নেতাজির জীবন আদর্শ ও তাঁর অজানা সত্য ইতিহাস সন্ধানে এই চ্যানেল সদা দায়িত্বের সঙ্গে কাজ করে চলেছে। জনমানসে এই মানুষটিকে নিয়ে জাগরণ সৃষ্টি করাই এই চ্যানেলের উদ্দেশ্য।
এত অপমান, এত লাঞ্ছনা, আমার বিরুদ্ধে আইনি মামলা, আমার চ্যানেল ডিলিট করে দেওয়া, আমার বিরুদ্ধে কুৎসা ,...... এত কিছু সত্বেও আপনাদের ভালোবাসা সব বাঁধ ভেঙে দিয়েছে। সেই ভালোবাসার জোয়ার আজ আমার চ্যানেলকে ৭ লক্ষে পৌঁছে দিয়েছে। আমি ধন্যবাদ দিয়ে কাউকে ছোট করবো না কিন্তু এই ভালোবাসা অনেক অনেক বড় অনুপ্রেরণা। আগামী দিনে একই রকম সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করব এমনটাই প্রতিজ্ঞা করি। আপনারা যেভাবে আমার পাশে ছিলেন আগামী দিনে সেভাবেই আমার পাশে থাকবেন আর সেটাই আমার সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ এবং সবচেয়ে বড় শক্তি।
একটি সত্য ঘটনা ঘটেছিল। তারপর সেই ঘটনাকে ঘিরে তৈরি হলো নানা ব্যাখ্যা, নানা গল্প, নানা ন্যারেটিভ।
কেউ হয়তো তৈরি করল নিজের স্বার্থে, কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে, কেউ তথ্যের অভাবে, আবার কেউ হয়তো সচেতনভাবেই একটি নির্দিষ্ট ধারণাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ন্যারেটিভ বারবার বলা হলো, লেখা হলো, প্রচার হলো।
একসময় আশ্চর্যজনকভাবে ঘটনাটি নয়, ঘটনাকে ঘিরে তৈরি হওয়া গল্পটাই মানুষের কাছে সত্য হয়ে উঠল।
এটাই মাইন্ডসেট ন্যারেটিভের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক।
কারণ কোনও একটি ধারণা দীর্ঘদিন ধরে শুনতে শুনতে মানুষের মনে এমনভাবে গেঁথে যেতে পারে যে, পরে তার সামনে বাস্তব তথ্য হাজির হলেও সে তথ্যকে গ্রহণ করতে তার মন অস্বস্তি বোধ করে।
তখন মানুষ বাস্তবতাকে বিচার করে নিজের তৈরি ন্যারেটিভের মানদণ্ডে।
যে তথ্য তার বিশ্বাসের সঙ্গে মেলে—সেটি তার কাছে সত্য। যে তথ্য তার বিশ্বাসকে প্রশ্ন করে—সেটি মিথ্যা, ষড়যন্ত্র বা বিকৃত তথ্য।
এখানেই সবচেয়ে বড় বিপদ।
কারণ ন্যারেটিভ পরিবর্তনশীল, কিন্তু বাস্তবতা সবসময় আমাদের বিশ্বাসের সঙ্গে পরিবর্তিত হয় না।
একটি মিথ্যা কথা একশোবার বললে সেটি সত্য হয়ে যায় না। আবার একটি নেতিবাচক ন্যারেটিভ কয়েক দশক ধরে প্রচলিত থাকলেও তার দীর্ঘস্থায়িত্ব তাকে চিরসত্যের মর্যাদা দেয় না।
কিন্তু মানুষের মন সংখ্যাকে প্রমাণ ভেবে নিতে পারে, পুনরাবৃত্তিকে সত্যের সমার্থক মনে করতে পারে।
আর তখনই তৈরি হয় এক অদ্ভুত পরিস্থিতি—
বাস্তব সামনে দাঁড়িয়ে থাকে, অথচ মানুষ বাস্তবকে দেখতে অস্বীকার করে; কারণ তার মাইন্ডসেট ইতিমধ্যেই একটি বিকল্প বাস্তবতা তৈরি করে ফেলেছে।
সবচেয়ে কঠিন কাজ তাই নতুন কোনও তথ্য জানা নয়। সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো—যে বিশ্বাসকে আমরা এতদিন সত্য বলে মেনে এসেছি, সেটিকে একবার প্রশ্ন করার সাহস দেখানো।
আমাদের মনে রাখতে হবে, সত্যকে সত্য প্রমাণ করার জন্য একটি ন্যারেটিভের প্রয়োজন হয় না। সত্য তার নিজের অস্তিত্বেই সত্য।
ন্যারেটিভ তৈরি হয় মানুষের দ্বারা। ন্যারেটিভ বদলায় মানুষের সঙ্গে। কিন্তু যে বাস্তবতা সত্যিই ঘটেছে, সেটি আমাদের পছন্দ, অপছন্দ কিংবা বিশ্বাসের কারণে বদলে যায় না।
তাই কোনও ঐতিহাসিক বা বাস্তব ঘটনাকে বোঝার সময় প্রশ্নটা হওয়া উচিত নয়—
“কোন ন্যারেটিভটি আমি বিশ্বাস করি?”
প্রশ্নটা হওয়া উচিত—
“সব ন্যারেটিভ সরিয়ে রাখলে, শেষ পর্যন্ত যে বাস্তবতাটি থেকে যায়—সেটি কী?”
কারণ কখনও কখনও সত্যের সবচেয়ে বড় শত্রু মিথ্যা নয়।
সত্যের সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে ওঠে এমন একটি ন্যারেটিভ, যেটিকে মানুষ এত দীর্ঘদিন ধরে সত্য বলে বিশ্বাস করেছে যে, সত্য সামনে এসেও তাকে আর সত্য বলে মনে হয় না।
এমনই কিছু ন্যারেটিভের ভিড়ে হারিয়ে গিয়েছেন এক মহামানব।
কী চমক লাগছে? উত্তরপ্রদেশের প্রান্তিক এলাকা বস্তি । মা জগদম্বের( সরস্বতী দেবী শুক্লা ) ঘর থেকে উদ্ধার করেছি এই চশমা ।কার এই চশমা? ওখানে ওই গ্রামের বাড়িতে কী করছে? কী প্রমাণ করতে চাইছেন মাতাজির পরিবারের লোকজন? সময় দিন সব সামনে আনবো বিস্তারিত ভাবে । গুমনামীর পর্দা উঠিয়েই ছাড়ব এবার । যতই বিরোধিতা আসুক এটাই আমার জেদ ।
সময় বহমান। কত কিছু ধীরে ধীরে বদলে যায়। চোখের পলকে নিজের চারপাশটা কবে অন্য ধারায় বইতে থাকে তাও টের পাওয়া যায় না। সময়ের পরিবর্তনের প্রভাব মানুষের বর্তমান জীবন ধারায় অবশ্যই পড়ে। সব কিছু কোনও দিনই একই ভাবে চলতে পারে না। কিন্তু অতীত-বর্তমান ও ভবিষ্যতের মধ্যেকার ফারাকটা খুব সহজেই চোখে পড়ে। তখন মনে হয় আমরা সত্যিই অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছি। আজ হয়ত স্বাধীনতা আন্দোলনের লড়াই লড়তে হয় না। দৈনন্দিন জীবনের অনেক লড়াই আছে যার মুখোমুখি হতে হয় ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত করতে। কিন্তু ওঁরা কাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে চেয়েছিল? নিজেদের জন্য কিছু করে যে রেখে যান নি তা তো স্পষ্ট। আসলে ওই ছোট বয়সে একটা হুজুক কাজ করে যায়। আর সময়টাও কী যেমন তেমন! সেটা ছিল অগ্নিযুগ। যুবসমাজ তখন টগবগ করে ফুটছে। তাঁদের মধ্যেই একটি নাম ছিল ক্ষুদিরাম বসু। আজ অনেকেই তাঁর আত্মদানের কথা জানি। কিন্তু ঠিকঠাক অনুভূত হয় না। নতুন প্রজন্মকেও জানানো হয় না সে সকল আসল বাহুবলীর কথা। এদের জন্য না কেউ এসে মাথায় ঢেলে দিয়ে যায় দুধ, না কেউ ফুলের মালাটুকুও দেয়। কোথাও কোথাও হয়ত নমঃ নমঃ করে স্মরণ। হ্যাঁ আজ সেই ১১ই অগাস্ট। ১৯০৮ সালের এই দিনেই ভোর পাঁচটায় ব্রিটিশ সরকার ১৮ বছরের এক তরতাজা যুবককে ফাঁসির মঞ্চে দাঁড় করাল। কারাগারের উঁচু দেয়ালের বাইরে তখন হাজার হাজার মানুষের কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে ‘বন্দেমাতরম’ স্লোগান। ফাঁসিতে ঝোলানোর আগে কারা কর্তৃপক্ষ ভারত মায়ের ওই দামাল সন্তানের কাছে জানতে চাইল, মৃত্যুর আগে তাঁর শেষ ইচ্ছা কী? যুবকটি এক সেকেন্ড অপেক্ষা না করেই নিঃশঙ্কচিত্তে বলে উঠলেন, ‘আমি ভালো বোমা বানাতে পারি, মৃত্যুর আগে সারা ভারতবাসীকে সেটা শিখিয়ে দিয়ে যেতে চাই।’ ব্রিটিশ শাসন সেদিন স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল সামান্য একরত্তি ওই ছেলের সাহস দেখে। মৃত্যুকে কী অবলীলায় অবহেলা করার সাহস। কোনও ভয় বলে চোখেমুখে কিছু নেই। সত্যিই হাসি হাসিই ফাঁসি কাষ্ঠে চড়েছিলেন। তার পর তো সবই ইতিহাস। আমার কখনো কখনো ভাবলে গর্ব হয় আমি এমন দেশে জন্মেছি যেখানে এমন মহান ব্যক্তিরা জন্মেছেন। পবিত্র এই ভারতভূমি তাদের পদধূলায়। হে বীর, আমারা আজ কথায় আছি কাজে নেই। আমরা আজ অনেক বদলে গেছি। তোমাদের সেই অকুতোভয়, সর্বত্যাগী সেই মনের হদিশ আমায় দিও, আমি যেন কখনো ভুলে না যাই আমার এই স্বাধীনতার রন্ধ্রে রন্ধ্রে রয়েছে তোমাদের আত্মত্যাগ। বেয়নেটের গুলির ক্ষত কেমন ও কতটা যন্ত্রনাদায়ক আমরা জানিনা, ফাঁসির দড়িটায় টান পড়লে কতটা কষ্ট পায় এই রক্ত মাংসের শরীর আমি সত্যিই জানি না। কিন্তু হে বীর আমাকে নিয়ে চলো সেখানে, সেই স্বর্গে যেখানে সত্যিকারের তোমাদের মত মনের মানুষ তৈরি হয়। সত্যের জন্য যেখানে সব ত্যাগ দেওয়া যায়। কোনও ব্যথা -যন্ত্রনা, দুঃখ, খুশি- আনন্দ মিলে মিশে একাকার হয়ে যায়। এই অভাগার দেশে তোমাদের আবারও খুব দরকার যে। তোমারা কোথায় হারিয়ে গেলে? জানিয়েও গেলে না। আমার সোশ্যাল মিডিয়ার সকল বন্ধুদের কাছে অনুরোধ, হাজার কাজের ভীড়েও এই মানুষগুলোকে ভুলনা। আজ এনারা না থাকলে এই দেশটা অন্য রকম হতো। কত বলিদানের ফসল এই স্বাধীনতা। কত মায়ের হারানো কোলের বিনিময়ে আজ আমরা হাসি মুখে এসি ঘরে বসে নতুন ভারতের স্বপ্ন দেখি। কত প্রাণ চলে গেছে এই দেশকে ভালোবেসে। আমি আবেগ চেপে রাখতে পারি না, এই পোস্ট লিখতে গিয়ে কতবার যে চোখ জলে ভরে গেল।
মুক্তির মন্দির সোপানতলে কত প্রাণ হলো বলিদান, লেখা আছে অশ্রুজলে।। কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা, বন্দীশালার ওই শিকল ভাঙ্গা তাঁরা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতে যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে।। যাঁরা স্বর্গগত তাঁরা এখনও জানেন স্বর্গের চেয়ে প্রিয় জন্মভূমি এসো স্বদেশ ব্রতের মহা দীক্ষা লভি সেই মৃত্যুঞ্জয়ীদের চরণ চুমি। যাঁরা জীর্ণ জাতির বুকে জাগালো আশা, মৌল মলিন মুখে জোগালো ভাষা আজি রক্ত কমলে গাঁথা মাল্যখানি বিজয় লক্ষ্মী দেবে তাঁদেরই গলে।।
শত কোটি প্রনাম হে বীর। আমরা আজও তোমায় ভুলিনি। ভুলিনি তোমার অবদান।
যেকোনো অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসে প্রাণের ঝুঁকি সবসময় থাকে। তবুও কিছু মানুষ থাকেন, যাঁরা সেই ঝুঁকির সঙ্গেই বন্ধুত্ব করে বেঁচে থাকেন। কারণ তাঁদের কাছে পাহাড় কোনো পাথরের স্তূপ নয়, পাহাড়ই তাঁদের স্বপ্ন, তাঁদের ভালোবাসা, তাঁদের জীবন।
নির্মল পুর্জা ছিলেন তেমনই একজন।
যে মানুষটি পৃথিবীর একের পর এক শিখর জয় করে লক্ষ লক্ষ মানুষকে বিশ্বাস করতে শিখিয়েছিলেন—অসম্ভব বলে সত্যিই কিছু নেই, আজ সেই মানুষটিই তুষারধসের বুকে হারিয়ে গেলেন। কী নির্মম পরিহাস! যে পাহাড় তাঁকে বিশ্বজোড়া পরিচিতি দিয়েছিল, সেই পাহাড়ই শেষ পর্যন্ত তাঁকে নিজের কাছেই রেখে দিল।
কিন্তু হয়তো একজন প্রকৃত পর্বতারোহীর জীবনের শেষ অধ্যায় এমনই হয়। পাহাড়কে যে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসে, পাহাড়ও তাকে একদিন নিজেরই অংশ করে নেয়।
আজ পৃথিবী একজন কিংবদন্তিকে হারাল। কিন্তু হিমালয়ের প্রতিটি হিমবাহ, কারাকোরামের প্রতিটি বরফঢাকা ঢাল, প্রতিটি বাতাসের ঝাপটা যেন তাঁর গল্পই বলে যাবে। ভবিষ্যতে যখনই কোনো তরুণ পর্বতারোহী আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু করবে, নির্মল পুর্জার নাম তাকে সাহস জোগাবে।
বিদায়, নির্মল পুর্জা। আপনি ফিরে আসেননি—কারণ পাহাড় আপনাকে আর ফেরত পাঠাতে চায়নি। আপনি এখন সেই অনন্ত শুভ্রতারই অংশ, যার পেছনে সারা জীবন ছুটেছিলেন।
কিংবদন্তির মৃত্যু হয় না। তারা শুধু শিখরের সঙ্গে একাকার হয়ে যায়।
কিছু বললেই মা- বাবা তুলে গালাগালি । সমাজটাকে এতটাই নোংরা করে তুলেছে কিছু লোকজন । ২০২৬ - এ দাঁড়িয়ে এটা কোন সমাজ? এই কারণেই ফেসবুকে রাজনীতি নিয়ে কথা বলবো না বলেই ঠিক করেছি । আমাকে খারাপ লাগলে আমাকে গালাগাল দিন । আমার বাবা- মাকে কেন খারাপ বলছেন? বাড়িতে নিজের বাবা- মা কেও এরা মনে হয় এই ভাষাই বলে ।
বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজ (আসল নাম: নগেন্দ্র রায়)-এর নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিবাদ করে আমি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলাম। সেই ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অনেকের সমর্থন যেমন পেয়েছি, তেমনি সমালোচনাও এসেছে।
বিশেষ করে রাজবংশী সম্প্রদায়ের কিছু মানুষের মনে হয়েছে, আমি যেন তাঁদের সম্প্রদায়কে আঘাত করেছি। আমি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই—আমার প্রতিবাদ কোনও সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ছিল না, আজও নয়। রাজবংশী সমাজকে আমি আন্তরিকভাবে শ্রদ্ধা করি। নগেন্দ্র রায় ওরফে অনন্ত মহারাজ তাঁদের প্রতিনিধি হতে পারেন, তাঁকে অনেকেই সম্মান করেন—সেটি আমি অস্বীকার করছি না।
কিন্তু একজন জনপ্রতিনিধি যখন প্রকাশ্যে বলেন যে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নিজের আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠনের কোনও ক্ষমতা ছিল না, তিনি নাকি শুধু ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর যুদ্ধবন্দীদের ব্যবহার করেছিলেন, তখন একজন ভারতীয় নাগরিক এবং দীর্ঘদিন ধরে নেতাজি-গবেষণার সঙ্গে যুক্ত মানুষ হিসেবে আমার প্রতিবাদ করা নৈতিক দায়িত্ব। এই প্রতিবাদ কোনও ব্যক্তি, কোনও সম্প্রদায় বা কোনও রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে নয়; এটি ইতিহাস বিকৃতি এবং দেশের এক মহান স্বাধীনতা সংগ্রামীর অসম্মানের বিরুদ্ধে।
আমার ভিডিওর পর আমাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা হয়েছে। এমনকি আমাকে "উল্টো ঝুলিয়ে দেওয়ার" মতো হুমকিও দেওয়া হয়েছে। মতের বিরোধিতা গণতন্ত্রে স্বাভাবিক, কিন্তু হুমকি, ভয় দেখানো বা ব্যক্তিগত আক্রমণ কখনও সুস্থ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অংশ হতে পারে না।
আরও একটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এক ব্যক্তি তাঁর নিজের ভিডিওতে দাবি করেছেন যে, সুপ্রিম কোর্ট নাকি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বিরোধিতা করেছে। তাই সুপ্রিম কোর্ট যখন সব জানে, তখন আমি কে? এই বক্তব্য সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর এবং সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণের ভুল ব্যাখ্যা।
বাস্তবে সুপ্রিম কোর্ট যে জনস্বার্থ মামলাটি খারিজ করেছিল, সেটি ছিল নেতাজিকে "জাতীয় সন্তান" ঘোষণা করা, আজাদ হিন্দ ফৌজকে স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক কৃতিত্ব দেওয়া এবং কয়েকটি প্রতীকী ঘোষণার দাবিতে করা একটি আবেদন। সেই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট কোথাও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ঐতিহাসিক ভূমিকা নিয়ে কোনও বিরূপ মন্তব্য করেনি, তাঁর অবদানকে অস্বীকারও করেনি।
বরং আদালত আবেদনকারীর উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন তোলে। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ মন্তব্য করেন যে, একই ব্যক্তি এর আগেও একই ধরনের আবেদন করেছিলেন, যা আগেই খারিজ হয়েছিল। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, তিনি বারবার একই ধরনের জনস্বার্থ মামলা করে মূলত প্রচারের আলোয় আসতে চাইছেন। আদালত তাঁকে সতর্ক করে জানায়, ভবিষ্যতেও যদি একই ধরনের মামলা করা হয়, তাহলে সুপ্রিম কোর্টে তাঁর প্রবেশও নিষিদ্ধ করা হতে পারে। পাশাপাশি রেজিস্ট্রিকেও নির্দেশ দেওয়া হয়, ভবিষ্যতে তাঁর এই ধরনের আবেদন আর গ্রহণ না করার জন্য।
অতএব, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল আবেদনকারীর উদ্দেশ্য ও মানসিকতা নিয়ে—নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বিরুদ্ধে নয়। আদালতের এই পর্যবেক্ষণকে সামনে এনে নেতাজির বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্যকে সঠিক প্রমাণ করার চেষ্টা তথ্যভিত্তিক নয় এবং আদালতের বক্তব্যেরও অপব্যাখ্যা।
আমি আবারও স্পষ্ট করে বলছি—আমার প্রতিবাদ কোনও সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নয়। আমার প্রতিবাদ শুধুমাত্র ইতিহাস বিকৃতি এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর অসম্মানের বিরুদ্ধে।
মতের অমিল থাকতে পারে, বিতর্কও হতে পারে। কিন্তু ইতিহাস নিয়ে আলোচনা হোক প্রমাণ, দলিল ও তথ্যের ভিত্তিতে; অপমান, বিকৃতি বা বিভ্রান্তির ভিত্তিতে নয়।
নেতাজি কোনও একটি রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নন, কোনও একটি সম্প্রদায়েরও নন। তিনি সমগ্র ভারতের গর্ব। তাই তাঁর সম্মান রক্ষা করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব।
জয় হিন্দ।
বি: দ্র: - বিজেপি নেতাদের কাছে আমার একটাই অনুরোধ, দয়া করে এই বিষয়গুলোকে ক্ষমা করবেন না এগুলোর বিরুদ্ধে অন্তত কিছু ব্যবস্থা নিন।।
আজও প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ আমাকে একটি প্রশ্ন করেন— "আপনার লেখা বইটি কোথায় পাওয়া যাবে?"
সেই কারণেই আবারও জানিয়ে রাখছি।
নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু এবং তাঁর অন্তর্ধান রহস্য নিয়ে দীর্ঘদিনের গবেষণা, ঐতিহাসিক দলিল, তথ্য-প্রমাণ ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে লেখা আমার বই "সুভাষ ফিরেছিলেন" ২০২৬ সালের কলকাতা বইমেলায় Best Seller হওয়ার সম্মান পেয়েছিল।
📖 অনলাইনে বইটি সংগ্রহ করুন শুধুমাত্র: 🌐 www.shalidhan.in
এছাড়াও, কলেজ স্ট্রিটের বহু বইয়ের দোকানেও বইটি পাওয়া যায়।
⚠️ বিশেষ অনুরোধ: অনুগ্রহ করে www.shalidhan.in ছাড়া অন্য কোনও ওয়েবসাইট বা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে বইটি কিনবেন না। অন্য কোনও মাধ্যম থেকে কেনা বইয়ের গুণমান, সরবরাহ বা কোনও সমস্যার জন্য আমি বা প্রকাশনা সংস্থা দায়ী থাকব না।
আপনাদের ভালোবাসা, সমর্থন এবং বইটির প্রতি আগ্রহ আমাকে আরও গবেষণা ও লেখালেখির অনুপ্রেরণা দেয়। আন্তরিক ধন্যবাদ সবাইকে। 🙏🇮🇳
হে আমার ‘ ভগবান ‘ তুমি আর কত সইবে অপমান! সুভাষ তোমাকে বোঝা সত্যিই শক্ত । তোমাকে বুঝতে গেলে অনেক বড় একটা মন দরকার হয়! রাজনৈতিক বিভাজন দিয়ে তোমাকে বোঝা যায় না। সেটা সেদিন কংগ্রেসও পারেনি আর আজও.....
আমার তোমাকে নিয়ে যতটুকু কাজ সেতো তোমাকেই জানানো এক শ্রদ্ধাঞ্জলি। আজও আমার কাছে তুমি একদিকে আর গোটা পৃথিবী অন্যদিকে। তাই ঘটা করে ২৩ জানুয়ারি পালনে আজ আর উপস্থিত থাকি না । আমাদের মত কিছু মানুষের কাছে ৩৬৫ দিনই সুভাষ জয়ন্তী ।
রাজনৈতিক শিষ্টাচার কাকে বলে সেতো তোমার থেকেই শেখা উচিৎ আজ গোটা দেশের ।
গান্ধীজির এত বিরোধিতা এত রাজনৈতিক অপমান সত্ত্বেও তাকেই তুমি বানিয়ে দিলে ‘জাতির জনক’। তাঁর বিরুদ্ধে কখনও একটা কথাও বলোনি। শুধু বলেছ, রাজনৈতিক বিরোধ থাকতে পারে কিন্তু আমাদের পথ এক। কই এই শিষ্টাচারের কথা তো কোনও রাজনৈতিক বাঙালি বলে না!
চরম বিরোধী নেহেরু, তবুও গান্ধী- নেহেরু ব্রিগেড নিয়ে আজাদ হিন্দ ফৌজ লড়াইয়ে নামল। এই শিষ্টাচার কতজন বোঝে?
তুমি যখন বিদেশী শক্তির হাত ধরে দেশকে স্বাধীন করার লড়াই লড়ছ তখন কিছু মানুষ এ দেশে বসেই ব্রিটিশদের সঙ্গে লুডো খেলছিল। আর ভাবতে লজ্জা লাগে তাঁরাই এক একজন এখন দেশের মহান নেতা। আর তুমি ও তোমার দল ফরওয়ার্ড ব্লক আজ গুন্ডা আখ্যা পেয়েছো। এই তোমার দেশ। এই তোমার দেশের জনগণ। এই তোমার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।
আসলে প্রত্যেকের দল প্রত্যেককে মহান বানিয়েছে, তোমার দল বিকিয়ে গিয়েছিল। তাই তোমাকে সবাই ধার নিয়েছে বারবার। কাজ শেষ হলে আবার মূর্তির মতন ফিরিয়ে দিয়ে গেছে বা জলে ভাসিয়ে দিয়েছে।
তোমার হয়ে সমস্বরে আওয়াজ কবে কোথায়ই বা উঠেছে?
আজও বুঝি আক্ষেপটা কোথায় ছিল! কিন্তু দেশবাসী বোঝেনি। তুমি কেন বাইরে এলেনা? এই প্রশ্নের উত্তর বারবার শুনতে হয় আমাকে। আমাদের শুনতে হয় যাঁরা আমরা তোমার ইতিহাস নিয়ে কাজ করি।
আমি এটা বোঝাতে তাদের অক্ষম, আজও যেখানে তোমার বিরুদ্ধে এত তিরস্কার সেদিন তুমি বাইরে এলে তোমাকে কি সহজেই ছেড়ে দিত দেশের মাতব্বররা ?
তোমার বাংলাই যেখানে তোমাকে বারবার শত্রু মনে করেছে সেখানে গোটা দেশের থেকে প্রত্যাশা তোমার ছিল না। আজও সেই জলজ্যান্ত প্রমান তোমার চোখের সামনে।
গুমনাম, তোমার কাছে ছিল এক অদ্ভুত প্রসস্তি। দিনের শেষে এক অদ্ভুত আনন্দ। সবার অলক্ষে যেখানে সন্ধ্যে নামে, ঘরে ফিরে আসে পাখি। সেই আঁধারনামা প্রান্তে বসে শুধু শেষ দিনের প্রতীক্ষায় বসে থাকা, সেই মানুষটাকে আজও কেউ বোঝেনি।
না তোমাকে কেউ বোঝেনি। তোমাকে বোঝা শক্ত। তুমি সাধু হতে পারো না। সবাই এমনটাই বলে। কারণ তোমার তো একটাই কাজ শুধু সেনার বেশে যুদ্ধ করবে। শ্যামবাজারের মূর্তি হয়ে বেঁচে থাকবে। আর সেই মূর্তির তলায় লুটেপুটে খাবে কিছু সুবিধাবাদী নেতা। মানুষ হাততালি দেবে। শুধু তোমার গলায় একটা মালা ঝুলিয়ে বলবে, জয়তু নেতাজি।
এর থেকে বেশি দেশ না তোমাকে কিছু দিয়েছে, না তুমি সেই আশা করেছিলে।
তাই নিজেকে সমস্ত কিছুর আড়ালে নিয়ে গিয়ে একটা কথাই বলেছ, “ আমি একজন মৃত ব্যক্তি”। এই শব্দের মধ্যে কতটা তাচ্ছিল্য আছে, দুঃখ আছে, কষ্ট আছে সেটা দেশবাসী আজও বোঝেনি।
হয়তো আর কোনদিন বুঝবেও না।
কিন্তু লড়াই এত তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাবে না হে বীর সৈনিক। যে লড়াইয়ের পথ তুমি দেখিয়ে দিয়ে গেছো, সেটা আজও শেষ হয়ে যায়নি।
নতুন সময় আসবেই নতুন প্রজন্মের হাত ধরে। আমি জানি তুমি শুধু সেই দিনের অপেক্ষায় বসে আছো।
ধর্ষণের আগুনে কিছু মানুষ এখন নিজেদের অর্ডার দেওয়া মোমবাতি নিয়ে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার চাঙ্গা করতে নেমে পড়েছেন। খুন ও ধর্ষণের শিকার ওই ছোট মেয়েটি এখন তাঁদের কাছে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার মাধ্যম। ওটা প্রতিবাদের মোমবাতি নয় ধান্দার মোম। না হলে এই সময়ও কেউ রং দেখে মোম কেনে??? আর জি করের সময় অন্য ধান্দা ছিল তাই পথে নামলেই আক্রমণ । আর আজ?? ছি: বাংলার রাজনীতি ছি:!
I AM BOSE
এত অপমান, এত লাঞ্ছনা, আমার বিরুদ্ধে আইনি মামলা, আমার চ্যানেল ডিলিট করে দেওয়া, আমার বিরুদ্ধে কুৎসা ,...... এত কিছু সত্বেও আপনাদের ভালোবাসা সব বাঁধ ভেঙে দিয়েছে। সেই ভালোবাসার জোয়ার আজ আমার চ্যানেলকে ৭ লক্ষে পৌঁছে দিয়েছে। আমি ধন্যবাদ দিয়ে কাউকে ছোট করবো না কিন্তু এই ভালোবাসা অনেক অনেক বড় অনুপ্রেরণা। আগামী দিনে একই রকম সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করব এমনটাই প্রতিজ্ঞা করি।
আপনারা যেভাবে আমার পাশে ছিলেন আগামী দিনে সেভাবেই আমার পাশে থাকবেন আর সেটাই আমার সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ এবং সবচেয়ে বড় শক্তি।
Congratulations to you too.
1 week ago | [YT] | 4,164
View 176 replies
I AM BOSE
একটি সত্য ঘটনা ঘটেছিল।
তারপর সেই ঘটনাকে ঘিরে তৈরি হলো নানা ব্যাখ্যা, নানা গল্প, নানা ন্যারেটিভ।
কেউ হয়তো তৈরি করল নিজের স্বার্থে, কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে, কেউ তথ্যের অভাবে, আবার কেউ হয়তো সচেতনভাবেই একটি নির্দিষ্ট ধারণাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ন্যারেটিভ বারবার বলা হলো, লেখা হলো, প্রচার হলো।
একসময় আশ্চর্যজনকভাবে ঘটনাটি নয়, ঘটনাকে ঘিরে তৈরি হওয়া গল্পটাই মানুষের কাছে সত্য হয়ে উঠল।
এটাই মাইন্ডসেট ন্যারেটিভের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক।
কারণ কোনও একটি ধারণা দীর্ঘদিন ধরে শুনতে শুনতে মানুষের মনে এমনভাবে গেঁথে যেতে পারে যে, পরে তার সামনে বাস্তব তথ্য হাজির হলেও সে তথ্যকে গ্রহণ করতে তার মন অস্বস্তি বোধ করে।
তখন মানুষ বাস্তবতাকে বিচার করে নিজের তৈরি ন্যারেটিভের মানদণ্ডে।
যে তথ্য তার বিশ্বাসের সঙ্গে মেলে—সেটি তার কাছে সত্য।
যে তথ্য তার বিশ্বাসকে প্রশ্ন করে—সেটি মিথ্যা, ষড়যন্ত্র বা বিকৃত তথ্য।
এখানেই সবচেয়ে বড় বিপদ।
কারণ ন্যারেটিভ পরিবর্তনশীল, কিন্তু বাস্তবতা সবসময় আমাদের বিশ্বাসের সঙ্গে পরিবর্তিত হয় না।
একটি মিথ্যা কথা একশোবার বললে সেটি সত্য হয়ে যায় না। আবার একটি নেতিবাচক ন্যারেটিভ কয়েক দশক ধরে প্রচলিত থাকলেও তার দীর্ঘস্থায়িত্ব তাকে চিরসত্যের মর্যাদা দেয় না।
কিন্তু মানুষের মন সংখ্যাকে প্রমাণ ভেবে নিতে পারে, পুনরাবৃত্তিকে সত্যের সমার্থক মনে করতে পারে।
আর তখনই তৈরি হয় এক অদ্ভুত পরিস্থিতি—
বাস্তব সামনে দাঁড়িয়ে থাকে, অথচ মানুষ বাস্তবকে দেখতে অস্বীকার করে; কারণ তার মাইন্ডসেট ইতিমধ্যেই একটি বিকল্প বাস্তবতা তৈরি করে ফেলেছে।
সবচেয়ে কঠিন কাজ তাই নতুন কোনও তথ্য জানা নয়।
সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো—যে বিশ্বাসকে আমরা এতদিন সত্য বলে মেনে এসেছি, সেটিকে একবার প্রশ্ন করার সাহস দেখানো।
আমাদের মনে রাখতে হবে, সত্যকে সত্য প্রমাণ করার জন্য একটি ন্যারেটিভের প্রয়োজন হয় না। সত্য তার নিজের অস্তিত্বেই সত্য।
ন্যারেটিভ তৈরি হয় মানুষের দ্বারা।
ন্যারেটিভ বদলায় মানুষের সঙ্গে।
কিন্তু যে বাস্তবতা সত্যিই ঘটেছে, সেটি আমাদের পছন্দ, অপছন্দ কিংবা বিশ্বাসের কারণে বদলে যায় না।
তাই কোনও ঐতিহাসিক বা বাস্তব ঘটনাকে বোঝার সময় প্রশ্নটা হওয়া উচিত নয়—
“কোন ন্যারেটিভটি আমি বিশ্বাস করি?”
প্রশ্নটা হওয়া উচিত—
“সব ন্যারেটিভ সরিয়ে রাখলে, শেষ পর্যন্ত যে বাস্তবতাটি থেকে যায়—সেটি কী?”
কারণ কখনও কখনও সত্যের সবচেয়ে বড় শত্রু মিথ্যা নয়।
সত্যের সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে ওঠে এমন একটি ন্যারেটিভ, যেটিকে মানুষ এত দীর্ঘদিন ধরে সত্য বলে বিশ্বাস করেছে যে, সত্য সামনে এসেও তাকে আর সত্য বলে মনে হয় না।
এমনই কিছু ন্যারেটিভের ভিড়ে হারিয়ে গিয়েছেন এক মহামানব।
🖊️ কুনাল বোস
1 week ago | [YT] | 826
View 34 replies
I AM BOSE
কী চমক লাগছে? উত্তরপ্রদেশের প্রান্তিক এলাকা বস্তি । মা জগদম্বের( সরস্বতী দেবী শুক্লা ) ঘর থেকে উদ্ধার করেছি এই চশমা ।কার এই চশমা? ওখানে ওই গ্রামের বাড়িতে কী করছে? কী প্রমাণ করতে চাইছেন মাতাজির পরিবারের লোকজন? সময় দিন সব সামনে আনবো বিস্তারিত ভাবে । গুমনামীর পর্দা উঠিয়েই ছাড়ব এবার । যতই বিরোধিতা আসুক এটাই আমার জেদ ।
1 week ago | [YT] | 4,400
View 240 replies
I AM BOSE
সময় বহমান। কত কিছু ধীরে ধীরে বদলে যায়। চোখের পলকে নিজের চারপাশটা কবে অন্য ধারায় বইতে থাকে তাও টের পাওয়া যায় না। সময়ের পরিবর্তনের প্রভাব মানুষের বর্তমান জীবন ধারায় অবশ্যই পড়ে। সব কিছু কোনও দিনই একই ভাবে চলতে পারে না। কিন্তু অতীত-বর্তমান ও ভবিষ্যতের মধ্যেকার ফারাকটা খুব সহজেই চোখে পড়ে। তখন মনে হয় আমরা সত্যিই অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছি। আজ হয়ত স্বাধীনতা আন্দোলনের লড়াই লড়তে হয় না। দৈনন্দিন জীবনের অনেক লড়াই আছে যার মুখোমুখি হতে হয় ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত করতে। কিন্তু ওঁরা কাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে চেয়েছিল? নিজেদের জন্য কিছু করে যে রেখে যান নি তা তো স্পষ্ট। আসলে ওই ছোট বয়সে একটা হুজুক কাজ করে যায়। আর সময়টাও কী যেমন তেমন! সেটা ছিল অগ্নিযুগ। যুবসমাজ তখন টগবগ করে ফুটছে। তাঁদের মধ্যেই একটি নাম ছিল ক্ষুদিরাম বসু। আজ অনেকেই তাঁর আত্মদানের কথা জানি। কিন্তু ঠিকঠাক অনুভূত হয় না। নতুন প্রজন্মকেও জানানো হয় না সে সকল আসল বাহুবলীর কথা। এদের জন্য না কেউ এসে মাথায় ঢেলে দিয়ে যায় দুধ, না কেউ ফুলের মালাটুকুও দেয়। কোথাও কোথাও হয়ত নমঃ নমঃ করে স্মরণ। হ্যাঁ আজ সেই ১১ই অগাস্ট। ১৯০৮ সালের এই দিনেই ভোর পাঁচটায় ব্রিটিশ সরকার ১৮ বছরের এক তরতাজা যুবককে ফাঁসির মঞ্চে দাঁড় করাল। কারাগারের উঁচু দেয়ালের বাইরে তখন হাজার হাজার মানুষের কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে ‘বন্দেমাতরম’ স্লোগান। ফাঁসিতে ঝোলানোর আগে কারা কর্তৃপক্ষ ভারত মায়ের ওই দামাল সন্তানের কাছে জানতে চাইল, মৃত্যুর আগে তাঁর শেষ ইচ্ছা কী? যুবকটি এক সেকেন্ড অপেক্ষা না করেই নিঃশঙ্কচিত্তে বলে উঠলেন, ‘আমি ভালো বোমা বানাতে পারি, মৃত্যুর আগে সারা ভারতবাসীকে সেটা শিখিয়ে দিয়ে যেতে চাই।’ ব্রিটিশ শাসন সেদিন স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল সামান্য একরত্তি ওই ছেলের সাহস দেখে। মৃত্যুকে কী অবলীলায় অবহেলা করার সাহস। কোনও ভয় বলে চোখেমুখে কিছু নেই। সত্যিই হাসি হাসিই ফাঁসি কাষ্ঠে চড়েছিলেন। তার পর তো সবই ইতিহাস। আমার কখনো কখনো ভাবলে গর্ব হয় আমি এমন দেশে জন্মেছি যেখানে এমন মহান ব্যক্তিরা জন্মেছেন। পবিত্র এই ভারতভূমি তাদের পদধূলায়। হে বীর, আমারা আজ কথায় আছি কাজে নেই। আমরা আজ অনেক বদলে গেছি। তোমাদের সেই অকুতোভয়, সর্বত্যাগী সেই মনের হদিশ আমায় দিও, আমি যেন কখনো ভুলে না যাই আমার এই স্বাধীনতার রন্ধ্রে রন্ধ্রে রয়েছে তোমাদের আত্মত্যাগ। বেয়নেটের গুলির ক্ষত কেমন ও কতটা যন্ত্রনাদায়ক আমরা জানিনা, ফাঁসির দড়িটায় টান পড়লে কতটা কষ্ট পায় এই রক্ত মাংসের শরীর আমি সত্যিই জানি না। কিন্তু হে বীর আমাকে নিয়ে চলো সেখানে, সেই স্বর্গে যেখানে সত্যিকারের তোমাদের মত মনের মানুষ তৈরি হয়। সত্যের জন্য যেখানে সব ত্যাগ দেওয়া যায়। কোনও ব্যথা -যন্ত্রনা, দুঃখ, খুশি- আনন্দ মিলে মিশে একাকার হয়ে যায়। এই অভাগার দেশে তোমাদের আবারও খুব দরকার যে। তোমারা কোথায় হারিয়ে গেলে? জানিয়েও গেলে না। আমার সোশ্যাল মিডিয়ার সকল বন্ধুদের কাছে অনুরোধ, হাজার কাজের ভীড়েও এই মানুষগুলোকে ভুলনা। আজ এনারা না থাকলে এই দেশটা অন্য রকম হতো। কত বলিদানের ফসল এই স্বাধীনতা। কত মায়ের হারানো কোলের বিনিময়ে আজ আমরা হাসি মুখে এসি ঘরে বসে নতুন ভারতের স্বপ্ন দেখি। কত প্রাণ চলে গেছে এই দেশকে ভালোবেসে। আমি আবেগ চেপে রাখতে পারি না, এই পোস্ট লিখতে গিয়ে কতবার যে চোখ জলে ভরে গেল।
মুক্তির মন্দির সোপানতলে
কত প্রাণ হলো বলিদান,
লেখা আছে অশ্রুজলে।।
কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা,
বন্দীশালার ওই শিকল ভাঙ্গা
তাঁরা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতে
যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে।।
যাঁরা স্বর্গগত তাঁরা এখনও জানেন
স্বর্গের চেয়ে প্রিয় জন্মভূমি
এসো স্বদেশ ব্রতের মহা দীক্ষা লভি
সেই মৃত্যুঞ্জয়ীদের চরণ চুমি।
যাঁরা জীর্ণ জাতির বুকে জাগালো আশা,
মৌল মলিন মুখে জোগালো ভাষা
আজি রক্ত কমলে গাঁথা মাল্যখানি
বিজয় লক্ষ্মী দেবে তাঁদেরই গলে।।
শত কোটি প্রনাম হে বীর। আমরা আজও তোমায় ভুলিনি। ভুলিনি তোমার অবদান।
4 weeks ago | [YT] | 5,697
View 265 replies
I AM BOSE
যেকোনো অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসে প্রাণের ঝুঁকি সবসময় থাকে।
তবুও কিছু মানুষ থাকেন, যাঁরা সেই ঝুঁকির সঙ্গেই বন্ধুত্ব করে বেঁচে থাকেন। কারণ তাঁদের কাছে পাহাড় কোনো পাথরের স্তূপ নয়, পাহাড়ই তাঁদের স্বপ্ন, তাঁদের ভালোবাসা, তাঁদের জীবন।
নির্মল পুর্জা ছিলেন তেমনই একজন।
যে মানুষটি পৃথিবীর একের পর এক শিখর জয় করে লক্ষ লক্ষ মানুষকে বিশ্বাস করতে শিখিয়েছিলেন—অসম্ভব বলে সত্যিই কিছু নেই, আজ সেই মানুষটিই তুষারধসের বুকে হারিয়ে গেলেন। কী নির্মম পরিহাস! যে পাহাড় তাঁকে বিশ্বজোড়া পরিচিতি দিয়েছিল, সেই পাহাড়ই শেষ পর্যন্ত তাঁকে নিজের কাছেই রেখে দিল।
কিন্তু হয়তো একজন প্রকৃত পর্বতারোহীর জীবনের শেষ অধ্যায় এমনই হয়। পাহাড়কে যে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসে, পাহাড়ও তাকে একদিন নিজেরই অংশ করে নেয়।
আজ পৃথিবী একজন কিংবদন্তিকে হারাল। কিন্তু হিমালয়ের প্রতিটি হিমবাহ, কারাকোরামের প্রতিটি বরফঢাকা ঢাল, প্রতিটি বাতাসের ঝাপটা যেন তাঁর গল্পই বলে যাবে। ভবিষ্যতে যখনই কোনো তরুণ পর্বতারোহী আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু করবে, নির্মল পুর্জার নাম তাকে সাহস জোগাবে।
বিদায়, নির্মল পুর্জা।
আপনি ফিরে আসেননি—কারণ পাহাড় আপনাকে আর ফেরত পাঠাতে চায়নি।
আপনি এখন সেই অনন্ত শুভ্রতারই অংশ, যার পেছনে সারা জীবন ছুটেছিলেন।
কিংবদন্তির মৃত্যু হয় না। তারা শুধু শিখরের সঙ্গে একাকার হয়ে যায়।
🕊️🏔️
1 month ago | [YT] | 1,062
View 29 replies
I AM BOSE
কিছু বললেই মা- বাবা তুলে গালাগালি । সমাজটাকে এতটাই নোংরা করে তুলেছে কিছু লোকজন । ২০২৬ - এ দাঁড়িয়ে এটা কোন সমাজ? এই কারণেই ফেসবুকে রাজনীতি নিয়ে কথা বলবো না বলেই ঠিক করেছি । আমাকে খারাপ লাগলে আমাকে গালাগাল দিন । আমার বাবা- মাকে কেন খারাপ বলছেন? বাড়িতে নিজের বাবা- মা কেও এরা মনে হয় এই ভাষাই বলে ।
1 month ago | [YT] | 3,358
View 365 replies
I AM BOSE
আমার অবস্থান পরিষ্কার করতে চাই।
বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজ (আসল নাম: নগেন্দ্র রায়)-এর নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিবাদ করে আমি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলাম। সেই ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অনেকের সমর্থন যেমন পেয়েছি, তেমনি সমালোচনাও এসেছে।
বিশেষ করে রাজবংশী সম্প্রদায়ের কিছু মানুষের মনে হয়েছে, আমি যেন তাঁদের সম্প্রদায়কে আঘাত করেছি। আমি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই—আমার প্রতিবাদ কোনও সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ছিল না, আজও নয়। রাজবংশী সমাজকে আমি আন্তরিকভাবে শ্রদ্ধা করি। নগেন্দ্র রায় ওরফে অনন্ত মহারাজ তাঁদের প্রতিনিধি হতে পারেন, তাঁকে অনেকেই সম্মান করেন—সেটি আমি অস্বীকার করছি না।
কিন্তু একজন জনপ্রতিনিধি যখন প্রকাশ্যে বলেন যে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নিজের আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠনের কোনও ক্ষমতা ছিল না, তিনি নাকি শুধু ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর যুদ্ধবন্দীদের ব্যবহার করেছিলেন, তখন একজন ভারতীয় নাগরিক এবং দীর্ঘদিন ধরে নেতাজি-গবেষণার সঙ্গে যুক্ত মানুষ হিসেবে আমার প্রতিবাদ করা নৈতিক দায়িত্ব। এই প্রতিবাদ কোনও ব্যক্তি, কোনও সম্প্রদায় বা কোনও রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে নয়; এটি ইতিহাস বিকৃতি এবং দেশের এক মহান স্বাধীনতা সংগ্রামীর অসম্মানের বিরুদ্ধে।
আমার ভিডিওর পর আমাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা হয়েছে। এমনকি আমাকে "উল্টো ঝুলিয়ে দেওয়ার" মতো হুমকিও দেওয়া হয়েছে। মতের বিরোধিতা গণতন্ত্রে স্বাভাবিক, কিন্তু হুমকি, ভয় দেখানো বা ব্যক্তিগত আক্রমণ কখনও সুস্থ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অংশ হতে পারে না।
আরও একটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এক ব্যক্তি তাঁর নিজের ভিডিওতে দাবি করেছেন যে, সুপ্রিম কোর্ট নাকি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বিরোধিতা করেছে। তাই সুপ্রিম কোর্ট যখন সব জানে, তখন আমি কে? এই বক্তব্য সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর এবং সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণের ভুল ব্যাখ্যা।
বাস্তবে সুপ্রিম কোর্ট যে জনস্বার্থ মামলাটি খারিজ করেছিল, সেটি ছিল নেতাজিকে "জাতীয় সন্তান" ঘোষণা করা, আজাদ হিন্দ ফৌজকে স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক কৃতিত্ব দেওয়া এবং কয়েকটি প্রতীকী ঘোষণার দাবিতে করা একটি আবেদন। সেই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট কোথাও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ঐতিহাসিক ভূমিকা নিয়ে কোনও বিরূপ মন্তব্য করেনি, তাঁর অবদানকে অস্বীকারও করেনি।
বরং আদালত আবেদনকারীর উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন তোলে। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ মন্তব্য করেন যে, একই ব্যক্তি এর আগেও একই ধরনের আবেদন করেছিলেন, যা আগেই খারিজ হয়েছিল। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, তিনি বারবার একই ধরনের জনস্বার্থ মামলা করে মূলত প্রচারের আলোয় আসতে চাইছেন। আদালত তাঁকে সতর্ক করে জানায়, ভবিষ্যতেও যদি একই ধরনের মামলা করা হয়, তাহলে সুপ্রিম কোর্টে তাঁর প্রবেশও নিষিদ্ধ করা হতে পারে। পাশাপাশি রেজিস্ট্রিকেও নির্দেশ দেওয়া হয়, ভবিষ্যতে তাঁর এই ধরনের আবেদন আর গ্রহণ না করার জন্য।
অতএব, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল আবেদনকারীর উদ্দেশ্য ও মানসিকতা নিয়ে—নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বিরুদ্ধে নয়। আদালতের এই পর্যবেক্ষণকে সামনে এনে নেতাজির বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্যকে সঠিক প্রমাণ করার চেষ্টা তথ্যভিত্তিক নয় এবং আদালতের বক্তব্যেরও অপব্যাখ্যা।
আমি আবারও স্পষ্ট করে বলছি—আমার প্রতিবাদ কোনও সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নয়। আমার প্রতিবাদ শুধুমাত্র ইতিহাস বিকৃতি এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর অসম্মানের বিরুদ্ধে।
মতের অমিল থাকতে পারে, বিতর্কও হতে পারে। কিন্তু ইতিহাস নিয়ে আলোচনা হোক প্রমাণ, দলিল ও তথ্যের ভিত্তিতে; অপমান, বিকৃতি বা বিভ্রান্তির ভিত্তিতে নয়।
নেতাজি কোনও একটি রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নন, কোনও একটি সম্প্রদায়েরও নন। তিনি সমগ্র ভারতের গর্ব। তাই তাঁর সম্মান রক্ষা করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব।
জয় হিন্দ।
বি: দ্র: - বিজেপি নেতাদের কাছে আমার একটাই অনুরোধ, দয়া করে এই বিষয়গুলোকে ক্ষমা করবেন না এগুলোর বিরুদ্ধে অন্তত কিছু ব্যবস্থা নিন।।
1 month ago | [YT] | 3,663
View 275 replies
I AM BOSE
📚 আমার লেখা বই "সুভাষ ফিরেছিলেন" কোথায় পাবেন?
আজও প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ আমাকে একটি প্রশ্ন করেন—
"আপনার লেখা বইটি কোথায় পাওয়া যাবে?"
সেই কারণেই আবারও জানিয়ে রাখছি।
নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু এবং তাঁর অন্তর্ধান রহস্য নিয়ে দীর্ঘদিনের গবেষণা, ঐতিহাসিক দলিল, তথ্য-প্রমাণ ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে লেখা আমার বই "সুভাষ ফিরেছিলেন" ২০২৬ সালের কলকাতা বইমেলায় Best Seller হওয়ার সম্মান পেয়েছিল।
📖 অনলাইনে বইটি সংগ্রহ করুন শুধুমাত্র:
🌐 www.shalidhan.in
এছাড়াও, কলেজ স্ট্রিটের বহু বইয়ের দোকানেও বইটি পাওয়া যায়।
⚠️ বিশেষ অনুরোধ:
অনুগ্রহ করে www.shalidhan.in ছাড়া অন্য কোনও ওয়েবসাইট বা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে বইটি কিনবেন না। অন্য কোনও মাধ্যম থেকে কেনা বইয়ের গুণমান, সরবরাহ বা কোনও সমস্যার জন্য আমি বা প্রকাশনা সংস্থা দায়ী থাকব না।
আপনাদের ভালোবাসা, সমর্থন এবং বইটির প্রতি আগ্রহ আমাকে আরও গবেষণা ও লেখালেখির অনুপ্রেরণা দেয়। আন্তরিক ধন্যবাদ সবাইকে। 🙏🇮🇳
1 month ago | [YT] | 1,493
View 45 replies
I AM BOSE
হে আমার ‘ ভগবান ‘ তুমি আর কত সইবে অপমান!
সুভাষ তোমাকে বোঝা সত্যিই শক্ত ।
তোমাকে বুঝতে গেলে অনেক বড় একটা মন দরকার হয়! রাজনৈতিক বিভাজন দিয়ে তোমাকে বোঝা যায় না। সেটা সেদিন কংগ্রেসও পারেনি আর আজও.....
আমার তোমাকে নিয়ে যতটুকু কাজ সেতো তোমাকেই জানানো এক শ্রদ্ধাঞ্জলি। আজও আমার কাছে তুমি একদিকে আর গোটা পৃথিবী অন্যদিকে।
তাই ঘটা করে ২৩ জানুয়ারি পালনে আজ আর উপস্থিত থাকি না । আমাদের মত কিছু মানুষের কাছে ৩৬৫ দিনই সুভাষ জয়ন্তী ।
রাজনৈতিক শিষ্টাচার কাকে বলে সেতো তোমার থেকেই শেখা উচিৎ আজ গোটা দেশের ।
গান্ধীজির এত বিরোধিতা এত রাজনৈতিক অপমান সত্ত্বেও তাকেই তুমি বানিয়ে দিলে ‘জাতির জনক’।
তাঁর বিরুদ্ধে কখনও একটা কথাও বলোনি। শুধু বলেছ, রাজনৈতিক বিরোধ থাকতে পারে কিন্তু আমাদের পথ এক। কই এই শিষ্টাচারের কথা তো কোনও রাজনৈতিক বাঙালি বলে না!
চরম বিরোধী নেহেরু, তবুও গান্ধী- নেহেরু ব্রিগেড নিয়ে আজাদ হিন্দ ফৌজ লড়াইয়ে নামল। এই শিষ্টাচার কতজন বোঝে?
তুমি যখন বিদেশী শক্তির হাত ধরে দেশকে স্বাধীন করার লড়াই লড়ছ তখন কিছু মানুষ এ দেশে বসেই ব্রিটিশদের সঙ্গে লুডো খেলছিল।
আর ভাবতে লজ্জা লাগে তাঁরাই এক একজন এখন দেশের মহান নেতা। আর তুমি ও তোমার দল ফরওয়ার্ড ব্লক আজ গুন্ডা আখ্যা পেয়েছো।
এই তোমার দেশ। এই তোমার দেশের জনগণ। এই তোমার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।
আসলে প্রত্যেকের দল প্রত্যেককে মহান বানিয়েছে, তোমার দল বিকিয়ে গিয়েছিল। তাই তোমাকে সবাই ধার নিয়েছে বারবার। কাজ শেষ হলে আবার মূর্তির মতন ফিরিয়ে দিয়ে গেছে বা জলে ভাসিয়ে দিয়েছে।
তোমার হয়ে সমস্বরে আওয়াজ কবে কোথায়ই বা উঠেছে?
আজও বুঝি আক্ষেপটা কোথায় ছিল! কিন্তু দেশবাসী বোঝেনি।
তুমি কেন বাইরে এলেনা? এই প্রশ্নের উত্তর বারবার শুনতে হয় আমাকে। আমাদের শুনতে হয় যাঁরা আমরা তোমার ইতিহাস নিয়ে কাজ করি।
আমি এটা বোঝাতে তাদের অক্ষম, আজও যেখানে তোমার বিরুদ্ধে এত তিরস্কার সেদিন তুমি বাইরে এলে তোমাকে কি সহজেই ছেড়ে দিত দেশের মাতব্বররা ?
তোমার বাংলাই যেখানে তোমাকে বারবার শত্রু মনে করেছে সেখানে গোটা দেশের থেকে প্রত্যাশা তোমার ছিল না।
আজও সেই জলজ্যান্ত প্রমান তোমার চোখের সামনে।
গুমনাম, তোমার কাছে ছিল এক অদ্ভুত প্রসস্তি। দিনের শেষে এক অদ্ভুত আনন্দ। সবার অলক্ষে যেখানে সন্ধ্যে নামে, ঘরে ফিরে আসে পাখি। সেই আঁধারনামা প্রান্তে বসে শুধু শেষ দিনের প্রতীক্ষায় বসে থাকা, সেই মানুষটাকে আজও কেউ বোঝেনি।
না তোমাকে কেউ বোঝেনি। তোমাকে বোঝা শক্ত।
তুমি সাধু হতে পারো না। সবাই এমনটাই বলে। কারণ তোমার তো একটাই কাজ শুধু সেনার বেশে যুদ্ধ করবে। শ্যামবাজারের মূর্তি হয়ে বেঁচে থাকবে।
আর সেই মূর্তির তলায় লুটেপুটে খাবে কিছু সুবিধাবাদী নেতা।
মানুষ হাততালি দেবে। শুধু তোমার গলায় একটা মালা ঝুলিয়ে বলবে, জয়তু নেতাজি।
এর থেকে বেশি দেশ না তোমাকে কিছু দিয়েছে, না তুমি সেই আশা করেছিলে।
তাই নিজেকে সমস্ত কিছুর আড়ালে নিয়ে গিয়ে একটা কথাই বলেছ, “ আমি একজন মৃত ব্যক্তি”।
এই শব্দের মধ্যে কতটা তাচ্ছিল্য আছে, দুঃখ আছে, কষ্ট আছে সেটা দেশবাসী আজও বোঝেনি।
হয়তো আর কোনদিন বুঝবেও না।
কিন্তু লড়াই এত তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাবে না হে বীর সৈনিক। যে লড়াইয়ের পথ তুমি দেখিয়ে দিয়ে গেছো, সেটা আজও শেষ হয়ে যায়নি।
নতুন সময় আসবেই নতুন প্রজন্মের হাত ধরে। আমি জানি তুমি শুধু সেই দিনের অপেক্ষায় বসে আছো।
2 months ago | [YT] | 8,476
View 370 replies
I AM BOSE
ধর্ষণের আগুনে কিছু মানুষ এখন নিজেদের অর্ডার দেওয়া মোমবাতি নিয়ে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার চাঙ্গা করতে নেমে পড়েছেন। খুন ও ধর্ষণের শিকার ওই ছোট মেয়েটি এখন তাঁদের কাছে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার মাধ্যম। ওটা প্রতিবাদের মোমবাতি নয় ধান্দার মোম। না হলে এই সময়ও কেউ রং দেখে মোম কেনে??? আর জি করের সময় অন্য ধান্দা ছিল তাই পথে নামলেই আক্রমণ । আর আজ?? ছি: বাংলার রাজনীতি ছি:!
2 months ago (edited) | [YT] | 1,468
View 93 replies
Load more