যুক্তরাষ্ট্রের "ভ্যালি অফ ড্রিমস" মানব-নির্মিত রিসর্ট নয়, একান্তই প্রকৃতির।
এইটি নিউ মেক্সিকোয় উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
অবস্থিত। আসলে হলো একটি প্রাকৃতিক
আশ্চর্য ভূমিরূপ। অবস্থান এক মরুভূমির
মতো অঞ্চলে বা শুকনো ডাঙায়। অদ্ভুত
অদ্ভুত আকৃতির পাথর বা শিলা স্তম্ভ এবং
ভূতাত্ত্বিক গঠনগুলির কারণে বিশ্ব বিখ্যাত।
এই স্থানটি হাজার হাজার বছর ধরে বায়ু এবং জলের ক্ষয় দ্বারা তৈরি হয়েছে, যার ফলে আকর্ষণীয় ও ব্যতিক্রমী শৈল্পিক পাথরের গঠন তৈরি হয়েছে। শিলাগুলো বিভিন্ন রঙ ও আকৃতির হয়ে থাকে, যার মধ্যে মাশরুম আকৃতির পাথর এবং বিশাল পাথরের স্তম্ভ অন্যতম।
ভ্যালি অফ ড্রিমস-এর ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যগুলো প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর আগে থেকে তৈরি হতে শুরু করে। এখানে পাওয়া পাথরগুলোর মধ্যে রয়েছে বালু পাথর, মাটির স্তূপ, এবং আগ্নেয়গিরির ছাই। দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার ফলে, বায়ু ও জলের প্রভাব এই শিলাগুলোকে অসাধারণ শৈল্পিক রূপ দিয়েছে। শিলাগুলোর বিভিন্ন স্তর বিভিন্ন রঙে মিশ্রিত হয়েছে, যা একে চিত্রপটের মতো দেখায়।
ভ্যালি অফ ড্রিমস এর শুষ্ক অঞ্চলটি বিখ্যাত "বাডল্যান্ডস" (Badlands) ধরনের ভূপ্রকৃতির একটি উদাহরণ, যেখানে শুষ্ক আবহাওয়া, ক্ষয়প্রাপ্ত জমি এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত পাথরের স্তর একত্রে একটি আশ্চর্যকর দৃশ্য তৈরি করেছে। এর চারপাশের অঞ্চলগুলিতে খুব কম উদ্ভিদ রয়েছে এবং প্রচুর খালি জমি দেখা যায়।
ভূবিজ্ঞানীরা এবং অভিযাত্রীদের জন্য এটি একটি স্বর্গরাজ্য, কারণ এখানে ক্ষয়প্রাপ্ত পাথর এবং প্রাকৃতিক গঠনের মধ্যে নানা রকমের গবেষণা ও অনুসন্ধান চালানো সম্ভব। 'ড্রিমস' বা স্বপ্নের উপত্যকা নামে পরিচিত হওয়ার কারণ হলো এর মনোমুগ্ধকর এবং রহস্যময় পরিবেশ, যা পর্যটকদের কল্পনা জগতে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।
সূত্র... বিউটিফুল ওয়ার্ল্ড।
যে গাছগুলি দেখা যাচ্ছে, সেগুলি হল দুনিয়ার বিরল উদ্ভিদদের মধ্যে একটি। এদের বলা হয় Giant Groundsels বা ডেনড্রোসেনেসিয়া। আফ্রিকার কিলিমানজারো, কেনিয়া, এবং উগান্ডার পাহাড়ি অঞ্চলগুলিতে এদের দেখা মেলে। এই গাছগুলি উচ্চতায় প্রায় ২০ ফুট পর্যন্ত বড় হয় এবং এদের আকৃতি এমন যে, দূর থেকে দেখতে মনে হয় যেন কোনও রহস্যময় গ্রহের গাছপালা!
কথিত আছে, এই গাছগুলির আশেপাশে শিবির করতে অনেক অভিযাত্রী অদ্ভুত আওয়াজ শুনেছেন। কেউ কেউ আবার বলছেন, রাতের অন্ধকারে এই গাছগুলি নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে! সত্য-মিথ্যে জানার উপায় নেই, কিন্তু এইসব গল্প স্থানীয় মানুষদের মধ্যে ভয় আর কৌতূহল দুই-ই তৈরি করেছে।
এই গাছগুলির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল এরা তীব্র ঠান্ডা আর শুষ্ক আবহাওয়ায়ও বেঁচে থাকতে পারে। এদের পাতা জল সঞ্চয় করে এবং রাতে নিজের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। তাই অভিযাত্রীরা এই গাছগুলিকে "প্রকৃতির চমক" বলে অভিহিত করেন।
যদি আপনি কোনোদিন আফ্রিকার এই অঞ্চলে ঘুরতে যান, তাহলে অবশ্যই এই গাছগুলো নিজের চোখে দেখার চেষ্টা করবেন। এদের সৌন্দর্য এবং রহস্য দুটোই আপনাকে মুগ্ধ করবে।
আপনি কি জানেন, পৃথিবীতে এমন একটি প্রাকৃতিক কূপ রয়েছে যা পৃথিবীর গভীরতম এবং বৃহত্তম কূপ হিসেবে পরিচিত? এটি চীনের চংকিং পৌরসভার ফেংজি কাউন্টিতে অবস্থিত জিয়াওজাই তিয়ানকেং, বা "সিল্ক হোল"। এই কূপটির দৈর্ঘ্য ৬২৬ মিটার, প্রস্থ ৫৩৭ মিটার, এবং গভীরতা ৫১১ থেকে ৬৬২ মিটার।!
জিয়াওজাই তিয়ানকেং স্থানীয় মানুষের কাছে প্রাচীনকাল থেকেই পরিচিত। "জিয়াওজাই" মানে "ছোট গ্রাম", আর "তিয়ানকেং" চীনে একটি বিশেষ নাম যা "স্বর্গীয় গহ্বর" বা সিঙ্কহোলের জন্য ব্যবহৃত হয়। পর্যটকদের সুবিধার জন্য এখানে ২,৮০০ সিঁড়ির একটি সিঁড়ি তৈরি করা হয়েছে।
এটি এক প্রাকৃতিক বিস্ময়, যেখানে আপনি প্রকৃতির অপরূপ গঠন ও সৌন্দর্য দেখতে পাবেন।
ভেপশি টাওয়ার, যা এখন ইঙ্গুশেটিয়া, রাশিয়ার পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত, ইঙ্গুশ লোকেরা তৈরি করেছিল। ইঙ্গুশ ছিল উত্তর ককেশাস অঞ্চলের একটি আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী, খ্রিস্টীয় 13 এবং 17 শতকের মধ্যে। ইঙ্গুশ লোকেরা প্রতিরক্ষামূলক এবং আবাসিক কমপ্লেক্সের অংশ হিসাবে এই কাঠামোগুলি তৈরি করেছিল। টাওয়ারগুলি আক্রমণের বিরুদ্ধে সুরক্ষার জন্য দুর্গ, বাড়ি এবং প্রহরী টাওয়ার সহ অনেক উদ্দেশ্যে পরিবেশন করেছিল। টাওয়ারগুলি সাধারণত স্থানীয় পাথর দিয়ে তৈরি এবং 15 থেকে 25 মিটার উঁচু হয়। টাওয়ারের দেয়াল কিছু জায়গায় এক মিটার পর্যন্ত পুরু হতে পারে এবং প্রায়শই আলংকারিক পাথরের কাজ এবং শিলালিপি বৈশিষ্ট্যযুক্ত।
এ এক আজব গ্রাম! কোনও ধাতব যন্ত্রপাতি ছাড়াই শুধুমাত্র হাত দিয়ে পাথর ভেঙে আর খুঁড়ে তৈরি করা হয়েছিল সাড়ে তিনশোটি বসবাসযোগ্য ঘরবাড়ি। সময়টা খ্রিস্টপূর্ব আটশো বছর আগে। তিন হাজার বছর পর আজও খুঁজে পাওয়া যায় সেই প্রাচীন ঘরগুলোর অস্তিত্ব।
ইরানের উত্তর দিকে সীমান্তবর্তী একটি ছোট্ট গ্রাম মেয়মাদ যেখানে আজ থেকে প্রায় তিন হাজার বছর আগে প্রাণের দায়ে পালিয়ে আসা কিছু মানুষ নিজেদের বসবাসের জন্য বানিয়েছিলো কিছু ঘর। পাহাড়ের গায়ে ধাতব যন্ত্রপাতি ছাড়া শুধুমাত্র হাত দিয়ে পাথর ভেঙে তারা তৈরি করেছিল বেশ কিছু ঘরবাড়ি, এই গ্রাম। তাদের কাছে পাথর ভেঙে ঘর বানানোর কোনো সরঞ্জাম ছিল না। তারা কেউ স্থপতি ছিল না। তারা প্রত্যেকেই ছিল শাসকের তাড়া খাওয়া সাধারণ মানুষ। তবুও কোনো এক আশ্চর্য শক্তির বলে তারা এই কাজ করে দেখিয়েছিলো। বোধহয় সেই শক্তিরই অপর নাম প্রাণ শক্তি।
২০১২ সালে এই অঞ্চলে এক্সক্যাভেশনের সময় নতুন করে খুঁজে পাওয়া যায় এই গ্রামের অস্তিত্ব। খননকার্য থেকে প্রাপ্ত তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এবং বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা থেকে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে প্রত্নতত্ত্ববিদদের বিশ্বাস হয়, এই গ্রামে প্রথমবার মানুষের পদচিহ্ন পড়েছিলো প্রায় বারো হাজার বছর আগে। তারপর কোনও অজ্ঞাত কারণে তাদের বসতি অন্যত্র স্থানান্তরিত হয়। আস্তে আস্তে তাদের বসতি কালের গর্ভে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।
তবে তিন হাজার বছর আগে মানুষ নতুন করে এখানে এসে বসবাস শুরু করে। তারই অস্তিত্ব আজও গ্রামটির বুকে বর্তমান রয়েছে। তবে কালেরই কোনো অজ্ঞাত খেলার কারণে সেই বসতিও এই গ্রামে দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কিন্তু কেন? তাও এক রহস্য যা লুকিয়ে রয়েছে প্রকৃতির বুকে।
"পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন ২০০ বছর পুরনো একটি দ্বীপ" যেখানে কিছু মানুষ আজও বসবাস করে ...!
পৃথিবীজুড়ে জলরাশির বুকে ছড়িয়ে আছে রহস্যঘেরা বিভিন্ন দ্বীপ। যার গল্প অনেকের কাছেই অজানা। এমনই এক নীল জলরাশির মাঝে বুক উঁচু করে আছে ছোট্ট এক টুকরো ভূখণ্ড। নাম তার ত্রিস্তান দ্য কুনহা দ্বীপ।
কুনহা দ্বীপের সবচেয়ে নিকটতম দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা। এই দ্বীপে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম মাছ ধরার নৌকা বা ক্রুজ জাহাজ। দুর্গম অবস্থানের কারণে একে পৃথিবীর বিচ্ছিন্নতম দ্বীপও বলা হয়। ২০০ বছরের বেশি সময় ধরে দ্বীপটিতে বাস করছেন কিছু ব্রিটিশ নাগরিক।
অনেকের মনেই এ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে যে, সমুদ্রের বুকে পৃথিবীর দূরতম প্রান্তের এই মানুষগুলো কীভাবে টিকে আছে? আটলান্টিকের বুকে এই ছোট্ট দ্বীপে কীভাবেই বা তারা পৌঁছল? জানা যায়, দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসমুদ্রের মাঝে ত্রিস্তান দ্য কুনহার অবস্থান। সর্বমোট ৬টি ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে দ্বীপপুঞ্জটি গঠিত। এর মধ্যে তিনটি আগ্নেয় দ্বীপ।
জানা গেছে, বর্তমানে ত্রিস্তান দ্য কুনহা দ্বীপে আনুমানিক ২৫০ ব্রিটিশ নাগরিক স্থায়ীভাবে দ্বীপে বসবাস করছেন। এদের প্রধান পেশা মূলত কৃষি। প্রধান কৃষিজ পণ্য আলু। এছাড়া এখানকার মানুষরা স্ট্রবেরি ও পিচ ফল চাষ করেন। মাছ ধরা, পশু পালন ইত্যাদি পেশার সঙ্গেও সম্পৃক্ত তারা।
মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হলেও দ্বীপটির বাসিন্দাদের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই আছে এখানে। শিশুদের লেখাপড়ার জন্য আছে স্কুল, দ্বীপের বাইরে চিঠি আদান-প্রদানের জন্য আছে পোস্ট অফিস, প্রার্থনার জন্য চার্চ, আছে কমিনিউটি হল, ক্যাফে, হাসপাতাল, এমনকি জাদুঘর। সব মিলে যেন এটি একটি গোটা দেশ হিসেবেই পরিচিত।
শুরুতে সামরিক কাজে ব্যবহৃত হলেও পরে দ্বীপটিতে বেসামরিক লোকজন বসবাস শুরু করে। ত্রিস্তান দ্য কুনহা বর্তমানে ব্রিটিশ ওভারসিস টেরিটরির অংশ। এর যাবতীয় প্রশাসনিক কাজ ২ কিলোমিটার দূরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপ থেকে পরিচালিত হয়।
চারদিক পাহাড় বেষ্টিত দ্বীপের উত্তর-পশ্চিমে রয়েছে সমতল ভূমি। তাতেই গড়ে উঠেছে একমাত্র স্থায়ী মানব বসতি। রানি ভিক্টোরিয়ার পুত্র প্রিন্স আলফ্রেড ১৮৬৭ সালে এই দ্বীপটিতে ভ্রমণে যান।
তাপের মাত্রা বেশি হলে সার্ভারটি ক্র্যাশ করার আশঙ্কা থাকে। সমস্যাটি এড়াতে এবং ডাটা সেন্টারকে নিরাপদ রাখতে সমুদ্রের নিচে ডাটা সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা করছে মাইক্রোসফট। ডাটা সেন্টার স্থাপনে মাইক্রোসফটের রেডমন্ড কর্পোরেট হেডকোয়ার্টারে 'লিয়েনা ফিলিপট' নামের একটি প্রকল্প কাজ শুরু করেছে।
ফিনল্যান্ডের জঙ্গলে এক অবিশ্বাস্য প্রাকৃতিক বিস্ময় রয়েছে, যা কুম্মাকিভি নামে পরিচিত। এটি একটি বিশাল ৫০০ টনের পাথর, যা আরেকটি পাথরের উপর ভারসাম্য বজায় রেখে টিকে আছে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এই পাথর প্রায় ১১,০০০ বছর ধরে একই অবস্থানে রয়েছে।
"অদ্ভুত পাথর" নামে পরিচিত এই মনোমুগ্ধকর গঠন দর্শকদের মুগ্ধ করে, কারণ এটি এমনভাবে স্থির রয়েছে যেন যেকোনো মুহূর্তে পড়ে যাবে। কিন্তু প্রকৃতির এই বিস্ময় যুগের পর যুগ ভারসাম্য বজায় রেখেছে। এর উৎপত্তি শেষ বরফ যুগ থেকে, যা একে প্রকৃতির অন্যতম রহস্যময় ও দীর্ঘস্থায়ী বিস্ময় হিসেবে পরিচিত করে তুলেছে।
সেনেগালের লেক রেটবা অনেকের কাছে গোলাপী হ্রদ নামেও পরিচিত। বিশ্বের সবচেয়ে ব্যতিক্রমী প্রাকৃতিক ঘটনাগুলির মধ্যে একটি হিসাবে বিবেচিত এই হ্রদ। এই হ্রদের জল তার অনন্য গোলাপী রঙের কারণে স্বতন্ত্র। আকর্ষণীয় এই রঙের কারণেই এটি পর্যটন গন্তব্য হিসেবে চিহ্নিত।
গোলাপী হ্রদটি কেপ ভার্দে উপদ্বীপের উত্তর দিকে সেনেগালের রাজধানী ডাকারের কাছে অবস্থিত। এটি জল দারুণ রকম নোনতা। খুব স্বাভাবিকভাবে এই জলে লবণের উচ্চ ঘনত্ব রয়েছে যা সমুদ্রের জলে লবণের ঘনত্বের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে লবণের এই উচ্চ ঘনত্ব হ্রদের স্বতন্ত্র গোলাপী রঙের প্রধান কারণ।
এছাড়া হ্রদটির গোলাপী রঙের জন্য আরও একটি কারণ চিহ্নিত করা গেছে। এর জলে এক বিশেষ ধরণের মাইক্রো অ্যালগির উপস্থিতি রয়েছে, যার নাম ডুনালিয়েলা স্যালিনা। এই শেত্তলাগুলির আবার এক বিশেষ ক্ষমতা আছে। এদের অতিরিক্ত আলো শোষণ করার ক্ষমতা রয়েছে এবং সেই আলো সালোকসংশ্লেষে ব্যবহার করে এরা লাল রঙের একটি রঙ্গক তৈরি করে। হ্রদের জলে যখন এই শেত্তলাগুলির সংখ্যা বৃদ্ধি পায় তখন লাল রঙ্গকের ঘনত্বও বেড়ে যায়। সেই সময় লেক রেটবা একটি আকর্ষণীয় গোলাপী রঙের জলাশয়ে পরিণত হয়
Eagle Epics
যুক্তরাষ্ট্রের "ভ্যালি অফ ড্রিমস" মানব-নির্মিত রিসর্ট নয়, একান্তই প্রকৃতির।
এইটি নিউ মেক্সিকোয় উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
অবস্থিত। আসলে হলো একটি প্রাকৃতিক
আশ্চর্য ভূমিরূপ। অবস্থান এক মরুভূমির
মতো অঞ্চলে বা শুকনো ডাঙায়। অদ্ভুত
অদ্ভুত আকৃতির পাথর বা শিলা স্তম্ভ এবং
ভূতাত্ত্বিক গঠনগুলির কারণে বিশ্ব বিখ্যাত।
এই স্থানটি হাজার হাজার বছর ধরে বায়ু এবং জলের ক্ষয় দ্বারা তৈরি হয়েছে, যার ফলে আকর্ষণীয় ও ব্যতিক্রমী শৈল্পিক পাথরের গঠন তৈরি হয়েছে। শিলাগুলো বিভিন্ন রঙ ও আকৃতির হয়ে থাকে, যার মধ্যে মাশরুম আকৃতির পাথর এবং বিশাল পাথরের স্তম্ভ অন্যতম।
ভ্যালি অফ ড্রিমস-এর ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যগুলো প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর আগে থেকে তৈরি হতে শুরু করে। এখানে পাওয়া পাথরগুলোর মধ্যে রয়েছে বালু পাথর, মাটির স্তূপ, এবং আগ্নেয়গিরির ছাই। দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার ফলে, বায়ু ও জলের প্রভাব এই শিলাগুলোকে অসাধারণ শৈল্পিক রূপ দিয়েছে। শিলাগুলোর বিভিন্ন স্তর বিভিন্ন রঙে মিশ্রিত হয়েছে, যা একে চিত্রপটের মতো দেখায়।
ভ্যালি অফ ড্রিমস এর শুষ্ক অঞ্চলটি বিখ্যাত "বাডল্যান্ডস" (Badlands) ধরনের ভূপ্রকৃতির একটি উদাহরণ, যেখানে শুষ্ক আবহাওয়া, ক্ষয়প্রাপ্ত জমি এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত পাথরের স্তর একত্রে একটি আশ্চর্যকর দৃশ্য তৈরি করেছে। এর চারপাশের অঞ্চলগুলিতে খুব কম উদ্ভিদ রয়েছে এবং প্রচুর খালি জমি দেখা যায়।
ভূবিজ্ঞানীরা এবং অভিযাত্রীদের জন্য এটি একটি স্বর্গরাজ্য, কারণ এখানে ক্ষয়প্রাপ্ত পাথর এবং প্রাকৃতিক গঠনের মধ্যে নানা রকমের গবেষণা ও অনুসন্ধান চালানো সম্ভব। 'ড্রিমস' বা স্বপ্নের উপত্যকা নামে পরিচিত হওয়ার কারণ হলো এর মনোমুগ্ধকর এবং রহস্যময় পরিবেশ, যা পর্যটকদের কল্পনা জগতে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।
সূত্র... বিউটিফুল ওয়ার্ল্ড।
1 year ago | [YT] | 1
View 0 replies
Eagle Epics
যে গাছগুলি দেখা যাচ্ছে, সেগুলি হল দুনিয়ার বিরল উদ্ভিদদের মধ্যে একটি। এদের বলা হয় Giant Groundsels বা ডেনড্রোসেনেসিয়া। আফ্রিকার কিলিমানজারো, কেনিয়া, এবং উগান্ডার পাহাড়ি অঞ্চলগুলিতে এদের দেখা মেলে। এই গাছগুলি উচ্চতায় প্রায় ২০ ফুট পর্যন্ত বড় হয় এবং এদের আকৃতি এমন যে, দূর থেকে দেখতে মনে হয় যেন কোনও রহস্যময় গ্রহের গাছপালা!
কথিত আছে, এই গাছগুলির আশেপাশে শিবির করতে অনেক অভিযাত্রী অদ্ভুত আওয়াজ শুনেছেন। কেউ কেউ আবার বলছেন, রাতের অন্ধকারে এই গাছগুলি নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে! সত্য-মিথ্যে জানার উপায় নেই, কিন্তু এইসব গল্প স্থানীয় মানুষদের মধ্যে ভয় আর কৌতূহল দুই-ই তৈরি করেছে।
এই গাছগুলির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল এরা তীব্র ঠান্ডা আর শুষ্ক আবহাওয়ায়ও বেঁচে থাকতে পারে। এদের পাতা জল সঞ্চয় করে এবং রাতে নিজের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। তাই অভিযাত্রীরা এই গাছগুলিকে "প্রকৃতির চমক" বলে অভিহিত করেন।
যদি আপনি কোনোদিন আফ্রিকার এই অঞ্চলে ঘুরতে যান, তাহলে অবশ্যই এই গাছগুলো নিজের চোখে দেখার চেষ্টা করবেন। এদের সৌন্দর্য এবং রহস্য দুটোই আপনাকে মুগ্ধ করবে।
1 year ago | [YT] | 0
View 0 replies
Eagle Epics
আপনি কি জানেন, পৃথিবীতে এমন একটি প্রাকৃতিক কূপ রয়েছে যা পৃথিবীর গভীরতম এবং বৃহত্তম কূপ হিসেবে পরিচিত? এটি চীনের চংকিং পৌরসভার ফেংজি কাউন্টিতে অবস্থিত জিয়াওজাই তিয়ানকেং, বা "সিল্ক হোল"। এই কূপটির দৈর্ঘ্য ৬২৬ মিটার, প্রস্থ ৫৩৭ মিটার, এবং গভীরতা ৫১১ থেকে ৬৬২ মিটার।!
জিয়াওজাই তিয়ানকেং স্থানীয় মানুষের কাছে প্রাচীনকাল থেকেই পরিচিত। "জিয়াওজাই" মানে "ছোট গ্রাম", আর "তিয়ানকেং" চীনে একটি বিশেষ নাম যা "স্বর্গীয় গহ্বর" বা সিঙ্কহোলের জন্য ব্যবহৃত হয়। পর্যটকদের সুবিধার জন্য এখানে ২,৮০০ সিঁড়ির একটি সিঁড়ি তৈরি করা হয়েছে।
এটি এক প্রাকৃতিক বিস্ময়, যেখানে আপনি প্রকৃতির অপরূপ গঠন ও সৌন্দর্য দেখতে পাবেন।
1 year ago | [YT] | 0
View 0 replies
Eagle Epics
ভেপশি টাওয়ার, যা এখন ইঙ্গুশেটিয়া, রাশিয়ার পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত, ইঙ্গুশ লোকেরা তৈরি করেছিল। ইঙ্গুশ ছিল উত্তর ককেশাস অঞ্চলের একটি আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী, খ্রিস্টীয় 13 এবং 17 শতকের মধ্যে। ইঙ্গুশ লোকেরা প্রতিরক্ষামূলক এবং আবাসিক কমপ্লেক্সের অংশ হিসাবে এই কাঠামোগুলি তৈরি করেছিল। টাওয়ারগুলি আক্রমণের বিরুদ্ধে সুরক্ষার জন্য দুর্গ, বাড়ি এবং প্রহরী টাওয়ার সহ অনেক উদ্দেশ্যে পরিবেশন করেছিল। টাওয়ারগুলি সাধারণত স্থানীয় পাথর দিয়ে তৈরি এবং 15 থেকে 25 মিটার উঁচু হয়। টাওয়ারের দেয়াল কিছু জায়গায় এক মিটার পর্যন্ত পুরু হতে পারে এবং প্রায়শই আলংকারিক পাথরের কাজ এবং শিলালিপি বৈশিষ্ট্যযুক্ত।
1 year ago | [YT] | 1
View 0 replies
Eagle Epics
এ এক আজব গ্রাম! কোনও ধাতব যন্ত্রপাতি ছাড়াই শুধুমাত্র হাত দিয়ে পাথর ভেঙে আর খুঁড়ে তৈরি করা হয়েছিল সাড়ে তিনশোটি বসবাসযোগ্য ঘরবাড়ি। সময়টা খ্রিস্টপূর্ব আটশো বছর আগে। তিন হাজার বছর পর আজও খুঁজে পাওয়া যায় সেই প্রাচীন ঘরগুলোর অস্তিত্ব।
ইরানের উত্তর দিকে সীমান্তবর্তী একটি ছোট্ট গ্রাম মেয়মাদ যেখানে আজ থেকে প্রায় তিন হাজার বছর আগে প্রাণের দায়ে পালিয়ে আসা কিছু মানুষ নিজেদের বসবাসের জন্য বানিয়েছিলো কিছু ঘর। পাহাড়ের গায়ে ধাতব যন্ত্রপাতি ছাড়া শুধুমাত্র হাত দিয়ে পাথর ভেঙে তারা তৈরি করেছিল বেশ কিছু ঘরবাড়ি, এই গ্রাম। তাদের কাছে পাথর ভেঙে ঘর বানানোর কোনো সরঞ্জাম ছিল না। তারা কেউ স্থপতি ছিল না। তারা প্রত্যেকেই ছিল শাসকের তাড়া খাওয়া সাধারণ মানুষ। তবুও কোনো এক আশ্চর্য শক্তির বলে তারা এই কাজ করে দেখিয়েছিলো। বোধহয় সেই শক্তিরই অপর নাম প্রাণ শক্তি।
২০১২ সালে এই অঞ্চলে এক্সক্যাভেশনের সময় নতুন করে খুঁজে পাওয়া যায় এই গ্রামের অস্তিত্ব। খননকার্য থেকে প্রাপ্ত তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এবং বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা থেকে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে প্রত্নতত্ত্ববিদদের বিশ্বাস হয়, এই গ্রামে প্রথমবার মানুষের পদচিহ্ন পড়েছিলো প্রায় বারো হাজার বছর আগে। তারপর কোনও অজ্ঞাত কারণে তাদের বসতি অন্যত্র স্থানান্তরিত হয়। আস্তে আস্তে তাদের বসতি কালের গর্ভে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।
তবে তিন হাজার বছর আগে মানুষ নতুন করে এখানে এসে বসবাস শুরু করে। তারই অস্তিত্ব আজও গ্রামটির বুকে বর্তমান রয়েছে। তবে কালেরই কোনো অজ্ঞাত খেলার কারণে সেই বসতিও এই গ্রামে দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কিন্তু কেন? তাও এক রহস্য যা লুকিয়ে রয়েছে প্রকৃতির বুকে।
1 year ago | [YT] | 1
View 0 replies
Eagle Epics
"পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন ২০০ বছর পুরনো একটি দ্বীপ" যেখানে কিছু মানুষ আজও বসবাস করে ...!
পৃথিবীজুড়ে জলরাশির বুকে ছড়িয়ে আছে রহস্যঘেরা বিভিন্ন দ্বীপ। যার গল্প অনেকের কাছেই অজানা। এমনই এক নীল জলরাশির মাঝে বুক উঁচু করে আছে ছোট্ট এক টুকরো ভূখণ্ড। নাম তার ত্রিস্তান দ্য কুনহা দ্বীপ।
কুনহা দ্বীপের সবচেয়ে নিকটতম দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা। এই দ্বীপে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম মাছ ধরার নৌকা বা ক্রুজ জাহাজ। দুর্গম অবস্থানের কারণে একে পৃথিবীর বিচ্ছিন্নতম দ্বীপও বলা হয়। ২০০ বছরের বেশি সময় ধরে দ্বীপটিতে বাস করছেন কিছু ব্রিটিশ নাগরিক।
অনেকের মনেই এ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে যে, সমুদ্রের বুকে পৃথিবীর দূরতম প্রান্তের এই মানুষগুলো কীভাবে টিকে আছে? আটলান্টিকের বুকে এই ছোট্ট দ্বীপে কীভাবেই বা তারা পৌঁছল? জানা যায়, দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসমুদ্রের মাঝে ত্রিস্তান দ্য কুনহার অবস্থান। সর্বমোট ৬টি ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে দ্বীপপুঞ্জটি গঠিত। এর মধ্যে তিনটি আগ্নেয় দ্বীপ।
জানা গেছে, বর্তমানে ত্রিস্তান দ্য কুনহা দ্বীপে আনুমানিক ২৫০ ব্রিটিশ নাগরিক স্থায়ীভাবে দ্বীপে বসবাস করছেন। এদের প্রধান পেশা মূলত কৃষি। প্রধান কৃষিজ পণ্য আলু। এছাড়া এখানকার মানুষরা স্ট্রবেরি ও পিচ ফল চাষ করেন। মাছ ধরা, পশু পালন ইত্যাদি পেশার সঙ্গেও সম্পৃক্ত তারা।
মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হলেও দ্বীপটির বাসিন্দাদের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই আছে এখানে। শিশুদের লেখাপড়ার জন্য আছে স্কুল, দ্বীপের বাইরে চিঠি আদান-প্রদানের জন্য আছে পোস্ট অফিস, প্রার্থনার জন্য চার্চ, আছে কমিনিউটি হল, ক্যাফে, হাসপাতাল, এমনকি জাদুঘর। সব মিলে যেন এটি একটি গোটা দেশ হিসেবেই পরিচিত।
শুরুতে সামরিক কাজে ব্যবহৃত হলেও পরে দ্বীপটিতে বেসামরিক লোকজন বসবাস শুরু করে। ত্রিস্তান দ্য কুনহা বর্তমানে ব্রিটিশ ওভারসিস টেরিটরির অংশ। এর যাবতীয় প্রশাসনিক কাজ ২ কিলোমিটার দূরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপ থেকে পরিচালিত হয়।
চারদিক পাহাড় বেষ্টিত দ্বীপের উত্তর-পশ্চিমে রয়েছে সমতল ভূমি। তাতেই গড়ে উঠেছে একমাত্র স্থায়ী মানব বসতি। রানি ভিক্টোরিয়ার পুত্র প্রিন্স আলফ্রেড ১৮৬৭ সালে এই দ্বীপটিতে ভ্রমণে যান।
1 year ago | [YT] | 2
View 0 replies
Eagle Epics
তাপের মাত্রা বেশি হলে সার্ভারটি ক্র্যাশ করার আশঙ্কা থাকে। সমস্যাটি এড়াতে এবং ডাটা সেন্টারকে নিরাপদ রাখতে সমুদ্রের নিচে ডাটা সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা করছে মাইক্রোসফট। ডাটা সেন্টার স্থাপনে মাইক্রোসফটের রেডমন্ড কর্পোরেট হেডকোয়ার্টারে 'লিয়েনা ফিলিপট' নামের একটি প্রকল্প কাজ শুরু করেছে।
1 year ago | [YT] | 1
View 0 replies
Eagle Epics
ফিনল্যান্ডের জঙ্গলে এক অবিশ্বাস্য প্রাকৃতিক বিস্ময় রয়েছে, যা কুম্মাকিভি নামে পরিচিত। এটি একটি বিশাল ৫০০ টনের পাথর, যা আরেকটি পাথরের উপর ভারসাম্য বজায় রেখে টিকে আছে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এই পাথর প্রায় ১১,০০০ বছর ধরে একই অবস্থানে রয়েছে।
"অদ্ভুত পাথর" নামে পরিচিত এই মনোমুগ্ধকর গঠন দর্শকদের মুগ্ধ করে, কারণ এটি এমনভাবে স্থির রয়েছে যেন যেকোনো মুহূর্তে পড়ে যাবে। কিন্তু প্রকৃতির এই বিস্ময় যুগের পর যুগ ভারসাম্য বজায় রেখেছে। এর উৎপত্তি শেষ বরফ যুগ থেকে, যা একে প্রকৃতির অন্যতম রহস্যময় ও দীর্ঘস্থায়ী বিস্ময় হিসেবে পরিচিত করে তুলেছে।
1 year ago | [YT] | 0
View 0 replies
Eagle Epics
সেনেগালের লেক রেটবা অনেকের কাছে গোলাপী হ্রদ নামেও পরিচিত। বিশ্বের সবচেয়ে ব্যতিক্রমী প্রাকৃতিক ঘটনাগুলির মধ্যে একটি হিসাবে বিবেচিত এই হ্রদ। এই হ্রদের জল তার অনন্য গোলাপী রঙের কারণে স্বতন্ত্র। আকর্ষণীয় এই রঙের কারণেই এটি পর্যটন গন্তব্য হিসেবে চিহ্নিত।
গোলাপী হ্রদটি কেপ ভার্দে উপদ্বীপের উত্তর দিকে সেনেগালের রাজধানী ডাকারের কাছে অবস্থিত। এটি জল দারুণ রকম নোনতা। খুব স্বাভাবিকভাবে এই জলে লবণের উচ্চ ঘনত্ব রয়েছে যা সমুদ্রের জলে লবণের ঘনত্বের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে লবণের এই উচ্চ ঘনত্ব হ্রদের স্বতন্ত্র গোলাপী রঙের প্রধান কারণ।
এছাড়া হ্রদটির গোলাপী রঙের জন্য আরও একটি কারণ চিহ্নিত করা গেছে। এর জলে এক বিশেষ ধরণের মাইক্রো অ্যালগির উপস্থিতি রয়েছে, যার নাম ডুনালিয়েলা স্যালিনা। এই শেত্তলাগুলির আবার এক বিশেষ ক্ষমতা আছে। এদের অতিরিক্ত আলো শোষণ করার ক্ষমতা রয়েছে এবং সেই আলো সালোকসংশ্লেষে ব্যবহার করে এরা লাল রঙের একটি রঙ্গক তৈরি করে। হ্রদের জলে যখন এই শেত্তলাগুলির সংখ্যা বৃদ্ধি পায় তখন লাল রঙ্গকের ঘনত্বও বেড়ে যায়। সেই সময় লেক রেটবা একটি আকর্ষণীয় গোলাপী রঙের জলাশয়ে পরিণত হয়
1 year ago | [YT] | 0
View 0 replies
Eagle Epics
প্রায় 500,000 বছরের পুরনো আগ্নেয়গিরি ডায়মন্ড হেডের উপরিভাগ। যেটি হাওয়াইয়ের ওয়াহু দ্বীপে অবস্থিত।
1 year ago | [YT] | 0
View 0 replies
Load more