি রাজি হয়ে গেছে। যারা আগ বাড়িয়ে যুদ্ধ শুরু করছিল, তারাই আবার আগে আগে যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা দেয়।
সামরিকভাবে একটু সুবিধা করতে পারলেই,নাটক শুরু করবে আবার। কত নিরপরাধ মানুষ প্রাণ হারাইল, আর এই পুরো ট্র্যাজেডির পরিচালক ভারত। সন্ত্রাসবাদ বলেন, নাটক বলেন , সবকিছুর জন্মদাতা।
আর যারা ভাবছিল, পাকিস্তানের তো এবার খবর হয়ে যাবে তাদের জন্য আমার পক্ষ থেকে সমবেদনা। কারণ যুদ্ধ কিভাবে কাজ করে, সেই বেসিকটাই তারা বোঝে না।
এনিওয়ে, আমি পাকিস্তানের পক্ষেই ছিলাম শুরু থেকে। কারণ পাকিস্তান প্রতিটি স্টেপই নিছে আত্মরক্ষার জন্য। কোনো আগ বাড়াইয়া হামলা না, কোনো উসকানি না— শুধু নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করতেই তারা সবকিছু করছে এই কয়টা দিন।
যুদ্ধের তৃতীয় দিনে এসে ভারতীয় ইউটিউবাররাই ভারতের গদি মিডিয়ার সমালোচনা শুরু করে দিয়েছে ।
মানসিকভাবে ভারতীয়দেরকে চাঙ্গা রাখতে দুইদিন ধরে গদি মিডিয়া প্রচার করলো ইসলামাবাদ দখলের গল্প, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান বদলের গল্প। অথচ তৃতীয় দিনে এসে আজকে ভারত মোটামুটি নাজেহাল।
Abdullah
আজকে ইরান যুদ্ধের ১০ দিন পার হয়ে গেল। Donald Trump এখন যুদ্ধ থামানোর জন্য বেশ দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দিসে। অলরেডি Vladimir Putin-কে ফোন দিছে, তারপর দাবি করছে যে পুতিনও নাকি যুদ্ধ থামাইতে আগ্রহী। মানে ট্রাম্প চায়—যুদ্ধটা শেষ হোক।
কিন্তু ট্রাম্পের এই আহ্বানের পরেই ইরান একটা কুইক রেসপন্স দিছে। ইরান জানায় দিছে—যুদ্ধ কখন শেষ হবে সেটা ইরান ঠিক করবে, আমেরিকা চাইলেই এখন আর এটা থামাইতে পারবে না। কেন জানেন? কারণ ইরান এই সমস্যার একটা পার্মানেন্ট সলিউশন চায়।
ধরেন, ইরান যদি এখন ট্রাম্পের কথায় রাজি হয়ে যুদ্ধ থামায়া দেয়, তাহলে এমন তো কোন গ্যারান্টি নাই যে Israel দুইদিন পর আবার ইরানে অ্যাটাক করবে না। ইসরাইল মিডল ইস্টে কোনো মুসলিম দেশকেই শান্তিতে থাকতে দিবে না—এটাই বাস্তবতা। আর মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল বা আমেরিকাকে জবাব দেওয়ার ক্ষমতা শুধু Iran-এরই আছে। আর এইজন্যই ইরানকে নিয়ে তাদের এত সমস্যা।
ইরানকে যদি কোনোভাবে থামানো যায়, তাহলে ইসরাইল অন্য মুসলিম দেশগুলোর দিকে হাত বাড়াবে। তখন যারা এখন ইসরাইলকে তলে তলে সাপোর্ট দিচ্ছে, তারাও বাঁচতে পারবে না।
সো, ইরান আপাতত কোনো লুজ ডিল করে যুদ্ধ থামাবে না। হ্যাঁ, এই যুদ্ধে ইরানের অনেক ক্ষতি হইতেছে। আমরা টিভিতে যা দেখি, বাস্তবে ইরানের ক্ষতি তার চেয়েও অনেক বেশি।
কিন্তু তারপরেও ইরানের জন্য এখন সবচেয়ে বেস্ট অপশন হইলো—এই যুদ্ধটাকে আরও লম্বা করা। কেন? কারণ ইরান যদি যুদ্ধটা টাইনা নিতে পারে, তাহলে ইসরাইল আর আমেরিকার যে পরিমাণ ইকোনমিক লস হবে, সেই ধাক্কা সামলাইয়া তারা সামনে খুব তাড়াতাড়ি আর নতুন করে যুদ্ধ শুরু করার সাহস পাবে না।
এটা ইরানের জন্য খুবই কঠিন, কিন্তু এটাই তাদের জন্য এখন টিকে থাকার রাস্তা। আমি কিন্তু যুদ্ধ চাই না বা সিভিলিয়ান মানুষ মারা যাক সেটাও চাই না। আমি জাস্ট ইরানের পয়েন্ট অফ ভিউ থেকে ফিউচারটা বলতেছি।
ইরান যদি এখন চুক্তি করে ফেলে, তাহলে কিছুদিন পর ইসরাইল আর আমেরিকা আবার একই খেলা শুরু করবে। কিন্তু তারপরও বলা যায় না কখন ইরান আবার সিদ্ধান্ত চেঞ্জ করে ফেলে, যুদ্ধের নিউজ প্রত্যেক মুহূর্তে চেঞ্জ হয়। দেখা যাক কি হয় সামনে।
1 month ago | [YT] | 0
View 0 replies
Abdullah
কৃষক এক ফুলকপিতে ৩/৪ টাকা পাইলে সেটা ঢাকায় আইসা ৪০/৫০ টাকা হয় কিভাবে সে কথা মাথায় রাইখা ভোট দিতে যাইয়েন।
অনেকে ভাবে আমি তো ভুক্তভোগী না, বাস্তবতা হলো রাস্তার একটা ভিক্ষুকও ভুক্তভোগী।
শেষ কথা, বাংলাদেশের নির্বাচন একটা স্ক্যাম। তারপরেও আমরা তো কেউ দায়বদ্ধতা এড়াইতে পারি না।
1 month ago | [YT] | 0
View 0 replies
Abdullah
এটা সূরা বাকারার ১১ এবং ১২ নাম্বার আয়াতের অর্থ (কোনরকম ব্যাখ্যা ছাড়া) । একটু দেখেন তো আমেরিকার সাথে মিলে কিনা,
“আর যখন তাদেরকে বলা হয়, ‘পৃথিবীতে ফাসাদ (অশান্তি) সৃষ্টি করো না’, তখন তারা বলে, ‘আমরাই তো সংশোধনকারী। জেনে রাখো! তারাই তো প্রকৃতপক্ষে ফাসাদ সৃষ্টিকারী, কিন্তু তারা তা উপলব্ধি করে না।”
3 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Abdullah
আপনার মতে, ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের আসল কারণ কী?
9 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Abdullah
শুধু মুসলমানরাই ধর্ম ত্যাগ করে নিজেদের সেকুলার প্রমাণ করতে ব্যস্ত। এইটাই মধ্যপ্রাচ্যের ও মুসলিম বিশ্বের ট্র্যাজেডির সারাংশ।
পৃথিবীতে যত যুদ্ধ, যত সংঘর্ষ, যত আন্তর্জাতিক বিরোধ তার বেশিরভাগই দেখা যায় ধর্মীয় পরিচয় আর আদর্শের জায়গা থেকে শুরু হইছে।
ইসরায়েলকে ধরি—তারা নিজেদের জিউইশ স্টেট হিসেবে ডিক্লেয়ার করেই দাঁড়িয়ে আছে। ইসরায়েল কখনোই বলবে না, আমরা সেকুলার। তারা গর্বের সঙ্গে বলে, আমরা জিউইশ ন্যাশন।
ভারতকে দেখেন, সংবিধানে সেকুলার লেখা থাকলেও, বাস্তবে এখন পুরো রাষ্ট্রটাকেই হিন্দুত্ববাদ কন্ট্রোল করে। হিন্দু রাস্ট্র বানানোর প্রোজেক্ট তারা চালাচ্ছে রীতিমতো। মসজিদ ভাঙা, গরু নিয়ে মানুষ মারা, মুসলিমদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া সব কিছু তারা ধর্মীয় পরিচযের উপর ভিত্তি করেই করে যাচ্ছে। এমনকি ছোট ছোট রাষ্ট্রগুলাও নিজেদের ধর্মীয় পরিচয়কে রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে ধরে রাখে।
কিন্তু মুসলিম দেশগুলোর কী অবস্থা?
এইখানেই সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি।
9 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Abdullah
বিএনপি জনগণকে এতটাই টায়ার্ড কইরা ফেলছে যে, আওয়ামী লীগ আবার মানুষের মুখে মুখে ফিরে আসতেছে!
মানে , এক দলের ব্যর্থতা আরেক দলকে লাইমলাইটে আনে। আর এই কারণেই আওয়ামী লীগ খুব দ্রুতই ফিরবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে। একদিন না একদিন এমনেও ফিরতো, তবে সেই ফেরা এখন সময়ের ব্যাপার।এই রাজনীতির মরণচক্রে মানুষ আটকা পড়তেছে। যেইখানে আসলে কেউ ভালো না, শুধু একটারে হজম করতে না পারলে আরেকটা অপশন হিসেবে সামনে আসে।
এই জিনিসটা আমরা ট্রাম্প আর বাইডেনের ক্ষেত্রেও দেখছি। বাইডেন প্রশাসনের সময় গাজায় ইজরাইল যা করছে সেটা ট্রাম্পের নির্বাচনে জেতার একটা বড় কারণ ছিল। আমেরিকার সাধারণ মানুষ ট্রাম্পকে ভোট দিল even though তারা জানত, ট্রাম্প ইসরায়েলের আরো আরো দৃঢ় সমর্থক।
ট্রাম্প নির্বাচনে জিতে সরাসরি বলল , আমি গাজা ধ্বংস করব, হামাসকে মুছে ফেলব। অথচ মানুষ ট্রাম্পকেই ভোট দিল কারণ বিকল্প নাই।
বাংলাদেশও এখন ঠিক সেই অবস্থায়। এইটাই এখনকার রাজনীতির সবচেয়ে দুঃখজনক বাস্তবতা।
তবে একটা কথা বলে রাখি , নেক্সট টাইম আওয়ামীলীগ আসলে কিন্তু শুধু ছাত্র নেতাদের কাটবে না, সাথে যারা এখন জনগণের মন জয় করতে পারতেছে না তাদেরকেও কাটবে। আর এমনিতেও আওয়ামীলীগ এগ্রেসিভ রাজনীতি করে। এখন যেমন আপনাদের আওয়ামী লীগকে দরকার, আওয়ামী লীগ যখন আসবে তখন কিন্তু আওয়ামী লীগের আপনাদেরকে দরকার হবে না। সো সাবধানে,,
ডক্টর ইউনূসের পিছনে পইড়া লাভ নাই, এনসিপির পিছনে পইরাও লাভ নাই। এনসিপি যতটুকু হারাবে, আপনারা তার চেয়ে অনেক বেশি হারাবেন। বরং জনগণের পিছনে পড়েন। সরভাইব করতে পারবেন।
10 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Abdullah
৬৭ বছরের বৃদ্ধ, যিনি নিজের জীবনের শেষ প্রান্তে এসে কোনো আর্থিক বিনিময় না নিয়েই মানুষের জন্য খুঁড়েছেন তিন হাজার কবর। পাশে ছিল একমাত্র সঙ্গী – একটি ঘোড়া। দীর্ঘদিন এই ঘোড়াটিই ছিল তার ছায়াসঙ্গী, তার নীরব সহযোদ্ধা।
কিন্তু নির্মমতার যেন কোনো সীমা থাকে না। অবলা সেই ঘোড়াটিকেও কেউ নির্মমভাবে হত্যা করলো। শুধু নির্মম আনন্দের শিকার হলো একটি প্রাণ।
একজন মানুষ যখন অন্যের জন্য এতটা নিঃস্বার্থ হতে পারে, তখন সমাজ কেন তার সেই একমাত্র সঙ্গীকেও রক্ষা করতে পারে না? কেন এমন নিষ্ঠুরতা?
10 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Abdullah
সবাই বলতেছে "রিক্সা ভাঙা হইতেছে ", "গরিবরে মাইরা ফেলা হইতেছে " —কিন্তু এই রিক্সাগুলা কি কালকে প্রথম রাস্তায় নামছে?
গত ৯ মাস ধইরা বলা হইতেছে — "এইটা লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি। এইটা প্রধান সড়কে চললে বিপদ হবেই।” ডিএনসিসি বলছে, পুলিশ বলছে, ফেসবুকে পোস্ট দিছি, মাইকিং হইছে — তাও কেউ শোনে নাই । ডাইরেক্ট রাস্তায় গিয়া বলা হইছে। যারা বোঝাইতে গেছে, তারাই উলটা গালি খাইছে , মাইর খাইছে। তখন কেউ শোনে নাই।একটা রিক্সা চলতেছে — ঠিক আছে।কিন্তু যদি ওই রিক্সার কারণে একটা পরিবার রাস্তার ওপর মারা যায়, তখন তো চোখের পানি ফেইলা কিছু হবে না।
এই রিকশাগুলার অনেক সমস্যা আছে। এই রিক্সাগুলার শেইপ ভালো না। সামনের দিকে একটা মোটা রড লাগানো থাকে । এই রডটা কোন গাড়িতে লাগলে একদম দাগ বইসা যায়।এই রিক্সাগুলা নিয়ন্ত্রণে থাকে না, যারা এগুলো চালাইতেছে — তাদের ম্যাক্সিমাম সিগন্যাল বোঝে না, ওভারটেক করতে চায় বাইক, প্রাইভেট কারের সাথে রেস করে। এই রিক্সাগুলার কারণে রাস্তায় খুব বিশ্রী এক্সিডেন্ট হয়। এখন অভিযান শুরু হইছে — সবার মুখে “রিজিক”, “মানবতা”, “গরিবের জীবন”। — এই কথাগুলা তখন কই ছিল, যখন রিক্সা চালায়া শহরের রাস্তা ব্লক কইরারাখা হইতেছিল? এখন ধরা খাইছে — তাই চোখে পানি। মানবতার গল্প। আমিও মানুষ — কষ্ট দেখি, অবশ্যই খারাপ লাগে। কিন্তু প্রশ্ন হইতেছে — এই মানবতা কার জন্য?যদি একজন রাস্তায় মারা যায়, কারণ এক চালক উল্টা রাস্তায় চালাইছে — তখন এটার বিচার কি ?
ঠিক আছে একজন চালক কিস্তিতে গাড়ি কিনছে , ওর সংসার চলে এইটাতে। কিন্তু আপনি যদি জানেন — গাড়িটা মেইন রোডে অবৈধ, তারপরও চালান — তাহলে আইন ইচ্ছা কইরা ভাঙতেছেন। এটা তো কেউ জোর কইরা করে নাই।
নিজেই করছেন, জেনেশুনে। এইসব রিক্সা চালানো বন্ধ হইতেছে ঠিক আছে,কিন্তু চালকের সঙ্গে যারা এই রিক্সা বানাইতেছে, আমদানি করতেছে, বিক্রি করতেছে, রাস্তা ছাড় দিতেছে — তাদেরও ধরা লাগবে। তারা আরও বড় অপরাধী। কারণ তারা গরিব মানুষরে বিপদে ফেলতেছে, বিক্রি করছে এমন জিনিস — যেটা রাস্তার জন্য বিপদ।এই শহরের রাস্তায় কেও হাটতেছে, কেউ বাইক চালাইতেছে কেউ বাস চালাইতেছে , একটা অসতর্ক রিক্সা সবার জন্য বিপদ তৈরি করতেছে। রিক্সাওয়ালা কোন লেন মানতেছে না। তার মধ্যে জ্যাম দিন দিন খালি বাড়তেছে তাই বলতেছি — আমরা শত্রু না। আমরা শৃঙ্খলা চাই। রিক্সা বন্ধ করা হচ্ছে না — অবৈধ রিক্সা থামানো হইতেছে।
শহরে নিয়ম ফিরে আসে, যেন মানুষ নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে। শেষ কথা খুব সহজ —মানবতা দরকার, কিন্তু আইন না মানলে কান্না দিয়ে কিছু হবে না। শহরটারে যদি নিরাপদ রাখতে হয়, তাহলে মেইন রোডে কোনো অবৈধ অটোরিক্সা চলবে না। এইটা রিক্সার বিরুদ্ধে না —
এইটা বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে।
এইটা জনগণের নিরাপত্তার জন্য।
10 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Abdullah
আজকে টাফ দিন ছিল ভারতের জন্য। এতটাই যে, যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাবে তড়িঘড়ি রাজি হয়ে গেছে।
যারা আগ বাড়িয়ে যুদ্ধ শুরু করছিল,
তারাই আবার আগে আগে যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা দেয়।
সামরিকভাবে একটু সুবিধা করতে পারলেই,নাটক শুরু করবে আবার।
কত নিরপরাধ মানুষ প্রাণ হারাইল, আর এই পুরো ট্র্যাজেডির পরিচালক ভারত। সন্ত্রাসবাদ বলেন, নাটক বলেন , সবকিছুর জন্মদাতা।
আর যারা ভাবছিল, পাকিস্তানের তো এবার খবর হয়ে যাবে তাদের জন্য আমার পক্ষ থেকে সমবেদনা। কারণ যুদ্ধ কিভাবে কাজ করে, সেই বেসিকটাই তারা বোঝে না।
এনিওয়ে, আমি পাকিস্তানের পক্ষেই ছিলাম শুরু থেকে। কারণ পাকিস্তান প্রতিটি স্টেপই নিছে আত্মরক্ষার জন্য। কোনো আগ বাড়াইয়া হামলা না, কোনো উসকানি না— শুধু নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করতেই তারা সবকিছু করছে এই কয়টা দিন।
11 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Abdullah
যুদ্ধের তৃতীয় দিনে এসে ভারতীয় ইউটিউবাররাই ভারতের গদি মিডিয়ার সমালোচনা শুরু করে দিয়েছে ।
মানসিকভাবে ভারতীয়দেরকে চাঙ্গা রাখতে দুইদিন ধরে গদি মিডিয়া প্রচার করলো ইসলামাবাদ দখলের গল্প, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান বদলের গল্প। অথচ তৃতীয় দিনে এসে আজকে ভারত মোটামুটি নাজেহাল।
11 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Load more