BD VIEWS update

বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর তাঁর অতীত অপরাধ এবং অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্য বিচারের মুখোমুখি করা যাবে কি না, তা নিয়ে দেশজুড়ে আইনি ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা-বিতর্ক চলছে। বিশেষ করে জামায়াত, এনসিপিসহ জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া বিভিন্ন ছাত্র-জনতার প্ল্যাটফর্ম থেকে তাঁকে ফ্যাসিবাদের দো/স/র হিসেবে অভিযুক্ত করে গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি তোলা হচ্ছে। এ রকম এক পরিস্থিতিতে বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।
২৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, দায়িত্ব শেষে সাবেক রাষ্ট্রপতির ফৌজদারি অপরাধের বিচার সম্ভব এবং এ ক্ষেত্রে সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ কোনো স্থায়ী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে না।
সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ ও সাময়িক দায়মুক্তি:::-
সাধারণত বাংলাদেশের সংবিধানের ৫১(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালীন তাঁর বিরুদ্ধে কোনো আদালতে কোনো প্রকার ফৌজদারি কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যায় না। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে কোনো আদালত থেকে গ্রেপ্তার বা কারাবাসের পরোয়ানা জারি করারও সুযোগ নেই।
তবে এই ধারাটির আইনি ব্যাখ্যা দিয়ে আইনজীবী শিশির মনির এবং দেশের সংবিধান বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন যে, রাষ্ট্রপতির এই দায়মুক্তি আজীবন বা চিরস্থায়ী কোনো রক্ষাকবচ নয়। এটি কেবল তিনি পদে থাকাকালীন সময়ের জন্য একটি "সাময়িক আইনি সুরক্ষা" বা প্রিভিলেজ। কোনো ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি পদ থেকে সরে দাঁড়ালে বা পদত্যাগ করলে তিনি আর এই বিশেষ সাংবিধানিক সুরক্ষা পান না।
পদত্যাগের পর বিচারে কোনো বাধা নেই:::-
অ্যাডভোকেট শিশির মনির তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে অত্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে লিখেছেন:
"রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে কিংবা কার্যভারকালে যদি তিনি ফৌজদারী অপরাধ করে থাকেন দায়িত্ব পালন শেষে অবশ্যই আইন অনুযায়ী তাঁর বিচার করা যাবে। এক্ষেত্রে সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে কোন বাধা নেই।"
এর অর্থ হলো, বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত যেকোনো ধরনের ফৌজদারি ও ব্যক্তিগত অপরাধের তদন্ত এবং বিচারিক প্রক্রিয়া প্রচলিত আইনি পথে সচল করতে দেশের বিচার বিভাগের সামনে কোনো সাংবিধানিক বাধা আর অবশিষ্ট নেই।
সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ ও বর্তমান পরিস্থিতি:::-
২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়া মো. সাহাবুদ্দিনের পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। তবে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরও তিনি পদে বহাল ছিলেন এবং সম্প্রতি শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই বছর আগেই পদত্যাগ করেন।
পদত্যাগের পর তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে:
• অতীত অনিয়ম ও এস আলম কানেকশন: রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার, ব্যাংক খাতের লুটপাট ও বিতর্কিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলমের অনিয়ম ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) তদন্তেও তাঁর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততার তথ্য মিলেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হচ্ছে।
• জুলাই গ/ণ/হ/ত্যা/র দায়: শেখ হাসিনা সরকারের সহযোগী হিসেবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ওপর চালানো গ/ণ/হ/ত্যা/য় পরোক্ষ সহযোগিতা বা মদদ দেওয়ার অভিযোগ তুলছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।
• গোপন ফোনালাপের বিতর্ক: সম্প্রতি ভারতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর একটি কথিত অডিও ফোনালাপের বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র সমালোচনা চলছে।
আইনজীবীদের এই স্পষ্ট ব্যাখ্যার পর সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের আইনি ভাগ্য এখন সম্পূর্ণভাবে অন্তর্বর্তীকালীন ও বর্তমান রাজনৈতিক সরকারের সদিচ্ছা এবং দেশের আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে। যেখানে বিদায়ী রাষ্ট্রপতি নিজে সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদের দোহাই দিয়ে দায়মুক্তির দাবি করছেন, সেখানে শিশির মনিরের মতো জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের এই ব্যাখ্যা দেশের বিচারপ্রার্থী জনতা এবং জুলাই আন্দোলনের কর্মীদের দাবিকে আইনি ভিত্তি দিল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
#ShahabuddinChuppu #President #Islamibank #Salamgroup #ShishirManir #highlights #ICT #crimetribunal #Homeminister

2 months ago | [YT] | 2

BD VIEWS update

বিনোদন জগতের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা সম্প্রতি সপরিবারে পবিত্র ওমরাহ হজ পালন সম্পন্ন করেছেন। গত ২৫ জুন বাবা, মা ও ছোট বোনকে সাথে নিয়ে তিনি সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। ওমরাহর আনুষ্ঠানিকতা শেষে পবিত্র কাবা শরীফ তাওয়াফের চমৎকার ও আবেগঘন অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের সাথে ভাগ করে নিয়েছেন এই তারকা। সেই সাথে জানিয়েছেন এই পবিত্র সফরে যাওয়ার পেছনের এক অজানা গল্প।

ব্যাংককে সেই অস্থির রাত ও ওমরাহর সিদ্ধান্ত:::-

অভিনেত্রী ভাবনা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তার পরিবার ওমরাহ পালনের ইচ্ছা পোষণ করে আসছিল। বিগত তিন বছর ধরে তিনিও নিজে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন, তবে নানা ব্যস্ততা ও দ্বিধাদ্বন্দ্বের কারণে তা চূড়ান্ত হয়ে উঠছিল না। তবে সম্প্রতি থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অবস্থানকালে তার ভেতরে এক অভূতপূর্ব আধ্যাত্মিক পরিবর্তন আসে।

সেই অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করতে গিয়ে ভাবনা বলেন:
"ব্যাংককে থাকার সময় আমার মন প্রচণ্ড অস্থির হয়ে উঠেছিল। এক রাতে আল্লাহর ঘরে যাওয়ার প্রবল আকুলতায় আমি কান্নায় ভেঙে পড়ি। তখন আমার বান্ধবী দিয়াকে বলেছিলাম— আমি আল্লাহর ঘরে যেতে চাই, যত দ্রুত সম্ভব।"

ব্যাংককের সেই অস্থিরতার পরেই দ্রুত সিদ্ধান্ত নেন এবং আল্লাহর বিশেষ রহমতেই খুব অল্প সময়ের মধ্যে সপরিবারে পবিত্র মক্কা ও মদিনা সফরের সব ব্যবস্থা সম্পন্ন হয়ে যায়।


প্রথমবার কাবা দর্শনের অনুভূতি:::-

পবিত্র মক্কা শরীফে পৌঁছে প্রথমবার কাবা ঘরের দিকে তাকানোর মুহূর্তটি ভাবনার জীবনের অন্যতম সেরা এবং অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা ছিল। সামাজিক মাধ্যমে হিজাব পরিহিত ছবি শেয়ার করে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, "প্রথমবার যখন পবিত্র কাবার দিকে তাকালাম, আমার মুখ থেকে যেন সব শব্দ হারিয়ে গেল। কোনো ভাষা বা শব্দ দিয়ে সেই মুহূর্তের গভীর আবেগ, মনের ভেতরের উপচেপড়া পরম শান্তি আর অন্তরের কৃতজ্ঞতাকে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।" জীবনে এই পরম সৌভাগ্য অর্জনের জন্য মহান আল্লাহর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী।


সমালোচনা নিয়ে ভাবনার স্পষ্ট বক্তব্য:::-

তারকাদের ওমরাহ পালন কিংবা ধর্মীয় রীতিনীতি পালনের ছবি প্রকাশ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়শই মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, ভাবনার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ওমরাহর ছবি প্রকাশের পর কিছু নেতিবাচক মন্তব্যের মুখোমুখি হতে হলেও এ নিয়ে বেশ স্পষ্ট ও পরিপক্ব জবাব দিয়েছেন ভাবনা।


তিনি জানান, মানুষের সমালোচনা নিয়ে তিনি মোটেও চিন্তিত নন। কারণ আল্লাহর ইচ্ছা ও ডাক ছাড়া তাঁর পবিত্র ঘরে যাওয়া কারও পক্ষেই সম্ভব নয়। নিজের ঈমান বা নিয়ত অন্য কোনো মানুষের কাছে প্রমাণ করার কোনো প্রয়োজন তিনি মনে করেন না, কেননা আল্লাহই মানুষের অন্তরের খবর সবচেয়ে ভালো জানেন। ছবিগুলো শেয়ার করার উদ্দেশ্য কোনো আত্মপ্রচার ছিল না, বরং তার অনুসারীদের এই পবিত্র কাজে অনুপ্রাণিত করা এবং সবার দোয়া পাওয়াই ছিল মূল লক্ষ্য।


বর্তমানে ওমরাহ সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন এই অভিনেত্রী। জীবনের এই বিশেষ আধ্যাত্মিক অধ্যায়টি তার মানসিক প্রশান্তি ও চিন্তাভাবনায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে জানান তার ঘনিষ্ঠজনেরা।


#ashnahabibbhabna #highlights #Actress #bhabnahajj

2 months ago | [YT] | 0

BD VIEWS update

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নিয়ে জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর বিতর্কিত মন্তব্য এবং তার জবাবে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানের তীব্র পাল্টা আক্রমণ বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন রাজনৈতিক অঙ্গনে এক নজিরবিহীন উত্তাপ সৃষ্টি করেছে।


২৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন—তা নিয়ে রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের মধ্যে নানামুখী আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই আলোচনার রেশ ধরেই ২৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে এক সভায় জাতীয় নাগরিক কমিটির (NCP) প্রভাবশালী নেতা নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে লক্ষ্য করে চরম আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি কেন? মন্ত্রী হওয়ারও যোগ্যতা রাখেন না।”


নাসীরুদ্দীনের এই বক্তব্যের পরপরই রাজনৈতিক মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এর জবাবে একই দিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ঝড় তোলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। নাসীরুদ্দীনের সমালোচনা করে তিনি অত্যন্ত কড়া ভাষায় বলেন, “নেশা করতে করতে তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী। তিনি এনসিপির পতনের জন্য দায়ী থাকবেন।” দুই তরুণ নেতার এই ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক আক্রমণ দেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সহযোগী শক্তিগুলোর ভেতরের গভীর ফাটলকে জনসমক্ষে নিয়ে এসেছে।


১. নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর বক্তব্যের প্রেক্ষাপট ও এনসিপির অবস্থান:::-


জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত জাতীয় নাগরিক কমিটি (এনসিপি) শুরু থেকেই দেশের প্রচলিত ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দলগুলোর (বিশেষ করে বিএনপি) বিভিন্ন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে আসছে। রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে তরুণ ও ছাত্রনেতারা পুরোনো রাজনৈতিক নেতৃত্বের চেয়ে আমূল পরিবর্তনের পক্ষপাতী।
সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর নতুন অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম বা প্রভাব নিয়ে যখন গুঞ্জন ওঠে, তখন নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী এই কড়া প্রতিক্রিয়া জানান। তাঁর এই বক্তব্যের মূল অন্তর্নিহিত অর্থ হলো—তরুণ সমাজ বিগত আন্দোলনে যে ত্যাগ স্বীকার করেছে, সেখানে পুরোনো ধারার রাজনীতিকদের এত বড় পদে পুনর্বাসন তারা মেনে নেবে না। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মির্জা ফখরুলের মতো একজন বর্ষীয়ান এবং সর্বজনশ্রদ্ধেয় নেতার "যোগ্যতা" নিয়ে এ ধরনের অবমাননাকর মন্তব্য করা নাসীরুদ্দীনের রাজনৈতিক অপক্বতারই বহিঃপ্রকাশ।


২. রাশেদ খানের তীব্র জবাব ও "নেশা"র কটাক্ষ:::-


নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর এই ঔদ্ধত্যপূর্ণ মন্তব্যের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান কোনো কূটনৈতিক ভাষা ব্যবহার করেননি। তিনি সরাসরি নাসীরুদ্দীনের মানসিক স্থিতিশীলতা ও আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।


• "নেশা করতে করতে তালগোল..." রাশেদ খানের এই মন্তব্যটি অত্যন্ত মারাত্মক ও ব্যক্তিগত আক্রমণ। তিনি ইঙ্গিত করতে চেয়েছেন যে, নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বাস্তবতাবোধ হারিয়ে কল্পনার জগতে বাস করছেন এবং অতি-বিপ্লবী আচরণ করতে গিয়ে রাজনৈতিক সমীকরণ গুলিয়ে ফেলেছেন।


• "এনসিপির পতনের জন্য দায়ী থাকবেন:" রাশেদ খান কেবল নাসীরুদ্দীনকে ব্যক্তিগত আক্রমণই করেননি, বরং তাঁর এই ধরনের বেফাঁস মন্তব্য কীভাবে গোটা জাতীয় নাগরিক কমিটিকে (NCP) ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতে পারে, সেই রাজনৈতিক ভবিষ্যদ্বাণীও করেছেন। বিএনপির মতো দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তির সাথে অনর্থক সংঘাত তৈরি করলে তরুণদের এই নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মটি সাধারণ মানুষের সমর্থন হারিয়ে বিলুপ্ত হতে পারে—এমন সতর্কবার্তাই দিয়েছেন রাশেদ খান।


৩. এই সংঘাতের রাজনৈতিক প্রভাব ও বাস্তবতা :::-


• ঐক্যে বড় ফাটল: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল শক্তি ছিল ছাত্র-জনতা এবং দীর্ঘদিনের রাজপথের বিরোধী দল বিএনপির ঐক্যবদ্ধ লড়াই। কিন্তু রাষ্ট্র গঠনের এই পর্যায়ে এসে তরুণ নেতাদের (এনসিপি) সাথে প্রধান রাজনৈতিক দল ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নীতিনির্ধারকদের (যেমন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী রাশেদ খান) এই দূরত্ব ও প্রকাশ্য কাদা ছোড়াছুড়ি অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থার স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।


• বিএনপি শিবিরের প্রতিক্রিয়া: নাসীরুদ্দীনের এই মন্তব্যে বিএনপির তৃণমূল থেকে শুরু করে শীর্ষ নেতৃত্ব প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ। দলটির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, যে মির্জা ফখরুল বিগত ১৫ বছর ধরে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাঁর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা শহীদদের রক্তের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করার শামিল।


রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়ে ভিন্নমত থাকাটা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। কিন্তু নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ব্যক্তিগত আক্রমণাত্মক মন্তব্য এবং তার জবাবে রাশেদ খানের "নেশা" সংক্রান্ত পাল্টা কটাক্ষ সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিপন্থী। এই ধরনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও কাদা ছোড়াছুড়ি কেবল ফ্যাসিবাদী শক্তির পুনর্বাসনের পথকেই সহজ করবে। বর্তমান সংকটের মুহূর্তে তরুণ নেতৃত্ব এবং অভিজ্ঞ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করে সংযম ও জাতীয় ঐক্যের পথ বেছে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।


#BNP #TariqueRahman #MirzaFakhrul #Rashedkhan #nasiruddinpatwary #highlights

2 months ago | [YT] | 0

BD VIEWS update

কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ এবং সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ ২৫ কোটি টাকা নিয়েছেন। এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ ১৫ কোটি টাকা এবং এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়ে গেছেন। তারা বৈষম্যবিরোধী রাজনীতির কথা বললেও বাস্তবে তাদের মধ্যে এটা ছিল না।

সাংবাদিকদের কাছে এমন দাবি করেছিলেন কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক এবং বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। পরে শনিবার রাতেই প্রশাসক বিএনপি নেতা মোস্তাক মিয়াকে কল দিয়ে নিজেই বিষয়টি জানতে চান হাসনাত আবদুল্লাহ।

এভাবে হাসনাত আচমকা ফোন দিবেন, বুঝতে পারেননি মোস্তাক মিয়া। সেই ফোনালাপের অডিও নিজেই সাংবাদিকদের দেন হাসনাত।

এক মিনিটের সেই ফোনালাপে জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়াকে বলতে শোনা যায়, ‘না, না, না। রাজস্ব খাত না, সব খাত মিলিয়ে আমার জেলা পরিষদের মাধ্যমে আপনার এলাকায় গেছে। আমি বলতে চেয়েছি, আপনারা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন করেছেন। এখন আপনার উপজেলায় প্রায় ১০ কোটি টাকা গেছে, আর ওই উপজেলায় গেছে ১৫ কোটি। আপনি টাকা খেয়েছেন- এটা তো আমি বলিনি। হয়তো মিডিয়াতে পুরো বক্তব্য আসেনি। আমি বলতে চেয়েছি, আপনার এলাকায় কাজের জন্য টাকা নেওয়া হয়েছে। কাজ ছাড়া তো টাকা দেওয়া হবে না। সাংবাদিকরা আমাকে প্রশ্ন করেছিল, আমি সেটারই উত্তর দিয়েছি। আপনি টাকা খেয়েছেন- এটা আমি বলিনি।’



এ ঘটনায় বিএনপির সমালোচনা করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন- “আগে বলল, হাসনাত-আসিফ মিলে ২৫ কোটি খাইছে।এখন বলতেছে,উন্নয়ন বরাদ্দ নিছে।
খোদা, বিএনপির লোকজন একটু স্মার্ট হইলে কি খুব ক্ষতি হইতো? একটা ব্লেইমও ঠিকমত দিতে পারতেছে না। ”
#SahabuddinLaltu #BNP #BNPMediaCell #TariqueRahman #MirzaFakhrul #JamaateIslami #JamaatShibirMediaCell #drshafiqurrahman #shibirnews

তার ওই স্ট্যাটাসে Jillur Rahman Jihad নামে একজন মন্তব্য করেছেন- বাদ দেন বইন। স্মার্ট হইলে কি আর বিম্পি করে কেউ? ।
Gazi MD Nurul Islam লিখেছেন- এই প্রজন্ম বেয়াদব নয়,,এই প্রজন্ম সত্যবাদী,, এই প্রজন্ম প্রতিবাদীও ন্যায়পরায়ণ, সাহসী।
Shams Uz Zaman লিখেছেন- সে তো আর ভাবে নাই যে হাসনাত এইভাবে কল দিয়ে বসবে!
Flkin Rascal লিখেছেন- যারা সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার ব্যক্তি কে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে থামিয়ে দিতে চাই স্বয়ং আল্লাহ ঐ ব্যক্তির পথ সুগম প্রশস্ত করে দেন মিথ্যাবাদীদের কে থামিয়ে দেন ! শহীদ শরিফ উসমান হাদী জিন্দাবাদ ইনকিলাব জিন্দাবাদ
#NCPBangladesh #Nahidislam #hasnatabdullah #nasiruddinpatwary #HannanMasud #Asifmahmud #SarjisAlam #viralpost #highlights


Rehana Akter Ruma নামে একজন কমেন্টস করেছেন- আমাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রপাগাণ্ডাই প্রমাণ করে, আমরাই সরকারের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী। আর সেই প্রপাগাণ্ডা চালাতে গিয়েই তারা অনিচ্ছাকৃতভাবে হাসনাত ও আসিফের পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতাকে আরও বিস্তৃত করেছে।
Abu Bokor Siddiki লিখেছেন- বিএনপির বুকে কাঁপন ধরানোর জন্য এক হাসনাতই যথেষ্ট!
সেলুট ক্যাপ্টেন ।
#ChatradolNews #BNPNEWS #JatiyaParty #Chormonai #highlightseveryone #AwamiLeague #SheikhHasina

4 months ago | [YT] | 2

BD VIEWS update

২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্ট দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-লোক প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামী।

ইসলামী ছাত্রশিবির-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কমিটিতে অত্যন্ত মেধাবী ও প্রিয় ছাত্রটিকে দেখে শেহরীন মোনামী নিজের ফেসবুকে আইডিতে ছোট্ট একটি পোস্ট দিয়ে মন্তব্য করেছিলেন- "যদি মুহি শিবির হয়ে থাকে, তাহলে শিবির ভালো"।

এরপর চরমভাবে ট্রলের শিকার হন এই শিক্ষিকা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চরম কুরুচিপূর্ণ ট্রল, সাইবার বুলিং এবং ডিজিটাল আক্রমণের শিকার হন। এতো এতো নেতিবাচক মন্তব্য আর কটাক্ষ- তারপরও নিজের অবস্থান থেকে এক চুল পরিমাণ সড়ে আসেননি।
#shehreenaminmonami #sadikkayem #DUShibir #mohiuddinkhan #DUCSU

দেড় বছরের বেশি সময় চলে গেছে। শনিবার শিবির-ঢাবি শাখা নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিয়েছে। এ উপলক্ষে দিনব্যাপী আয়োজন ছিল চোখে পড়ার মতো। পরিপাটি, একদম অন্যরকম!

সেই অনুষ্ঠানের একটি নিউজ ক্লিপ- শিরোনাম ছিলো “শিবির গুপ্ত হলে এতো বড় অনুষ্ঠান করে কেমনে?” এই ভিডিও ক্লিপটি নিজের ফেসবুকে শেয়ার করেছেন জনপ্রিয় এই শিক্ষিকা।

কোনো রাখ-ঢাক না রেখেই গত দেড় বছরের চাপা আবেগ-অনুভূতি-আশঙ্কা শেয়ার করেছেন নিঃসঙ্কোচে!

ফেসবুক স্ট্যাটাসে ভিডিওটি শেয়ার করে তিনি লিখেছেন- “মাঝে মধ্যে ভালোই লাগে। ২০২৪-এ যখন আমি আমার এক ছাত্রের গুণাগুণ দেখে বলেছিলাম, শিবির ভালো, তখন আমার উপর কি কেয়ামত নেমে আসলো! আমার মনে পরে, ইনবক্সে আমাকে অনেকেই বলেছে, আপনি এ কথা উইথড্র করেন। আমি করিনি।”

মোনামী ম্যাম বলেন- “ভালোকে ভালো কেনো বলবো না? অন্যের (পড়ুন লীগ/সুশীল ) শিখিয়ে দেওয়া বুলি আমি কেনো বলবো? তবে, এতো হ্যারাসমেন্ট এতো ভেহেমেন্ট অপযিশানের পরও, নিজের কথায় অটল থেকেছি।”

শিক্ষার্থীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই শিক্ষিকা আরো বলেন- “কেবল মনে মনে দোয়া করেছি, ওরা এমন কিছু যেন না করে, যাতে আমার কথা মিথ্যা প্রমাণিত হয়। ওদের সংগঠন সম্পর্কে আমি কতটাই বা জানতাম তখন??”

বলেন- “আল্লাহ আমার সম্মান রক্ষা করেছেন। শিবিরের দ্বারা আমার ক্যাম্পাসে এমন কিছু হয়নি, যাতে আমার মাথা নত হয়।”

এরপর ইংরেজিতে তিনি লিখেছেন- “They have proved themselves time and time again by their good intentions and good initiatives. And now, everyone praises them ! The new generation is not bothered about any tag ! I truly hope they continue to do such good work in the campus even after their DUCSU tenure ends. Keep up the good work Bangladesh Islami Chhatrashibir and DUCSU team”

যার অর্থ দাঁড়ায়- “তারা তাদের সৎ উদ্দেশ্য এবং ভালো উদ্যোগের মাধ্যমে বারবার নিজেদের প্রমাণ করেছে। আর এখন সবাই তাদের প্রশংসা করে! নতুন প্রজন্ম কোনো ট্যাগিং-তকমা নিয়ে চিন্তিত নয়! আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, DUCSU-তে তাদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও তারা ক্যাম্পাসে এই ধরনের ভালো কাজ চালিয়ে যাবে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এবং ডাকসু টিম- তোমাদের এই ভালো কাজ চালিয়ে যাও।“
#BNP #BNPMediaCell #TariqueRahman #MirzaFakhrul #JamaateIslami #JamaatShibirMediaCell #drshafiqurrahman #shibirnews

শিক্ষিকা মোনামীর এই পোস্টে প্রায় ৩২ হাজার জন মানুষ রিঅ্যাক্ট করেছে।

Nawaj Hasan Minhaj লিখেছেন- “আল্লাহ আমার সম্মান রক্ষা করেছেন। শিবিরের দ্বারা আমার ক্যাম্পাসে এমন কিছু হয়নি, যাতে আমার মাথা নত হয়“- That line hits another level Confidence, dignity and faith everything in just two lines

#NCPBangladesh #Nahidislam #hasnatabdullah #nasiruddinpatwary #HannanMasud #Asifmahmud #SarjisAlam #viralpost #highlights

উল্লেখ, ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। ওই কমিটিতে অত্যন্ত মেধাবী ও প্রিয় ছাত্র মুহ. মহিউদ্দিন খানের (বর্তমান ঢাবি শিবির সভাপতি) নাম দেখে শেহরীন আমীন মোনামী নিজের ফেসবুকে আইডিতে ছোট্ট একটি পোস্ট দিয়ে মন্তব্য করেছিলেন-“আমাদের মুহি! যদি মুহি শিবির হয়ে থাকে, তাহলে শিবিরই ভালো। (because I have always known him to be an excellent sober, mannered and studious boy) যার অর্থ- কারণ আমি তাকে বরাবরই একজন চমৎকার, সংযত, ভদ্র ও অধ্যয়নশীল ছেলে হিসেবেই জেনে এসেছি।
#ChatradolNews #BNPNEWS #JatiyaParty #Chormonai #highlightseveryone #AwamiLeague #SheikhHasina #ShishirManir #ShishirMonir #LawMinister

ফেসবুকের ছোট্ট এই পোস্ট ঘিরে শুরু হয় নানা ধরনের সমালোচনা। তখন ছাত্রশিবিরের রাজনৈতিক আদর্শ নিয়ে সমাজে ট্যাগিং, ভিন্নমত, বিতর্ক থাকা সত্ত্বেও একজন শিক্ষকের পক্ষ থেকে তাঁর ছাত্রের মেধার ভিত্তিতে করা এই মন্তব্যটি তৎকালীন সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক নানান আলোচনার জন্ম দেয়।

পক্ষদের যুক্তি: শিবিরের সমর্থক বা সাধারণ নেটিজেনদের একটি অংশ শিক্ষকের এই মন্তব্যকে স্বাগত জানান। তাদের যুক্তি ছিলো, ছাত্ররাজনীতিতে সাধারণত অস্ত্রবাজি ও পেশীশক্তির যে চর্চা দেখা যায়, তার বিপরীতে একজন ছাত্রের এমন অসাধারণ একাডেমিক ট্র্যাক রেকর্ড (অনার্সে ১ম শ্রেণীতে ১ম স্থান এবং ৩.৯৭ সিজিপিএ, মাস্টার্সেও প্রথম-সিজিপিএ ৩.৯৭ প্রমাণ করে যে ছাত্রশিবির মেধাবীদের সংগঠন।

বিপক্ষদের যুক্তি: সমালোচকদের বড় অংশের মতে, একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত মেধা, ভদ্রতা বা সিজিপিএ কখনো একটি রাজনৈতিক সংগঠনের সামগ্রিক আদর্শ বা ঐতিহাসিক ভূমিকার সনদ হতে পারে না। জামায়াত-শিবিরের অতীতের রাজনৈতিক সংশ্লেষের কারণে অনেকেই এই মন্তব্যটিকে একটি "বিতর্কিত রাজনৈতিক সংগঠনকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা" হিসেবে সমালোচনা করেন। বিশেষ করে শিবিরের নামের পাশে কিছু ট্যাগিং যুক্ত করে। (যেমন-স্বাধীনতা বিরোধী, রাজাকার, রগ কা টা, জ ঙ্গি.. ইত্যাদি)।

শিক্ষক মোনামীর অবস্থান ও ব্যাখ্যা:-
• ব্যক্তিগত মূল্যায়ন বনাম রাজনৈতিক তকমা: ব্যাপক ট্রল ও সমালোচনার মুখে পড়ে শিক্ষক শেহরীন আমিন মোনামি পরবর্তীতে ফেসবুকে একটি স্পষ্টীকরণ পোস্ট দিয়েছিলেন। তিনি উল্লেখ করেছিলেন- তাঁর মন্তব্যকে প্রেক্ষাপট ছাড়া ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

• শিক্ষকের মূল বক্তব্য: তিনি জানিয়েছিলেন, শিক্ষক হিসেবে কোনো ছাত্রের রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক পরিচয় তাঁর কাছে মুখ্য নয়। তিনি শুধু ক্লাসরুমে দেখা তাঁর একজন নম্র, ভদ্র এবং অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রের একাডেমিক যোগ্যতার প্রশংসা করেছিলেন, কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না।

৩. অনলাইন হ্যারাসমেন্ট ও রাজনৈতিক মেরুকরণ
• ডিজিটাল আক্রমণ: এই মন্তব্যটিকে কেন্দ্র করে শিক্ষক মোনামি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চরম কুরুচিপূর্ণ ট্রল, সাইবার বুলিং এবং ডিজিটাল আক্রমণের শিকার হন। বিভিন্ন বিপরীতমুখী রাজনৈতিক দল ও কর্মীরা তাঁর পোশাক, ব্যক্তিগত জীবন এবং শিক্ষকতার নিরপেক্ষতা নিয়ে অনলাইনে নানামুখী অপপ্রচার চালায়।

• ট্যাগিং সংস্কৃতি: পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন রাজনৈতিক উত্তেজনার সময়েও এই বক্তব্যকে টেনে এনে তাঁকে রাজনৈতিক ট্যাগ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, যা নিয়ে তিনি নিজেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সবসময় তিনি বলেন যে, তিনি কোনো রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছাড়াই কেবল একজন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে চেয়েছিলেন।
সাদিক কায়েম Md Mohiuddin Khan S M Farhad

4 months ago | [YT] | 0

BD VIEWS update

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষক এবং সদ্য সাবেক সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবসময় একটি আলোচিত নাম। শিক্ষার্থীদের কাছেও এই শিক্ষক তুমুল জনপ্রিয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরেও রয়েছে তার অগণিত ভক্ত-সমর্থক-শুভাকাঙ্ক্ষী।



সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু শেয়ার করলেই তা রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়। ১৫ বছর আগের একটি শাড়ি, সেই শাড়ি পরে কয়েকটি ছবি ফেসবুকে আপলোড করেছেন জনপ্রিয় এই শিক্ষক।




ক্যাপশনে লিখেছেন- “ছবির এই শাড়িটির বয়স ১৫ বছর, ছবিতে যিনি শাড়িটি পরে আছেন, তার বয়স...... ! মোটকথা , শাড়ি এবং শাড়ি পরিহিতা উভয়ই ANCIENT ! (উপলক্ষ ভাইয়ের engagement ceremony)”

#BNP #BNPMediaCell #TariqueRahman #MirzaFakhrul #JamaateIslami #JamaatShibirMediaCell #drshafiqurrahman #shibirnews



এই ছবিতে ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ রিঅ্যাক্ট দিয়েছেন।

মন্তব্যের ঘর কাস্টমাইজ করা। যাদের মন্তব্যের এক্সেস রয়েছে, তাদের মধ্যে Fahim Mahmud নামে একজন লিখেছেন- “১৫ বছরের শাড়িও এত সুন্দর লাগে, কারণ যিনি পরেছেন তিনি অসাধারণ। শাড়িটা ভিনটেজ, আর আপনি ক্লাসিক ।”
#NCPBangladesh #Nahidislam #hasnatabdullah #nasiruddinpatwary #HannanMasud #Asifmahmud #SarjisAlam #viralpost #highlights



Shafiqur Rahman Liton লিখেছেন- চমৎকার দেখাচ্ছে। ইনশাআল্লাহ। আর Masudur Rahman বলেছেন- Old is Gold, Apu.


#ChatradolNews #BNPNEWS #JatiyaParty #Chormonai #highlightseveryone #AwamiLeague #SheikhHasina #ShishirManir #ShishirMonir #LawMinister

4 months ago | [YT] | 1

BD VIEWS update

যখন জামায়াতের সাথে জোটবদ্ধ ছিল বিএনপি। তখন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, থকন ২০১৩ইং সালের ২৫ আগস্ট বলেছিলেন- “৭১ এ যুদ্ধাপরাধ করেছে পাকিস্তানি সেনারা। কিন্তু ৪২ বছর পর বর্তমান সরকার এর দায় চাপাচ্ছে জামায়াত নেতাদের ওপর। প্রকৃত অর্থে এটি কোনো অপরাধের বিচার নয়। এটি জামায়াত ও বিরোধী দলকে দমিয়ে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র।”
#BNP #BNPMediaCell #TariqueRahman #MirzaFakhrul
#JamaateIslami #JamaatShibirMediaCell #drshafiqurrahman #shibirnews



এখন যখন জামায়াতের সাথে জোটবদ্ধ নেই বিএনপি। তখন মির্জা ফখরুল এবছরের অর্থাৎ ২০২৬ সালের ২৭ মার্চ বললেন- “৫৫ বছর পর আবার অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, যারা স্বাধীনতার সময় পাকিস্তানকে সহযোগিতা করেছিল। আমাদেরকে সতর্ক থেকে স্বাধীনতার শক্তিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।"


#NCPBangladesh #Nahidislam #hasnatabdullah #nasiruddinpatwary #HannanMasud #Asifmahmud #SarjisAlam #viralpost #highlights
#ChatradolNews #BNPNEWS #JatiyaParty #Chormonai #highlightseveryone #AwamiLeague #SheikhHasina

6 months ago | [YT] | 2

BD VIEWS update

অন্যতম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম লিংকডইনে ডা. তাসনিম জারার আইডিটি আজ ‘মেমোরাইলাইজড’ বা মৃত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এনিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
#Tasnimzara
#tasnimjara

বিষয়টি নজরে এসেছে ঢাকা ৯ আসনে স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করা ডা. তাসনিম জারার। এ বিষয়ে সোমবার বিকালে নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দিয়েছেন তিনি।

#NCPBangladesh
#highlights

ওই পোস্টে জারা লিখেছেন, আপনারা অনেকেই লক্ষ্য করেছেন যে আজ সকালে আমার লিংকডইন অ্যাকাউন্টটি ‘মেমোরাইলাইজড’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

#viralnews

তিনি আরো লিখেছেন, আমি বেঁচে আছি এবং সুস্থ আছি। আমি লিংকডইনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি এবং আশা করছি শিগগিরই সমস্যাটির সমাধান হবে।

তিনি আরো বলেন- সম্ভবত আমার অ্যাকাউন্টে করা কোনো ভুল বা বিদ্বেষমূলক রিপোর্টের কারণে এমনটি ঘটেছে।

6 months ago | [YT] | 0

BD VIEWS update

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে মুরগি ছিনতাইয়ের ঘটনায় ফারহান শাকিল নামে ছাত্রদলের এক নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ফারহান গাজীপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি।
#BNP

রোববার (১৫ মার্চ) রাতে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।

#TariqueRahman
#chatradol

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. শাকিল ফারহান মিয়াকে ছাত্রদলের সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।

#highlights

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজীব আহমদ রিংগন ও সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান যৌথভাবে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের শৃঙ্খলা মেনে চলার আহ্বানও জানানো হয়।
#viralnews

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ রাত আনুমানিক ১০টার দিকে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের হবিগঞ্জ এগ্রো লিমিটেডের গাড়ি থেকে মুরগি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, ওই ঘটনায় গাজিপুর কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি শাকিল ফারহানের নেতৃত্বে কয়েকজন অংশ নেয়। এ ঘটনায় চুনারুঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি ছাত্রদলের দৃষ্টিগোচর হয় এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষার্থে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল তাকে বহিষ্কার করে৷

6 months ago | [YT] | 10

BD VIEWS update

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও এমপি মির্জা আব্বাস রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতালে তিনি মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে আইসিইউতে রয়েছেন।
#BNP
#BNPMediaCell
#TariqueRahman

বুধবার ইফতারে পানি খাওয়ার সময়ই হঠাৎ করে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। অবস্থার উন্নতি না হলে গভীর রাতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজেও দলের স্থায়ী কমিটির এ সদস্যের অসুস্থতার খবর জানানো হয়েছে।
#MirzaAbbas
#MirzaFakhrul
#afrozaabbas

একই সাথে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে শুক্রবার (১৩ মার্চ) এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে চিকিৎসকের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) রয়েছেন।
#viralnews
#viralpost
#highlights

এদিকে মির্জা আব্বাসকে দেখতে বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতালে যান জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় তিনি মহান রবের নিকট মির্জা আব্বাসের আশু আরোগ্য কামনা করেন। জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের মেডিকেল থানার সভাপতি ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।
#nasiruddinpatwary
#NCPBangladesh

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমাজ কল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনও মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে যান। তারা মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা ও চলমান চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
#Dhaka8
#highlightseveryone

গত বুধবার (১১ মার্চ) ইফতারে পানি পান করার সময় হঠাৎ করেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন মির্জা আব্বাস। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গভীর রাতে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মির্জা আব্বাসের স্ত্রী ও মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস তার স্বামীর সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর দোয়া কামনা করেছেন।

6 months ago | [YT] | 2