আর যাদের শাহ-বালক/বালীকা হওয়ার পর থেকে ফরজ নামাজ ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত পড়া হয়নি তথা ক্বাযা আছে। তারা নফল নামাজ নয়, বরং ফরজ ক্বাযা নামাজ আনুমানিক হিসাব করে আদায় করবেন।
শবে বরাতের নির্দিষ্ট কোনো আমল নেই। তাই এই বরকতময় রাতে সর্বপ্রথম ফরজ ইবাদতগুলো যথাযথ গুরুত্বের সাথে আদায় করুন। যাদের উপর কাজা নামাজ রয়েছে, তারা আন্তরিকতার সাথে কাজা আদায় করার চেষ্টা করুন। পাশাপাশি সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু নফল নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত ও জিকির-আযকারে মশগুল থাকুন। নিচের আমল চার্টও ফলো করতে পারেন।
মসজিদে বা আশপাশে কোনো ধরনের হট্টগোল, চিৎকার কিংবা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবেন না—যাতে অন্যের ইবাদতে বিঘ্ন ঘটে। মনে রাখবেন, অন্য মুসলমানের ইবাদতে কষ্ট দেওয়া নিজেই একটি অন্যায়।
এছাড়া ঘরে অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত খাবারের চাপ দিয়ে নারীদের ইবাদতে যেন বাধা সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও বিশেষ খেয়াল রাখুন।
এই রাতে বেশি বেশি করে আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমাপ্রাপ্তির দোয়া করুন, নিজের জন্য, পরিবার-পরিজনের জন্য এবং সমগ্র উম্মাহর জন্য।
আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সবাইকে শবে বরাতের সঠিক আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন🤲
'ভুলে যাওয়া' আল্লাহর এক বিশেষ নেয়ামত। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা যদি আমাদের এই নিয়ামত না দিতেন, তাহলে যে কি হতো তা আমরা কল্পনাও করতে পারি না।
আমাদের প্রিয় কোন মানুষ যখন মারা যায়, তখন আমাদের খুব খারাপ লাগে। কিন্তু, সময়ের সাথে সাথে আমরা তাকে ভুলে যাই। মানে, তার অনুপস্থিতিতেও আমরা বেঁচে থাকতে শিখে যাই। যদি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা আমাদের এই 'ভুলে যাওয়া'র ক্ষমতা না দিতেন, কেমন হতো ভাবুন তো?
আপনার মা মারা যাওয়ার দিন আপনার যেমন লাগে, পাঁচবছর পরও যদি আপনার ঠিক সেরকম কষ্ট লাগে, আপনি কি আদৌ বেঁচে থাকতে পারতেন?
আবার, 'ভবিষ্যত না জানা'ও একরকম নিয়ামত। ধরুন, আপনাকে যদি আজ রাতে জানানো হয় যে আপনার ফুটফুটে ছেলেটা আগামী বছরের ঠিক এই সময়টায় মারা যাবে, আপনি কি আজ রাত থেকে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন? খেতে পারবেন? ঘুমোতে পারবেন? কাজ করতে পারবেন? পারবেন না। আপনার জীবনটাই দূর্বিষহ হয়ে উঠবে। কিন্তু না। আল্লাহ আপনাকে সেটা জানান না। কাউকেই জানান না। সেই জ্ঞান তিনি তাঁর কাছেই রেখেছেন যাতে আমরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারি।
✅আইয়াম হলো আরবি ইয়াওম শব্দের বহুবচন। যার অর্থ হলো দিনগুলো। আর বীজ শব্দের অর্থ সাদা, শুভ্র। আইয়ামে বীজ দ্বারা চন্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ বোঝানো হয়। এই তারিখগুলোতে জ্যোৎস্নায় রাতগুলো শুভ্র ও আলোকিত হয়। বিশেষত মরুভূমিতে এটি বেশি দৃষ্টিগোচর হয়। এ কারণে তারিখগুলোকে একসঙ্গে বোঝাতে ‘আইয়ামে বীজ’ নামকরণ করা হয়েছে।
রাসুল সা. আইয়ামে বীজে (আরবি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে) রোজা রেখেছেন এবং সাহাবিদের রোজাগুলো রাখতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। হজরত আবু যার রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা বলেন, হে আবু যার! যখন তুমি মাসের মধ্যে তিন দিন রোজা রাখবে; তবে ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোজা রাখবে।’(তিরমিজি, নাসাঈ, মিশকাত)
তবে এই তারিখে রাখা সম্ভব না হলে মাসের যেকোন তারিখে রাখা যাবে। আয়েশা রা. বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাসের যেকোন দিনে তিনটি সিয়াম রাখতেন। (মুসলিম হা/২৮০১; মিশকাত হা/২০৪৬)
প্রত্যেক মাসে ৩টা করে রোজা পালন করলে সারা বছর নফল রোজা পালনের সমান সওয়াব পাওয়া যায়। আব্দুল্লাহ ইবনে আ’মর ইবনে আ’স (রা.) হতে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘প্রতি মাসে তিনটি করে রোজা পালন, সারা বছর ধরে রোজা পালনের সমান’। (বুখারি শরীফ)
হজরত আদম ও হাওয়া আলাইহিস সালাম আল্লাহর হুকুম অমান্য করে বেহেশতের নিষিদ্ধ বৃক্ষের ফল ভক্ষণ করার পর তাদের শরীর থেকে জান্নাতের পোশাক খুলে যায় এবং তাদের শরীরের রং কুৎসিত হয়ে যায়। অতঃপর হজরত আদম ও হাওয়া আলাইহিস সালাম আল্লাহর হুকুমে চন্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোজা রাখলে আবার তাদের শরীরের রং পূর্বের ন্যায় উজ্জ্বল হয়ে যায়।
জান্নাতের একটি দরজা রয়েছে। যেটির নাম রাইয়্যান। কিয়ামতের দিন শুধু রোজা পালনকারীরা ওই দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে। তাদের ছাড়া অন্য কেউ সেই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। সেদিন ঘোষণা করা হবে, রোজা পালনকারীরা কোথায়? তখন তারা দাঁড়িয়ে যাবে ওই দরজা দিয়ে প্রবেশ করার জন্য। তারা প্রবেশ করার পর দরজাটি বন্ধ করে দেয়া হবে। (বুখারি শরীফ)
হযরত নুহ (আঃ) একবার একটি কালো কুৎসিত কুকুরকে দেখতে পেয়ে ঘৃর্ণায় মুখ ফিরায়ে নিলেন। সাথে সাথে আল্লাহর নির্দেশে কুকুরটির জবান খুলে গেলো।
মানুষের মতই সে বলে উঠলোঃ হে নুহ তুমি আমার কুৎসিত আকৃতি দেখে ঘৃর্ণায় মুখ ফিরিয়ে নিলে। কিন্তু তুমি কি জানো না, যে আল্লাহই আমাকে এ আকৃতি দিয়েছেন?
মনে রেখো এ সৃষ্টির পিছনে যদি আমার সামান্যতম দখল থাকত, তবে কিছুতেই আমি এ আকৃতি মেনে নিতাম না। বরং কুকুর হওয়াটাই পছন্দ করতাম না।
কুকুরের মুখে এ কথা শুনে নুহ (আঃ)- এর অন্তরে আল্লাহর ভয় জাগ্রত হলো। অনুশোচনায় তিনি অস্থির হয়ে পড়লেন। এমন কি মাটিতে গড়াগড়ি দিয়ে কাঁদতে লাগলেন!! ( সুত্র: নুজহাতুল মাজালিস)
তিনি কেঁদে কেঁদে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন, হে প্রভু! আমাকে মাফ করে দাও। না বুঝে তোমার সৃষ্টিকে নিয়ে ঠাট্টা করেছি।
সেই অপরাধের অনুশোচনা করে আবদুল গাফফার দীর্ঘ দশ বছর আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করেছেন। তিনি এত বেশি কাঁদতেন যে, চোখের পানি পড়ে পড়ে তাঁর চিবুকের নিচে দাগ পড়ে গিয়েছিল। লোকজন এই অবস্থা দেখে তাঁকে নূহ ডাকতে শুরু করে। আরবি ভাষায় ‘নূহ’ অর্থ যে ক্রন্দন করে।
একবার ভাবুন সামান্য একটি কুকুর সম্পর্কে কোন মন্তব্য করার কোন সুযোগ নাই সেখানে সৃষ্টির সেরা মানুষ তথা আশরাফুল মাখলুকাত বনী আদম তাকে আমরা কেমনে কি ভাবে সমালোচনা করি, আমরা নিজের দোষ দেখিনা পরের দোষ দেখি, এটা ও একটা গুপ্ত ক্যান্সার!! Collected আল্লাহ আমাদের হেফাযত করুন,, (আমিন)
শীত শুরু হয়েছে৷ দিনগুলো ছোট হয়ে এসেছে, রাতগুলো দীর্ঘ হয়েছে আগের তুলনায়।
শীত ঋতুটাকে আল্লাহর রাসুল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুমিনের বসন্তকাল বলে উল্লেখ করেছিলেন। কারণ—
শীতকালে দিনগুলো তুলনামূলক ছোট হওয়ায় সিয়াম রাখা সহজ হয়৷ ক্লান্তি আর কষ্ট লাগে না।
শীতকালে রাতগুলো তুলনামূলক দীর্ঘ হওয়ায় পর্যাপ্ত ঘুমিয়ে, শেষ রাতে কিয়ামুল লাইলের জন্য জাগা সহজ হয়৷ পর্যাপ্ত ঘুমাতে পারার কারণে ঘুম থেকে কোনো ক্লান্তি শরীরে ভর করে না।
হাদিসে পাওয়া যায়, আল্লাহ তাঁর দয়াকে একশো ভাগে ভাগ করেছেন৷ তন্মধ্যে শুধু একভাগ দয়া উনি সমস্ত সৃষ্টিরাজির মধ্যে বন্টন করে দিয়েছেন৷ ওই এক ভাগের বদৌলতেই মা তার সন্তানকে ভালোবাসে। জীবজন্তু তাদের সন্তানাদির প্রতি মায়া দেখায়।
শুধু এক ভাগ দয়ার কারণে যদি সৃষ্টিজগত একে অন্যের প্রতি এতোটা দয়াদ্র হয়, যে নিরাব্বই ভাগ দয়া আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা নিজের জন্য রেখে দিয়েছেন, তাঁর দয়ার সীমানাটা তাহলে কেমন চিন্তা করে কূলানো সম্ভব?
সেই পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা কুরআনে স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন—বান্দার সকল গুনাহ তিনি ক্ষমা করে দিতে রাজি, শুধু শিরকের গুনাহ ছাড়া।
এতো দয়া আর ক্ষমার আধার যিনি, যিনি সমস্ত গুনাহকে ক্ষমা করে দেবেন বলে ঘোষণা করেন, তিনি কেন এটাও স্পষ্ট বলে দেন যে—শিরকের গুনাহ তিনি ক্ষমা করবেন না?
আপনার কি একবারও মনে হয়েছে, সেই মহান রব কেন শিরকের গুনাহকে অমার্জনীয় অপরাধ হিশেবে রেখে দিয়েছেন?
কারণ, শিরক সরাসরি আল্লাহর একত্ববাদকে আঘাত করে। বান্দার কৃত আর কোনো অপরাধ এতোটা সীমালঙ্ঘন করে না, যতোটা শিরক করে। আল্লাহ সবকিছু ক্ষমা করবেন, সবকিছু মেনে নিবেন, কিন্তু অন্য কাউকে তাঁর সমকক্ষ বানালে সেই অপরাধ তিনি ক্ষমা করবেন না।
আল্লাহকে বাদ দিয়ে বা আল্লাহর পাশাপাশি অন্য কাউকে ডাকা, অন্য কারো কাছে নিজের মস্তক সঁপে দেওয়াকে আল্লাহ ঘৃণা করেছেন। যুগে যুগে যতো নবি আর রাসুল দুনিয়ায় এসেছেন, তাদের সকলের দাওয়াতের মূল দাবিই ছিল এটা—তাওহিদ তথা একত্ববাদ৷ আল্লাহ ব্যতীত অন্য সকল ইলাহ মিথ্যা৷ আল্লাহ ছাড়া অন্য সকল উপাস্য ত্যাজ্য।
যে জিনিসটাকে আমাদের রব স্বয়ং ঘৃণা করেন, যে জিনিসটাকে আল্লাহর নবি রাসুলেরা ঘৃণা করেছেন, সেই জিনিসটাকে অন্তর থেকে ঘৃণা করা আমাদেরও ঈমানের দাবি।
আল্লাহ কিন্তু শিরককে ঘৃণা করেন, কিন্তু কোনো মুশরিকের জন্য তিনি সূর্যের আলো, বৃষ্টির পানি, বাতাসের অক্সিজেন বন্ধ করে দেন না। তিনি তাদেরকেও রিযিক দেন। তাদের জীবিকারও বন্দোবস্ত করেন।
কারণ, তিনি ‘আর রহমান’। সমস্ত সৃষ্টিকূলের ওপরে তিনি দয়াদ্র। সে যতো পাপী, তাপী, সীমালঙ্ঘনকারীই হোক—তাকে তিনি বঞ্চিত করেন না। তার সাথে হিশেবাদি তিনি চুকোবেন আখিরাতে, কিন্তু দুনিয়ার জীবনে তার চেষ্টার ফল, তার পরিশ্রমের বিনিময় তিনি প্রদান করেন।
যারা শিরক করে তাদের সাথে আমাদের সম্প্রীতি থাকবে৷ সম্প্রীতি মানে আমাদের দ্বারা তাদের কোনো ক্ষতি হবে না। সম্প্রীতি মানে তাদের স্বাভাবিক জীবন আমাদের জন্য কঠিন হয়ে উঠবে না৷ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা যেমন তাদেরকে আলো, হাওয়া, অক্সিজেন থেকে বঞ্চিত করেন না, আমরাও তাদেরকে তাদের মৌলিক অধিকার, ধর্ম পালনের অধিকার, নিরাপদে বেঁচে থাকার অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারি না।
কিন্তু, সম্প্রীতির নামে তাদের সংস্কৃতির মাঝে নিজেদের ডুবিয়ে ফেলা, তারা যে শিরক করে সেই শিরকের মধ্যে নিজেদেরকেও অন্তর্ভুক্ত করে ফেলা—সেটা যেকোনোভাবেই হোক, তারা যে শিরক করে সেই শিরককে নিজের জন্য ঘৃণা না করা, এসব স্পষ্ট বিচ্যুতি।
‘আমরা আল্লাহর রঙ গ্রহণ করেছি। আর, আল্লাহ অপেক্ষা কার রঙ অধিক সুন্দর? আমরা তাঁরই ইবাদাতকারী’— আল বাকারা, ১৩৮
Thanks all for your love and support. Thanks for making this 1k family. It's a special moment for me and also all of my supporters. Thanks to all of you. Take love.
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "تكفيرُ كل لِحــاءٍ؛ ركــعتان" "প্রত্যেক ঝগড়ার কাফফারা হলো দুই রাকাত নামাজ।" [আল-জামে ২৯৮৬, আলবানী]
"লিহা" শব্দের অর্থ: ঝগড়া-বিবাদ ও তর্ক-বিতর্ক।
এই হাদিসের শিক্ষা হলো, একজন মুসলিম তার ভাইয়ের সঙ্গে হওয়া কোনো ঝগড়া বা বিবাদকে কাফফারা দিতে আল্লাহর সামনে দুই রাকাত নামাজ আদায় করবে। এতে সে তার কাজে অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে। কারণ, এ ধরনের বিরোধ শয়তানের প্ররোচনায় হয়ে থাকে।
১. সালাত পরিত্যাগকারী ব্যক্তি কাফির। ২. প্রাপ্তবয়স্ক নারীর উপর নিক্বাব পরে বের হওয়া বাধ্যতামূলক বিধান। ৩. গানবাজনা হারাম। ৪. পুরুষদের দাড়ি কামানো হারাম। ৫. ধূমপান করা হারাম। ৬. পুরুষদের কাপড় টাখনুর উপরে পরা ওয়াজিব।
কোনো একজন আলেম বলেছেন, "একজন মুসলিমকে তার দীনের বিধান মানানোর বিষয়টি কাফিরকে মানানোর চেয়ে কঠিন হয়ে গেছে।" আল্লাহর কাছে এ অবস্থা থেকে নিরাপত্তা চাই। . - শাইখ আবু বকর জাকারিয়া হাফিযাহুল্লাহ
Dua Bangla Shorts
শবে বরাতের নামাজ ও আমল চার্ট।
আর যাদের শাহ-বালক/বালীকা হওয়ার পর থেকে ফরজ নামাজ ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত পড়া হয়নি তথা ক্বাযা আছে। তারা নফল নামাজ নয়, বরং ফরজ ক্বাযা নামাজ আনুমানিক হিসাব করে আদায় করবেন।
শবে বরাত সত্য—কারো বিভ্রান্তিকর কথায় বিভ্রান্ত হবেন না।
(৩রা ফেব্রুয়ারী, মঙ্গলবার দিবাগত-রাত)
শবে বরাতের নির্দিষ্ট কোনো আমল নেই। তাই এই বরকতময় রাতে সর্বপ্রথম ফরজ ইবাদতগুলো যথাযথ গুরুত্বের সাথে আদায় করুন। যাদের উপর কাজা নামাজ রয়েছে, তারা আন্তরিকতার সাথে কাজা আদায় করার চেষ্টা করুন। পাশাপাশি সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু নফল নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত ও জিকির-আযকারে মশগুল থাকুন। নিচের আমল চার্টও ফলো করতে পারেন।
মসজিদে বা আশপাশে কোনো ধরনের হট্টগোল, চিৎকার কিংবা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবেন না—যাতে অন্যের ইবাদতে বিঘ্ন ঘটে। মনে রাখবেন, অন্য মুসলমানের ইবাদতে কষ্ট দেওয়া নিজেই একটি অন্যায়।
এছাড়া ঘরে অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত খাবারের চাপ দিয়ে নারীদের ইবাদতে যেন বাধা সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও বিশেষ খেয়াল রাখুন।
এই রাতে বেশি বেশি করে আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমাপ্রাপ্তির দোয়া করুন, নিজের জন্য, পরিবার-পরিজনের জন্য এবং সমগ্র উম্মাহর জন্য।
আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সবাইকে শবে বরাতের সঠিক আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন🤲
1 week ago | [YT] | 0
View 0 replies
Dua Bangla Shorts
'ভুলে যাওয়া' আল্লাহর এক বিশেষ নেয়ামত। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা যদি আমাদের এই নিয়ামত না দিতেন, তাহলে যে কি হতো তা আমরা কল্পনাও করতে পারি না।
আমাদের প্রিয় কোন মানুষ যখন মারা যায়, তখন আমাদের খুব খারাপ লাগে। কিন্তু, সময়ের সাথে সাথে আমরা তাকে ভুলে যাই। মানে, তার অনুপস্থিতিতেও আমরা বেঁচে থাকতে শিখে যাই। যদি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা আমাদের এই 'ভুলে যাওয়া'র ক্ষমতা না দিতেন, কেমন হতো ভাবুন তো?
আপনার মা মারা যাওয়ার দিন আপনার যেমন লাগে, পাঁচবছর পরও যদি আপনার ঠিক সেরকম কষ্ট লাগে, আপনি কি আদৌ বেঁচে থাকতে পারতেন?
আবার, 'ভবিষ্যত না জানা'ও একরকম নিয়ামত। ধরুন, আপনাকে যদি আজ রাতে জানানো হয় যে আপনার ফুটফুটে ছেলেটা আগামী বছরের ঠিক এই সময়টায় মারা যাবে, আপনি কি আজ রাত থেকে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন? খেতে পারবেন? ঘুমোতে পারবেন? কাজ করতে পারবেন? পারবেন না। আপনার জীবনটাই দূর্বিষহ হয়ে উঠবে। কিন্তু না। আল্লাহ আপনাকে সেটা জানান না। কাউকেই জানান না। সেই জ্ঞান তিনি তাঁর কাছেই রেখেছেন যাতে আমরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারি।
এজন্য সর্বাবস্থায় আলহামদুলিল্লাহ!
— আরিফ আজাদ
1 year ago | [YT] | 1
View 0 replies
Dua Bangla Shorts
⭕আইয়ামে বীজ কী? এ সময় যে আমল করতে হয়।
✅আইয়াম হলো আরবি ইয়াওম শব্দের বহুবচন। যার অর্থ হলো দিনগুলো। আর বীজ শব্দের অর্থ সাদা, শুভ্র। আইয়ামে বীজ দ্বারা চন্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ বোঝানো হয়। এই তারিখগুলোতে জ্যোৎস্নায় রাতগুলো শুভ্র ও আলোকিত হয়। বিশেষত মরুভূমিতে এটি বেশি দৃষ্টিগোচর হয়। এ কারণে তারিখগুলোকে একসঙ্গে বোঝাতে ‘আইয়ামে বীজ’ নামকরণ করা হয়েছে।
রাসুল সা. আইয়ামে বীজে (আরবি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে) রোজা রেখেছেন এবং সাহাবিদের রোজাগুলো রাখতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। হজরত আবু যার রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা বলেন, হে আবু যার! যখন তুমি মাসের মধ্যে তিন দিন রোজা রাখবে; তবে ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোজা রাখবে।’(তিরমিজি, নাসাঈ, মিশকাত)
তবে এই তারিখে রাখা সম্ভব না হলে মাসের যেকোন তারিখে রাখা যাবে। আয়েশা রা. বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাসের যেকোন দিনে তিনটি সিয়াম রাখতেন। (মুসলিম হা/২৮০১; মিশকাত হা/২০৪৬)
প্রত্যেক মাসে ৩টা করে রোজা পালন করলে সারা বছর নফল রোজা পালনের সমান সওয়াব পাওয়া যায়। আব্দুল্লাহ ইবনে আ’মর ইবনে আ’স (রা.) হতে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘প্রতি মাসে তিনটি করে রোজা পালন, সারা বছর ধরে রোজা পালনের সমান’। (বুখারি শরীফ)
হজরত আদম ও হাওয়া আলাইহিস সালাম আল্লাহর হুকুম অমান্য করে বেহেশতের নিষিদ্ধ বৃক্ষের ফল ভক্ষণ করার পর তাদের শরীর থেকে জান্নাতের পোশাক খুলে যায় এবং তাদের শরীরের রং কুৎসিত হয়ে যায়। অতঃপর হজরত আদম ও হাওয়া আলাইহিস সালাম আল্লাহর হুকুমে চন্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোজা রাখলে আবার তাদের শরীরের রং পূর্বের ন্যায় উজ্জ্বল হয়ে যায়।
জান্নাতের একটি দরজা রয়েছে। যেটির নাম রাইয়্যান। কিয়ামতের দিন শুধু রোজা পালনকারীরা ওই দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে। তাদের ছাড়া অন্য কেউ সেই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। সেদিন ঘোষণা করা হবে, রোজা পালনকারীরা কোথায়? তখন তারা দাঁড়িয়ে যাবে ওই দরজা দিয়ে প্রবেশ করার জন্য। তারা প্রবেশ করার পর দরজাটি বন্ধ করে দেয়া হবে। (বুখারি শরীফ)
1 year ago | [YT] | 1
View 0 replies
Dua Bangla Shorts
হযরত নুহ (আঃ) একবার একটি কালো কুৎসিত কুকুরকে দেখতে পেয়ে ঘৃর্ণায় মুখ ফিরায়ে নিলেন। সাথে সাথে আল্লাহর নির্দেশে কুকুরটির জবান খুলে গেলো।
মানুষের মতই সে বলে উঠলোঃ হে নুহ
তুমি আমার কুৎসিত আকৃতি দেখে ঘৃর্ণায় মুখ ফিরিয়ে নিলে। কিন্তু তুমি কি জানো না, যে আল্লাহই আমাকে এ আকৃতি দিয়েছেন?
মনে রেখো এ সৃষ্টির পিছনে যদি আমার সামান্যতম দখল থাকত, তবে কিছুতেই আমি এ আকৃতি মেনে নিতাম না। বরং কুকুর হওয়াটাই পছন্দ করতাম না।
কুকুরের মুখে এ কথা শুনে নুহ (আঃ)- এর অন্তরে আল্লাহর ভয় জাগ্রত হলো। অনুশোচনায় তিনি অস্থির হয়ে পড়লেন। এমন কি মাটিতে গড়াগড়ি দিয়ে কাঁদতে লাগলেন!! ( সুত্র: নুজহাতুল মাজালিস)
তিনি কেঁদে কেঁদে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন, হে প্রভু! আমাকে মাফ করে দাও। না বুঝে তোমার সৃষ্টিকে নিয়ে ঠাট্টা করেছি।
সেই অপরাধের অনুশোচনা করে আবদুল গাফফার দীর্ঘ দশ বছর আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করেছেন। তিনি এত বেশি কাঁদতেন যে, চোখের পানি পড়ে পড়ে তাঁর চিবুকের নিচে দাগ পড়ে গিয়েছিল। লোকজন এই অবস্থা দেখে তাঁকে নূহ ডাকতে শুরু করে। আরবি ভাষায় ‘নূহ’ অর্থ যে ক্রন্দন করে।
একবার ভাবুন সামান্য একটি কুকুর সম্পর্কে কোন মন্তব্য করার কোন সুযোগ নাই সেখানে সৃষ্টির সেরা মানুষ তথা আশরাফুল মাখলুকাত বনী আদম তাকে আমরা কেমনে কি ভাবে সমালোচনা করি, আমরা নিজের দোষ দেখিনা পরের দোষ দেখি, এটা ও একটা গুপ্ত ক্যান্সার!!
Collected
আল্লাহ আমাদের হেফাযত করুন,, (আমিন)
1 year ago | [YT] | 1
View 0 replies
Dua Bangla Shorts
শীত শুরু হয়েছে৷ দিনগুলো ছোট হয়ে এসেছে, রাতগুলো দীর্ঘ হয়েছে আগের তুলনায়।
শীত ঋতুটাকে আল্লাহর রাসুল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুমিনের বসন্তকাল বলে উল্লেখ করেছিলেন। কারণ—
শীতকালে দিনগুলো তুলনামূলক ছোট হওয়ায় সিয়াম রাখা সহজ হয়৷ ক্লান্তি আর কষ্ট লাগে না।
শীতকালে রাতগুলো তুলনামূলক দীর্ঘ হওয়ায় পর্যাপ্ত ঘুমিয়ে, শেষ রাতে কিয়ামুল লাইলের জন্য জাগা সহজ হয়৷ পর্যাপ্ত ঘুমাতে পারার কারণে ঘুম থেকে কোনো ক্লান্তি শরীরে ভর করে না।
শীত তো উপস্থিত৷ রাখছেন তো আপনার প্রস্তুতি?
1 year ago | [YT] | 6
View 2 replies
Dua Bangla Shorts
এই শীতে যদি রাতে মা*রা যাই, ভোরেই জানাজা অনুষ্ঠিত হবে..
সেই ঠান্ডা মাটিতেই পাতলা ফিনফিনে কাফনে দাফন দেওয়া হবে..
শীতের কারনে কিভাবে আমি ফজর নামাজ মিস করবো?
1 year ago | [YT] | 25
View 0 replies
Dua Bangla Shorts
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা কতো অসীম দয়ালু, সেটা কুরআনের পাতায় পাতায় পাওয়া যায়।
হাদিসে পাওয়া যায়, আল্লাহ তাঁর দয়াকে একশো ভাগে ভাগ করেছেন৷ তন্মধ্যে শুধু একভাগ দয়া উনি সমস্ত সৃষ্টিরাজির মধ্যে বন্টন করে দিয়েছেন৷ ওই এক ভাগের বদৌলতেই মা তার সন্তানকে ভালোবাসে। জীবজন্তু তাদের সন্তানাদির প্রতি মায়া দেখায়।
শুধু এক ভাগ দয়ার কারণে যদি সৃষ্টিজগত একে অন্যের প্রতি এতোটা দয়াদ্র হয়, যে নিরাব্বই ভাগ দয়া আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা নিজের জন্য রেখে দিয়েছেন, তাঁর দয়ার সীমানাটা তাহলে কেমন চিন্তা করে কূলানো সম্ভব?
সেই পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা কুরআনে স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন—বান্দার সকল গুনাহ তিনি ক্ষমা করে দিতে রাজি, শুধু শিরকের গুনাহ ছাড়া।
এতো দয়া আর ক্ষমার আধার যিনি, যিনি সমস্ত গুনাহকে ক্ষমা করে দেবেন বলে ঘোষণা করেন, তিনি কেন এটাও স্পষ্ট বলে দেন যে—শিরকের গুনাহ তিনি ক্ষমা করবেন না?
আপনার কি একবারও মনে হয়েছে, সেই মহান রব কেন শিরকের গুনাহকে অমার্জনীয় অপরাধ হিশেবে রেখে দিয়েছেন?
কারণ, শিরক সরাসরি আল্লাহর একত্ববাদকে আঘাত করে। বান্দার কৃত আর কোনো অপরাধ এতোটা সীমালঙ্ঘন করে না, যতোটা শিরক করে। আল্লাহ সবকিছু ক্ষমা করবেন, সবকিছু মেনে নিবেন, কিন্তু অন্য কাউকে তাঁর সমকক্ষ বানালে সেই অপরাধ তিনি ক্ষমা করবেন না।
আল্লাহকে বাদ দিয়ে বা আল্লাহর পাশাপাশি অন্য কাউকে ডাকা, অন্য কারো কাছে নিজের মস্তক সঁপে দেওয়াকে আল্লাহ ঘৃণা করেছেন। যুগে যুগে যতো নবি আর রাসুল দুনিয়ায় এসেছেন, তাদের সকলের দাওয়াতের মূল দাবিই ছিল এটা—তাওহিদ তথা একত্ববাদ৷ আল্লাহ ব্যতীত অন্য সকল ইলাহ মিথ্যা৷ আল্লাহ ছাড়া অন্য সকল উপাস্য ত্যাজ্য।
যে জিনিসটাকে আমাদের রব স্বয়ং ঘৃণা করেন, যে জিনিসটাকে আল্লাহর নবি রাসুলেরা ঘৃণা করেছেন, সেই জিনিসটাকে অন্তর থেকে ঘৃণা করা আমাদেরও ঈমানের দাবি।
আল্লাহ কিন্তু শিরককে ঘৃণা করেন, কিন্তু কোনো মুশরিকের জন্য তিনি সূর্যের আলো, বৃষ্টির পানি, বাতাসের অক্সিজেন বন্ধ করে দেন না। তিনি তাদেরকেও রিযিক দেন। তাদের জীবিকারও বন্দোবস্ত করেন।
কারণ, তিনি ‘আর রহমান’। সমস্ত সৃষ্টিকূলের ওপরে তিনি দয়াদ্র। সে যতো পাপী, তাপী, সীমালঙ্ঘনকারীই হোক—তাকে তিনি বঞ্চিত করেন না। তার সাথে হিশেবাদি তিনি চুকোবেন আখিরাতে, কিন্তু দুনিয়ার জীবনে তার চেষ্টার ফল, তার পরিশ্রমের বিনিময় তিনি প্রদান করেন।
যারা শিরক করে তাদের সাথে আমাদের সম্প্রীতি থাকবে৷ সম্প্রীতি মানে আমাদের দ্বারা তাদের কোনো ক্ষতি হবে না। সম্প্রীতি মানে তাদের স্বাভাবিক জীবন আমাদের জন্য কঠিন হয়ে উঠবে না৷ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা যেমন তাদেরকে আলো, হাওয়া, অক্সিজেন থেকে বঞ্চিত করেন না, আমরাও তাদেরকে তাদের মৌলিক অধিকার, ধর্ম পালনের অধিকার, নিরাপদে বেঁচে থাকার অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারি না।
কিন্তু, সম্প্রীতির নামে তাদের সংস্কৃতির মাঝে নিজেদের ডুবিয়ে ফেলা, তারা যে শিরক করে সেই শিরকের মধ্যে নিজেদেরকেও অন্তর্ভুক্ত করে ফেলা—সেটা যেকোনোভাবেই হোক, তারা যে শিরক করে সেই শিরককে নিজের জন্য ঘৃণা না করা, এসব স্পষ্ট বিচ্যুতি।
‘আমরা আল্লাহর রঙ গ্রহণ করেছি। আর, আল্লাহ অপেক্ষা কার রঙ অধিক সুন্দর? আমরা তাঁরই ইবাদাতকারী’— আল বাকারা, ১৩৮
1 year ago | [YT] | 9
View 0 replies
Dua Bangla Shorts
Thanks all for your love and support. Thanks for making this 1k family. It's a special moment for me and also all of my supporters. Thanks to all of you. Take love.
1 year ago | [YT] | 2
View 0 replies
Dua Bangla Shorts
একটি হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ!!
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
"تكفيرُ كل لِحــاءٍ؛ ركــعتان"
"প্রত্যেক ঝগড়ার কাফফারা হলো দুই রাকাত নামাজ।"
[আল-জামে ২৯৮৬, আলবানী]
"লিহা" শব্দের অর্থ: ঝগড়া-বিবাদ ও তর্ক-বিতর্ক।
এই হাদিসের শিক্ষা হলো, একজন মুসলিম তার ভাইয়ের সঙ্গে হওয়া কোনো ঝগড়া বা বিবাদকে কাফফারা দিতে আল্লাহর সামনে দুই রাকাত নামাজ আদায় করবে। এতে সে তার কাজে অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে। কারণ, এ ধরনের বিরোধ শয়তানের প্ররোচনায় হয়ে থাকে।
সংগৃহীত
1 year ago | [YT] | 4
View 0 replies
Dua Bangla Shorts
১. সালাত পরিত্যাগকারী ব্যক্তি কাফির।
২. প্রাপ্তবয়স্ক নারীর উপর নিক্বাব পরে বের হওয়া বাধ্যতামূলক বিধান।
৩. গানবাজনা হারাম।
৪. পুরুষদের দাড়ি কামানো হারাম।
৫. ধূমপান করা হারাম।
৬. পুরুষদের কাপড় টাখনুর উপরে পরা ওয়াজিব।
কোনো একজন আলেম বলেছেন, "একজন মুসলিমকে তার দীনের বিধান মানানোর বিষয়টি কাফিরকে মানানোর চেয়ে কঠিন হয়ে গেছে।" আল্লাহর কাছে এ অবস্থা থেকে নিরাপত্তা চাই।
.
- শাইখ আবু বকর জাকারিয়া হাফিযাহুল্লাহ
1 year ago | [YT] | 6
View 0 replies
Load more