বাংলা ও বাংলার প্রকৃতি

আলোচ্য বিষয়: ১) বাংলা বর্ণমালা ২) বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব ৩) বাংলা উচ্চারণ ৪) বাংলা বানান ৫) বাংলা ব্যাকরণ


বাংলা ও বাংলার প্রকৃতি

মহানুভব রবীন্দ্রনাথ
কলমে✍️ ডা. Sanjay Raha
আশা করি আপনারা সবাই "বঙ্গীয় শব্দকোষ" প্রণেতা হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা জানেন। আর আপনারা এটাও নিশ্চয়ই জানেন যে উপরোক্ত অভিধানটি প্রণয়নের জন্য রবীন্দ্রনাথ কীভাবে হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনুপ্রাণিত ও নানারকমের সহযোগিতা করেছিলেন। প্রবল দারিদ্রজীর্ণ হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি কত ভাবে যে তাঁর ছাত্রাবস্থা থেকেই সাহায্য করেছেন তাও আপনারা জানেন। আর ছাত্রাবস্থার শেষে হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় যখন তাঁর পতিসরের জমিদারিতে নিতান্ত একজন সামান্য কর্মচারী, তখন হরিচরণের সাহিত্যচর্চায় নিমগ্নপ্রাণতা দেখে তিনি (রবীন্দ্রনাথ) তাঁকে শান্তিনিকেতনে আহ্বান করেন ও অধ্যাপক-পদে বরণ করেন, এসবও আপনারা জানেন। আরও আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, এই হরিচরণের গবেষণাকার্যে সাহায্যের জন্য তিনি কাশিমবাজারের মহারাজার কাছ থেকে অর্থসাহায্য পর্যন্ত ভিক্ষা করে এনেছিলেন।

এহেন স্নেহধন্য হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিও একবার একটি কারণে তাঁর চিত্তবিক্ষোভ ঘটেছিল। তখনকার সময়ে তাঁরই নির্দেশে শান্তিনিকেতনে প্রতি বুধবার সন্ধ্যাকালে আশ্রমের সমস্ত শিক্ষক ও ছাত্র মিলে একটি প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হত। সেই সভায় হরিচরণ বন্দোপাধ্যায়কে একাধিক দিন অনুপস্থিত থাকতে দেখে তাঁকে ডেকে তিনি বলেছিলেন, "তোমরা কি কেবল লেখাপড়া করতে আর পড়াতে এখানে এসেছ? বুধবারে মন্দিরে আমরা সমবেত হই, এটা কি ভালো বোধ কর না?" এই প্রশ্নের উত্তরে হরিচরণবাবু জানান, তিনি নিজের নিত্যকার সান্ধ্যকালীন জপতপের কারণেই উপস্থিত থাকতে পারেন না।
পরদিন বিকালে কবি আবার হরিচরণবাবুকে ডেকে বলেছিলেন, "হরিচরণ কাল বৈকালে কোনো কারণে আমার মন অশান্ত ছিল, তাই সংযম রক্ষা করতে পারিনি, তোমাকে অপ্রিয় কথা বলেছি, তুমি মনে কিছু কোরো না, ভাববে এটা আমার চিত্ত দৌর্বল্য।"

রবীন্দ্রনাথের কথা হরিচরণের চোখে জল এনে দেয়। এই বিশ্বখ্যাত মানুষটি কিনা তাঁরই অধঃস্তন একজনের কাছে তাঁর কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছেন। ঘটনাটিকে আপাতদৃষ্টিতে কারো কারো চোখে সামান্য মনে হলেও আসলে কিন্তু অসামান্য ব্যাপার। বিশাল মাপের এই মানুষটির বিশালত্ব সেইদিনই আরো একবার হরিচরণ উপলব্ধি করেন। হরিচরণ তাই তাঁর জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এই ঘটনাটিকে কবি মনের মহানুভবতা ও অসামান্য মহত্ত্বের পরিচয়স্বরূপ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রেখেছিলেন।

** ‘মহানুভব রবীন্দ্রনাথ’ নামের এই নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধটি লিখে আমাদের সমৃদ্ধ করেছেন আমার শব্দগুরু ডা. সঞ্জয় রাহা, ডাক্তারবাবুকে আন্তরিক শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাই🙏🙏

3 weeks ago | [YT] | 202

বাংলা ও বাংলার প্রকৃতি

বাংলা লিপি বা হরফ ঠিক কবে কে তৈরি করেছেন?

3 weeks ago | [YT] | 154

বাংলা ও বাংলার প্রকৃতি

আজ ৩রা জানুয়ারি, শ্রদ্ধেয় মদনমোহন তর্কালঙ্কার মহাশয়ের জন্মদিন। তাঁর রচিত ‘শিশুশিক্ষা’-কে হয়তো আমরা অনেকেই মনে রাখিনি, কিন্তু তাঁর কালজয়ী সেই কবিতা ‘পাখী সব করে রব রাতি পোহাইল’ আমরা ভুলিনি, হয়তো কখনও ভুলতে পারব না।

স্থান: বেথুয়াডহরী, নদিয়া, পশ্চিমবঙ্গ।

3 weeks ago | [YT] | 477

বাংলা ও বাংলার প্রকৃতি

ব্যস্ততায় কাটল ২০২৫, সঙ্গে ছিল ‘বাংলা ও বাংলার প্রকৃতি’, সঙ্গে ছিলেন আপনারা। প্রার্থনা করি, ২০২৬-এও সুস্থ শরীর ও মন নিয়ে আপনারাও ব্যস্ত থাকুন, আনন্দে থাকুন; সঙ্গে রাখুন বাংলা ও বাংলার প্রকৃতি-কে🙏

3 weeks ago | [YT] | 342

বাংলা ও বাংলার প্রকৃতি

"বয়স সংখ্যা ব্যতীত আর কী!"
কলমে বিষ্ণুপদ গোলদার

বয়স তখন আমার ৩৮ বছর ছুঁই ছুঁই। ভারত সরকারের কর্মচারী। কলকাতার ধর্মতলায় অফিস। সমাজ আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে। আজ পর্যন্ত আমি সমাজকে কিছুই দিতে পারিনি। এমনই এক ভাবনায় তাড়িত হয়ে ১৯৯৯ সালে যোগ দিলাম সম্পূর্ণরূপে এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনে। সমাজের বিভিন্ন পেশার মানুষ তাঁদের দৈনন্দিন পেশাগত কাজ সমাপ্ত করে এখানে এসে নিজের পছন্দের কাজ খুঁজে নিয়ে শ্রমদান করেন ।

একদিন সংগঠনের এক সিনিয়র সদস্যা আমাকে জিজ্ঞেস করেন, "তুমি আজ কি কাজ করবে?" আমি সার্টিফিকেট লেখার ইচ্ছা প্রকাশ করলে তিনি অত্যন্ত অবজ্ঞা নিয়ে আমাকে আক্রমণাত্মক কণ্ঠে বললেন,
" কী! তুমি লিখবে সার্টিফিকেট! তোমাকে লিখতে হবে না। লেখার জন্য আছে তমাল, গগন, ভরত এবং চম্পা বৌদি (সব ক'টি নামই কল্পিত)। ওঁদের হাতের লেখা সত্যিই খুব সুন্দর। তাঁদের লেখা দেখেই আমি অনুপ্রেরণা পাই। সিনিয়র সদস্যার এহেন অপমান আমাকে তীব্রভাবে বিদ্ধ করে। মনের মধ্যে এক অদম্য জেদ জন্ম নেয় যে হাতের লেখা কেমন করে সুন্দর থেকে সুন্দরতম হয় দেখাবো আমি। পরদিনই কিনে ফেললাম স্লেট ও পেন্সিল। নতুন করে শিশুদের মতো লিখতে শুরু করলাম এ বি সি ডি…। প্রতিটি অক্ষর দশবার করে লিখতাম তারপর নিজেই খুঁজে নিতাম সবচেয়ে সুন্দর অক্ষরটি। এমন করে চলতে থাকলো এ থেকে জেড লেখা। যখনি সময় পেতাম তখনই লিখতাম। অফিসে যেমন কাজের ফাঁকে হাত চলত, ঠিক তেমনই বাড়িতে সপরিবারে যখন সবাই টিভি সিরিয়ালে মগ্ন আমি স্লেটে লিখে চলতাম। লেখা মুছতে মুছতে হাতের তালু সাদা করে ফেলতাম।

হাতের লেখার চর্চা এখানেই শেষ নয়। গাড়িতে বসে রাস্তায় চলেছি। সামনে যাচ্ছে একটি প্রাইভেট কার। তার পিছনে হয়তো ইংরেজি ক্যালিগ্রাফিতে কিছু নাম লেখা আছে। আমার হাতে তো তখন লেখার কিছু থাকতো না। আমি আমার উরু বা থাইকে বানাতাম আমার রাইটিং প্যাড। আর ডান হাতের তর্জনী হত আমার কলম। চলতে চলতে শ্যাডো রাইটিং প্র্যাক্টিস চালিয়ে যেতাম। বাড়িতে ফিরে কাগজ-কলম নিয়ে বসে পড়তাম। রাস্তায় বিভিন্ন গাড়ির পিছনে লেখা নামগুলো ভেবে তেমন করে লেখার প্রয়াস চালিয়ে যেতাম।

অফিসে বস তার চেম্বারে ডেকেছেন। গিয়ে দেখলাম তিনি ফোনে দীর্ঘ সংলাপে ব্যস্ত। তখন আমার চোখ পড়ে থাকতো দেয়ালের ক্যালেন্ডারের উপর। দেখতাম কেমন করে মাস এবং দিনগুলোর নাম লেখা আছে। পরে সময় পেলে আবার লিখতে বসে যেতাম সেই মাস এবং দিনগুলোর নাম।

২০০২ সাল। ট্রান্সফার হয়ে চলে এলাম দিল্লিতে‌। ক্রমশ আমার হাতের লেখা কিছু আধিকারিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করলো। বিভিন্ন প্রকারের গ্ৰিটিংস কার্ড এবং ইনভিটেশন কার্ড আমাকে দিয়ে লেখাতে শুরু করলেন। একদিন দায়িত্ব এল পাঁচটি সার্টিফিকেট লিখে দেওয়ার। সেগুলোতে থাকবে ভারত সরকারের একজন এডিশনাল সেক্রেটারির স্বাক্ষর। প্রথমে একটু নার্ভাস বোধ করছিলাম। তবুও লিখেই ফেললাম। লেখা বেশ সমাদৃত হলো। সার্টিফিকেট লেখার ডাক পাওয়া শুরু হলো নেহেরু কাপ হকি টুর্নামেন্ট সোসাইটি এবং সুব্রত কাপ ফুটবল কমিটি থেকে।

সালটা ছিল ২০০৬। ৩রা ডিসেম্বর। আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস পুরস্কার বিতরণী উৎসব। বিভিন্ন প্রতিবন্ধী এবং প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে সংযুক্ত সংগঠনের হাতে তুলে দেওয়া হবে জাতীয় পুরস্কার। পুরস্কার তুলে দেবেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে দর্শক হিসাবে উপস্থিত হবার একটা নিমন্ত্রণপত্র পেয়েছিলাম‌। অনুষ্ঠানান্তে কয়েকজন পুরস্কার প্রাপকের সঙ্গে আলাপ হল। তাদের প্রাপ্ত সার্টিফিকেট দেখলাম। মনে হল যদি আমি লেখার সুযোগ পেতাম, এর চেয়ে সুন্দর লিখে দিতাম। পরের বছর এই সব সার্টিফিকেট লেখার এক অদম্য জেদ আমায় পৌঁছে দিল সংশ্লিষ্ট অফিসে। ২০০৭ ও ২০০৮ এ উক্ত অনুষ্ঠানের সার্টিফিকেট লেখার দায়িত্ব পেলাম আমি।

২৫শে ফেব্রুয়ারি ২০১৯ দিল্লির ইন্ডিয়া গেট অঞ্চলে উদ্বোধন হয়ে গেল ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালের। দায়িত্ব পেলাম নিমন্ত্রণ পত্র লেখার। প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য মন্ত্রীদের কার্ড লেখার দায়িত্ব ছিল আমার উপর ন্যস্ত। মনে একটা শিহরণ জেগে ছিল যে আমার হাতের লেখা দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছাবে।

২০২৩ এ অষ্টাদশ জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের প্রথমবার দায়িত্ব পায় ভারতবর্ষ। 2023 এ নানাবিধ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে আমাদের দেশের বিভিন্ন জায়গায়। দিল্লিতে বিভিন্ন কলেজে ও স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। পরিচালনার দায়িত্ব ছিল আকাশবাণী দিল্লীর উপর। আমি বড়ই সৌভাগ্যবান যে সমস্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট লেখার দায়িত্ব পেয়েছিলাম। প্রায় তিন হাজার সার্টিফিকেট আমি লিখি।

আজ পর্যন্ত লক্ষাধিক সার্টিফিকেট লিখেছি। এখনো লিখে চলেছি। স্বপ্ন ছিল যদি রাষ্ট্রপতি ভবনে ওয়েলফেয়ার বিভাগে একবার কাজ করার সুযোগ পেতাম। বছরটা ছিল ২০১৯ বা ২০২০। ভারত সরকারের কোন এক প্রতিষ্ঠানের জন্মদিবসে মাননীয় রাষ্ট্রপতির আশীর্বাণী প্রয়োজন। সেই লেখাটা রাষ্ট্রপতির কাছে নিয়ে গেলে তার উপর তিনি স্বাক্ষর করে দেন। আমার ডাক পড়ল সে বিশেষ আশীর্বাণী লেখার‌। লিখলাম এবং সেটা নিয়ে যাওয়া হল মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে। তিনি সেটি পড়ে স্বাক্ষর করে দিলেন। আমার হাতের লেখার নিচে মহামান্য রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর!আমার ক্যালিগ্ৰাফি করার স্বপ্ন যেন হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট স্পর্শ করে এলো।

আমার ক্রমোন্নতির পশ্চাতে অগণিত শুভানুধ্যায়ীর আশীর্বাদ ও শুভেচ্ছা আছে। কারো নাম পৃথক করে উল্লেখ করছি না। তবে তাঁদের সংস্পর্শ বা শুভকামনা ব্যতীত আমি যেখানে আছি সেখানে পৌঁছাতে পারতাম না‌। পরিশেষে বলতে চাই যে আমার থেকে সুন্দর হস্তাক্ষরে লেখেন এমন সহস্রাধিক মানুষকে আমি জানি। আমার বিপুল জনসংযোগ আমাকে পৌঁছে দিয়েছে ভারতের মহান মহান মহলে। আমার এই কাজের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকব্যক্তিকে জানাই অকৃত্রিম হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে আন্তরিক শ্রদ্ধা ও নমস্কার।

1 month ago (edited) | [YT] | 145

বাংলা ও বাংলার প্রকৃতি

অভিধান সংকলককে নিয়ে সিনেমা, তাও আবার বাংলায়!
হ‍্যাঁ, বাংলা সিনেমায় এমন একটিই দৃষ্টান্ত আছে। নাম— ‘একটি জীবন’। ‘বঙ্গীয় শব্দকোষ’ সংকলক হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়দের জীবন নিয়েই সিনেমাটি। দেখুন ভালো লাগবে, অনুপ্রাণিত হবেন। সিনেমাটি ইউটিউবে উপলব্ধ।
পরিচালক— রাজা মিত্র
কাহিনি— বুদ্ধদেব বসু
অভিনয়ে— সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, মাধবী মুখোপাধ্যায়, বিপ্লব চট্টাপোধ্যায় এবং আরও অনেকে।

1 month ago | [YT] | 216

বাংলা ও বাংলার প্রকৃতি

বিদ্যাসাগর মহাশয় এই সংযুক্ত ব্যঞ্জনটিকে বর্ণপরিচয়-এ রেখেছিলেন। কিন্তু এখন এর ব্যবহার নেই। বলতে পারবেন এই সংযুক্ত ব্যঞ্জন টি কোন কোন বর্ণ দিয়ে তৈরি? মনে রাখবেন এই সংযুক্ত ব্যঞ্জনটি মোবাইলে টাইপ করতে চাইলেও করতে পারবেন না।
পোস্টটিতে প্রস্তুত করতে সহযোগিতা করেছেন আমার বন্ধু সুশান্ত সিংহ ❤️

1 month ago | [YT] | 224

বাংলা ও বাংলার প্রকৃতি

সাথে ১ মিলিয়ন সাথি

1 month ago | [YT] | 235

বাংলা ও বাংলার প্রকৃতি

বর্ণপ্রেমের একটি নমুনা তুলে ধরলাম। জানি, অনেকেই এরকম তৈরি করেছেন ইতিপূর্বে, হয়তো মৌলিক কিছু নয়, তবুও চমৎকার। আমরা গৃহসজ্জার জন্য এগুলোকে ব্যবহার করতেই পারি। যাই হোক, এই সুকর্মটি শ্রদ্ধেয় অংশুমান চক্রবর্তী মহাশয়ের, যাঁর বয়স একষট্টি বছর হতে আর মাত্র পঞ্চান্ন দিন বাকি। ভালো থাকবেন মহাশয়🙏🙏

1 month ago | [YT] | 301