"প্রতিদিন গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাচ্ছেন? নিজের অজান্তেই পেটের বারোটা বাজাচ্ছেন না তো?" 🚫🔥
আমাদের দেশে একটু বুক জ্বালাপোড়া বা গ্যাস হলেই আমরা না ভেবেই মুড়ি-মুড়কির মতো গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ (PPI) খেয়ে ফেলি। কিন্তু আপনি কি জানেন—অতিরিক্ত ও দীর্ঘমেয়াদী গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়া আপনার স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে?
গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সাময়িক আরাম দিলেও, আসল কারণ না জেনে বছরের পর বছর খেয়ে গেলে শরীরে ভিটামিন বি-১২, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি তৈরি হয়। এমনকি হাড় দুর্বল হওয়া ও হজম ক্ষমতা স্থায়ীভাবে কমে যাওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে!
⚠️ যেসব অভ্যাসের কারণে প্রতিদিন গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেতে হয়:
খাবার খেয়েই শুয়ে পড়া: রাতে খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়লে পেটের এসিড সহজে উপরে উঠে আসে।
অতিরিক্ত চা/কফি ও ভাজাপোড়া: খালি পেটে ঘন ঘন চা-কফি বা অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার খাওয়া।
পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া: সারাদিনে সঠিক পরিমাণে পানি না খেলে হজমে গোলমাল দেখা দেয়।
খাওয়ার মাঝে দীর্ঘ বিরতি: অনেকক্ষণ পেট খালি রেখে হঠাৎ একবারে বেশি খেয়ে ফেলা।
💡 ওষুধ ছাড়া গ্যাস্ট্রিক থেকে স্থায়ী মুক্তির সহজ সমাধান:
১. নিয়মিত সময়ে খাওয়া: প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন।
২. খাওয়ার পর হাঁটা: রাতে খাওয়ার অন্তত ২ ঘণ্টা পর ঘুমাতে যান এবং খাওয়ার পর ১০-১৫ মিনিট হাঁটাহাঁটি করুন।
৩. ধীরে চিবিয়ে খাওয়া: খাবার ভালো করে চিবিয়ে খেলে পাকস্থলীর ওপর চাপ কম পড়ে।
৪. পর্যাপ্ত ঘুম ও স্ট্রেস মুক্ত থাকা: মানসিক চাপ ও অনিদ্রা এসিড সিক্রেশন অনেক বাড়িয়ে দেয়।
🚨 মনে রাখবেন: গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ কোনো স্থায়ী সমাধান নয়, এটি কেবল লক্ষণ কমায়। লাইফস্টাইল পরিবর্তন করাই হলো এর আসল চিকিৎসা!
👉 কমেন্টে সত্যি করে বলুন তো—আপনি কি প্রতিদিন গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়ার অভ্যাসে আটকে গেছেন?
পোস্টটি শেয়ার করে আপনার বন্ধুবান্ধব ও পরিবারকে সচেতন করুন! ❤️
আপনার যতটুকু সম্মান পাওয়ার কথা ততটুকু পেলে সন্তুষ্ট হোন, আলহামদুলিল্লাহ বলুন, যিনি সেই সম্মান দেখাচ্ছেন তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
আপনার যতটুকু সম্মান পাওয়ার কথা তা না পেলে বিনীতভাবে সেটা প্রকাশ করুন। অসন্তুষ্ট মনোভাব নয় বরং বিনয় দিয়েই আপনার প্রাপ্য বুঝে নিন। এরপরও না পেলে নীরবে এড়িয়ে চলা রপ্ত করুন।
আপনার যতটুকু সম্মান পাওয়ার কথা তার চেয়ে বেশি পেলে সতর্ক হোন। আমার যে বাঁশবাগানটি আছে, তার বেশিরভাগ বাঁশ অতিরিক্ত সম্মান যেসব জায়গায় পেয়েছি, সেখান থেকে আসা।
মানুষ সব ভুলে যেতে পারে!! রাগারাগি, ভুল বোঝাবুঝি, ঝগড়া, তর্ক বিতর্ক, মন খারাপ ইত্যাদি সময়ের সাথে সাথে সব ভুলে যেতে পারে মানুষ। শুধু ভুলতে পারে না কিছু কথা। প্রিয় মানুষের মুখ থেকে নিজের ব্যাপারে শোনা কিছুকিছু কথা মানুষের ভিতরে বাজতে থাকে অদৃশ্য টেপ রেকর্ডারের মতো। বুকের ভিতর কোনও তীক্ষ্ণ ফলার মতো বিঁধে থাকে সে'সব অপমান, গলার ভিতর মাছের কাঁটার মতো আটকে থাকে সে'সব কটূক্তি, ঘুমের ভিতর দুঃস্বপ্নের মতো তাড়া করে।
না গেলা যায়, না ফেলা যায়। একটা সময় পর সব আঘাত মিলিয়ে যায় ধীরে ধীরে, আবার হাসি ফুটে ওঠে মুখে, দিব্যি থাকি আমরা। তারপর হঠাৎ কোনও ঘুম না আসা একলা রাতে, স্মৃতির বারান্দায় পায়চারি করতে করতে আমরা পৌঁছে যাই সে'সব কথার কাছে। কী ভীষণ যন্ত্রণা হয় আবার! সেই একই কষ্ট আবার ফিরে আসে। আর আমরা বুঝতে পারি আমরা মানুষদের ক্ষমা করি, তাদের বলা কথাগুলোকে না...
#খলিফা হারুন অর রশিদ পানি পান করতে যাবেন, গ্লাস ঠিক ঠোঁটের কাছে নিয়েছেন, এমন সময় হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "আমিরুল মুমিনীন! একটু থামুন। পানি পান করার আগে আমার একটি প্রশ্নের উত্তর দিন।"
খলিফা বললেন, "বলো কি জানতে চাও?"
বহলুল (রহঃ) বললেন, "মনে করুন আপনি প্রচন্ড তৃষ্ণার্ত হয়ে এমন মাঠে আছেন যেখানে পানি নাই। পিপাসায় আপনার প্রাণ ওষ্ঠাগত। এমন অবস্থায় আপনি এক গ্লাস পানির জন্য কতটা মূল্য ব্যয় করবেন?"
খলিফা বললেন, "যেহেতু পানি না পেলে আমার মৃত্যু হবে তাই আমার পুরো সম্পত্তিও ব্যয় করে দিতে পারবো।"
হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "ঠিক আছে এবার বিসমিল্লাহ বলে পানি পান করেন।"
খলিফা পানি পান করলেন। এবার হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "আমার আর একটি প্রশ্ন আছে।"
খলিফা বললেন, "বলো।"
বহলুল (রহঃ) বললেন, "এই পানি যদি আপনার শরীর থেকে না বের হয়, পেটেই জমা থাকে। প্রসাব বন্ধ হয়ে যায়, সেই পানি বের করবার জন্য কত টাকা ব্যয় করবেন?"
-প্রসাব বন্ধ হলে তো আমি সহ্য করতে পারবো না। মারা যাবো। জীবন বাঁচাতে একজন ডাক্তার যতটা চায় ততটাই দিবো। আমার পুরো রাজত্ব চাইলেও দিয়ে দিবো।"
হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, তাহলে বোঝা গেল আপনার পুরো রাজত্ব এক গ্লাস পানির দামের সমানও নয়। মাত্র এক গ্লাস পানি পান করতে বা বের করতে আপনি পুরো রাজত্বও দিয়ে দিতে চান। তাহলে কত গ্লাস পানি নিয়মিত পান করেন আর বের করেন, এটা একটু ভাবেন আর এই নেয়ামত যিনি দিয়েছেন তার শুকরিয়া আদায় করেন।"
শরীর থেকে পানি বের করার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় যে অঙ্গ তাহলো কিডনি। করাচির এক ডাক্তারকে (কিডনি বিশেষজ্ঞ) একবার একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন, "বিজ্ঞান এখন এতো উন্নত, আপনারা একজনের কিডনি অন্যের শরীরে প্রতিস্থাপন করেন তাহলে কৃত্রিম কিডনি তৈরি করতে পারছেন না কেন?"
ডাক্তারের উত্তরটি ছিলো খুবই আশ্চর্যজনক।
তিনি বলেছিলেন, "সায়েন্সের এই উন্নতি সত্ত্বেও কৃত্রিম কিডনি তৈরি করা খুব কঠিন। কারণ আল্লাহ তায়ালা কিডনির ভেতরে যে চালনি যুক্ত করেছেন তা খুব সুক্ষ্ম এবং পাতলা। এখনো পর্যন্ত এমন যন্ত্র আবিষ্কার হয়নি যা এমন সুক্ষ্ম ও পাতলা চালনি তৈরি করতে পারে। আর যদি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে চালনি তৈরি করাও হয় তবুও কিডনির ভেতর এমন একটি জিনিস আছে যা তৈরি করা আমাদের ক্ষমতার বাইরে। জিনিসটি হলো একটি মস্তিষ্ক (sensor)। এই মস্তিষ্ক ফায়সালা করে যে, এই মানুষের শরীরে কতটুকু পানি রাখা চাই আর কতটুকু ফেলে দেওয়া চাই। তার ফায়সালা শতভাগ সঠিক হয়। ফলে আমরা যদি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে কৃত্রিম কিডনি তৈরি করেও ফেলি, তবুও আমরা এতে মস্তিষ্ক তৈরি করতে পারবো না, যা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন প্রতিটি মানুষের কিডনিতে সৃষ্টি করেছেন।"
পানি পান এবং নিষ্কাশনের প্রক্রিয়াটি খুব করে মনে পড়ে যখন সূরা যারিয়াতের ২১ নং আয়াত পড়ি। সেখানে মহান রব বলেছেন-
"আমরা কী নিজেদের সত্ত্বা নিয়ে কখনো চিন্তা করে দেখেছি?"
কর্মক্ষেত্রে বা পারিবারিক বা বন্ধু মহলে আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা বুক ফুলিয়ে বলেন, "আমি উচিৎ কথা বলতে কাউকে ছাড়ি না।আমি উচিৎ কথা মুখের উপর বলে দেই। আমি অনেক স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড! যা মনে আসে তাই বলি।"
সব মহলে ঠোটকাটা স্বভাবের হিসেবে আপনি পরিচিত! সবাইকে একদম সামনেই ধুয়ে দেন এবং এটা নিয়ে আপনি বেশ গর্বও করেন! ইসলাম ধর্মে এটাকেই "লুমাযাহ" বলা হয়।
আল্লহ্ এই মানুষদেরকে পরিবর্তন হতে বলেছেন সূরা হুমাজাহ তে। নয়তো তাদের জন্য অনিবার্য ধ্বংসের সতর্ক বাণী দিয়েছেন। আল্লাহ তাদের প্রতি কঠোর লানত করেছেন।
আসুন, আমরা একটু নরম হই, একটু সহনশীল হই, অন্তরকে পরিশুদ্ধ করি। মনে রাখবেন- আল্লাহ যাকে নম্রতা দিয়েছেন, তিনি দুনিয়ার সেরা নিয়ামাহ পেয়ে গেছেন। হয়তো আমিও লুমাজার অন্তর্ভুক্ত, তবে চেষ্টা করছি নিজেকে বাঁচাতে। আল্লাহ তৌফিক দান করুন। #রামাদান #ইসলামীক #কুরআন #Quran #Viral
Md Rafiq Bin Salam
"প্রতিদিন গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাচ্ছেন? নিজের অজান্তেই পেটের বারোটা বাজাচ্ছেন না তো?" 🚫🔥
আমাদের দেশে একটু বুক জ্বালাপোড়া বা গ্যাস হলেই আমরা না ভেবেই মুড়ি-মুড়কির মতো গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ (PPI) খেয়ে ফেলি। কিন্তু আপনি কি জানেন—অতিরিক্ত ও দীর্ঘমেয়াদী গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়া আপনার স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে?
গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সাময়িক আরাম দিলেও, আসল কারণ না জেনে বছরের পর বছর খেয়ে গেলে শরীরে ভিটামিন বি-১২, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি তৈরি হয়। এমনকি হাড় দুর্বল হওয়া ও হজম ক্ষমতা স্থায়ীভাবে কমে যাওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে!
⚠️ যেসব অভ্যাসের কারণে প্রতিদিন গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেতে হয়:
খাবার খেয়েই শুয়ে পড়া: রাতে খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়লে পেটের এসিড সহজে উপরে উঠে আসে।
অতিরিক্ত চা/কফি ও ভাজাপোড়া: খালি পেটে ঘন ঘন চা-কফি বা অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার খাওয়া।
পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া: সারাদিনে সঠিক পরিমাণে পানি না খেলে হজমে গোলমাল দেখা দেয়।
খাওয়ার মাঝে দীর্ঘ বিরতি: অনেকক্ষণ পেট খালি রেখে হঠাৎ একবারে বেশি খেয়ে ফেলা।
💡 ওষুধ ছাড়া গ্যাস্ট্রিক থেকে স্থায়ী মুক্তির সহজ সমাধান:
১. নিয়মিত সময়ে খাওয়া: প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন।
২. খাওয়ার পর হাঁটা: রাতে খাওয়ার অন্তত ২ ঘণ্টা পর ঘুমাতে যান এবং খাওয়ার পর ১০-১৫ মিনিট হাঁটাহাঁটি করুন।
৩. ধীরে চিবিয়ে খাওয়া: খাবার ভালো করে চিবিয়ে খেলে পাকস্থলীর ওপর চাপ কম পড়ে।
৪. পর্যাপ্ত ঘুম ও স্ট্রেস মুক্ত থাকা: মানসিক চাপ ও অনিদ্রা এসিড সিক্রেশন অনেক বাড়িয়ে দেয়।
🚨 মনে রাখবেন: গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ কোনো স্থায়ী সমাধান নয়, এটি কেবল লক্ষণ কমায়। লাইফস্টাইল পরিবর্তন করাই হলো এর আসল চিকিৎসা!
👉 কমেন্টে সত্যি করে বলুন তো—আপনি কি প্রতিদিন গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়ার অভ্যাসে আটকে গেছেন?
পোস্টটি শেয়ার করে আপনার বন্ধুবান্ধব ও পরিবারকে সচেতন করুন! ❤️
#GastricHealth #AcidReflux #GutHealth #HealthAwareness #HealthyLifestyle #DigestionTips #HealthyLiving #Diversion #ViralHealthPost #WellnessJourney #গ্যাস্ট্রিকের_সমাধান #স্বাস্থ্য_সচেতনতা #সুস্থ_জীবন #ডাক্তারের_পরামর্শ
2 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Md Rafiq Bin Salam
আপনার যতটুকু সম্মান পাওয়ার কথা ততটুকু পেলে সন্তুষ্ট হোন, আলহামদুলিল্লাহ বলুন, যিনি সেই সম্মান দেখাচ্ছেন তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
আপনার যতটুকু সম্মান পাওয়ার কথা তা না পেলে বিনীতভাবে সেটা প্রকাশ করুন। অসন্তুষ্ট মনোভাব নয় বরং বিনয় দিয়েই আপনার প্রাপ্য বুঝে নিন। এরপরও না পেলে নীরবে এড়িয়ে চলা রপ্ত করুন।
আপনার যতটুকু সম্মান পাওয়ার কথা তার চেয়ে বেশি পেলে সতর্ক হোন। আমার যে বাঁশবাগানটি আছে, তার বেশিরভাগ বাঁশ অতিরিক্ত সম্মান যেসব জায়গায় পেয়েছি, সেখান থেকে আসা।
1 year ago | [YT] | 1
View 0 replies
Md Rafiq Bin Salam
মানুষ সব ভুলে যেতে পারে!!
রাগারাগি, ভুল বোঝাবুঝি, ঝগড়া, তর্ক বিতর্ক, মন খারাপ ইত্যাদি সময়ের সাথে সাথে সব ভুলে যেতে পারে মানুষ। শুধু ভুলতে পারে না কিছু কথা। প্রিয় মানুষের মুখ থেকে নিজের ব্যাপারে শোনা কিছুকিছু কথা মানুষের ভিতরে বাজতে থাকে অদৃশ্য টেপ রেকর্ডারের মতো। বুকের ভিতর কোনও তীক্ষ্ণ ফলার মতো বিঁধে থাকে সে'সব অপমান, গলার ভিতর মাছের কাঁটার মতো আটকে থাকে সে'সব কটূক্তি, ঘুমের ভিতর দুঃস্বপ্নের মতো তাড়া করে।
না গেলা যায়, না ফেলা যায়। একটা সময় পর সব আঘাত মিলিয়ে যায় ধীরে ধীরে, আবার হাসি ফুটে ওঠে মুখে, দিব্যি থাকি আমরা। তারপর হঠাৎ কোনও ঘুম না আসা একলা রাতে, স্মৃতির বারান্দায় পায়চারি করতে করতে আমরা পৌঁছে যাই সে'সব কথার কাছে। কী ভীষণ যন্ত্রণা হয় আবার! সেই একই কষ্ট আবার ফিরে আসে। আর আমরা বুঝতে পারি আমরা মানুষদের ক্ষমা করি, তাদের বলা কথাগুলোকে না...
1 year ago | [YT] | 2
View 0 replies
Md Rafiq Bin Salam
আল্লাহ্ আমাদের ক্ষমা করুক এবং কবুল করুক উত্তম রিজিক দান করুক, উত্তম নিয়ামত দান করুক।
2 years ago | [YT] | 2
View 0 replies
Md Rafiq Bin Salam
3 years ago | [YT] | 9
View 0 replies
Md Rafiq Bin Salam
ঈদ মোবারক
3 years ago | [YT] | 10
View 0 replies
Md Rafiq Bin Salam
#খলিফা হারুন অর রশিদ পানি পান করতে যাবেন, গ্লাস ঠিক ঠোঁটের কাছে নিয়েছেন, এমন সময় হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "আমিরুল মুমিনীন! একটু থামুন। পানি পান করার আগে আমার একটি প্রশ্নের উত্তর দিন।"
খলিফা বললেন, "বলো কি জানতে চাও?"
বহলুল (রহঃ) বললেন, "মনে করুন আপনি প্রচন্ড তৃষ্ণার্ত হয়ে এমন মাঠে আছেন যেখানে পানি নাই। পিপাসায় আপনার প্রাণ ওষ্ঠাগত। এমন অবস্থায় আপনি এক গ্লাস পানির জন্য কতটা মূল্য ব্যয় করবেন?"
খলিফা বললেন, "যেহেতু পানি না পেলে আমার মৃত্যু হবে তাই আমার পুরো সম্পত্তিও ব্যয় করে দিতে পারবো।"
হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "ঠিক আছে এবার বিসমিল্লাহ বলে পানি পান করেন।"
খলিফা পানি পান করলেন। এবার হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "আমার আর একটি প্রশ্ন আছে।"
খলিফা বললেন, "বলো।"
বহলুল (রহঃ) বললেন, "এই পানি যদি আপনার শরীর থেকে না বের হয়, পেটেই জমা থাকে। প্রসাব বন্ধ হয়ে যায়, সেই পানি বের করবার জন্য কত টাকা ব্যয় করবেন?"
-প্রসাব বন্ধ হলে তো আমি সহ্য করতে পারবো না। মারা যাবো। জীবন বাঁচাতে একজন ডাক্তার যতটা চায় ততটাই দিবো। আমার পুরো রাজত্ব চাইলেও দিয়ে দিবো।"
হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, তাহলে বোঝা গেল আপনার পুরো রাজত্ব এক গ্লাস পানির দামের সমানও নয়। মাত্র এক গ্লাস পানি পান করতে বা বের করতে আপনি পুরো রাজত্বও দিয়ে দিতে চান। তাহলে কত গ্লাস পানি নিয়মিত পান করেন আর বের করেন, এটা একটু ভাবেন আর এই নেয়ামত যিনি দিয়েছেন তার শুকরিয়া আদায় করেন।"
শরীর থেকে পানি বের করার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় যে অঙ্গ তাহলো কিডনি। করাচির এক ডাক্তারকে (কিডনি বিশেষজ্ঞ) একবার একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন, "বিজ্ঞান এখন এতো উন্নত, আপনারা একজনের কিডনি অন্যের শরীরে প্রতিস্থাপন করেন তাহলে কৃত্রিম কিডনি তৈরি করতে পারছেন না কেন?"
ডাক্তারের উত্তরটি ছিলো খুবই আশ্চর্যজনক।
তিনি বলেছিলেন, "সায়েন্সের এই উন্নতি সত্ত্বেও কৃত্রিম কিডনি তৈরি করা খুব কঠিন। কারণ আল্লাহ তায়ালা কিডনির ভেতরে যে চালনি যুক্ত করেছেন তা খুব সুক্ষ্ম এবং পাতলা। এখনো পর্যন্ত এমন যন্ত্র আবিষ্কার হয়নি যা এমন সুক্ষ্ম ও পাতলা চালনি তৈরি করতে পারে। আর যদি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে চালনি তৈরি করাও হয় তবুও কিডনির ভেতর এমন একটি জিনিস আছে যা তৈরি করা আমাদের ক্ষমতার বাইরে। জিনিসটি হলো একটি মস্তিষ্ক (sensor)। এই মস্তিষ্ক ফায়সালা করে যে, এই মানুষের শরীরে কতটুকু পানি রাখা চাই আর কতটুকু ফেলে দেওয়া চাই। তার ফায়সালা শতভাগ সঠিক হয়।
ফলে আমরা যদি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে কৃত্রিম কিডনি তৈরি করেও ফেলি, তবুও আমরা এতে মস্তিষ্ক তৈরি করতে পারবো না, যা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন প্রতিটি মানুষের কিডনিতে সৃষ্টি করেছেন।"
পানি পান এবং নিষ্কাশনের প্রক্রিয়াটি খুব করে মনে পড়ে যখন সূরা যারিয়াতের ২১ নং আয়াত পড়ি। সেখানে মহান রব বলেছেন-
"আমরা কী নিজেদের সত্ত্বা নিয়ে কখনো চিন্তা করে দেখেছি?"
3 years ago | [YT] | 8
View 0 replies
Md Rafiq Bin Salam
লুমাযাহ কারা? (সুরা হুমাযাহ):
কর্মক্ষেত্রে বা পারিবারিক বা বন্ধু মহলে আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা বুক ফুলিয়ে বলেন, "আমি উচিৎ কথা বলতে কাউকে ছাড়ি না।আমি উচিৎ কথা মুখের উপর বলে দেই। আমি অনেক স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড! যা মনে আসে তাই বলি।"
সব মহলে ঠোটকাটা স্বভাবের হিসেবে আপনি পরিচিত! সবাইকে একদম সামনেই ধুয়ে দেন এবং এটা নিয়ে আপনি বেশ গর্বও করেন! ইসলাম ধর্মে এটাকেই "লুমাযাহ" বলা হয়।
আল্লহ্ এই মানুষদেরকে পরিবর্তন হতে বলেছেন সূরা হুমাজাহ তে। নয়তো তাদের জন্য অনিবার্য ধ্বংসের সতর্ক বাণী দিয়েছেন। আল্লাহ তাদের প্রতি কঠোর লানত করেছেন।
আসুন, আমরা একটু নরম হই, একটু সহনশীল হই, অন্তরকে পরিশুদ্ধ করি। মনে রাখবেন- আল্লাহ যাকে নম্রতা দিয়েছেন, তিনি দুনিয়ার সেরা নিয়ামাহ পেয়ে গেছেন। হয়তো আমিও লুমাজার অন্তর্ভুক্ত, তবে চেষ্টা করছি নিজেকে বাঁচাতে। আল্লাহ তৌফিক দান করুন।
#রামাদান
#ইসলামীক
#কুরআন
#Quran
#Viral
3 years ago (edited) | [YT] | 5
View 0 replies
Md Rafiq Bin Salam
3 years ago | [YT] | 13
View 0 replies
Md Rafiq Bin Salam
সূরা ফাতিহা বাংলা উচ্চারণ সহ
#সূরা_ফাতিহা
#নামাজ
3 years ago | [YT] | 3
View 0 replies
Load more