আমার কাছের একজন বন্ধুর ব্রেকাপ হয়েছে। দেড় বছরের প্রেম। সে দিন আমায় ডেকে আদ্যপ্রান্ত বর্ননা করে খুব করে কাঁদলো। পুরুষ মানুষের কান্না, আহা! বেচারা। বেশ মায়া লাগলো। দোষ? ওই একই, উঁচু-নিচু। বন্ধু আমার Facebook এ, দিনে নাকি ১৭-১৮ টা স্যাড স্টোরি মারে। Facebook না চালানোয় ব্যাপারটা জানতাম না। একজন আমাকে বললো, তোমাদের বন্ধু বান্ধব, সারা দিনই এইসব স্যাড স্টোরি দেয়, এটা কেমন দেখায়? আমি বললাম, ভাই রে বেচারার মনটা ভালো নাই, কিছু একটা লিখলে ভেতরটা অন্তত হালকা তো হয়। যা করছে করুক না। কাল সে ফোন দিয়ে এ কথা সে কথা, দু এক লাইন এমন,"দোস্ত, জীবনটা কেমন যেন এলোমেলো হয়ে গেলোরে, বিশ্বাস কর, ওর অবস্থা যদি আমার মতো হতো, আমি কিন্তু ওরে ছাড়তে পারতাম না, পারতাম ক? এই যে দেখ আমার চারপাশে সবই আছে, কোন কিছরই অভাব নাই, অভাব কেবল একটা মানুষের। দোস্ত, মানুষের অভাব যে কতটা তীব্র তা তোকে বুঝাতে পারবো না। দম বন্ধ হয়ে আসে রে। আমি কি করবো দোস্ত? আমি ফোনের এপাশ থেকে হাসলাম। আমার হাসি শুনে সে বললো, তুই না শুধু, সবাই হাসে, আমিও একসময় এইসব দেখলে হাসতাম, কিন্তু সত্যি দোস্ত, এতো তীব্র দাহ জাহান্নামেও নাই রে। আমি আবার হাসলাম। সে বললো, তোরে কল দিছিলাম মনটা একটু শান্ত করার জন্য, তুইও আমাকে হাসির পাত্র বানালি ভাই? No issues, আল্লাহ যেন তোদের কারো জীবনে এমন দিন না দেয়,সেই দোয়া করি। এখন যেমন হাসি-খুশি আর শান্তিতে আছিস, আজীবন এমনই থাক। " বলেই সে ফোনটা রেখে দিলো। আমি ফোন হাতে বুড়িগঙ্গার পাড়ে বসে রইলাম৷ কি কালো এই গঙ্গার জল। অথচ ছোট ছোট ডিঙি গুলো নাচতে নাচতে এপার থেকে ওপারে যাচ্ছে। জল সাদা না কালো তাতে তার যেন কিছুই আসে যায় না। একটা নায়ে দুইজন ছেলে আর একজন মেয়ে। ডিঙির পাশ দিয়ে যাওয়া বালল্কহেডের ঢেউয়ে ডিঙি যখন নেচে উঠে, তখন তরুণী মেয়েটি কিশোরীদের মতো চিৎকার দিয়ে তার পাশের ছেলেটির হাত খামচে ধরে। আশে-পাশের অনেকেই মেয়েটির চিৎকার শুনে তাদের দিকে তাকাচ্ছে। এতে মেয়েটির তেমন ভ্রুক্ষেপ না থাকলেও ছেলেটি কিছুটা ইতঃস্তত বোধ করছে। তবে শক্ত করে মেয়েটির হাত ধরে রয়েছে, এতো শক্ত যে, কালবৈশাখী ঝড়েও সেই হাত ছাড়াতে পারবে না। সকাল থেকে ব্যাথাটা ছিলো না, হঠাৎ চিনচিন করে বুকের ব্যাথাটা বাড়লো। নিশ্বাস বন্ধ হবার উপক্রম। আমি বুকে চাপ দিয়ে বসে রইলাম। সামনের সব কিছু নীল লাগছে। কে জানে আজ আবার কতক্ষণ থাকে এই নবীন বন্ধু। (এলেবেলে।)
নাগরিক হিমু
আবার বর্ষার এলো।
বর্ষার পর আবার বর্ষা। তারপর ফের বর্ষা।
4 days ago | [YT] | 5
View 2 replies
নাগরিক হিমু
4 days ago | [YT] | 9
View 0 replies
নাগরিক হিমু
কেউ বাদ পড়লো কি না কে জানে🤔?
1 week ago | [YT] | 7
View 0 replies
নাগরিক হিমু
ফরিদ মনে আছে জায়গাটা?
1 week ago | [YT] | 13
View 4 replies
নাগরিক হিমু
কি বা*ল ছাল বানায়? প্রেম ছাড়া নাটক বানানো যায় না নাকি? সব নাটক একই জিনিস, পিরিত। বা*ল বানায়।
1 week ago | [YT] | 2
View 3 replies
নাগরিক হিমু
মিয়া কি টড়ি- উস্তাদ রশিদ খান সাব। এক সে বারকার এক। আহা!!!
1 week ago | [YT] | 1
View 0 replies
নাগরিক হিমু
মিয়া কি টড়ি- বিসমিল্লাহ খাঁ। আহা!!!
1 week ago | [YT] | 1
View 0 replies
নাগরিক হিমু
আমার কাছের একজন বন্ধুর ব্রেকাপ হয়েছে। দেড় বছরের প্রেম। সে দিন আমায় ডেকে আদ্যপ্রান্ত বর্ননা করে খুব করে কাঁদলো। পুরুষ মানুষের কান্না, আহা! বেচারা। বেশ মায়া লাগলো। দোষ? ওই একই, উঁচু-নিচু।
বন্ধু আমার Facebook এ, দিনে নাকি ১৭-১৮ টা স্যাড স্টোরি মারে। Facebook না চালানোয় ব্যাপারটা জানতাম না। একজন আমাকে বললো, তোমাদের বন্ধু বান্ধব, সারা দিনই এইসব স্যাড স্টোরি দেয়, এটা কেমন দেখায়? আমি বললাম, ভাই রে বেচারার মনটা ভালো নাই, কিছু একটা লিখলে ভেতরটা অন্তত হালকা তো হয়। যা করছে করুক না।
কাল সে ফোন দিয়ে এ কথা সে কথা, দু এক লাইন এমন,"দোস্ত, জীবনটা কেমন যেন এলোমেলো হয়ে গেলোরে, বিশ্বাস কর, ওর অবস্থা যদি আমার মতো হতো, আমি কিন্তু ওরে ছাড়তে পারতাম না, পারতাম ক? এই যে দেখ আমার চারপাশে সবই আছে, কোন কিছরই অভাব নাই, অভাব কেবল একটা মানুষের। দোস্ত, মানুষের অভাব যে কতটা তীব্র তা তোকে বুঝাতে পারবো না। দম বন্ধ হয়ে আসে রে। আমি কি করবো দোস্ত? আমি ফোনের এপাশ থেকে হাসলাম। আমার হাসি শুনে সে বললো, তুই না শুধু, সবাই হাসে, আমিও একসময় এইসব দেখলে হাসতাম, কিন্তু সত্যি দোস্ত, এতো তীব্র দাহ জাহান্নামেও নাই রে। আমি আবার হাসলাম। সে বললো, তোরে কল দিছিলাম মনটা একটু শান্ত করার জন্য, তুইও আমাকে হাসির পাত্র বানালি ভাই? No issues, আল্লাহ যেন তোদের কারো জীবনে এমন দিন না দেয়,সেই দোয়া করি। এখন যেমন হাসি-খুশি আর শান্তিতে আছিস, আজীবন এমনই থাক। " বলেই সে ফোনটা রেখে দিলো। আমি ফোন হাতে বুড়িগঙ্গার পাড়ে বসে রইলাম৷ কি কালো এই গঙ্গার জল। অথচ ছোট ছোট ডিঙি গুলো নাচতে নাচতে এপার থেকে ওপারে যাচ্ছে। জল সাদা না কালো তাতে তার যেন কিছুই আসে যায় না। একটা নায়ে দুইজন ছেলে আর একজন মেয়ে। ডিঙির পাশ দিয়ে যাওয়া বালল্কহেডের ঢেউয়ে ডিঙি যখন নেচে উঠে, তখন তরুণী মেয়েটি কিশোরীদের মতো চিৎকার দিয়ে তার পাশের ছেলেটির হাত খামচে ধরে। আশে-পাশের অনেকেই মেয়েটির চিৎকার শুনে তাদের দিকে তাকাচ্ছে। এতে মেয়েটির তেমন ভ্রুক্ষেপ না থাকলেও ছেলেটি কিছুটা ইতঃস্তত বোধ করছে। তবে শক্ত করে মেয়েটির হাত ধরে রয়েছে, এতো শক্ত যে, কালবৈশাখী ঝড়েও সেই হাত ছাড়াতে পারবে না।
সকাল থেকে ব্যাথাটা ছিলো না, হঠাৎ চিনচিন করে বুকের ব্যাথাটা বাড়লো। নিশ্বাস বন্ধ হবার উপক্রম। আমি বুকে চাপ দিয়ে বসে রইলাম। সামনের সব কিছু নীল লাগছে। কে জানে আজ আবার কতক্ষণ থাকে এই নবীন বন্ধু।
(এলেবেলে।)
3 weeks ago | [YT] | 14
View 4 replies
নাগরিক হিমু
3 weeks ago | [YT] | 5
View 1 reply
নাগরিক হিমু
বুড়িগঙ্গার আকাশ তখন কালো মেঘে ঢাকা।
নবধারা জলে ঈদের দুপুর,,
3 weeks ago | [YT] | 19
View 1 reply
Load more