আলহামদুলিল্লাহ! Masranga Tv এল বহুল জনপ্রিয় প্রোগ্রাম “রাঙ্গা সকাল”-এ (মেরিলের আয়োজনে) বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেছি। আমার শৈশবের জীবন ও কর্পোরেট ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতা নিয়ে ৩ পর্বের একটি বিশেষ ভিডিও শুট সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠানটি টেলিকাস্ট হয়ে গেছে। এই বিশেষ আয়োজনের জন্য মাছরাঙ্গা টিভি কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ। খুব শীঘ্রই ইউটিউবে আসবে ইনশাআল্লাহ!
❌ 31st Night উদযাপন আতশবাজি, মিউজিক, নাচ, বেহায়াপনা, অশ্লীলতা, নেশা আজ এটাকে “মডার্ন কালচার” বলা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো এটা কি মুসলমানদের সংস্কৃতি? এটা কি ইসলাম সমর্থন করে?
উত্তর: না। কখনোই না। রাসূলুল্লাহ (সাঃ), সাহাবীগণ ও তাবেঈনগন কোন উৎসবে কি এই ধরনের আচরণ করেছেন? অথচ তারাই ইসলামের উত্তম আদর্শ। তাদের অনুসরণ করলেই মিলবে জান্নাত।
১. ইসলাম মুসলমানদের আলাদা পরিচয় দিয়েছে ----------------------------------------------------------- আল্লাহ তাআলা বলেন—“তোমরা তাদের মতো হয়ো না, যারা তাদের দ্বীনকে খেল-তামাশায় পরিণত করেছে।”(সূরা আল-আন‘আম: ৭০)
🔴 31st Night মূলত অমুসলিমদের সংস্কৃতি, যেখানে দ্বীন, শালীনতা ও আত্মসংযমের কোনো মূল্য নেই।
২. অমুসলিমদের অনুসরণ করতে রাসূল ﷺ কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন ----------------------------------------------------------- ইংরেজি বছর শেষ হওয়া ইসলামের কোনো ইবাদত, উৎসব বা আমলের অংশ নয়। এটি একটি ইউরোপীয়/খ্রিষ্টান সভ্যতার সময় গণনা পদ্ধতি।
🔴 রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন— “যে ব্যক্তি কোনো জাতির অনুকরণ করে, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত।” (সুনান আবু দাউদ: ৪০৩১ — সহীহ)
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে সংবাদ দিয়েছেন যে, যে ব্যক্তি কোন কাফির অথবা ফাসিক অথবা নেককার সম্প্রদায়ের অনুসরণ-অনুকরণ করবে- আর তা হলো তাদের আক্বীদা অথবা ইবাদত অথবা চাল-চলন ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য ধারণ করবে, সে তাদের দলভুক্ত হবে।
৩. ইসলামে উৎসব মাত্র দুইটি ------------------------------------------ নবী ﷺ মদিনায় এসে দেখলেন লোকেরা দুইটি দিন উদযাপন করে। তিনি বললেন—“আল্লাহ তোমাদের জন্য ঐ দুই দিনের পরিবর্তে তার চেয়ে উত্তম দুটি দিন দিয়েছেন— ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা।” (সুনান আবু দাউদ: ১১৩৪ — সহীহ) তাহলে প্রশ্ন: 31st Night কিসের উৎসব? কে দিয়েছে এই উৎসব?
❌ ইসলাম দেয়নি।
৪. 31st Night-এ যা হয়, ইসলাম তা স্পষ্টভাবে হারাম করেছে ----------------------------------------------------------- আল্লাহ বলেন— “নিশ্চয়ই অশ্লীলতা, মন্দ কাজ ও সীমালঙ্ঘনের নিকটেও যেয়ো না।” (সূরা আল-আন‘আম: ১৫১)
আর নবী ﷺ বলেছেন—“আমার উম্মতের একদল লোক গান-বাদ্য, ব্যভিচার ও মদকে হালাল মনে করবে।” (সহীহ বুখারি: ৫৫৯০)
❌ 31st Night-এ:
★ নারী-পুরুষ একসাথে মিউজিক ও কনসার্টে অংশগ্রহ ★ ডিজে পার্টি বা নাচ গান ★ বেহায়াপনা পোশাক পরিচ্ছদ ★ অশ্লীল গেট টুগেদার ★ নেশা করে হই হুল্লোর
“শুধু প্রোডাক্ট নয়, ব্র্যান্ড সেল করুন – কেন Apple ও Aarong আলাদা?”
একই ধরনের পণ্য বাজারে অনেকেই বিক্রি করে। ফোন তো শুধু Apple বানায় না, Xiaomi, Samsung, Oppo-ও বানায়। জামা শুধু Aarong বানায় না, হাজারো বুটিকস ও দোকান বানায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো—কেন Apple বা Aarong প্রিমিয়াম দামে বিক্রি করেও লাখো কাস্টমারের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়? উত্তর একটাই: তারা প্রোডাক্ট না, ব্র্যান্ড বিক্রি করে।বাংলাদেশের অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা শুধু প্রোডাক্ট এর পিছনে দৌড়ায় আর প্রোডাক্ট থেকে অধিক লাভ করতে চায়। প্রোডাক্ট ব্যর্থ হলে তার ব্রান্ড ব্যর্থ হয়ে যায়..
Apple-এর গল্প (Global Example) ------------------------------------------------ Apple শুধু মোবাইল বিক্রি করে না।তারা বিক্রি করে “লাইফস্টাইল + প্রেস্টিজ”। একজন মানুষ যখন iPhone কেনে, তখন সে শুধু একটা ফোন কেনে না—সে কিনে একটা “স্ট্যাটাস সিম্বল”, একটা “আইডেন্টিটি।”
উদাহরণ: একই ফিচার হয়তো অন্য ব্র্যান্ডে অর্ধেক দামে পাওয়া যায়, তবুও মানুষ Apple কেনে কারণ তারা “Think Different” ফিলোসফি, ডিজাইন, এক্সপেরিয়েন্স আর ব্র্যান্ডের প্রতি ইমোশন কিনছে।
Aarong-এর গল্প (Bangladesh Example) ------------------------------------------------ বাংলাদেশে Aarong কেন শুধু কাপড়ের দোকান নয়, একটা ব্র্যান্ড?কারণ তারা বিক্রি করে “সংস্কৃতি + বিশ্বাস + কনসিস্টেন্ট কোয়ালিটি।”কেউ যখন Aarong থেকে জামা কিনে, তখন সে শুধু কাপড় কেনে না,সে কিনে একটা “বিশ্বাস” যে কাপড়ের মান খারাপ হবে না, আরেকটা “সংস্কৃতি” যে এটা বাংলাদেশের ঐতিহ্যের অংশ।
মজার বিষয় একই জামা হয়তো নিউ মার্কেট বা গুলিস্তানে অনেক কম দামে পাওয়া যায়, কিন্তু কাস্টমার তবুও Aarong বেছে নেয় কারণ তারা শুধু কাপড় চায় না—তারা আত্মবিশ্বাস, মান আর সংস্কৃতির ছোঁয়া চায়।
প্রোডাক্ট আর ব্র্যান্ডের মূল পার্থক্য ------------------------------------------------ ★প্রোডাক্ট: একটা জিনিস, যেটা আপনি তৈরি করেন। ★ব্র্যান্ড: একটা অনুভূতি, যেটা মানুষ বিশ্বাস করে। প্রোডাক্ট বিক্রি করে টাকা আয় করা যায়, কিন্তু ব্র্যান্ড বিক্রি করে লয়্যালটি + দীর্ঘমেয়াদী সাফল্য পাওয়া যায়। এই ব্রান্ডের নামে তখন আপনি অনেক প্রোডাক্ট তৈরি করতে পারবেন।যার মাধ্যমে বিলিয়ন, বিলিয়ন ডলার ইনকাম করতে পারবেন। Cocacola, Nike, Pran, Akij এরা প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ড গড়তে পারছে। এখন এই ব্রান্ডের নামে যে প্রোডাক্টটি বের হোক সেটা অটোমেটিক চলবে। কিন্তু বাংলাদেশের অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা শুধু প্রোডাক্ট এর পিছনে দৌড়ায় আর প্রোডাক্ট থেকে অধিক লাভ করতে চায়। প্রোডাক্ট ব্যর্থ হলে তার ব্রান্ড ব্যর্থ হয়ে যায়। কারন সে ব্র্যান্ড গড়ার পিছনে ফোকাস হয়নি, সে প্রোডাক্ট গড়ার পিছনে ফোকাস হয়েছে।
বাংলাদেশের ছোট ব্যবসার জন্য শিক্ষণীয় বিষয়: ------------------------------------------------ আজকে আপনি হোক ছোট অনলাইন শপ, হোক নতুন স্টার্টআপ— শুধু প্রোডাক্ট বিক্রি করলে আপনি ভিড়ের মাঝে হারিয়ে যাবেন।কিন্তু যদি গল্প বলেন, যদি এক্সপেরিয়েন্স দেন, যদি ট্রাস্ট বিল্ড করেন—তাহলে আপনিও ব্র্যান্ডে পরিণত হতে পারবেন।
★উদাহরণ: Pathao শুরু করেছিল বাইক রাইড শেয়ার দিয়ে। এখন সেটা “বাংলাদেশিদের জন্য ডিজিটাল সল্যুশন ব্র্যান্ড” হয়ে গেছে—ফুড, কুরিয়ার, ফাইন্যান্স সবকিছুতেই এক নাম Pathao।
আজকের দুনিয়ায় শুধু প্রোডাক্ট বিক্রি করলে সাকসেস সীমিত। ★ Apple ব্র্যান্ড হয়ে গেছে কারণ তারা ভ্যালু আর এক্সপেরিয়েন্স বিক্রি করে। ★ Aarong ব্র্যান্ড হয়েছে কারণ তারা বিশ্বাস, সংস্কৃতি আর কোয়ালিটি বিক্রি করে।
তাই যদি চান ব্যবসা টিকুক, শুধু প্রোডাক্ট নয়—ব্র্যান্ড সেল করুন।কারণ প্রোডাক্ট একদিন পুরোনো হয়, কিন্তু ব্র্যান্ড মানুষের মনে থেকে যায়।
ছুটির দিনেও ছিলাম একটি Multinational NGO–র Mid-level Leaders দের সাথে "📊 Presentation & 🎤 Public Speaking" ট্রেনিং সেশনে।
কর্পোরেট দুনিয়ায় টেকনিক্যাল স্কিল যথেষ্ট নয়— 👉 আপনার Presentation Skill 👉 আপনার Confidence 👉 আপনার Public Speaking Power এই জিনিসগুলোই আপনাকে অন্যদের থেকে আলাদা করবে এবং নতুন দরজা খুলে দেবে।
সেশনে দেখলাম, কতজন লিডার নিজেদের উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে Forward হয়ে আছেন কারণ— ✅ ভালোভাবে বলতে পারলে Influence করা যায় ✅ Influence করতে পারলে Leadership তৈরি হয় ✅ Leadership থেকেই আসে Growth & Success
কেইস স্টাডি: Daraz Bangladesh, যারা আইটি, ডিজিটাল পেশায় আছেন তাদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা এবং অনলাইন ব্যবসায়ীদের জন্য গাইড লাইন।
🔹 শুরুর গল্পঃ ........................ Daraz ২০১৫ সালে বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে, তখন অনলাইন কেনাকাটায় মানুষের আস্থা অনেক কম ছিল। ২০১৮ সালে আলিবাবা গ্রুপে অধিগ্রহণের পর মারাত্মকভাবে বিনিয়োগ ও আর্থিক কাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে তারা দ্রুত বড় পরিসরে বিস্তৃত হয় ।Daraz শুরু থেকেই ফোকাস করে— 👉 গ্রাহকের আস্থা অর্জন 👉 ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিশাল প্রচারণা চালানো 👉 অফার ও ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে গ্রাহক আকর্ষণ করা
🔹 ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশলঃ ............................................... 🔴 1. ১১.১১ ক্যাম্পেইন (Biggest Online Sale) চীনের Alibaba Group-এর সফল “Singles Day Sale” (১১.১১) ক্যাম্পেইন বাংলাদেশে চালু করে Daraz। ১১.১১ ক্যাম্পেইনে Daraz ২০২২ সালে বিক্রি করেছে Tk 320 কোটি এর পণ্য; ২০১৮-এ সেই বিক্রি ছিল মাত্র Tk 45 কোটি—প্রায় ৭ গুণ বৃদ্ধি ।
🔴 2. সোশ্যাল মিডিয়া ও ভিডিও মার্কেটিংঃ ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটকে আকর্ষণীয় ভিডিও বিজ্ঞাপন।“সবকিছুই এখন Daraz-এ” – এই স্লোগান দিয়ে ব্র্যান্ড পজিশনিং।
🔴 3. ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিংঃ জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের দিয়ে লাইভ শপিং, পণ্য রিভিউ ও প্রমোশন।ফেইসবুক লাইভ সেলিং ট্রেন্ডের সূচনা করে Daraz।
🔴 4. অ্যাপ-ফোকাসড মার্কেটিংঃ ফ্রি ডেলিভারি, ভাউচার, ক্যাশব্যাক অফার দিয়ে মানুষকে অ্যাপ ব্যবহার করতে উৎসাহিত করা।প্রতিদিনের “Shake Shake” গেম, কুপন ক্যালেন্ডার ইত্যাদি দিয়ে গ্রাহকের এঙ্গেজমেন্ট বাড়ানো।
🔹 ব্র্যান্ডিং কৌশলঃ .............................. Daraz নিজেকে শুধু “একটি অনলাইন শপ” হিসেবে নয়, বরং Bangladesh-এর Official Online Marketplace হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।
“Daraz App = সবকিছু” এই ধারণা দিয়ে ব্র্যান্ডকে সাধারণ মানুষের জীবনের সাথে জড়িয়ে দিয়েছে।প্রতিটি বড় উৎসবে (পোশাক, ইলেকট্রনিক্স, গ্রোসারি) আলাদা ক্যাম্পেইন চালিয়ে Seasonal Branding করেছে।
🔹 ফলাফলঃ ..................... ✅ বর্তমানে Daraz Bangladesh দেশের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম। ✅ প্রায় ৬ কোটি+ মাসিক ভিজিটর এবং ৪ কোটি+ অ্যাপ ডাউনলোড। ✅ ৪০,০০০+ সেলার ও লাখ লাখ প্রোডাক্ট লিস্টিং। ✅ গ্রাহক এখন ই-কমার্সকে বেশি বিশ্বাস করে, যেখানে Daraz সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।
🔴 1. বড় ক্যাম্পেইন (১১.১১ এর মতো) গ্রাহকের আচরণ পরিবর্তন করতে পারে।
🔴 2. ডিজিটাল বিজ্ঞাপন + ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং মিলে গ্রাহকের বিশ্বাস দ্রুত অর্জন করা যায়।
🔴 3. লোকালাইজড অফার ও উৎসবভিত্তিক মার্কেটিং গ্রাহককে বেশি আকর্ষণ করে।
🔴 4. মোবাইল অ্যাপ-ফোকাসড মার্কেটিং ভবিষ্যতের ই-কমার্সের মূল শক্তি।
🔴 5. Daraz-এর dEX (Daraz Express) নামে নিজস্ব ডেলিভারি নেটওয়ার্কে সারা দেশে ১৪৪টি হাবে পৌঁছেছে এবং ৬৪টি জেলায় কার্যক্রম চালাচ্ছে ।নতুন Choice প্রোগ্রামের মাধ্যমে ৪,০০০+ হ্যান্ডপিক করা প্রডাক্ট—প্রায় ২ গুণ বেশি ট্রাফিক ও বিক্রয় পেয়েছে; ৩০% দ্রুত ডেলিভারি ও কনভারসন বাড়িয়েছে ।
Daraz আমাদের দেখিয়েছে, কৌশলগত ডিজিটাল মার্কেটিং ও ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশে অনলাইন শপিংয়ের সংস্কৃতি তৈরি করা সম্ভব। তাদের যাত্রা শুধু একটি কোম্পানির নয়, বরং বাংলাদেশের ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রির পরিবর্তনের গল্প। এটা ছোট ছোটই-কমার্সদের জন্য হবে প্রেরনার গল্প এবং উপরে ওঠার সোপান।
🔴 ( লেখার কিছু সোর্স: The Daily Star, Bangladesh Ecommerce Market Report 2024, FICCI & Dhaka Tribune)
🎭 অফিসে প্রতিদিন ৮-১০ ঘণ্টা একসাথে কাজ করলে মনে হয়—"এই মানুষগুলোই আমার সবচেয়ে কাছের"। চা-সিগারেট বিরতি, একসাথে হাসি-ঠাট্টা, লাঞ্চ টেবিলের গল্প—সবই বন্ধুত্বের মতো মনে হয়। কিন্তু কর্পোরেট দুনিয়ার ভিতরে এই বন্ধুত্বের সংজ্ঞা আলাদা—এখানে সম্পর্ক চলে ‘পারফরম্যান্স’ আর ‘প্রয়োজনের’ উপর।
📊 তথ্য বলছে-LinkedIn-এর এক জরিপে দেখা গেছে, কর্পোরেট কর্মীদের ৬৫% বলেছে তারা কর্মক্ষেত্রে ‘বন্ধু’ বানালেও, সেই সম্পর্ক অফিস ছাড়ার পর আর টিকে না। Harvard Business Review-এর একটি স্টাডি বলছে, ৭০% অফিস ফ্রেন্ডশিপ স্বার্থ-নির্ভর—প্রজেক্ট শেষ হলে বা পজিশন বদলালে সেই বন্ধুত্বও শেষ হয়ে যায়।
⚠ কেন বেশিরভাগ অফিস বন্ধুত্ব মুখোশধারী হয়? 1. প্রমোশনের প্রতিযোগিতা - আপনি যদি এগিয়ে যান, অনেকে চুপিসারে বসের কাছে আপনার নাম খারাপ করবে। 2. ক্রেডিট চুরি - আপনার আইডিয়া নিজের বলে চালিয়ে দেওয়া। 3. অফিস পলিটিক্স - সামনে হাসি, পিছনে আপনার বদনাম ছড়ানো। 4. প্রয়োজন ফুরালেই গায়েব -প্রজেক্ট শেষ হলে আর ফোন ধরা হবে না।
💡 বাস্তব উদাহরণ (একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির, এখানে কাল্পনিক নাম ধরা হয়েছে )ধরা যাক, রফিক সাহেব ও কামাল সাহেব একসাথে ৩ বছর ধরে একই টিমে কাজ করছেন। সবসময় একসাথে লাঞ্চ, চায়ের আড্ডা, টিম আউটিং—সব জায়গায় একসাথে।কিন্তু একদিন বস জানালেন, সিনিয়র পজিশনের জন্য একজনকে বেছে নিতে হবে।ঠিক তখনই কামাল সাহেব রফিকের ছোট ভুলগুলো বড় করে বসের সামনে তুললেন—যেন প্রমোশন তার হয়। বন্ধুত্ব? না ভাই—এটা ছিল কর্পোরেট গেমের অংশ।
✅ তাহলে করণীয় কী? সবাইকে ভদ্রভাবে আচরণ করুন, কিন্তু ব্যক্তিগত গোপন তথ্য শেয়ার করবেন না।সত্যিকারের বিশ্বস্ত মানুষ চিনে নিন—তারা কথা ও কাজে মিল রাখে। প্রফেশনাল সম্পর্ক ও ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব আলাদা রাখুন।আপনার উন্নতিতে যে খুশি হয়, সেই মানুষই আপনার আসল বন্ধু।
📢 অফিসে বন্ধুত্ব হতে পারে, কিন্তু সেটা সবসময় নিঃস্বার্থ নয়। কর্পোরেট দুনিয়ায় মুখোশের নিচে অনেক মুখ লুকিয়ে থাকে। তাই সবার সাথে ভালো থাকুন, কিন্তু নিজের বিশ্বাস বেছে বেছে দিন।আপনি কি কখনো অফিসের কোনো ‘বন্ধু’র দ্বারা ধোঁকা খেয়েছেন?কমেন্টে লিখুন 👇 এবং শেয়ার করুন যেন সবাই বুঝতে পারে—সব কলিগ বন্ধু না!
বাংলাদেশের অনেক প্রফেশনালই একটি স্টেবল জব পেয়ে সারা জীবন সেখানে আটকে থাকেন। মাসিক বেতন, বছরে একবার বোনাস, আর রুটিন ওয়ার্ক—এই নিয়ে তারা খুশি। কিন্তু সমস্যা হলো, এই কমফোর্ট জোন আপনাকে শুধু "সারভাইভ" করায়, "থ্রাইভ" করায় না! সময় পার হওয়ার সাথে সাথে আপনি নিজেকে পিছিয়ে পড়তে দেখবেন, যখন আপনার সহকর্মীরা নতুন স্কিল শিখে, নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে কর্পোরেট লেভেলে উপরে উঠে যাচ্ছে।
🥊 বাংলাদেশের কর্পোরেট সেক্টরে প্রতিযোগিতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। নতুন স্টার্টআপ আসছে, বহুজাতিক কোম্পানিগুলো তাদের মার্কেট শেয়ার বাড়াচ্ছে, আর টেকনোলজির পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে না পারলে পিছিয়ে পড়াটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। কিন্তু সমস্যা হলো অধিকাংশ পেশাজীবী এবং প্রতিষ্ঠানই কমফোর্ট জোনে আটকে থাকে। তারা ঝুঁকি নিতে ভয় পায়, নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করে না, পুরনো সিস্টেমেই আটকে থাকে। ফলাফল? স্থবিরতা, ক্যারিয়ারে স্ট্যাগনেশন এবং শেষ পর্যন্ত মার্কেট থেকে বাদ পড়া।
📕 কমফোর্ট জোন হলো আপনি নিরাপদ বোধ করেন কারণ : - একই ধরনের কাজ বছরের পর বছর করা - নতুন স্কিল শেখার চেষ্টা না করা - প্রমোশন বা বেতন বৃদ্ধির জন্য চেষ্টা না করে শুধু "স্টেবিলিটি" খোঁজা - নতুন আইডিয়া বা ইনোভেশন এড়িয়ে চলা কিন্তু সমস্যা হলো—বাংলাদেশের কর্পোরেট জগতে এই কমফোর্ট জোনই আপনার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় শত্রু
☢️ বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৫-২০% কর্পোরেট চাকরি অটোমেশন ও AI-এর কারণে বিলুপ্ত হচ্ছে । আপনি যদি নতুন টেকনোলজি শিখতে না চান, তাহলে আপনার চাকরি ঝুঁকিতে পড়বে।
💵 বেতন ও ক্যারিয়ার গ্রোথ:যারা নতুন স্কিল শেখে, তাদের বেতন ২০%-৩০% বেশি বৃদ্ধি পায় । কিন্তু কমফোর্ট জোনে থাকা কর্মীরা বছরের পর বছর একই বেতনে আটকে থাকে।যদি আপনি আজকের কর্পোরেট জগতে টিকে থাকতে চান, তাহলে আপনাকে প্রতিদিন নতুন কিছু শিখতে হবে। নইলে আগামী ৫ বছরে আপনার চাকরিটাই থাকবে না।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম উপদেষ্টার কাছ থেকে সম্মাননা স্মারক পেয়েছি "আন্তর্জাতিক ইসলামী দাওয়া প্রোগ্রাম ২০২৫ " এর বিশেষ অতিথি হিসেবে, আলহামদুলিল্লাহ। সাথে ছিল পাকিস্তানি ইসলামী বক্তা তারিক মাসুদ। বিভিন্ন ন্যাশনাল ও মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি ম্যানেজিং ডিরেক্টর, চেয়ারম্যান এবং সরকারের বড় পর্যায়ে অনেক কর্মকর্তারা ছিল ২০০০ জনের মত। সব মিলিয়ে প্রোগ্রামটা ভালো হয়েছে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে , আলহামদুলিল্লাহ!
🔥 নীরব থাকো, কাজ করে যাও... লোকে বলবে তুমি পারবে না। তোমাকে অবহেলা করবে, হাসবে, তোমার স্বপ্নকে উড়িয়ে দেবে হাওয়ায়। তোমার কাজ? কিছু বলো না। কাউকে প্রমাণ করার দরকার নেই। চুপচাপ লেগে থাকো। নিজেকে তৈরি করো। নিজেকে শাণ দাও। আল্লাহর উপর ভরসা কর।
💡দিন আসবে... যে দিন তোমার মুখ নয় — তোমার কাজ নিজেই কথা বলবে! তখন যারা তোমায় নিয়ে হাসতো, তারা তোমার সফলতা দেখে স্তব্ধ হয়ে যাবে। তারা আর কিছু বলবে না... শুধু তাকিয়ে থাকবে।
🎯 এই পৃথিবী এমনই— তোমার নীরবতাকে দুর্বলতা ভাবে, কিন্তু একদিন সেই নীরবতাই সর্বোচ্চ আওয়াজ হয়ে বাজবে সবার কানে।
💥 তাই মনে রেখো – নীরব থাকো, কাজ করে যাও – একদিন তোমার কাজই সবচেয়ে বড় আওয়াজ হবে। 🔥 সাফল্য কখনো শব্দে আসে না, আসে প্রমাণে।
📌 আপনি যদি বাস্তবেই কিছু করেন — সেটা একটা বিজনেস হোক, একটা চাকরি হোক কিংবা একটা আইডিয়া — মানুষের মন জয় করে নেবে আপনার অর্জন, আপনার পরিশ্রম, আপনার প্রমাণিত ফলাফল। আজকাল অনেকেই স্ট্যাটাসে সফলতার গল্প বলে, ক্যামেরার সামনে নিজেকে বিজয়ী দেখায়। কিন্তু আসল কথা কী জানেন? দিন শেষে মানুষ মনে রাখে আপনার কাজ, আপনার সাফল্য, আপনার অবদান🏅
❌ তাই অহেতুক প্রচারণা দিয়ে নয়, ✅ নিজের কাজ দিয়ে প্রমাণ করেন আপনি কে!
💥 তাই প্রচারণা দিয়ে নয়, পারফর্মেন্স দিয়ে মাতান। একদিন আপনার সাফল্যই হবে আপনার সবচেয়ে বড় পরিচয়।
Nizam Akond
আলহামদুলিল্লাহ! Masranga Tv এল বহুল জনপ্রিয় প্রোগ্রাম “রাঙ্গা সকাল”-এ (মেরিলের আয়োজনে) বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেছি। আমার শৈশবের জীবন ও কর্পোরেট ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতা নিয়ে ৩ পর্বের একটি বিশেষ ভিডিও শুট সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠানটি টেলিকাস্ট হয়ে গেছে। এই বিশেষ আয়োজনের জন্য মাছরাঙ্গা টিভি কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ। খুব শীঘ্রই ইউটিউবে আসবে ইনশাআল্লাহ!
1 month ago (edited) | [YT] | 17
View 1 reply
Nizam Akond
❌ 31st Night উদযাপন আতশবাজি, মিউজিক, নাচ, বেহায়াপনা, অশ্লীলতা, নেশা আজ এটাকে “মডার্ন কালচার” বলা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো এটা কি মুসলমানদের সংস্কৃতি? এটা কি ইসলাম সমর্থন করে?
উত্তর: না। কখনোই না। রাসূলুল্লাহ (সাঃ), সাহাবীগণ ও তাবেঈনগন কোন উৎসবে কি এই ধরনের আচরণ করেছেন? অথচ তারাই ইসলামের উত্তম আদর্শ। তাদের অনুসরণ করলেই মিলবে জান্নাত।
১. ইসলাম মুসলমানদের আলাদা পরিচয় দিয়েছে
-----------------------------------------------------------
আল্লাহ তাআলা বলেন—“তোমরা তাদের মতো হয়ো না, যারা তাদের দ্বীনকে খেল-তামাশায় পরিণত করেছে।”(সূরা আল-আন‘আম: ৭০)
🔴 31st Night মূলত অমুসলিমদের সংস্কৃতি, যেখানে দ্বীন, শালীনতা ও আত্মসংযমের কোনো মূল্য নেই।
২. অমুসলিমদের অনুসরণ করতে রাসূল ﷺ কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন
-----------------------------------------------------------
ইংরেজি বছর শেষ হওয়া ইসলামের কোনো ইবাদত, উৎসব বা আমলের অংশ নয়। এটি একটি ইউরোপীয়/খ্রিষ্টান সভ্যতার সময় গণনা পদ্ধতি।
🔴 রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন— “যে ব্যক্তি কোনো জাতির অনুকরণ করে, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত।” (সুনান আবু দাউদ: ৪০৩১ — সহীহ)
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদীসে সংবাদ দিয়েছেন যে, যে ব্যক্তি কোন কাফির অথবা ফাসিক অথবা নেককার সম্প্রদায়ের অনুসরণ-অনুকরণ করবে- আর তা হলো তাদের আক্বীদা অথবা ইবাদত অথবা চাল-চলন ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য ধারণ করবে, সে তাদের দলভুক্ত হবে।
৩. ইসলামে উৎসব মাত্র দুইটি
------------------------------------------
নবী ﷺ মদিনায় এসে দেখলেন লোকেরা দুইটি দিন উদযাপন করে। তিনি বললেন—“আল্লাহ তোমাদের জন্য ঐ দুই দিনের পরিবর্তে তার চেয়ে উত্তম দুটি দিন দিয়েছেন—
ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা।” (সুনান আবু দাউদ: ১১৩৪ — সহীহ)
তাহলে প্রশ্ন:
31st Night কিসের উৎসব?
কে দিয়েছে এই উৎসব?
❌ ইসলাম দেয়নি।
৪. 31st Night-এ যা হয়, ইসলাম তা স্পষ্টভাবে হারাম করেছে
-----------------------------------------------------------
আল্লাহ বলেন— “নিশ্চয়ই অশ্লীলতা, মন্দ কাজ ও সীমালঙ্ঘনের নিকটেও যেয়ো না।” (সূরা আল-আন‘আম: ১৫১)
আর নবী ﷺ বলেছেন—“আমার উম্মতের একদল লোক গান-বাদ্য, ব্যভিচার ও মদকে হালাল মনে করবে।” (সহীহ বুখারি: ৫৫৯০)
❌ 31st Night-এ:
★ নারী-পুরুষ একসাথে মিউজিক ও কনসার্টে অংশগ্রহ
★ ডিজে পার্টি বা নাচ গান
★ বেহায়াপনা পোশাক পরিচ্ছদ
★ অশ্লীল গেট টুগেদার
★ নেশা করে হই হুল্লোর
1 month ago | [YT] | 6
View 0 replies
Nizam Akond
“শুধু প্রোডাক্ট নয়, ব্র্যান্ড সেল করুন – কেন Apple ও Aarong আলাদা?”
একই ধরনের পণ্য বাজারে অনেকেই বিক্রি করে। ফোন তো শুধু Apple বানায় না, Xiaomi, Samsung, Oppo-ও বানায়। জামা শুধু Aarong বানায় না, হাজারো বুটিকস ও দোকান বানায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো—কেন Apple বা Aarong প্রিমিয়াম দামে বিক্রি করেও লাখো কাস্টমারের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়? উত্তর একটাই: তারা প্রোডাক্ট না, ব্র্যান্ড বিক্রি করে।বাংলাদেশের অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা শুধু প্রোডাক্ট এর পিছনে দৌড়ায় আর প্রোডাক্ট থেকে অধিক লাভ করতে চায়। প্রোডাক্ট ব্যর্থ হলে তার ব্রান্ড ব্যর্থ হয়ে যায়..
Apple-এর গল্প (Global Example)
------------------------------------------------
Apple শুধু মোবাইল বিক্রি করে না।তারা বিক্রি করে “লাইফস্টাইল + প্রেস্টিজ”। একজন মানুষ যখন iPhone কেনে, তখন সে শুধু একটা ফোন কেনে না—সে কিনে একটা “স্ট্যাটাস সিম্বল”, একটা “আইডেন্টিটি।”
উদাহরণ: একই ফিচার হয়তো অন্য ব্র্যান্ডে অর্ধেক দামে পাওয়া যায়, তবুও মানুষ Apple কেনে কারণ তারা “Think Different” ফিলোসফি, ডিজাইন, এক্সপেরিয়েন্স আর ব্র্যান্ডের প্রতি ইমোশন কিনছে।
Aarong-এর গল্প (Bangladesh Example)
------------------------------------------------
বাংলাদেশে Aarong কেন শুধু কাপড়ের দোকান নয়, একটা ব্র্যান্ড?কারণ তারা বিক্রি করে “সংস্কৃতি + বিশ্বাস + কনসিস্টেন্ট কোয়ালিটি।”কেউ যখন Aarong থেকে জামা কিনে, তখন সে শুধু কাপড় কেনে না,সে কিনে একটা “বিশ্বাস” যে কাপড়ের মান খারাপ হবে না, আরেকটা “সংস্কৃতি” যে এটা বাংলাদেশের ঐতিহ্যের অংশ।
মজার বিষয় একই জামা হয়তো নিউ মার্কেট বা গুলিস্তানে অনেক কম দামে পাওয়া যায়, কিন্তু কাস্টমার তবুও Aarong বেছে নেয় কারণ তারা শুধু কাপড় চায় না—তারা আত্মবিশ্বাস, মান আর সংস্কৃতির ছোঁয়া চায়।
প্রোডাক্ট আর ব্র্যান্ডের মূল পার্থক্য
------------------------------------------------
★প্রোডাক্ট: একটা জিনিস, যেটা আপনি তৈরি করেন।
★ব্র্যান্ড: একটা অনুভূতি, যেটা মানুষ বিশ্বাস করে। প্রোডাক্ট বিক্রি করে টাকা আয় করা যায়, কিন্তু ব্র্যান্ড বিক্রি করে লয়্যালটি + দীর্ঘমেয়াদী সাফল্য পাওয়া যায়। এই ব্রান্ডের নামে তখন আপনি অনেক প্রোডাক্ট তৈরি করতে পারবেন।যার মাধ্যমে বিলিয়ন, বিলিয়ন ডলার ইনকাম করতে পারবেন। Cocacola, Nike, Pran, Akij এরা প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ড গড়তে পারছে। এখন এই ব্রান্ডের নামে যে প্রোডাক্টটি বের হোক সেটা অটোমেটিক চলবে। কিন্তু বাংলাদেশের অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা শুধু প্রোডাক্ট এর পিছনে দৌড়ায় আর প্রোডাক্ট থেকে অধিক লাভ করতে চায়। প্রোডাক্ট ব্যর্থ হলে তার ব্রান্ড ব্যর্থ হয়ে যায়। কারন সে ব্র্যান্ড গড়ার পিছনে ফোকাস হয়নি, সে প্রোডাক্ট গড়ার পিছনে ফোকাস হয়েছে।
বাংলাদেশের ছোট ব্যবসার জন্য শিক্ষণীয় বিষয়:
------------------------------------------------
আজকে আপনি হোক ছোট অনলাইন শপ, হোক নতুন স্টার্টআপ— শুধু প্রোডাক্ট বিক্রি করলে আপনি ভিড়ের মাঝে হারিয়ে যাবেন।কিন্তু যদি গল্প বলেন, যদি এক্সপেরিয়েন্স দেন, যদি ট্রাস্ট বিল্ড করেন—তাহলে আপনিও ব্র্যান্ডে পরিণত হতে পারবেন।
★উদাহরণ: Pathao শুরু করেছিল বাইক রাইড শেয়ার দিয়ে। এখন সেটা “বাংলাদেশিদের জন্য ডিজিটাল সল্যুশন ব্র্যান্ড” হয়ে গেছে—ফুড, কুরিয়ার, ফাইন্যান্স সবকিছুতেই এক নাম Pathao।
আজকের দুনিয়ায় শুধু প্রোডাক্ট বিক্রি করলে সাকসেস সীমিত।
★ Apple ব্র্যান্ড হয়ে গেছে কারণ তারা ভ্যালু আর এক্সপেরিয়েন্স বিক্রি করে।
★ Aarong ব্র্যান্ড হয়েছে কারণ তারা বিশ্বাস, সংস্কৃতি আর কোয়ালিটি বিক্রি করে।
তাই যদি চান ব্যবসা টিকুক, শুধু প্রোডাক্ট নয়—ব্র্যান্ড সেল করুন।কারণ প্রোডাক্ট একদিন পুরোনো হয়, কিন্তু ব্র্যান্ড মানুষের মনে থেকে যায়।
#NizamAkond #BrandVsProduct #Apple #Aarong #BangladeshBusiness #Marketing #Branding
4 months ago | [YT] | 33
View 3 replies
Nizam Akond
ছুটির দিনেও ছিলাম একটি Multinational NGO–র Mid-level Leaders দের সাথে "📊 Presentation & 🎤 Public Speaking" ট্রেনিং সেশনে।
কর্পোরেট দুনিয়ায় টেকনিক্যাল স্কিল যথেষ্ট নয়—
👉 আপনার Presentation Skill
👉 আপনার Confidence
👉 আপনার Public Speaking Power
এই জিনিসগুলোই আপনাকে অন্যদের থেকে আলাদা করবে এবং নতুন দরজা খুলে দেবে।
সেশনে দেখলাম, কতজন লিডার নিজেদের উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে Forward হয়ে আছেন
কারণ—
✅ ভালোভাবে বলতে পারলে Influence করা যায়
✅ Influence করতে পারলে Leadership তৈরি হয়
✅ Leadership থেকেই আসে Growth & Success
#Leadership #PublicSpeaking #PresentationSkills #CareerGrowth
4 months ago (edited) | [YT] | 29
View 3 replies
Nizam Akond
কেইস স্টাডি: Daraz Bangladesh, যারা আইটি, ডিজিটাল পেশায় আছেন তাদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা এবং অনলাইন ব্যবসায়ীদের জন্য গাইড লাইন।
🔹 শুরুর গল্পঃ
........................
Daraz ২০১৫ সালে বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে, তখন অনলাইন কেনাকাটায় মানুষের আস্থা অনেক কম ছিল। ২০১৮ সালে আলিবাবা গ্রুপে অধিগ্রহণের পর মারাত্মকভাবে বিনিয়োগ ও আর্থিক কাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে তারা দ্রুত বড় পরিসরে বিস্তৃত হয় ।Daraz শুরু থেকেই ফোকাস করে—
👉 গ্রাহকের আস্থা অর্জন
👉 ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিশাল প্রচারণা চালানো
👉 অফার ও ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে গ্রাহক আকর্ষণ করা
🔹 ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশলঃ
...............................................
🔴 1. ১১.১১ ক্যাম্পেইন (Biggest Online Sale)
চীনের Alibaba Group-এর সফল “Singles Day Sale” (১১.১১) ক্যাম্পেইন বাংলাদেশে চালু করে Daraz। ১১.১১ ক্যাম্পেইনে Daraz ২০২২ সালে বিক্রি করেছে Tk 320 কোটি এর পণ্য; ২০১৮-এ সেই বিক্রি ছিল মাত্র Tk 45 কোটি—প্রায় ৭ গুণ বৃদ্ধি ।
🔴 2. সোশ্যাল মিডিয়া ও ভিডিও মার্কেটিংঃ
ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটকে আকর্ষণীয় ভিডিও বিজ্ঞাপন।“সবকিছুই এখন Daraz-এ” – এই স্লোগান দিয়ে ব্র্যান্ড পজিশনিং।
🔴 3. ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিংঃ
জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের দিয়ে লাইভ শপিং, পণ্য রিভিউ ও প্রমোশন।ফেইসবুক লাইভ সেলিং ট্রেন্ডের সূচনা করে Daraz।
🔴 4. অ্যাপ-ফোকাসড মার্কেটিংঃ
ফ্রি ডেলিভারি, ভাউচার, ক্যাশব্যাক অফার দিয়ে মানুষকে অ্যাপ ব্যবহার করতে উৎসাহিত করা।প্রতিদিনের “Shake Shake” গেম, কুপন ক্যালেন্ডার ইত্যাদি দিয়ে গ্রাহকের এঙ্গেজমেন্ট বাড়ানো।
🔹 ব্র্যান্ডিং কৌশলঃ
..............................
Daraz নিজেকে শুধু “একটি অনলাইন শপ” হিসেবে নয়, বরং Bangladesh-এর Official Online Marketplace হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।
“Daraz App = সবকিছু” এই ধারণা দিয়ে ব্র্যান্ডকে সাধারণ মানুষের জীবনের সাথে জড়িয়ে দিয়েছে।প্রতিটি বড় উৎসবে (পোশাক, ইলেকট্রনিক্স, গ্রোসারি) আলাদা ক্যাম্পেইন চালিয়ে Seasonal Branding করেছে।
🔹 ফলাফলঃ
.....................
✅ বর্তমানে Daraz Bangladesh দেশের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম।
✅ প্রায় ৬ কোটি+ মাসিক ভিজিটর এবং ৪ কোটি+ অ্যাপ ডাউনলোড।
✅ ৪০,০০০+ সেলার ও লাখ লাখ প্রোডাক্ট লিস্টিং।
✅ গ্রাহক এখন ই-কমার্সকে বেশি বিশ্বাস করে, যেখানে Daraz সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।
🔹 শিক্ষণীয় বিষয়সমূহ (Key Learnings)
..............................................................
🔴 1. বড় ক্যাম্পেইন (১১.১১ এর মতো) গ্রাহকের আচরণ পরিবর্তন করতে পারে।
🔴 2. ডিজিটাল বিজ্ঞাপন + ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং মিলে গ্রাহকের বিশ্বাস দ্রুত অর্জন করা যায়।
🔴 3. লোকালাইজড অফার ও উৎসবভিত্তিক মার্কেটিং গ্রাহককে বেশি আকর্ষণ করে।
🔴 4. মোবাইল অ্যাপ-ফোকাসড মার্কেটিং ভবিষ্যতের ই-কমার্সের মূল শক্তি।
🔴 5. Daraz-এর dEX (Daraz Express) নামে নিজস্ব ডেলিভারি নেটওয়ার্কে সারা দেশে ১৪৪টি হাবে পৌঁছেছে এবং ৬৪টি জেলায় কার্যক্রম চালাচ্ছে ।নতুন Choice প্রোগ্রামের মাধ্যমে ৪,০০০+ হ্যান্ডপিক করা প্রডাক্ট—প্রায় ২ গুণ বেশি ট্রাফিক ও বিক্রয় পেয়েছে; ৩০% দ্রুত ডেলিভারি ও কনভারসন বাড়িয়েছে ।
Daraz আমাদের দেখিয়েছে, কৌশলগত ডিজিটাল মার্কেটিং ও ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশে অনলাইন শপিংয়ের সংস্কৃতি তৈরি করা সম্ভব। তাদের যাত্রা শুধু একটি কোম্পানির নয়, বরং বাংলাদেশের ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রির পরিবর্তনের গল্প। এটা ছোট ছোটই-কমার্সদের জন্য হবে প্রেরনার গল্প এবং উপরে ওঠার সোপান।
🔴 ( লেখার কিছু সোর্স: The Daily Star,
Bangladesh Ecommerce Market Report 2024, FICCI & Dhaka Tribune)
5 months ago | [YT] | 54
View 1 reply
Nizam Akond
🎭 অফিসে প্রতিদিন ৮-১০ ঘণ্টা একসাথে কাজ করলে মনে হয়—"এই মানুষগুলোই আমার সবচেয়ে কাছের"। চা-সিগারেট বিরতি, একসাথে হাসি-ঠাট্টা, লাঞ্চ টেবিলের গল্প—সবই বন্ধুত্বের মতো মনে হয়। কিন্তু কর্পোরেট দুনিয়ার ভিতরে এই বন্ধুত্বের সংজ্ঞা আলাদা—এখানে সম্পর্ক চলে ‘পারফরম্যান্স’ আর ‘প্রয়োজনের’ উপর।
📊 তথ্য বলছে-LinkedIn-এর এক জরিপে দেখা গেছে, কর্পোরেট কর্মীদের ৬৫% বলেছে তারা কর্মক্ষেত্রে ‘বন্ধু’ বানালেও, সেই সম্পর্ক অফিস ছাড়ার পর আর টিকে না।
Harvard Business Review-এর একটি স্টাডি বলছে, ৭০% অফিস ফ্রেন্ডশিপ স্বার্থ-নির্ভর—প্রজেক্ট শেষ হলে বা পজিশন বদলালে সেই বন্ধুত্বও শেষ হয়ে যায়।
⚠ কেন বেশিরভাগ অফিস বন্ধুত্ব মুখোশধারী হয়?
1. প্রমোশনের প্রতিযোগিতা - আপনি যদি এগিয়ে যান, অনেকে চুপিসারে বসের কাছে আপনার নাম খারাপ করবে।
2. ক্রেডিট চুরি - আপনার আইডিয়া নিজের বলে চালিয়ে দেওয়া।
3. অফিস পলিটিক্স - সামনে হাসি, পিছনে আপনার বদনাম ছড়ানো।
4. প্রয়োজন ফুরালেই গায়েব -প্রজেক্ট শেষ হলে আর ফোন ধরা হবে না।
💡 বাস্তব উদাহরণ (একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির, এখানে কাল্পনিক নাম ধরা হয়েছে )ধরা যাক, রফিক সাহেব ও কামাল সাহেব একসাথে ৩ বছর ধরে একই টিমে কাজ করছেন। সবসময় একসাথে লাঞ্চ, চায়ের আড্ডা, টিম আউটিং—সব জায়গায় একসাথে।কিন্তু একদিন বস জানালেন, সিনিয়র পজিশনের জন্য একজনকে বেছে নিতে হবে।ঠিক তখনই কামাল সাহেব রফিকের ছোট ভুলগুলো বড় করে বসের সামনে তুললেন—যেন প্রমোশন তার হয়। বন্ধুত্ব? না ভাই—এটা ছিল কর্পোরেট গেমের অংশ।
✅ তাহলে করণীয় কী? সবাইকে ভদ্রভাবে আচরণ করুন, কিন্তু ব্যক্তিগত গোপন তথ্য শেয়ার করবেন না।সত্যিকারের বিশ্বস্ত মানুষ চিনে নিন—তারা কথা ও কাজে মিল রাখে। প্রফেশনাল সম্পর্ক ও ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব আলাদা রাখুন।আপনার উন্নতিতে যে খুশি হয়, সেই মানুষই আপনার আসল বন্ধু।
📢 অফিসে বন্ধুত্ব হতে পারে, কিন্তু সেটা সবসময় নিঃস্বার্থ নয়। কর্পোরেট দুনিয়ায় মুখোশের নিচে অনেক মুখ লুকিয়ে থাকে। তাই সবার সাথে ভালো থাকুন, কিন্তু নিজের বিশ্বাস বেছে বেছে দিন।আপনি কি কখনো অফিসের কোনো ‘বন্ধু’র দ্বারা ধোঁকা খেয়েছেন?কমেন্টে লিখুন 👇 এবং শেয়ার করুন যেন সবাই বুঝতে পারে—সব কলিগ বন্ধু না!
#CorporateLife #OfficePolitics #WorkplaceReality #NizamAkond #BanglaPost #facebookviral
5 months ago | [YT] | 63
View 2 replies
Nizam Akond
বাংলাদেশের অনেক প্রফেশনালই একটি স্টেবল জব পেয়ে সারা জীবন সেখানে আটকে থাকেন। মাসিক বেতন, বছরে একবার বোনাস, আর রুটিন ওয়ার্ক—এই নিয়ে তারা খুশি। কিন্তু সমস্যা হলো, এই কমফোর্ট জোন আপনাকে শুধু "সারভাইভ" করায়, "থ্রাইভ" করায় না! সময় পার হওয়ার সাথে সাথে আপনি নিজেকে পিছিয়ে পড়তে দেখবেন, যখন আপনার সহকর্মীরা নতুন স্কিল শিখে, নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে কর্পোরেট লেভেলে উপরে উঠে যাচ্ছে।
🥊 বাংলাদেশের কর্পোরেট সেক্টরে প্রতিযোগিতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। নতুন স্টার্টআপ আসছে, বহুজাতিক কোম্পানিগুলো তাদের মার্কেট শেয়ার বাড়াচ্ছে, আর টেকনোলজির পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে না পারলে পিছিয়ে পড়াটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। কিন্তু সমস্যা হলো অধিকাংশ পেশাজীবী এবং প্রতিষ্ঠানই কমফোর্ট জোনে আটকে থাকে। তারা ঝুঁকি নিতে ভয় পায়, নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করে না, পুরনো সিস্টেমেই আটকে থাকে। ফলাফল? স্থবিরতা, ক্যারিয়ারে স্ট্যাগনেশন এবং শেষ পর্যন্ত মার্কেট থেকে বাদ পড়া।
📕 কমফোর্ট জোন হলো আপনি নিরাপদ বোধ করেন কারণ :
- একই ধরনের কাজ বছরের পর বছর করা
- নতুন স্কিল শেখার চেষ্টা না করা
- প্রমোশন বা বেতন বৃদ্ধির জন্য চেষ্টা না করে শুধু "স্টেবিলিটি" খোঁজা
- নতুন আইডিয়া বা ইনোভেশন এড়িয়ে চলা
কিন্তু সমস্যা হলো—বাংলাদেশের কর্পোরেট জগতে এই কমফোর্ট জোনই আপনার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় শত্রু
☢️ বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৫-২০% কর্পোরেট চাকরি অটোমেশন ও AI-এর কারণে বিলুপ্ত হচ্ছে । আপনি যদি নতুন টেকনোলজি শিখতে না চান, তাহলে আপনার চাকরি ঝুঁকিতে পড়বে।
💵 বেতন ও ক্যারিয়ার গ্রোথ:যারা নতুন স্কিল শেখে, তাদের বেতন ২০%-৩০% বেশি বৃদ্ধি পায় । কিন্তু কমফোর্ট জোনে থাকা কর্মীরা বছরের পর বছর একই বেতনে আটকে থাকে।যদি আপনি আজকের কর্পোরেট জগতে টিকে থাকতে চান, তাহলে আপনাকে প্রতিদিন নতুন কিছু শিখতে হবে। নইলে আগামী ৫ বছরে আপনার চাকরিটাই থাকবে না।
#ComfortZoneKiller #CareerMotivationBD #CorporateLifeBD #BeVisible #NizamAkondQuotes #CareerGrowth2025
5 months ago | [YT] | 177
View 2 replies
Nizam Akond
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম উপদেষ্টার কাছ থেকে সম্মাননা স্মারক পেয়েছি "আন্তর্জাতিক ইসলামী দাওয়া প্রোগ্রাম ২০২৫ " এর বিশেষ অতিথি হিসেবে, আলহামদুলিল্লাহ। সাথে ছিল পাকিস্তানি ইসলামী বক্তা তারিক মাসুদ। বিভিন্ন ন্যাশনাল ও মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি ম্যানেজিং ডিরেক্টর, চেয়ারম্যান এবং সরকারের বড় পর্যায়ে অনেক কর্মকর্তারা ছিল ২০০০ জনের মত। সব মিলিয়ে প্রোগ্রামটা ভালো হয়েছে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে , আলহামদুলিল্লাহ!
6 months ago | [YT] | 34
View 2 replies
Nizam Akond
🔥 নীরব থাকো, কাজ করে যাও...
লোকে বলবে তুমি পারবে না।
তোমাকে অবহেলা করবে, হাসবে,
তোমার স্বপ্নকে উড়িয়ে দেবে হাওয়ায়।
তোমার কাজ? কিছু বলো না। কাউকে প্রমাণ করার দরকার নেই।
চুপচাপ লেগে থাকো।
নিজেকে তৈরি করো।
নিজেকে শাণ দাও।
আল্লাহর উপর ভরসা কর।
💡দিন আসবে...
যে দিন তোমার মুখ নয় —
তোমার কাজ নিজেই কথা বলবে!
তখন যারা তোমায় নিয়ে হাসতো,
তারা তোমার সফলতা দেখে স্তব্ধ হয়ে যাবে।
তারা আর কিছু বলবে না... শুধু তাকিয়ে থাকবে।
🎯 এই পৃথিবী এমনই—
তোমার নীরবতাকে দুর্বলতা ভাবে,
কিন্তু একদিন সেই নীরবতাই
সর্বোচ্চ আওয়াজ হয়ে বাজবে সবার কানে।
💥 তাই মনে রেখো –
নীরব থাকো, কাজ করে যাও – একদিন তোমার কাজই সবচেয়ে বড় আওয়াজ হবে।
🔥 সাফল্য কখনো শব্দে আসে না, আসে প্রমাণে।
6 months ago | [YT] | 163
View 3 replies
Nizam Akond
📌 আপনি যদি বাস্তবেই কিছু করেন — সেটা একটা বিজনেস হোক, একটা চাকরি হোক কিংবা একটা আইডিয়া — মানুষের মন জয় করে নেবে আপনার অর্জন, আপনার পরিশ্রম, আপনার প্রমাণিত ফলাফল।
আজকাল অনেকেই স্ট্যাটাসে সফলতার গল্প বলে, ক্যামেরার সামনে নিজেকে বিজয়ী দেখায়। কিন্তু আসল কথা কী জানেন? দিন শেষে মানুষ মনে রাখে আপনার কাজ, আপনার সাফল্য, আপনার অবদান🏅
❌ তাই অহেতুক প্রচারণা দিয়ে নয়,
✅ নিজের কাজ দিয়ে প্রমাণ করেন আপনি কে!
💥 তাই প্রচারণা দিয়ে নয়, পারফর্মেন্স দিয়ে মাতান।
একদিন আপনার সাফল্যই হবে আপনার সবচেয়ে বড় পরিচয়।
#AchievementMatters #WorkSilentlyWinLoudly #NizamAkond #BangladeshBusiness #Inspiration #SuccessTalk
6 months ago | [YT] | 48
View 1 reply
Load more