একদিন একজন ইহুদির লাশ যাওয়ার সময় রাসুল (দঃ) বসা থেকে দাঁড়ালেন। সাহাবীরা বললেন ইয়া রাসুলুল্লাহ (সঃ) এটা একটা ইহুদির লাশ। উত্তরে রাসুল (দঃ) বলেছেন সে একজন আদম সন্তান,মানুষ ছিল, দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে তার সাথে আর কোন দুশমনি নাই..! রাসুলুল্লাহ (দঃ) আরো বলেন: "তোমরা শত্রুর লাশ বিকৃত করো না এবং তাদেরকে আগুন দিয়ে শাস্তি দিও না। কারণ আগুন দিয়ে শাস্তি দেওয়ার অধিকার কেবল আল্লাহর।" — (সহীহ বুখারী, হাদীস: 3016; আবু দাউদ: 2675) এটাই হচ্ছে একজন মুসলমানের চরিত্র..? -যারা রাসূল (দঃ) হাদিসের বিপরীত চলে তারা নিশ্চয়ই আবু জাহেলের অন্তর্ভুক্ত,, আল্লাহ পাক সবাই বুজার তাওফিক দান করুক আমিন
আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা জুমু’আহর দিন আমার উপর অধিক দুরূদ পাঠ করবে। কেননা তা আমার নিকট পৌঁছানো হয়, ফেরেশতাগণ তা পৌঁছে দেন। যে ব্যক্তিই আমার উপর দুরূদ পাঠ করে তা থেকে সে বিরত না হওয়া পর্যন্ত তা আমার নিকট পৌঁছতে থাকে। রাবী বলেন, আমি বললাম, (আপনার) ইনতিকালের পরেও? তিনি বলেন, হ্যাঁ, ইনতিকালের পরেও। আল্লাহ তা’আলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামগণের দেহ ভক্ষণ যমীনের জন্য হারাম করে দিয়েছেন। আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবিত এবং তাঁকে রিযিক দেয়া হয়। সূত্র : সুনানে ইবনে সাজাহ, ১১/১৬৩৭
-‘‘আল্লাহ তা‘য়ালা নূর, তবে অন্যান্য নূরের মতো নন। আর নবী করীম (ﷺ) এর রূহ মোবারক হচ্ছে তাঁর নূরের ঝলক। আর ফেরেশতাগণ হচ্ছেন তাঁর নূরের শিখা। হুযুর (ﷺ) ইরশাদ ফরমান, আল্লাহ তায়ালা সর্বপ্রথম আমার নূরকে সৃষ্টি করেছেন। আর আমার নূর থেকে আল্লাহ প্রত্যেক কিছু সৃষ্টি করেছেন।’’ ➤ ইমাম মাহদী আল ফার্সী : মাতালিউল মাসার্রাত : ২১ পৃষ্ঠা, মাতবায়ে মাকতুবায়ে নূরীয়া, পাকিস্তান, শায়খ ইউসূফ বিন নাবহানী : জাওয়াহিরুল বিহার, ২/২২০ পৃষ্ঠা, মারকাযে আহলে সুন্নাহ বি বারকাতে রেযা, গুজরাট। তাই বুঝা গেল, আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের ইমামের আক্বিদা রাসূল (ﷺ) নূরের সৃষ্টি।
রাসূল (সা.) বলেন, 'সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে দুটি নিদর্শন। কারো মৃত্যু বা জন্মের কারণে সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ হয় না। কাজেই যখন তোমরা তা দেখবে, তখন আল্লাহর কাছে দোয়া করবে, তাঁর মহত্ব ঘোষণা করবে, তাকবির বলবে, নামাজ আদায় করবে এবং সদকা প্রদান করবে।
মদিনার ইসলাম ও ব্যক্তির ইসলামের মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ আছে। মদিনার ইসলাম কখনও ক্ষমতার মোহ নিয়ে কাজ করে না। এটা আল্লাহ তাআলার ফরমায়েশ জারি রাখার জন্য কাজ করে। আর ব্যক্তির ইসলাম নিজ স্বার্থ ও ক্ষমতার জন্য হারামকে হালাল আর হালালকে হারামে রুপান্তর করতে সময় নেয় না। মাজার, খানকাহ, অর্থাৎ পবিত্র জায়গার চেয়ে অপবিত্র জায়গা বা বস্তুর সাথে আপোষ করতে তারা দ্বিধা করে না। তাই মদিনার ইসলামকে আঁকড়ে জীবন যাপন করার আহ্বান রইল।
মুহাম্মদ আহমদ উল্লাহ
🔵 MetLife – আপনার জীবনের নিরাপদ সঙ্গী 🔵
বিশ্বের অন্যতম বিশ্বস্ত ও শক্তিশালী ইন্স্যুরেন্স প্রতিষ্ঠান MetLife
✅ ১৫০+ বছরের অভিজ্ঞতা
✅ ৪০+টিরও বেশি দেশে কার্যক্রম
✅ লাখো গ্রাহকের আস্থার প্রতীক
💼 MetLife যা নিশ্চিত করে :
✔ আর্থিক নিরাপত্তা
✔ ভবিষ্যৎ সঞ্চয়
✔ পরিবার সুরক্ষা
✔ চিকিৎসা সহায়তা
✔ শিক্ষার নিশ্চয়তা
✔ সময়মতো ক্লেইম পরিশোধ
🌍 কেন MetLife?
🔹 আন্তর্জাতিক মান
🔹 স্বচ্ছ পরিষেবা
🔹 গ্রাহকের পাশে থাকা নির্ভরযোগ্য সংগঠন
🔹 কঠিন সময়ে আর্থিক নিরাপত্তার ঢাল
📌 আপনার পরিবার ও ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করতে আজই সঠিক সিদ্ধান্ত নিন।
কারণ, সময় বদলাতে পারে, পরিকল্পনা বদলায় না!
📩 বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন
📞 যোগাযোগ : (01581-241274)
#MetLife #FinancialSecurity #Insurance #LifeProtection #MetLifeBangladesh
3 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
মুহাম্মদ আহমদ উল্লাহ
"As long as there is breath within me, I shall persevere in the battle of life. If need be, I will crawl my way to the destination I aspire to reach."
3 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
মুহাম্মদ আহমদ উল্লাহ
4 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
মুহাম্মদ আহমদ উল্লাহ
👉👉👉👉 ওহাবিগং ও কওমিগং দেখ.....
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ:
«إِنَّ لِلَّهِ مَلَائِكَةً سَيَّاحِينَ فِي الْأَرْضِ، يُبَلِّغُونِي مِنْ أُمَّتِي السَّلَامَ. وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ: حَيَاتِي خَيْرٌ لَكُمْ، تُحْدِثُونَ وَيُحَدَّثُ لَكُمْ، وَوَفَاتِي خَيْرٌ لَكُمْ، تُعْرَضُ عَلَيَّ أَعْمَالُكُمْ، فَمَا رَأَيْتُ مِنْ خَيْرٍ حَمِدْتُ اللَّهَ عَلَيْهِ، وَمَا رَأَيْتُ مِنْ شَرٍّ اسْتَغْفَرْتُ اللَّهَ لَكُمْ».
📜 বাংলা অনুবাদ
আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযি.) থেকে বর্ণিত, নবী করীম ﷺ বলেছেন:
“আল্লাহর এমন ফেরেশতাগণ আছেন যারা পৃথিবী ভ্রমণ করেন, তারা আমার উম্মতের সালাম আমাকে পৌঁছে দেন। আমার জীবিত অবস্থা তোমাদের জন্য কল্যাণকর, তোমরা (আমার কাছ থেকে) শিক্ষা গ্রহণ করো এবং তোমাদের বিষয়ে আল্লাহর নির্দেশ নাযিল হয়। আর আমার মৃত্যুও তোমাদের জন্য কল্যাণকর; তোমাদের আমলসমূহ আমার কাছে পেশ করা হয়। আমি যদি তোমাদের মধ্যে সৎকর্ম দেখি, আল্লাহর প্রশংসা করি; আর যদি মন্দকর্ম দেখি, আমি তোমাদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি।”
📚 রেফারেন্স
• মুসনাদ আল-বাজার (Musnad al-Bazzār, হাদীস নং: 8612)
• ইমাম হাইসামী, Majmaʿ al-Zawāʾid (৯/২৪)
• ইমাম আল-হায়সামী এ সম্পর্কে বলেছেন: إسناده جيد (এর সনদ ভালো)।
• ইমাম আল-ইরাকি, ইমাম সুয়ূতী প্রমুখও হাদীসটি গ্রহণযোগ্য (حسن) বলেছেন।
5 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
মুহাম্মদ আহমদ উল্লাহ
একদিন একজন ইহুদির লাশ যাওয়ার সময় রাসুল (দঃ) বসা থেকে দাঁড়ালেন। সাহাবীরা বললেন ইয়া রাসুলুল্লাহ (সঃ) এটা একটা ইহুদির লাশ।
উত্তরে রাসুল (দঃ) বলেছেন সে একজন আদম সন্তান,মানুষ ছিল, দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে তার সাথে আর কোন দুশমনি নাই..!
রাসুলুল্লাহ (দঃ) আরো বলেন:
"তোমরা শত্রুর লাশ বিকৃত করো না এবং তাদেরকে আগুন দিয়ে শাস্তি দিও না। কারণ আগুন দিয়ে শাস্তি দেওয়ার অধিকার কেবল আল্লাহর।"
— (সহীহ বুখারী, হাদীস: 3016; আবু দাউদ: 2675)
এটাই হচ্ছে একজন মুসলমানের চরিত্র..?
-যারা রাসূল (দঃ) হাদিসের বিপরীত চলে
তারা নিশ্চয়ই আবু জাহেলের অন্তর্ভুক্ত,,
আল্লাহ পাক সবাই বুজার তাওফিক দান করুক আমিন
5 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
মুহাম্মদ আহমদ উল্লাহ
👉 রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কবরে জীবিত...
بَاب ذِكْرِ وَفَاتِهِ وَدَفْنِهِ ﷺ
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ سَوَّادٍ الْمِصْرِيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ وَهْبٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلَالٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَيْمَنَ عَنْ عُبَادَةَ بْنِ نُسَيٍّ عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم أَكْثِرُوا الصَّلَاةَ عَلَيَّ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَإِنَّهُ مَشْهُودٌ تَشْهَدُهُ الْمَلَائِكَةُ وَإِنَّ أَحَدًا لَنْ يُصَلِّيَ عَلَيَّ إِلَّا عُرِضَتْ عَلَيَّ صَلَاتُهُ حَتَّى يَفْرُغَ مِنْهَا قَالَ قُلْتُ وَبَعْدَ الْمَوْتِ قَالَ وَبَعْدَ الْمَوْتِ إِنَّ اللهَ حَرَّمَ عَلَى الْأَرْضِ أَنْ تَأْكُلَ أَجْسَادَ الْأَنْبِيَاءِ فَنَبِيُّ اللهِ حَيٌّ يُرْزَقُ
আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা জুমু’আহর দিন আমার উপর অধিক দুরূদ পাঠ করবে। কেননা তা আমার নিকট পৌঁছানো হয়, ফেরেশতাগণ তা পৌঁছে দেন। যে ব্যক্তিই আমার উপর দুরূদ পাঠ করে তা থেকে সে বিরত না হওয়া পর্যন্ত তা আমার নিকট পৌঁছতে থাকে। রাবী বলেন, আমি বললাম, (আপনার) ইনতিকালের পরেও? তিনি বলেন, হ্যাঁ, ইনতিকালের পরেও। আল্লাহ তা’আলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামগণের দেহ ভক্ষণ যমীনের জন্য হারাম করে দিয়েছেন। আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবিত এবং তাঁকে রিযিক দেয়া হয়।
সূত্র : সুনানে ইবনে সাজাহ, ১১/১৬৩৭
5 months ago (edited) | [YT] | 0
View 0 replies
মুহাম্মদ আহমদ উল্লাহ
মহান আল্লাহ রাসূল (ﷺ) কে সর্বপ্রথম সৃষ্টি করেছেনঃ
রাসূল (ﷺ) এর নূর সম্পর্কে কুরআনুল কারীমের বিভিন্ন স্থানে ➤ সূরা মায়েদা আয়াত ১৫, সূরা তাওবাহ, ৩২ আয়াত, সূরা নূর,৩৫, সূরা ছাফ, ৮, সুরা আহযাব, ৪৫-৪৬
এবং অসংখ্য হাদিসে পাকে রয়েছে। তন্মধ্যে হযরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু কর্তৃক রাসূল (ﷺ) কে সর্বপ্রথম সৃষ্টি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে রাসূল (ﷺ) বলেন,-
فَقَالَ: يَا جَابِرُ! إِنَّ اللَّهَ خَلَقَ قَبْلَ الأَشْيَاءِ نُورُ نَبِيِّكَ مِنْ نُورِهِ، فَجَعَلَ ذَلِكَ النُّورِ يَدُورُ بِالْقُدْرَةِ حَيْثُ شَاءَ اللَّهُ، وَلَمْ يَكُنْ فِي ذَلِكَ الْوَقْتِ لَوْحٌ وَلا قَلَمٌ وَلا جَنَّةٌ وَلا نَارٌ وَلا مُلْكٌ وِلا سِمِاءٌ وَلا أَرْضٌ وَلا شَمْسٌ وَلا قَمَرٌ وَلا جِنِّيٌ وَلا إِنْسٌ.
-‘‘অতঃপর রাসূল (ﷺ) ইরশাদ করেন হে জাবের! নিশ্চয় আল্লাহ তা‘য়ালা সবকিছুর পূর্বে তার স্বীয় নূর হতে তোমার নবীর নূরকে সৃষ্টি করেছেন। তখন লওহ, কলম, জান্নাত, জাহান্নাম.....কিছুই ছিল না।’’
➤ ইমাম আবদুর রায্যাক, আল-মুসান্নাফ (জুযউল মুফকুদ): ১/৬৩, হাদিস-১৮, (ঈসা মানে হিমইয়ারা সংকলিত), আল্লামা আজলুনী : কাশফুল খাফা: ১/৩১১ পৃষ্ঠা, হাদিস/৮১১, আল্লামা কুস্তাল্লানী, মাওয়াহেবে লাদুন্নিয়া: ১/১৫, মাকতুবাতুল ইসলামী, বয়রুত, লেবানন, আল্লামা জুরকানী, শরহুল মাওয়াহেব: ১/৮৯, আশরাফ আলী থানবী, নশরুত্ত্বীব : পৃষ্ঠা, ২৫, আব্দুল হাই লাখনৌভী, আসারুল মারফূআ, ৪২-৩৩ পৃষ্ঠা, ইবনে হাজার মক্কী, ফতাওয়ায়ে হাদিসিয়্যাহ, ৪৪ পৃষ্ঠা, ও (শামেলা), শায়খ ইউসুফ নাবহানী, হুজ্জাতুল্লাহিল আলামিন: ৩২-৩৩ পৃষ্ঠা, ও জাওয়াহিরুল বিহার, ৩/৩৭ পৃষ্ঠা, আনোওয়ারে মুহাম্মাদিয়্যা, ১৯ পৃষ্ঠা, মোল্লা আলী ক্বারী, মাওয়ারিদুর রাভী, ২২ পৃষ্ঠা,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لَمَّا خَلَقَ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ آدَمَ خَيَّرَ لِآدَمَ بَنِيهِ، فَجَعَلَ يَرَى فَضَائِلَ بَعْضِهِمْ عَلَى بَعْضٍ، قَالَ: فَرَآنِي نُورًا سَاطِعًا فِي أَسْفَلِهِمْ، فَقَالَ: يَا رَبِّ مَنْ هَذَا؟ قَالَ: هَذَا ابْنُكَ أَحْمَدُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هُوَ الْأَوَّلُ وَالْآخَرُ وَهُوَ أَوَّلُ شَافِعٍ -
-‘‘হযরত আবু হুরায়রা (رضي الله عنه) হতে বর্ণিত রাসূল (ﷺ) ইরশাদ করেন, যখন আল্লাহ তা‘য়ালা হযরত আদম (عليه السلام) কে সৃষ্টি করলেন, তখন তাকে তার সন্তান-সন্ততি দেখালেন। হযরত আদম (عليه السلام) তাদের পারস্পরিক শ্রেষ্ঠত্ব নিরীক্ষা করতে থাকেন। অবশেষে তিনি একটি চমকপ্রদ নূর দেখতে পেয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, হে পরওয়ারদিগার! এ কার নূর? আল্লাহ তা‘য়ালা বললেন, এ তোমার আওলাদ হবে, তার নাম আসমানে আহমদ। যিনি (সৃষ্টিতে) প্রথম এবং তিনি প্রেরণে (নবীদের) শেষ। তিনি সর্বপ্রথম শাফায়াতকারী।’’ ➤ ইমাম বায়হাকী : দালায়েলুল নবুয়ত : ৫/৪৮৩ পৃষ্ঠা, দারুল কুতুব ইলমিয়্যাহ, বয়রুত, ইমাম সুয়ূতী : খাসায়েসুল কোবরা : ১/৭০ পৃষ্ঠা, হাদিস : ১৭৩, ইমাম ইবনে আসাকির : তারিখে দামেস্ক : ৭/৩৯৪-৩৯৫ পৃষ্ঠা,দারুল ফিকর ইলমিয়্যাহ, বয়রুত, লেবানন, ইমাম যুরকানী : শরহুল মাওয়াহেব, ১/৪৩ পৃষ্ঠা, দারুল ফিকর ইলমিয়্যাহ, বয়রুত, মুত্তাকী হিন্দী : কানযুল উম্মাল : ১১/৪৩৭ পৃ, হাদিসঃ ৩২০৫৬, আবু সা‘দ নিশাপুরী, শরফুল মুস্তফা, ৪/২৮৫ পৃষ্ঠা, কুস্তালানী, মাওয়াহেবে লাদুন্নীয়া, ১/৪৯ পৃষ্ঠা, দিয়ার বকরী, তারীখুল খামীস, ১/৪৫ পৃষ্ঠা, সার্রাজ, হাদিসাহ, হাদিসঃ ২৬২৮, ইবনে হাজার আসকালানী, আল-মুখাল্লিসিয়্যাত, ৩/২০৭ পৃষ্ঠা, হাদিসঃ ২৩৪০, সালিম জার্রার, আল-ইমা ইলা যাওয়াইদ, ৬/৪৭৮ পৃষ্ঠা, হাদিসঃ ৬০৮৩।
তাই প্রমাণিত হল যে বাবা আদম (عليه السلام)ও আমাদের নবীজিকে নূর হিসেবেই জানতেন। আহলে হাদিসদের ইমাম নাসিরুদ্দীন আলবানী (১৯৯৯খৃ.) এ সনদটি প্রসঙ্গে লিখেন-
قُلْتُ: وَهَذَا إِسْنَادُ حَسَنٌ؛ رِجَالُه كُلُّهُمْ ثِقَات رجال البخاري؛
-‘‘আমি (আলবানী) বলছি, এই হাদিসের সনদ ‘হাসান’ , ইহার সকল বর্ণনাকারীগণ ইমাম বুখারী (রহ.) এর বর্ণনাকারী ন্যায়।’’
➤ আলবানী, সিলসিলাতুল আহাদিসুদ দ্বঈফাহ, হাদিস নং ৬৪৮২।
আল্লামা ইসমাঈল হাক্কী (رحمة الله) তাঁর তাফসীরে সুরা যুখরুফের ৮১ নং আয়াত-
قُلْ إِنْ كَانَ لِلرَّحْمَنِ وَلَدٌ فَأَنَا أَوَّلُ الْعَابِدِينَ
-‘‘হে হাবিব! আপনি বলুন দয়াময় আল্লাহর যদি কোন সন্তান হতো তাহলে ইবাদাতকারীদের মধ্যে আমিই সর্ব প্রথম তার ইবাদত করতাম।’’ এ আয়াতের ব্যাখ্যায় ইসমাঈল হাক্কী (رحمة الله) একটি হাদিস উল্লেখ করেন এভাবে-
قَالَ جَعْفَرْ الصَادِقْ رَضِى الله عَنْهُ أَوَّلُ مَا خَلَقَ اللهُ نُوْرِ مُحَمَّد صلى الله عليه وسلم قَبْلَ كُل شىء
-‘‘হযরত ইমাম জাফর সাদেক (رضي الله عنه) বলেন, সকল কিছুর পূর্বে আল্লাহ ‘নূরে মুহাম্মাদী’ কে সৃষ্টি করেছেন।’’
➤ইসমাঈল হাক্কী : রূহুল বায়ান : ৮/৩৯৬ পৃষ্ঠা,সুরা যুখরুফ, আয়াত ৮১।
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকায়েদের ইমাম আবুল হাসান আশ‘আরী (رحمة الله) বলেন-
اِنَّهُ تَعَالٰى نُوْرٌ لَيْسَ كَالْاَنْوَارِ وَ رُّوْحُ النَّبُوْيَّةُ القُدْسِيَّة لُمْعَةُ مِنْ نُوْرِهِ وَالْمَلاَئِكَةٌ اشرار تِلْكَ الْاَنْوَارِ وَقَالَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَوَّلُ مَا خَلَقَ اللهُ نُوْرِى وَمِنْ نُوْرِى خَلَقَ الله كُلِّ شّئٍ-
-‘‘আল্লাহ তা‘য়ালা নূর, তবে অন্যান্য নূরের মতো নন। আর নবী করীম (ﷺ) এর রূহ মোবারক হচ্ছে তাঁর নূরের ঝলক। আর ফেরেশতাগণ হচ্ছেন তাঁর নূরের শিখা। হুযুর (ﷺ) ইরশাদ ফরমান, আল্লাহ তায়ালা সর্বপ্রথম আমার নূরকে সৃষ্টি করেছেন। আর আমার নূর থেকে আল্লাহ প্রত্যেক কিছু সৃষ্টি করেছেন।’’
➤ ইমাম মাহদী আল ফার্সী : মাতালিউল মাসার্রাত : ২১ পৃষ্ঠা, মাতবায়ে মাকতুবায়ে নূরীয়া, পাকিস্তান, শায়খ ইউসূফ বিন নাবহানী : জাওয়াহিরুল বিহার, ২/২২০ পৃষ্ঠা, মারকাযে আহলে সুন্নাহ বি বারকাতে রেযা, গুজরাট।
তাই বুঝা গেল, আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের ইমামের আক্বিদা রাসূল (ﷺ) নূরের সৃষ্টি।
5 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
মুহাম্মদ আহমদ উল্লাহ
রাসূল (সা.) বলেন, 'সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে দুটি নিদর্শন। কারো মৃত্যু বা জন্মের কারণে সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ হয় না। কাজেই যখন তোমরা তা দেখবে, তখন আল্লাহর কাছে দোয়া করবে, তাঁর মহত্ব ঘোষণা করবে, তাকবির বলবে, নামাজ আদায় করবে এবং সদকা প্রদান করবে।
(বোখারি: ১০৪০, আবু দাউদ: ১১৭৭)
5 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
মুহাম্মদ আহমদ উল্লাহ
8 months ago | [YT] | 2
View 0 replies
মুহাম্মদ আহমদ উল্লাহ
মদিনার ইসলাম ও ব্যক্তির ইসলামের মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ আছে। মদিনার ইসলাম কখনও ক্ষমতার মোহ নিয়ে কাজ করে না। এটা আল্লাহ তাআলার ফরমায়েশ জারি রাখার জন্য কাজ করে। আর ব্যক্তির ইসলাম নিজ স্বার্থ ও ক্ষমতার জন্য হারামকে হালাল আর হালালকে হারামে রুপান্তর করতে সময় নেয় না। মাজার, খানকাহ, অর্থাৎ পবিত্র জায়গার চেয়ে অপবিত্র জায়গা বা বস্তুর সাথে আপোষ করতে তারা দ্বিধা করে না। তাই মদিনার ইসলামকে আঁকড়ে জীবন যাপন করার আহ্বান রইল।
8 months ago | [YT] | 2
View 0 replies