Welcome to Pbsdiary! ✨

This is a peaceful corner of YouTube where I share my personal journey, spiritual thoughts, temple visits, and everyday stories.
Here, you will find positivity, devotion, and a touch of real life.

📿 Spiritual videos
📔 Personal vlogs
🛕 Temple journeys
💬 Simple life reflections

If you love honest moments and soulful experiences, this is the place for you.
🌸 Subscribe and walk with me on this beautiful journey.
#Pbsdiary


Pb's Diary

🌾✨ ইটু পুজোর আন্তরিক শুভেচ্ছা ✨🌾
PB’s Diary-এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই ইটু পুজোর ভালোবাসা ও আশীর্বাদপূর্ণ শুভেচ্ছা।

ভালবাসা, শান্তি, সমৃদ্ধি আর মায়ায় ভরে উঠুক প্রতিটি ঘর।
মায়ের আশীর্বাদে সকলের জীবন হোক সুখ ও সাফল্যে ভরপুর।
🙏🌸

🔸 শুভ ইটু পুজো! 🔸
~ Pb's Diary

ইতু পুজোর ঠিক নিয়ম ও প্রতিদিনের আচার-অনুষ্ঠান কেমন?

ইতু পূজা অগ্রহায়ণ মাসের রবিবার থেকে শুরু হয় এবং প্রতি রবিবার অনুষ্ঠিত হয়, মোট ৫-৬ রবিবার ধরে চলে। মূলত কৃষকদের শস্য মঙ্গলার্থে ও সূর্য দেবতাকে প্রণামের জন্য এটি হয়।প্রয়োজনীয় উপকরণছোটো মাটির পাত্র (ইতু)আটটি আতপচাল বা ধানচালআটটি দূর্বা ঘাসপানিপুষ্প, ধূপ, (অগত্যা লাগে)সূর্য চক্র বা সূর্য তৈরির সরঞ্জামঅন্যান্য সাধারন পূজার সরঞ্জামপ্রতিদিনের আচার-অনুষ্ঠানমাটির ইটু পাত্রে আটটি আতপচাল ও আটটি দূর্বা রাখুন।পাত্রে পরিষ্কার পানি ভরে সূর্য উপাসনার জন্য তৈরি করুন।পুজা শুরুতে সূর্য নমস্কার করেন এবং "ওঁ সূর্যায় নমঃ" সহ সূর্য মন্ত্র পাঠ করেন।পাত্রে জল ঢেলে সূর্য দেবতার আরাধনা করেন, ধূপ, দীপ ও পুষ্প অর্চনা করেন।প্রতিদিন সকালে সূর্যের দীপ্তিতে ইটু পাত্র ধরে প্রণাম করেন ও পরিবারের সুখ-শান্তি কামনা করেন।তিন থেকে পাঁচ রবিবার চালিয়ে এটি পালন করা হয়।শেষদিন পাত্রের জল নদী, পুকুর বা অন্য পবিত্র জলে বিসর্জন দেওয়া হয়।বিশেষ নিয়মাবলীপূজার সময় পবিত্রতা বজায় রাখা জরুরি, সাধারণত নারী ব্রত পালন করেন।পাত্র স্থানে অবিচ্ছিন্ন সূর্যালোক পাওয়া উচিত।উপবাস ঠিকঠাক পালন করলে পূজা লাভজনক হয়।এই নিয়মগুলি পালন করলে ইতু পূজার পূর্ণ ফল লাভ হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। এটি কৃষি মঙ্গল এবং পরিবারের সুখ-শান্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্রত

ইতু পূজার ব্রতকথা ও মূল মন্ত্রগুলো:-

ইতু পূজার ব্রতকথা মূলত এক দরিদ্র ব্রাহ্মণের দুই মেয়ে উমনো ও ঝুমনোর গল্প। পিঠে খাবার না দেওয়ার অপরাধে তাদের বনবাসে পাঠানো হয়। বনেই তারা দেব কন্যাদের সঙ্গে ইতু পূজা শুরু করে। ইতুর আশীর্বাদে তারা ফিরে আসে ও তাদের পুজোর পূণ্যে ব্রাহ্মণের দরিদ্রতা দূর হয়। পরে নানা নাটকীয় ঘটনা ঘটে, শেষ পর্যন্ত সবাই সমৃদ্ধি লাভ করে এবং নিয়ম মেনে প্রতি রবিবার অগ্রহায়ণ মাস জুড়ে ইতু পূজা চলে।ইতু পূজার মূল মন্ত্রগুলো হলো:ওঁ সূর্যায় নমঃ।ইঁয়তি ইঁয়তি নারায়ণ,
তুমি ইঁয়তি ব্রাহ্মণ।
তোমার শিরে ঢালি জল,
অন্তিম কালে দিও ফল।পুজোর সময় বিশেষ করে এই মন্ত্র পাঠ করা হয় এবং পাত্রে আটটি আতপচাল ও আটটি দূর্বা ধুয়ে রেখে তা পুজো করা হয়।এই ব্রত মা সূর্যকে সন্তুষ্ট করার জন্য এবং সংসারের মঙ্গল, শস্য বৃদ্ধি ও বিধাতা আশীর্বাদের জন্য পালন করা হয়। প্রার্থনায় সূর্যদেবের কিরণে সব দুঃখ, দরিদ্রতা, পাপ ও রোগ দূর হোক এই আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করা হয়

Itu Pujo in 2025 starts on Kartik Sankranti and continues throughout the Bengali month of Agrahayan, observed every Sunday. The first Itu Puja will be on November 17, 2025, and it will continue on consecutive Sundays until December 16, 2025. This tradition is mainly observed by women for the well-being of the family, prosperity of crops, and good fortune. The ritual involves planting seeds in a clay pot filled with soil, performing specific prayers, and offering water daily. The Puja culminates with a ritual immersion of the pot on Agrahayan Sankranti (mid-December). The Sundays for Itu Puja 2025 are November 17, 24, December 1, 8, and 15

#ItuPujo #ItuPuja #PBDiary #BengaliCulture #FestivalBlessings #TraditionAndFaith

1 month ago | [YT] | 0

Pb's Diary

🌑✨ কাল ভৈরব জয়ন্তীর পবিত্র প্রভাতে আন্তরিক শুভেচ্ছা ✨🌑

আজ পালিত হচ্ছে কাল ভৈরব জয়ন্তী, ভগবান শিবের এক ভয়ঙ্কর কিন্তু পরম করুণাময় রূপ ভগবান কাল ভৈরব-এর উৎসব।
মার্গশীর্ষ মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে পালিত এই দিবসের তাৎপর্য অপরিসীম।

পুরাণ মতে, ব্রহ্মার অহঙ্কার দমন করতে ভগবান শিবের এই রূপের আবির্ভাব ঘটে।
তিনি সময়, মৃত্যু ও ধর্মের প্রতীক—যিনি অজ্ঞান ও অহঙ্কার নাশ করে আত্মবোধের আলোয় আমাদের পথ দেখান।

এই দিনে ভক্তরা ভগবান ভৈরবের উপাসনা করেন, উপবাস পালন করেন এবং তাঁর বাহন কুকুরকে দুধ ও মিষ্টি নিবেদন করে আশীর্বাদ কামনা করেন।
বিশ্বাস করা হয়, তাঁর কৃপায় জীবনের অশুভ শক্তি, দুঃখ ও অনিষ্ট দূর হয়।

🕯️ "যে ভক্ত নিষ্ঠাভরে কাল ভৈরবের নাম জপ করেন, তিনি সকল বিপদ থেকে মুক্তি পান।"


---

🙏 PB’s Diary-এর পক্ষ থেকে রইল সকল ভক্তদের প্রতি
"কাল ভৈরব জয়ন্তীর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও আশীর্বাদ" 🌼
জয় ভৈরব! হর হর মহাদেব! 🔱

#LordBhairav #HarHarMahadev #PBsDiary #ShivBhakt #DivineProtection #KashiKotwal #BhaktiVibes #SpiritualJourney #DevotionalIndia

1 month ago | [YT] | 0

Pb's Diary

🙏 গুরু পুরব এবং রাস পূর্ণিমার পবিত্র দিনে আপনাদের সকলকে জানাই হার্দিক শুভেচ্ছা! ✨
​একই পূর্ণিমা তিথিতে, জ্ঞানের আলো ছড়ানো শ্রী গুরু নানক দেব জির জন্মবার্ষিকী (গুরু পুরব) এবং শ্রীকৃষ্ণের দিব্য প্রেমের লীলা (রাস পূর্ণিমা) উৎসবের এই এক বিরল সংযোগ।
​গুরু নানক দেব জির বাণী আমাদের শিখিয়েছে একতা, সেবা এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসার গুরুত্ব। অন্যদিকে, রাস পূর্ণিমা রাধাকৃষ্ণের প্রেম এবং ভক্তের সঙ্গে ঈশ্বরের মহামিলনের প্রতীক।
​এই শুভক্ষণে, 'Pbsdiary' আপনাদের সবার জীবনে শান্তি, আনন্দ এবং ভক্তি নিয়ে আসুক—এই কামনা করি।
​আপনারা কীভাবে এই দুটি পবিত্র উৎসব উদযাপন করছেন, কমেন্টে জানান! 👇
#Pbsdiary #GuruPurab #RaasPurnima
#GuruNanakDevJi #Sikhism #Hinduism #SpiritualJourneyTogether
#শুভ_পূর্ণিমা #কার্তিকপূর্ণিমা #রাধাকৃষ্ণ #উৎসবের_আনন্দ

2 months ago | [YT] | 1

Pb's Diary

আজ বৈকুণ্ঠ চতুর্দশীর উৎসব। পঞ্জিকা অনুসারে, রাহুকাল হলো দুপুর ৩টে থেকে বিকেল ৪টে ৩০ মিনিট পর্যন্ত।

১. 🔱 বৈকুণ্ঠ চতুর্দশীর তাৎপর্য (Vaikuntha Chaturdashi Significance)
​কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্দশী তিথিটি বৈকুণ্ঠ চতুর্দশী নামে পরিচিত। এই দিনটির বিশেষ কিছু গুরুত্ব রয়েছে:
​শিব ও বিষ্ণুর মিলন: এটি এমন একটি পবিত্র দিন যেদিন ভগবান বিষ্ণু (শ্রী হরি) এবং ভগবান শিব (শঙ্কর) উভয়েরই পূজা করা হয়। প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে, এই দিনে ভগবান শিব সৃষ্টির সমস্ত দায়িত্ব পুনরায় ভগবান বিষ্ণুর হাতে অর্পণ করেন।
​বৈকুণ্ঠের দরজা খোলা: হিন্দু পুরাণ অনুসারে, এই দিনে বৈকুণ্ঠ লোকের দরজা খোলা থাকে। বিশ্বাস করা হয় যে ভক্তরা এই দিনে নিয়ম মেনে উপবাস ও উপাসনা করলে, মৃত্যুর পর তাঁরা বৈকুণ্ঠ ধামে (ভগবান বিষ্ণুর নিত্য বাসস্থান) স্থান লাভ করেন এবং সমস্ত পাপ থেকে মুক্তি পান।
​পূজা পদ্ধতি: এই তিথিতে মধ্যরাতে ভগবান বিষ্ণুর এবং সকালে ভগবান শিবের পূজা করার রীতি প্রচলিত আছে। অনেক জায়গায় ভক্তরা পবিত্র নদীতে মাটির তৈরি আলোকিত প্রদীপ (দীপদানের জন্য) ভাসিয়ে থাকেন।
​২. 🌑 রাহুকালের তাৎপর্য (Rahu Kaal Significance)
​জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, রাহুকাল হলো দিনের একটি নির্দিষ্ট অশুভ সময়।
​রাহু গ্রহের প্রভাব: রাহু একটি ছায়া গ্রহ (Shadow Planet)। জ্যোতিষ মতে, এই সময়টি রাহুর দ্বারা প্রভাবিত থাকে বলে একে অশুভ মনে করা হয়।
​শুভ কাজ বর্জিত: এই রাহুকালের সময় কোনো নতুন শুভ কাজ (যেমন: গৃহপ্রবেশ, বিবাহ, নতুন ব্যবসা শুরু করা, কোনো গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি বা কাগজে সই করা) শুরু করা উচিত নয়।
​সময়কাল: রাহুকাল প্রতিদিন সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্তের মধ্যে প্রায় দেড় ঘণ্টা (৯০ মিনিট) ধরে থাকে এবং বারের (দিনের) ওপর ভিত্তি করে এর সময় পরিবর্তিত হয়।

পঞ্জিকা অনুসারে, মঙ্গলবার রাহুকাল সাধারণত দুপুর ৩টে থেকে বিকেল ৪টে ৩০ মিনিট পর্যন্ত থাকে।
​করণীয়: যদিও শুভ কাজ বর্জিত, এই সময়ে ধ্যান, সাধনা, ঈশ্বরের নাম জপ বা প্রার্থনা করা যেতে পারে। এতে মনের মধ্যে ইতিবাচক শক্তি সঞ্চারিত হয় এবং নেতিবাচক প্রভাব কমে আসে।

#VaikunthaChaturdashi
#বৈকুণ্ঠচতুর্দশী
#কার্তিকমাস
#KartikMonth
#VaikunthaDwar (বৈকুণ্ঠের দরজা)
#Pbsdiary #PBSDIARY #PbsDiary

2 months ago | [YT] | 2

Pb's Diary

Pbsdiary ডায়েরির পক্ষ থেকে সকলকে ছট পূজার আন্তরিক শুভেচ্ছা!
​এই পবিত্র ছট পূজা আপনাদের সকলের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। সূর্য দেবের আশীর্বাদে আপনাদের প্রতিটি দিন উজ্জ্বল হয়ে উঠুক এবং ছটি মাইয়ার কৃপায় সমস্ত বাধা-বিপত্তি দূর হয়ে নতুন আশা ও শক্তির সঞ্চার হোক।
​পরিবার ও পরিজনদের সাথে এই উৎসবের প্রতিটি মুহূর্ত হয়ে উঠুক আরও মধুর।
​শুভেচ্ছান্তে,
Pbsdiary

2 months ago | [YT] | 1

Pb's Diary

ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ছোট দীপাবলি (নরক চতুর্দশী) উদযাপন

উত্তর ভারত

স্থানীয় নাম ও সময়: উত্তর ভারতীয় রাজ্যে এই দিনটিকে সাধারণত ছোট দীপাবলি, নরক চতুর্দশী বা রূপ চতুর্দশী নামে ডাকা হয়। এটি কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষ চতুর্দশী – মূল দীপাবলির একদিন আগেই পালিত হয়।

আচার-অনুষ্ঠান: সকালে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী তেল-মাখা স্নান (অভ্যঙ্গস্নান) করা হয়। ঘর পরিষ্কার করে রাঙনা তৈরি করা হয়, এবং সন্ধ্যায় ঘরের কোণে সিরিজ করে তেলের প্রদীপ (দিয়া) জ্বেলে রাখা হয় যাতে অমঙ্গল নেভে। বহু জায়গায় এই দিনকে কালি চৌদ্দশী বলা হয় এবং তেলের স্নানের পর চোখে চকমকি কজল লাগানোর রেওয়াজ রয়েছে। প্রভুর প্রতি প্রণাম রেখে পুজো-অর্চনা করা হয়, আবার অনেক বাড়িতে যমদীপদান অর্থাৎ যম দেবের জন্য প্রদীপ জ্বালানোর রেওয়াজও দেখা যায়।

পৌরাণিক সংযোগ: কাহিনী অনুযায়ী, ওই দিন শ্রীকৃষ্ণ ও তাঁর সঙ্গিনী সত্যভামা অসুর নরকাসুরকে পরাজিত করেছিলেন। তাই দিনটিকে দুষ্ট শক্তির বিনাশ ও নতুন শুভ সূচনার প্রতীক হিসেবে উদযাপন করা হয়। (পশ্চিমাঞ্চলে একই দিনে দেবী কালীও স্মরণ করা হয়।)

বিশেষ বৈশিষ্ট্য: রাজস্থানে রূপচতুর্দশীতে ভোরবেলায় ঘি-তেল বা ঔষধি তেল দিয়ে গোসলের রীতি আছে। মহারাষ্ট্রে উতানে নামে পরিচিত আয়ুর্বেদিক পেস্ট দিয়ে গোসল করা হয়। বিভিন্ন অংশে কুসুম ও সুগন্ধি ফুল দিয়ে ঘর-পাতায়ণ সাজানো হয় এবং ক্ষুদ্র আতশবাজি ফোটানো হয়।


পূর্ব ভারত

স্থানীয় নাম ও সময়: পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা ও আশেপাশের অঞ্চলে ছোট দীপাবলি পালিত হয় ‘ভূত চতুর্দশী’ বা ‘কালি চৌদ্দশী’ নামে। এটি দীপাবলির পূর্ববর্তী দিন (কার্তিক কৃষ্ণপক্ষ চতুর্দশী) হিসাবে পালন করা হয়।

আচার-অনুষ্ঠান: সন্ধ্যায় ঘরের বিভিন্ন কোণে ১৪টি মাটির প্রদীপ জ্বেলে রাখার রেওয়াজ আছে। ধারণা, ঐ রাতে ১৪ প্রজন্মের পূর্বপুরুষের আত্মা ঘুরতে আসে; প্রদীপের আলো তাদের পথ দেখায়। এদিন চৌদ্দ প্রকারের সস্‌ভাজি (চৌদ্দ শাক) রান্না করে পরিবারের সবাই খায়। (শরীর ও আত্মার পবিত্রতার প্রতীক হিসেবে এই রেওয়াজ।) ঘরে কালিমা (শ্রদ্ধার সঙ্গে দেবী কালী) ও দুর্গাদের পুজো হয় এবং দূরদৃষ্টির প্রতীকে কখনো কালো কজল-পাত খাওয়ানো হয়।

পৌরাণিক সংযোগ: বাঙালির ঐতিহ্যে বলা হয়, নরক চতুর্দশীতে শ্রীকৃষ্ণ অসুর নরকাসুরকে পরাস্ত করেছিলেন। তবে বাংলায় এই দিনটি পূর্বপুরুষ সম্মান এবং অমঙ্গল নিবারণের দিন হিসেবেই গুরুত্ব পায়।

বিশেষ বৈশিষ্ট্য: পশ্চিমবঙ্গের বাইরে, উদাহরণস্বরূপ ওড়িশার কিছু অঞ্চলে একে কৌরিয়া কাঠি তিথি বলে– এদিন জুটের (কাঠের) প্রদীপ জ্বেলে পূর্বপুরুষদের স্মরণ করা হয়। (অন্য প্রদেশের মতো এসব উৎসব ছোট দীপাবলির প্রস্তুতিই বলে ধরা হয়।)


পশ্চিম ভারত

স্থানীয় নাম ও সময়: পশ্চিম ভারতে (মহারাষ্ট্র, গুজরাট, রাজস্থান ইত্যাদি) এই দিনটিকে নরক চতুর্দশী বা কালি চৌদ্দশী বলা হয়। মূল দীপাবলির একদিন আগে এ উৎসব পালন করা হয়।

আচার-অনুষ্ঠান: সাধারণত ভোরবেলায় গোসল করার সংস্কার আছে। মহারাষ্ট্রে দেহে গরম তেল বা চন্দন লাগিয়ে তিলে তিলে ‘উতানে’ পেস্ট মেখে গোসল করা হয়। এরপর নতুন জামা পরিধান করা হয় এবং সন্ধ্যায় তেলের প্রদীপ দিয়ে পুজো হয়। বিশেষ করে মহারাষ্ট্রে শ্রীকৃষ্ণের স্মরণে পোহা, লাড্ডু, চাকলি-সহ মিষ্টি-মুঠোয়ালা প্রণামবস্তু তৈরি হয়।

পৌরাণিক সংযোগ: পৌরাণিক মতে রাজপুত্র কামদেব এবং দেবী কালী দু’জনেই নরকাসুরের বধ করেছিলেন; তাই পশ্চিমাঞ্চলে দিনটিকে দেবী কালী এবং শ্রীকৃষ্ণের সম্মানে উৎসর্গ করে অমঙ্গল নিবারণের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।

বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলে যম প্রদীপদান (বিষ্ণু বা যমের উদ্দেশে প্রদীপ জ্বালানো) রেওয়াজ প্রচলিত। পাশাপাশি বহু স্থানে দীপদান করা হয়ে থাকে (যেমন সুদৃশ্যভাবে পূর্ণ জলাশয়ে একাধিক প্রদীপ ভাসিয়ে সাজানোর রীতি)। গোয়ায় একটি ভিন্ন রীতি দেখা যায়: নরকাসুরের বিশাল পুতলা তৈরি করে ভোরের আলো ফোটার সময় পুড়িয়ে ফেলা হয়। তারপর পরিবারের লোকেরা সুগন্ধি তেল দিয়ে গোসল করে এবং একটি তেতো ‘কেরেট’ ফল পা দিয়ে কুঁচকে দুষ্টতার প্রতি জয়লাভের বার্তা দেয়।


দক্ষিণ ভারত

স্থানীয় নাম ও সময়: দক্ষিণ ভারতের (তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, অন্ধ্র–তেলেঙ্গানা, কেরালা ইত্যাদি) অঞ্চলে দিনটিকে সাধারণত নরক চতুর্দশী নামেই ডাকা হয়। এটি দীপাবলির একদিন পূর্বের দিন।

আচার-অনুষ্ঠান: এখানে দিন শুরুতেই ভোরবেলা ঘুম ভেঙে গোসল করা হয়। বিশেষ করে তামিলনাড়ুতে সবাই ঘুমের আগে তেল-মাখা শুকনো মালিশ (অভ্যঙ্গস্নান) করে নবজাতক প্রসাদ হিসেবে বিশেষ খাবার রাঁধে। সেই দিনটিকে “নম্বু” হিসেবে পালন করে লক্ষ্মীপূজা করা হয়। কর্ণাটকে এদিনকে দীপাবলির আনুষ্ঠানিক সূচনা হিসেবে দেখা হয়।

পৌরাণিক সংযোগ: দক্ষিণেও শ্রীকৃষ্ণের নরকাসুর বধের কাহিনী স্মরণীয়, তাই এটি দুষ্ট শক্তির অবসান ও পরিশুদ্ধির দিন হিসেবে গণ্য। গোয়ায় নারকাসুরের প্রতীক হিসেবে তৈরি কাগজের মূর্তি ভোরবেলায় পুড়ানো হয় এবং এরপর পরিবারে সবাই সুগন্ধি তেল দিয়ে গোসল করে।

বিশেষ বৈশিষ্ট্য: তামিলনাড়ুতে উপবাস (নম্বু) পালন ও লক্ষ্মীপূজা বিশেষ রীতি। গোয়াবাসীদের মতো দক্ষিণ ভারতের অনেকে কালো তেল ব্যবহার করে গোসল করেন এবং শাঁখ বাজিয়ে স্নানের সূচনা করেন। গুরুত্বপূর্ণভাবে, দক্ষিণের কিছু অংশে এই দিনটিকে মন্দিরপূজা এবং ভোজ-আয়োজনের সঙ্গে উপভোগ করা হয় (মিষ্টি ও দক্ষিণ ভারতীয় পানীয় প্রস্তুতি)।


উল্লেখ্য: প্রতিটি অঞ্চলে লোককালচার ও প্রথা অনুসারে ছোট দীপাবলির পালন ভিন্ন স্বাতন্ত্র্য বহন করে। উপরিউক্ত তথ্যগুলি সরকারি ও ঐতিহাসিক উৎস (যেমন সংস্কৃতি গবেষণা ও পর্যটন সম্পর্কিত প্রতিবেদন) থেকে সংগৃহীত ।

#ChhotiDiwali #NarakaChaturdashi #Diwali2025 #FestivalOfLights #DeepavaliVibes #PreDiwaliCelebration #IndianTraditions #FestivalSeason #CulturalIndia#ছোটদীপাবলি #ভূতচতুর্দশী #কালিচৌদ্দশী #নরকচতুর্দশী #দীপাবলিরআগেরদিন #আলোকউৎসব #ভারতেরউৎসব #বাঙালীরঐতিহ্য

2 months ago | [YT] | 0

Pb's Diary

ভূত চতুর্দশী হল অশুভ শক্তি ও আত্মাদের সম্মান প্রদানের দিন, যেখানে ১৪টি প্রদীপ জ্বালিয়ে অশুভ শক্তি তাড়ানো হয়, ১৪ প্রকার শাক খেয়ে পূর্বপুরুষদের স্মরণ ও পূজা করা হয়।
২০২৫ সালে ভূত চতুর্দশী তিথি শুরু হবে ১৯ অক্টোবর রোববার (দুপুর ১টা ৫৩ মিনিট থেকে) এবং শেষ হবে ২০ অক্টোবর সোমবার (দুপুর ৩টা ৪৫ মিনিটে)। বাংলা তারিখ হিসেবে এটি ২ কার্তিক থেকে ৩ কার্তিক পর্যন্ত থাকবে।

এই তিথি দৈত্যরাজ বলির গল্পের সঙ্গে জড়িত এবং যমরাজ ও দেবী কালীকে স্মরণ করা হয়।

ভূত চতুর্দশীর পূজা ও পালন সংক্রান্ত শাস্ত্রমতে নিয়ম, সময়, মন্ত্র ও ক্রমটি বিস্তারিতভাবে রয়েছে।

মূলত, এই তিথিতে অশুভ শক্তি বিনাশের জন্য এবং পূর্বপুরুষ ও যমরাজের কৃপা লাভের জন্য বিভিন্ন উপায়ে পূজা ও অর্ঘ্য প্রদান করা হয়।
নিচে মূল নিয়ম ও মন্ত্র সংক্ষিপ্ত আকারে উল্লেখ করা হলো:
পূজা করার সঠিক ক্রমপ্রতিদিনের

প্রস্তুতি: সন্ধ্যাবেলা বা সূর্যাস্তের পরে বাড়ির আশেপাশে, especially পূর্বদিক বা উত্তরে, ১৪টি প্রদীপ জ্বালানো হয়। প্রত্যেক প্রদীপের মধ্যে তেল ঢেলে এবং মনোযোগ দিয়ে জ্বালানো উচিত।বিশেষ

পুণ্য ক্রিয়াকলাপ:প্রাচীন রীতির মতো, গণপতি, মা কালী, বা নারকুটিপুরে দেবী কালীর পূজা করা যেতে পারে।যমরাজের ১৪টি নাম করে তাঁকে নমস্কার করা ও তর্পণ করা।

মন্ত্র জপ ও প্রার্থনা: প্রতিটি প্রদীপ জ্বালানোর সময় বা পরে নিম্নলিখিত মন্ত্র উচ্চারণ করতে পারেন:
যমের জন্য:
"ঔদুম্বরায় দধ্নায় নীলায় পরমেষ্ঠিনে,"
"ব্রকোদরায় চিত্রায় চিত্রগুপ্তায় বৈ নমঃ।।
"কালীর জন্য:
"ওম গং গণপতৈ নমঃ" বা "ওম কালী কালিকা স্বাহা" (প্রতিদিনের জন্য)।অতিথি ও পূর্বপুরুষদের স্মরণ: পরিবারের সকলের শান্তির জন্য তর্পণ ও অর্ঘ্য প্রদান করুন।মন্ত্রসমূহযমের তর্পণ ও প্রার্থনা:
"ওম সূর্যপুত্রায় বিদ্মহে, মহাকালায় ধীমহি, তন্নো যমঃ প্রচোদয়াৎ"কালীর পুজো ও জপ:
"ওম গং গণপতয়ে নমঃ" বা "ওম কালী কালিকা স্বাহা"

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা:কীভাবে জ্বালবেন: প্রতিটি প্রদীপে তেল দিন এবং সন্ধ্যাবেলা বা সন্ধ্যার পর বাড়ির দরজার পাশে, প্রবেশদ্বারে, নর্দমায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য স্থানে জ্বালানো উচিত।

তবে Rishra প্রেম মন্দিরের নতুন মহারাজ বলেছেন ১৪ টা প্রদীপের উত্তর দিকে মুখ করে খোলা জায়গায় জ্বালানো উচিত এবং প্রতিটি প্রদীপ পরপর একসঙ্গে রেখে জ্বালানো উচিত মাথায় রাখবেন স্থানটি খোলা হওয়া উচিত যেমন বারান্দা বা ছাদ

অপাচার এড়ানো: শাস্ত্রমতে, কবরস্থানে, শ্মশানে বা অশুভ শক্তির কেন্দ্রস্থলে না যাওয়া উত্তম। এছাড়া, রান্নাঘর বা ঘর ঝাড়ু দেওয়া এড়াতে হবে।

ভূত চতুর্দশীতে যমরাজ ও অন্যান্য ১৪ যমের উদ্দেশে তর্পণ করা হয়, যা অকাল মৃত্যুর ভয় থেকে রক্ষা করে বলে বিশ্বাস করা হয়

১৪ প্রকার শাক খাওয়া হয়, যা মৃত ১৪ পুরুষ বা পূর্বপুরুষদের স্মরণে উৎসর্গ করা হয়। শাক ধুয়ে বাড়ির বিভিন্ন কোণে জল ছিটানো হয়

তবে এর একটা সাইন্টিফিক দিক ও আছে সেটি হল এই

১৪ টা শাকের মধ্যে অনেকগুলো শাকের ঔষধি গুন আছে। এই সময় সিজন চেঞ্জ হচ্ছে সবারই শরীর খারাপ হয়। সেই জন্য এই শাকগুলো খেলে আমাদের শরীরের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

লেখাটা #Pbsdiary page এর পক্ষ থেকে আপনাদের সবার জন্য শেয়ার করা হলো।

2 months ago | [YT] | 0

Pb's Diary

धनतेरस की हार्दिक शुभकामनाएँ!
माँ लक्ष्मी और भगवान धन्वंतरि की कृपा से आपके जीवन में सुख, समृद्धि, स्वास्थ्य और शुभ ऊर्जा का प्रकाश बना रहे।
🪔 शुभ धनतेरस!
✨ — PB’s Diary

2 months ago | [YT] | 0

Pb's Diary

শুভ কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা ✨🌕

আজ আশ্বিন মাসের শেষ পূর্ণিমা — কোজাগরী রাত্রি, জাগরণের রাত।
বিশ্বাস করা হয়, এই পবিত্র রাতে মা লক্ষ্মী স্বয়ং ঘরে ঘরে ঘুরে দেখেন —
“কে জেগে আছো?”
যে ভক্তি-ভরে জেগে থাকে, আলো জ্বেলে দেবীর আরাধনা করে,
দেবী সেই ঘরেই প্রবেশ করেন আশীর্বাদ নিয়ে —
শান্তি, সুখ, আর সমৃদ্ধির বর দিতে। 💛

আজ রাতের চাঁদের আলোয় তোমার ঘরও ভরে উঠুক মায়ের আশীর্বাদে।
জাগো, ভক্তি করো, আলোর পথে এগিয়ে চলো। 🌸

🔹 PB’s Diary-এর তরফ থেকে সবাইকে জানাই শুভ কোজাগরী লক্ষ্মীপূজার প্রীতি ও শুভেচ্ছা! 🙏

#PBsDiary #KojagoriPurnima #LakshmiPuja #MaLakshmi #Bhakti #Ashirbad #Sharodotsav #SpiritualVibes #FullMoonMagic #BlessingsOfLakshmi #JagaraneRaat

3 months ago | [YT] | 2

Pb's Diary

শুভ অষ্টমী ও মহাগৌরীর পূজা

শারদীয় দুর্গোৎসবের মধ্যে অষ্টমী হলো সবচেয়ে পবিত্র ও শক্তিশালী দিন। বাংলার আচার-অনুষ্ঠান, দেবী মহাগৌরীর পূজা-প্রথা ও কাহিনী একসাথে জানলে বোঝা যায়—কেন এই দিনটি এতটা তাৎপর্যপূর্ণ।

বাংলার আচার ও প্রথা

অষ্টমীর সকালে গঙ্গাজল দিয়ে শুচি হয়ে সাদা বা লাল পোশাক পরা হয়।

মণ্ডপে গঙ্গাজল ছিটিয়ে ও অর্ঘ্য দিয়ে দেবীকে আবাহন করা হয়।

দেবীকে সাদা বা লাল ফুল, লাল চন্দন, ধান-দুর্বা, লাল ওড়না, ফল-মিষ্টি নিবেদন করা হয়।

ধূপ, দীপ জ্বালিয়ে দুর্গাসপ্তশতী বা চণ্ডীপাঠ হয়, পরে আরতি ও স্তোত্র।

অষ্টমীর বিশেষ প্রথা হলো কুমারী পূজা—নয়জন কন্যাকে দেবীর রূপ ধরে তাঁদের পা ধুয়ে, প্রসাদ-উপহার দিয়ে পূজা করা হয়।

বাংলায় এই দিন আরেকটি বিশেষ পূজা হয়—সন্ধিপূজা, যা অষ্টমী ও নবমীর সংযোগমুহূর্তে মাত্র ২৪ মিনিট ৩৬ সেকেন্ড চলে। এতে ১০৮ প্রদীপ ও ১০৮ পদ্ম নিবেদন করা হয়।

মণ্ডপে ঢাক-ঢোলের সঙ্গে ধুনুচি নাচও ভক্তির আবেশ বাড়িয়ে তোলে।


দেবী মহাগৌরীর পূজা পদ্ধতি

সকালে স্নান করে শুদ্ধ পোশাক পরে পূজা আসন পরিষ্কার করে গঙ্গাজল ছিটিয়ে নিন।

দেবী মহাগৌরীর প্রতিমা বা ছবিকে গঙ্গাজল দিয়ে স্নান করিয়ে আসনে প্রতিষ্ঠা করুন।

দেবীকে ফুল, চন্দন, অক্ষত, লাল ওড়না ও ভোগ নিবেদন করুন।

ধূপ-দীপ জ্বালিয়ে পাঠ ও কীর্তন করুন।

কুমারী পূজা করুন—কন্যাদের দেবীর রূপ ধরে তাঁদের সেবা করলে মহাগৌরী বিশেষভাবে প্রসন্ন হন।

শেষে আরতি ও ক্ষমা প্রার্থনা করুন।


দেবী মহাগৌরীর কাহিনী

দেবী মহাগৌরী দুর্গার অষ্টম রূপ। তিনি শান্তি, পবিত্রতা ও দয়ার প্রতীক। কথিত আছে—শিবকে স্বামী রূপে পেতে তিনি কঠোর তপস্যা করেছিলেন। তপস্যার ফলে তাঁর শরীর কৃষ্ণবর্ণ হয়ে গিয়েছিল। শিব তাঁকে গঙ্গাজল দিয়ে স্নান করালে তিনি শ্বেতবর্ণে প্রকাশিত হন। এই কারণেই তিনি মহাগৌরী নামে পরিচিত।

তিনি সাদা পোশাক পরিহিতা, Vrishabha (বৃষভ) বাহিনী। এক হাতে ত্রিশূল, অন্য হাতে ডমরু ধারণ করেন। মহাগৌরীর কৃপায় ভক্তদের সব দোষ-কষ্ট দূর হয়, জীবনে শান্তি, সুখ, সমৃদ্ধি ও দাম্পত্যসুখ লাভ হয়।

সন্ধিপূজার বিশেষ তাৎপর্য (বাংলার প্রথা)

অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিক্ষণে অনুষ্ঠিত সন্ধিপূজা অত্যন্ত শক্তিশালী ও শুভ মুহূর্ত। এই সময় দেবী চামুণ্ডা রূপে চণ্ড-মুণ্ড অসুরকে বধ করেন। পূজায় ১০৮ প্রদীপ জ্বালানো ও ১০৮ পদ্ম নিবেদন অত্যন্ত জরুরি। বিশ্বাস করা হয়—এই পূজা সম্পূর্ণ করলে জীবনের অশুভ শক্তি নষ্ট হয় এবং কল্যাণ ঘটে।


✨ অষ্টমীর দিনে মহাগৌরীর কাছে প্রার্থনা করুন যেন তাঁর দয়া, পবিত্রতা ও শান্তি আপনার পরিবার ও জীবনে নেমে আসে। এই দিন আপনার জীবনে সুখ, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ বয়ে আনুক।

#ShubhoAshtami
#DurgaPuja2025
#MaaMahagauri
#NavratriDay8
#MahagauriPuja
#AshtamiSpecial
#SandhiPuja
#KumariPuja
#MaaDurga
#DurgaPujaVibes
#BengalDurgaPuja
#FestivalOfIndia
#ShaktiAradhana
#DeviMahagauri
#DurgaPujaCelebration

3 months ago | [YT] | 2