নেতাজির জীবন আদর্শ ও তাঁর অজানা সত্য ইতিহাস সন্ধানে এই চ্যানেল সদা দায়িত্বের সঙ্গে কাজ করে চলেছে। জনমানসে এই মানুষটিকে নিয়ে জাগরণ সৃষ্টি করাই এই চ্যানেলের উদ্দেশ্য।


I AM BOSE

।। বাংলার রাজনীতি কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে ।।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ঠিক কতটা তলানিতে এসে ঠেকেছে, তার উদাহরণ আমরা সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় আবার দেখলাম। আরও দুঃখের বিষয়—বাংলার একাংশের মিডিয়া সেই নোংরামিকেই ফলাও করে প্রচার করছে। যেন রাজনীতির নামে এই ধরনের ব্যক্তিগত কাদা ছোড়াছুড়িই এখন সবচেয়ে বড় খবর!

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভালো না লাগার পেছনে আমার কাছে হাজারটা কারণ আছে—যেমনটা পশ্চিমবঙ্গের বহু মানুষের কাছেও আছে। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, প্রশাসনিক ব্যর্থতা, রাজনৈতিক সহিংসতা—এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে, হচ্ছে, এবং হওয়াটাই স্বাভাবিক।

কিন্তু সেই রাজনৈতিক সমালোচনার জায়গা ছেড়ে যখন কেউ শুধুমাত্র বিধানসভার টিকিট পাওয়ার আশায় ব্যক্তিগত কলঙ্ক ছড়িয়ে রাজনীতি করতে চায়, তখন সেটা আর রাজনীতি থাকে না—সেটা নোংরা ক্ষমতার খেলা হয়ে দাঁড়ায়।

আমরা কিন্তু এখনো ভুলে যাইনি সেই ভাষা—“জিভ টেনে ছিঁড়ে দেব”—যে সংস্কৃতি একসময় বাংলার রাজনীতিকে কলঙ্কিত করেছিল। আজ যদি আবার সেই একই ধরনের নোংরা রাজনৈতিক কালচারকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হয়, তাহলে সেটা পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যতের জন্য সত্যিই ভয়ংকর সংকেত।

রাজনীতির লড়াই হওয়া উচিত উন্নয়নের। হওয়া উচিত মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে। আগামী দিনে মানুষের জীবনে কী পরিবর্তন আনা যাবে—সেই প্রতিশ্রুতি নিয়ে।
কিন্তু আজ দেখা যাচ্ছে রাজনৈতিক আদর্শ, বাঙালির সংস্কার, সভ্য রাজনৈতিক আচরণ—সব যেন কোথাও হারিয়ে গেছে।

কখনো কখনো সত্যিই অবাক লাগে—আমি কি সেই পশ্চিমবঙ্গেই বাস করি, যে মাটিতে একদিন রবীন্দ্রনাথ, বিদ্যাসাগর, নেতাজির মতো মহাপুরুষ জন্মেছিলেন? সেই মাটির রাজনীতিকে আজ কতটা নিচে নামিয়ে আনা হচ্ছে!

ভোটের বাজারে কে জিতবে, কে হারবে—তা সময় বলবে। কিন্তু আজ একটা কথা পরিষ্কার—পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ রাজনৈতিক নেতার উপর মানুষের ভরসা ক্রমশ কমছে।

কারণ যারা এতদিন একসঙ্গে রাজনীতি করেছেন, তখন সব ঠিক ছিল—আর আজ বিরোধী হলেই ব্যক্তিগত নোংরা আক্রমণ? এভাবে কি কোনো রুচিশীল রাজনীতি সম্ভব? এভাবে কি মানুষ বিশ্বাস করবে যে আগামী দিনে এই মানুষগুলো আমাদের ভালো কিছু দিতে পারবেন?

তাই প্রশ্নটা আজ আমাদেরই করতে হবে—
আর কতদিন এভাবে চলবে?

রাজনীতির নামে এই নোংরা সংস্কৃতি যদি চলতেই থাকে, তাহলে আগামী দিনে সাধারণ মানুষের কপালে সত্যিই আরও অনেক দুঃখ অপেক্ষা করছে।

সবশেষে একটা কথাই বলি—
রাজনীতির লড়াই হোক উন্নয়নের, নীতির এবং মানুষের ভবিষ্যতের জন্য।
ব্যক্তিগত কাদা ছোড়াছুড়ির জন্য নয়।

23 hours ago | [YT] | 731

I AM BOSE

Rang baarshe…… দোলের শুভেচ্ছা 🙏

1 week ago | [YT] | 3,113

I AM BOSE

বইটা বেরোনোর পর এবার অনেকেই নড়েচড়ে বসেছেন। আমার চ্যানেল বন্ধ করা শপথ নিয়েছেন অনেকেই। তাঁরা নিশ্চিত থাকুন, আমরা সুভাষের সৈনিক। মাটিতে পুঁতবে তো আকাশ থেকে নামবো। কথা দিলাম। আগেও অনেক চেষ্টা হয়েছে। প্রথম যখন আমার চ্যানেলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল তখন আমার দুটো চ্যানেলে সংখ্যা ছিল দুটোতেই ৮০ হাজার। সেখান থেকে আজ আমি ৬ লাখ ছাড়িয়েছি। এবার উড়িয়ে দিলে কোটিতে পৌঁছব। কিন্তু কোনভাবেই এই মানুষটার সত্যকে সামনে আনতে ছাড়বো না।

আজ পবিত্র মোহন রায়কে বলা ভগবানজির সেই কথাটা খুব মনে পড়ছে। তিনি পবিত্র মোহন রায়কে বলেছিলেন, একদিন সময় আসবে যখন নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা এগিয়ে এসে নিজে থেকেই সেই ইতিহাস বাইরে বের করে আনবে।
আমরা গোটা বিশ্ববাসীকে জানিয়ে দিতে চাই সেই সময় এসে গেছে। ‘ সুভাষ ফিরেছিলেন '
গোটা বাংলায় ইতিমধ্যেই সেই জোয়ার নিয়ে এসেছে।

জয় হিন্দ

2 weeks ago (edited) | [YT] | 5,010

I AM BOSE

এই ভিডিওটি সামনে আনতেই আবারও নড়েচড়ে বসেছে অসাধু চক্র। একটা বিশাল বড় চক্র যাঁদের কাছে প্রমাণ কোনও গুরুত্বই রাখে না। আপনি যত প্রমাণই দিন না কেন ওনারা নেতাজিকে বিমান দুর্ঘটনায় মেরেই ছাড়বেন তা নয় এবার নেতাজির মিথ্যে চিতাভস্ম দেশে আনার চক্রান্ত চলছে।
কিন্তু ওনাদের পক্ষে কোনও প্রমাণ সামনে আনবেন না।
নেতাজির তথাকথিত কন্যা অনিতা বোস পাফের মিথ্যে অভিযোগে নিয়ে এই ভিডিওটা করতেই আমার বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্র শুরু। এই ভিডিওটি ইউটিউব থেকে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এবং আমার বিরুদ্ধে কপিরাইট স্ট্রাইক দেওয়া হয়েছে। অতীতেও একইভাবেই আমার চ্যানেল উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। যদিও youtube এর ফাইনাল অ্যাপিল এখনও বাকি রয়েছে। আমি দেখতে চাই ইউটিউব কী ব্যবস্থা নেয়। তারপর যা ব্যবস্থা নেওয়ার আমিও নেব।
অস্ট্রেলিয়ায় বসে বসে নেতাজির চিতাভস্ম ফিরিয়ে আনার এই ষড়যন্ত্রের উত্তর এবার দিতেই হবে।

আজ যদি ভারত সরকার নেতাজির অন্তর্ধান সংক্রান্ত বিষয়ে সব সত্য সামনে নিয়ে আসত তাহলে আজ এই দিন দেখতে হত না।

যতই ভাঙার চেষ্টা করবে ততই উঠে দাঁড়াবো।

2 weeks ago | [YT] | 3,827

I AM BOSE

আবারও ষড়যন্ত্র শুরু। সেই একই ব্যক্তির উদ্যোগে আমার ইউটিউব চ্যানেল থেকে উড়িয়ে দেয়া হল নেতাজির মিথ্যে চিতাভস্ম সংক্রান্ত ভিডিও। যদিও এখনো চূড়ান্ত রায় বাকি রয়েছে। এবার আমি শেষ দেখেই ছাড়বো।

2 weeks ago | [YT] | 1,917

I AM BOSE

সম্প্রতি প্রাক্তন সিপিএম কর্মী প্রতীক উর রহমানের দলবদল নিয়ে নানা মহলে নানা আলোচনা শুনছি। তাঁর নিজের দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সতীর্থদের বক্তব্য, সিনিয়র নেতাদের প্রতিক্রিয়া—সব মিলিয়ে ঘটনাটা যেন আর পাঁচটা রাজনৈতিক মান–অভিমানের গল্পের মতোই। বড় দলে মতপার্থক্য থাকবে, অভিমান থাকবে—এ স্বাভাবিক। বিশেষ করে দল যখন ক্ষমতায় নেই, তখন ভাঙন আরও প্রকট হয়—এও নতুন কিছু নয়। অতীতে সব দলেই এমন হয়েছে, বাম দলগুলিতেও হয়েছে।
কিন্তু প্রশ্নটা এখানে অন্য জায়গায়।
মান–অভিমান রাজনীতির অঙ্গ হতে পারে, কিন্তু যখন সেই অভিমানের ফলশ্রুতিতে একজন নেতা তাঁর বহুদিনের রাজনৈতিক আদর্শ ত্যাগ করে সম্পূর্ণ বিপরীত মতাদর্শের দলে যোগ দেন—তখন প্রশ্ন উঠবেই। তখন সাধারণ মানুষের মনে সংশয় জাগে—আদর্শ কি সত্যিই আদর্শ, নাকি কেবল রাজনৈতিক অবস্থান?
যে দলকে এতদিন তীব্র সমালোচনা করেছেন, যে দলের সিদ্ধান্ত ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব ছিলেন, আজ সেই দলেই কোন আদর্শের ভিত্তিতে নাম লেখালেন? ব্যক্তিগত উপেক্ষা বা অপমান নিশ্চয়ই কষ্টের। কিন্তু আদর্শ কি ব্যক্তিগত মান–অভিমানের কাছে এতটাই দুর্বল?
এখানে আমি কোনও দলকে ভালো বা খারাপ বলছি না। বিচার আপনাদের। কিন্তু প্রশ্ন তুলতেই হয়—রাজনীতি কি আজ শুধুই পেশা, শুধুই ক্যারিয়ার? মতাদর্শ কি কেবল স্লোগানে সীমাবদ্ধ?
যখন দেখি গতকাল পর্যন্ত যে নেতা এক রাজনৈতিক দর্শনের পক্ষে লড়েছেন, আজ তিনি সম্পূর্ণ বিপরীত মতাদর্শের পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে—তখন মনে হয়, রাজনীতিটা যেন ধীরে ধীরে এক ধরনের ব্যবসায় পরিণত হচ্ছে। যেখানে সুবিধা মিললে মতাদর্শ বদলে যায়, অবস্থান বদলে যায়, ভাষা বদলে যায়।
এটা কোনও এক ব্যক্তির প্রসঙ্গ নয়। এটা বৃহত্তর রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি। আজ এখানে, কাল সেখানে—এই প্রবণতা আমাদের বুঝিয়ে দেয়, রাজনীতির মান কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে।
তাই সাধারণ মানুষের কাছে আমার অনুরোধ একটাই—মেকি আদর্শের আড়ালে যে বাস্তব রাজনীতি চলছে, সেটা বোঝার চেষ্টা করুন। নেতা বা দলের নাম দেখে নয়, কাজ দেখে ভোট দিন। আবেগে নয়, বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিন। পরম্পরায় ভোট দিলে সময়ের ব্যবধানে ঠিক–ভুল বিচার করা কঠিন হয়ে পড়ে।
পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে আমাদের সচেতনতার ওপর। রাজনীতি বদলাতে চাইলে প্রথমে বদলাতে হবে ভোটদানের মানসিকতা। যারা সত্যিই মানুষের জন্য কাজ করবে—শুধু তাদেরই সুযোগ দিন।
না হলে দল বদলাবে, নেতা বদলাবে, স্লোগান বদলাবে—কিন্তু বাস্তবতার কোনও পরিবর্তন হবে না।

2 weeks ago | [YT] | 700

I AM BOSE

আমি আপনার মতোই একজন বাঙালি। বাংলা আমার মাতৃভাষা। এই ভাষার শব্দ, স্বর, ছন্দ—এসবের মধ্য দিয়েই আমি প্রথম পৃথিবীকে চিনেছি। মায়ের মুখে প্রথম যে ডাক শুনেছি, প্রথম যে ছড়া, প্রথম যে গল্প—সবই ছিল বাংলায়। তাই বাংলা আমার কাছে কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়; এটি আমার শৈশবের স্মৃতি, আমার আবেগের প্রথম রং, আমার ভাবনার প্রথম ভুবন।
এই ভাষাতেই আমি স্বপ্ন দেখি, রাগ করি, ভালোবাসি, প্রতিবাদ করি। আনন্দের মুহূর্তে যে উচ্ছ্বাস মুখে আসে, কিংবা দুঃখের সময় যে দীর্ঘশ্বাস—তা বাংলাতেই স্বতঃস্ফূর্ত। অন্য কোনো ভাষায় হয়তো কথা বলা যায়, লেখা যায়, কাজ করা যায়; কিন্তু হৃদয়ের গভীরতম অনুভূতি যে ভাষায় সহজে প্রকাশ পায়, সেটাই তো নিজের ভাষা।
বাংলা শুধুমাত্র একটি ভাষা নয়—এটি একটি সভ্যতার ধারক। এই ভাষায় লেখা আছে আমাদের ইতিহাস, আমাদের সংগ্রাম, আমাদের আত্মমর্যাদার গল্প। ভাষার জন্য জীবন দেওয়ার ইতিহাস পৃথিবীতে বিরল; কিন্তু বাঙালির ইতিহাসে সেই অধ্যায়ও আছে। ভাষা আমাদের কাছে তাই শুধু সাংস্কৃতিক পরিচয় নয়, আত্মপরিচয়ের প্রশ্ন।
এই ভাষায় সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য সাহিত্যকীর্তি—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর গীতাঞ্জলি, কাজী নজরুল ইসলাম-এর বিদ্রোহী চেতনা, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর বন্দেমাতরমের আহ্বান। এই ভাষায় লেখা গান আমাদের স্বাধীনতার মন্ত্র হয়ে উঠেছে, এই ভাষার কবিতা আমাদের প্রতিবাদের শক্তি জুগিয়েছে, এই ভাষার গল্প আমাদের সমাজকে আয়নার সামনে দাঁড় করিয়েছে।
বাংলা মানে শুধু সাহিত্য নয়—এটি আমাদের পরম্পরা, আমাদের উৎসব, আমাদের লোকসংস্কৃতি, আমাদের আঞ্চলিক শব্দের মাধুর্য। গ্রামবাংলার মাঠ থেকে শহরের ব্যস্ত রাস্তায়, দুর্গাপূজার ঢাক থেকে বসন্তের কোকিল—সবকিছুই বাংলার শব্দে, বাংলার ছন্দে বেঁচে আছে।
তাই এই ভাষাকে অস্বীকার করা মানে নিজের শেকড়কে অস্বীকার করা। ভাষা ছাড়া জাতির আত্মা বেঁচে থাকতে পারে না। আমরা হয়তো বহু ভাষা শিখব, বিশ্বকে জানব, কিন্তু নিজের ভাষাকে ভুলে নয়। নিজের মাতৃভাষার ভিত যত মজবুত হবে, ততই আমরা বিশ্বমঞ্চে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দাঁড়াতে পারব।
বাংলা আমার পরিচয়। বাংলা আমার আত্মা। বাংলা আমার অস্তিত্ব।
এই ভাষাই আমাকে গড়েছে, আমিও এই ভাষার অংশ।
এই প্রসঙ্গে একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথাও বলতে চাই। আমার প্রথম বই প্রকাশিত হয়েছে বাংলায়— “সুভাষ ফিরেছিলেন”। অনেকেই মনে করেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে গবেষণা বাংলায় করলে তার গুরুত্ব নাকি কমে যায়, কিংবা বাংলা ভাষায় লেখা বই নাকি আজ আর পাঠক পায় না। আমি কখনোই সেই ধারণায় বিশ্বাস করিনি।
আমার বিশ্বাস ছিল, নেতাজিকে গভীরভাবে বুঝতে হলে, তাঁর চিন্তা ও চেতনার ভেতরে প্রবেশ করতে হলে, বাংলাকে অগ্রাহ্য করা যায় না। কারণ তিনি শুধু একজন সর্বভারতীয় নেতা নন; তিনি বাঙালির আত্মপরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই তাঁকে নিয়ে বাংলায় গবেষণা করা কোনোভাবেই গৌণ বিষয় নয়—এটি আমাদের ঐতিহাসিক দায়িত্ব।
অনেকে প্রশ্ন তুলেছিলেন—আজকের দিনে বাংলা বই কি মানুষ পড়েন? কিন্তু আমি কখনো ভাবিনি যে মানুষ বাংলা বই পড়বেন না। আজ আমার সেই বিশ্বাস বাস্তবের রং পেয়েছে। হাজার হাজার কপি বিক্রি হয়েছে, এখনও হচ্ছে। পাঠকের ভালোবাসা প্রমাণ করে দিয়েছে—বাংলা ভাষা এখনো জীবন্ত, শক্তিশালী এবং গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক।
একজন সত্যিকারের বাঙালি হিসেবে এটি আমার গর্ব। কারণ এই সাফল্য কেবল একটি বইয়ের সাফল্য নয়; এটি বাংলা ভাষার প্রতি মানুষের আস্থার সাফল্য।
যারা বাংলাকে অস্বীকার করে ইতিহাস লেখার চেষ্টা করছেন, তারা হয়তো বুঝতে পারছেন না—ভাষা ছাড়া ইতিহাসের শিকড় শুকিয়ে যায়। নিজের ভাষাকে উপেক্ষা করে কোনো জাতির ইতিহাস পূর্ণতা পায় না। বাংলাকে পাশ কাটিয়ে বাঙালির ইতিহাস লেখা যায় না। আর যারা তা করার চেষ্টা করছেন, তারা হয়তো অজান্তেই একটি বড় ভুল করছেন।

আপনাদের সকলকে আন্তর্জাতিক ভাষা দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

3 weeks ago | [YT] | 1,123

I AM BOSE

সময় এক মহাবিস্ময়, আর সেই সময়ের আবর্তে আপনি আজও এক অমীমাংসিত প্রশ্ন— হে মহাবীর, দেশনায়ক সুভাষচন্দ্র।
​আপনার অন্তর্ধান রহস্যের প্রতিটি সত্য আজ প্রজন্মের পর প্রজন্ম, ঘরে ঘরে পৌঁছে যাওয়া প্রয়োজন। বাঙালির ললাট থেকে পরাজয় আর গ্লানি মুছে ফেলার সময় এসেছে আজ। আমি তো সামান্য এক সময়ের প্রতিনিধি মাত্র, আপনার সুমহান আত্মত্যাগের কাছে আমরা অতি ক্ষুদ্র। আমি কোনও লেখক নই, নই কোনও গবেষক। আমি একটা প্রজন্ম মাত্র, যা তোমার গ্লানি মুছে দিয়ে আগামীর কাছে ইতিহাসকে পৌঁছে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাত্র। আমার এই কাজ এক দিনের নয়, এটা হাজার হাজার দিনের আবেগ, ভালোবাসা ও চোখের জল মেশানো এক শ্রদ্ধাঞ্জলি মাত্র।

​হে মহাপুরুষ, তোমার দিকে চেয়ে চেয়ে আমি মাঝে মাঝে অবাক হই। তোমার প্রতিটি স্বপ্ন আর অমোঘ বাণী একদিন এই পুণ্য ভারতভূমিতে সত্য রূপে প্রতিধ্বনিত হবেই। তোমার আদর্শকে পাথেয় করে এই লড়াইয়ে নেমেছি— সত্যের জয় হবেই। 🇮🇳
#NetajiSubhashChandraBose #IAmBose #Truth #HistoryOfIndia #BengaliPride #Inspiration

4 weeks ago | [YT] | 6,063

I AM BOSE

Hi everyone, welcome to my new YouTube Community. Now you can post on my channel too. To get started, tell me in a post what you'd like to see next on my channel.
Visit my Community: youtube.com/@IAMBOSE/community

4 weeks ago | [YT] | 125

I AM BOSE

আসছি
কৃষ্ণনগর
রবিবার বিকেল ৪টায় ।
স্থান: থানার উল্টো দিকে, সেনকো গোল্ডের সামনে ।

4 weeks ago | [YT] | 365