যারা আরবি ভাষা শিখবেন এবং শিখতে চাচ্ছেন তাদের সবাইকে আমার মিম খান চ্যানেল এর পক্ষ থেকে (স্বাগতম)!

আপনি যদি খুব সহজে আরবি শিখতে চান তাহলে আপনাকে প্রতিদিন আরবি ভাষা শিক্ষা কোর্সর ভিডিও গুলো দেখতে হবে।আমাদের চ্যানেলে আমরা প্রতিদিন আরবি ভাষা বিষয়ক নানান ধরনের ভিডিও আপলোড করে থাকি!

আমাদের চ্যানেলের ভিডিও গুলো যদি আপনি প্রতিনিয়ত দেখেন আপনি খুব দ্রুত আরবি বলতে পারবেন।

আমাদের এই চ্যানেলে আমরা আরবি রিলেটেড সব ধরনের ভিডিও আপলোড করে থাকি। যেমন- আরবি ভোকাবুলারি, আরবি ওয়ার্ড মিনিং, আরবি ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স, সৌদি ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স এ টু জেড সলিউশন, আরবি সেন্টেন্স মিনিং, আরবি বাক্য এবং তার বাংলা অর্থ।

- আরবি ভাষা শিক্ষা কোর্স
- আরবি ভাষা শিক্ষা ফুল কোর্স
- আরবি ভাষা শিক্ষা
- বাংলা টু আরবি
- বাংলা ভাষা টু আরবি ভাষা
- সৌদি ভাষা
- সৌদি আরবি ভাষা শিক্ষা
- সৌদি আঞ্চলিক ভাষা শিক্ষা

আমাদের চ্যানেলটি যদি ভালো লাগে অবশ্যই চ্যানেলটি [সাবস্ক্রাইব] করবেন আর কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন আপনাদের মতামত..!


Help

অনেকে বলছে, যে বাঁধ না খুললে ভারতের ত্রিপুরা ডুবে যেতো, তারা বাধ্য হয়ে ছেড়েছে। পরে বাঁধ অটো ভেঙেই যেতো। তখন আরো বেশী ক্ষতি হত। তাই এখানে আসলে ভারতের দোষ নেই। চলুন এই কথাটার ফাঁকটা বুঝার চেষ্টা করি একটু।

নদী চলবে নদীর মত। এতে তারা বাঁধ দিল কেনো শুরুতেই? কারণ তারা বাংলাদেশকে পানি বঞ্চিত করে রেখেছিল এতদিন। নদীকে নদীর মত চলতে দিলে, নদীর গভীরতা এবং প্রশস্ততা ঠিক থাকতো। হঠাৎ অতিরিক্ত পানি আসলেও নদী তা সহ্য করতে পারতো। পানি সহজে সমুদ্রে পৌছতো।

কিন্তু বাঁধ দেয়ার কারণে, বাংলাদেশের নদীগুলো শুঁকিয়ে খালের মত হয়ে গিয়েছে। পলি জমে অগভীর হয়ে গিয়েছে, জায়গায় জায়গায় চর জন্মেছে। এখন হঠাৎ পানি ছেড়ে দিলে এই অগভীর এবং চিকন নদীগুলো সেই পানি ধারণ করতে না পেরে আশেপাশের সব ডুবিয়ে দেয়। এবার বুঝেছেন আসল কাহিনী?

কোন লোক এখন ভারতের সাফই গাইতে আসলে, বা কোন ধানাই পানই করলে, যেমন ভারতের তো উপায় ছিল না, তাই বাধ্য হয়ে বাঁধ ছেড়েছে, ওরে চটকনা মেরে বলবেন, তাহলে বাঁধটা শুরুতে দিয়েছিল কেনো???

1 year ago | [YT] | 0

Help

Let's start the chain of ayat e kareema for the safety of all the students of Bangladesh 🤲

"Laa illaha illaa anta subhanaka inni kuntu minaz-zalimeen”

1 year ago | [YT] | 1

Help

সূরা ত্ব-হার মধ্যে আছে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা মুসা আলাইহিস সালামকে জিগ্যেশ করছেন, 'আর, ওহে মুসা! আপনার ডান হাতে ওটা কী?' [ সূরা ত্ব-হা, আয়াত-১৭]

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালার একটা নাম হলো 'আল-বাসীর', অর্থাৎ, তিনি সবকিছু দেখেন। গোটা সৃষ্টিজগতে এমন একটা বিন্দু, এমন একটা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বস্তুকণা নেই যা তাঁর দৃষ্টির আড়ালে। গভীর সাগরতলে যে ক্ষুদ্র নুড়িকণা, সেই নুড়িকণার নিচে তার চেয়েও ক্ষুদ্র যে প্রাণী, সেই প্রাণীর গায়ে থাকা তারচেয়েও ক্ষুদ্র বালিকণা— সেটাও আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা দেখেন।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা যদি সবকিছু দেখেনই, তাহলে মুসা আলাইহিস সালামের হাতে কী আছে, সেটাও কি তিনি দেখতে পাচ্ছেন না? যদি দেখতে পান, তাহলে জিগ্যেশ করলেন কেনো— 'আপনার হাতে ওটা কী?'

মূলত, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা বান্দার সাথে কথোকপথন পছন্দ করেন। তিনি চান যে তাঁর বান্দা তাঁর সাথে মন খুলে কথা বলুক। তিনি জানেন মুসা আলাইহিস সালামের হাতে কী আছে, তা-ও তিনি চাইলেন মুসা আলাইহিস সালামের সাথে আলাপ বাড়াতে। তাই তিনি জিগ্যেশ করলেন— মুসা! আপনার ডান হাতে ওটা কী?'

মুসা আলাইহিস সালামের জবাবটা দেখেন! তিনি বলে উঠলেন না, 'আল্লাহ, আপনি তো সবকিছু দেখছেনই! আপনি কি দেখতে পাচ্ছেন না আমার হাতে এটা কি?'

আল্লাহর প্রশ্নের জবাবে মুসা আলাইহিস সালাম কতো বিনয়, কতো সুন্দর করে উত্তর দিলেন দেখুন। তিনি বললেন:

'এটা আমার লাঠি। এতে আমি ভর দেই। এর সাহায্যে আমার মেষপালের জন্য গাছের পাতা পাড়ি, এবং এতে করে আমার আরো অনেক কাজ হয়'। [ ত্ব-হা, ১৮]

খেয়াল করুন— আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা প্রশ্ন করেছেন শুধু একটা৷ জানতে চেয়েছেন হাতে ওটা কী, কিন্তু মুসা আলাইহিস সালাম জবাব দিলেন তিন তিনটা!

'এটা আমার লাঠি'— আল্লাহকে এটুকু বললেই কিন্তু হয়ে যেতো। কিন্তু মুসা আলাইহিস সালাম এখানে থামলেন না। তিনি বললেন— এতে আমি ভর দেই, এতে করে আমার মেষপালের জন্য গাছের পাতাও পাড়া হয়।

লাঠি দিয়ে টুকটাক আরো অনেক কাজ তো তিনি করেন। সেগুলো মনে না আসায় কিন্তু সেই প্রসঙ্গটা বাদ দিয়ে দেননি। কাজের কথা মনে না আসলেও তিনি বলেছেন— এটা দিয়ে আরো অনেক কাজ আমি করি।

আল্লাহর একটা প্রশ্নের জবাবে মুসা আলাইহিস সালাম তিন তিনটা জবাব কেনো দিয়েছেন, জানেন? তিনি আসলে আল্লাহর সাথে কথা বলাটাকে দীর্ঘায়িত করতে চাইছিলেন। মহামহিম আল্লাহ, বিশ্বজাহানের অধিপতির সাথে কথা বলার সুযোগ— এ কী এতো সোজা কথা? তাই মুসা আলাইহিস সালাম কথা বাড়িয়েছেন যাতে আলাপটাকে দীর্ঘ করা যায়, প্রলম্বিত করা যায়।

আপনার প্রয়োজনের কথা, জীবনে যা কিছু আপনার খুব দরকার— তা ইতোমধ্যেই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা জানেন। কিন্তু তবুও— তিনি আপনার মুখ থেকে সেগুলো শুনতে পছন্দ করেন, যেমনিভাবে মুসা আলাইহিস সালামের কাছ থেকে তিনি শুনতে পছন্দ করেছেন সেই লাঠির কথা। আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে জানান— ঠিক সেভাবে যেভাবে মুসা আলাইহিস সালাম কথা বলেছেন আল্লাহর সাথে। খুলে খুলে বলুন সবকিছু, যা মনে আসে, যা ইচ্ছে, যা মন চায়।

আপনি তাঁর সাথে কথা বলছেন— এই দৃশ্যটা আপনার রব খুব খুব পছন্দ করেন।

[ 'কুরআন থেকে নেওয়া জীবনের পাঠ' এর একটা অংশ। ]

2 years ago | [YT] | 9

Help

যদি আপনার ভিতরে কোন খারাপ চিন্তা জাগ্রত হয়, যদি পাপের মধ্যে ডুব দেওয়ার জন্যে আপনার মন আঁকুপাঁকু করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই পাপে আপনি না জড়ান, তাহলে কিন্তু আপনার আমলনামায় কোন গুনাহ যুক্ত হবে না।

আবার,

যদি আপনার মধ্যে কোন ভালো কাজের চিন্তা জাগ্রত হয়, যদি কোন সওয়াবের কাজে জড়িয়ে পড়ার জন্যে আপনার ভিতরে তোলপাড় চলে কিন্তু শেষ অবধি আপনি ওই ভালো কাজ করতে না-ও পারেন, তবু আপনার আমলনামায় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা ওই কাজের সওয়াব যুক্ত করে দেবেন।

কী সুন্দর আপনার দ্বীন, তাই না?

2 years ago | [YT] | 6

Help

খুব অল্পকিছুই তো...

2 years ago | [YT] | 15

Help

আমার রব,

হয়তো আমার বাক্যগুলো এলোমেলো। হয়তো নিজের চাওয়াটুকু বোঝাবার মতো যথার্থ শব্দ খুঁজে পেতে আমি ব্যর্থ। হতে পারে আমার চিন্তাগুলোও বিচ্ছিন্ন।

কিন্তু মালিক, আপনি তো অন্তরের ভাষাও বুঝেন। মুখ যা উচ্চারণ করতে ব্যর্থ হয়, হৃদয় যা সাজিয়ে নিতে হিমশিম খায়— এসবের কোনোকিছুই আপনার অজানা নেই।

আমি শব্দের অভাবে, বাক্য-বিন্যাসের অপটুতায়, চিন্তার অসামঞ্জস্যতায় যা বলতে পারছি না তা আপনি ইতোমধ্যেই জানেন। সুতরাং— আমার ব্যর্থতাকে আপনার দয়া দ্বারা পরিবেষ্টন করে, আমার অন্তরের চাওয়াটুকু পূরণ করে দিন।

2 years ago | [YT] | 6

Help

আল্লাহর পক্ষ থেকে যখন হিজরতের অনুমতি পাওয়া গেলো, সেদিন নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বাকার রাদিয়াল্লাহু আনহুর বাসায় চলে আসলেন। দু'জন মিলে যাত্রা করবেন ইয়াসরিব তথা মদিনার পথে। খুব সঙ্গোপনে।

মক্কা থেকে মদিনা অনেক দূরে। তাঁরা কিছু পথ হেঁটে পাড়ি দিবেন, আর সুযোগ হলে কিছু পথ উটে চড়ে— এমনটাই পরিকল্পনা। কিন্তু যাত্রাপথে খাবেন কী? এই ধুঁ ধুঁ মরুভূমি পথে একেবারে রিক্তহস্তে, কোন ধরণের খাবার-সামগ্রী ছাড়াই নেমে পড়বেন— এটা বড় বোকামি হবে বৈ কি!

ঠিক হলো— পথিমধ্যে খাওয়ার জন্যে তারা কিছু খাবার সাথে নিয়ে নেবেন। হিজরতের সেই পবিত্র যাত্রার খাবার গুছিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব পড়েছে আবু বাকার রাদিয়াল্লাহু আনহুর কন্যাদের কাঁধে।

আসমা রাদিয়াল্লাহু আনহা— আবু বাকার রাদিয়াল্লাহু আনহুর কন্যা। নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আবু বাকার রাদিয়াল্লাহু আনহুর খাবার-দাবার গুছিয়ে দেওয়ার পর দেখলেন— খাবার যে থলেতে রাখা, তার মুখ বেঁধে দেওয়া জরুরি। নচেত খাবার পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। একদিকে নবিজী এবং আবু বাকার রাদিয়াল্লাহু আনহুর হিজরতে বেরিয়ে পড়বার তাড়া, অন্যদিকে খাবারের থলে হাতে আসমা রাদিয়াল্লাহু আনহার সীদ্ধান্তহীনতা— কী দিয়ে আটকাবেন তিনি থলের মুখ?

তখনকার বালিকারা একধরণের কোমর-বন্ধনী দিয়ে পাজামা পরতেন। আসমা রাদিয়াল্লাহু আনহা নিজের কোমরবন্ধী খুলে নিয়ে, সেটাকে লম্বা করে ছিঁড়ে দুই টুকরো করলেন। একটুকরো নিজের কোমরে পেছালেন, অন্য টুকরো দিয়ে বেঁধে দিলেন নিজের পিতা এবং নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খাবারের থলের মুখ।

নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেদিন আসমা রাদিয়াল্লাহু আনহার এই ঘটনা জানতে পারলেন, সেদিন থেকে তার উপাধি দিয়ে দিলেন— 'যাতুন নিতাকাইন' তথা 'দুই কোমরবন্ধনী-ওয়ালী!'

দেখুন— খুব ছোট্ট একটা কাজ, কিন্তু নবিজী সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটাকেও মূল্যায়ন করতে কার্পণ্য করেননি৷

Islam is beautiful. Here, nothing goes unnoticed 🕊️

2 years ago | [YT] | 7

Help

যা তুমি নিজে করো না বা করতে পারো না তা অন্যকে উপদেশ দিও না ।
— হযরত আলী (রাঃ)

2 years ago | [YT] | 3

Help

গতকাল ইশা'র সালাত পড়তে গিয়ে একটা ভাবনা মাথায় এলো৷ আমি যে কাতারে দাঁড়িয়ে সালাত পড়ছিলাম, তার সামনের কাতারে আমার সোজাসুজি একজন বৃদ্ধ লোক দাঁড়িয়ে। সিজদায় গিয়ে আমি যেখানে কপাল রাখছি, সেখান থেকে বৃদ্ধ লোকটার পায়ের দূরত্ব দশ সেন্টিমিটারেরও কম। আমার একবার মনে হলো— সিজদাহ দিতে গিয়ে তার পায়ের সাথে না আবার মাথা লেগে যায়।

যে ব্যাপারটা আমার ভাবনায় এলো তা হচ্ছে— আমার কপাল যেখানে ছোঁয়াচ্ছি, তা একেবারে একজন মানুষের পায়ের তলার জায়গাই বলা চলে। কিন্তু তবুও— আমার মনের নিয়্যত কী? আমার নিয়্যত হচ্ছে— আমি সিজদাহ দিচ্ছি আমার রব, আমার মহামহিম প্রতিপালককে। যেহেতু আমার নিয়্যত এখানে আল্লাহকে সিজদাহ দেওয়া, একজন বান্দা সবচেয়ে ভালো যে কাজটা করতে পারে জীবনে, আমার এই কাজ হয়ে উঠেছে ঠিক সেই কাজটাই৷ অর্থাৎ— আল্লাহকে সিজদাহ দেওয়ার চাইতে বড় আর ভালো কাজ বান্দা আর কী করতে পারে?

কিন্তু দেখুন— যদি আমি কেবলমাত্র আমার নিয়্যতটা পাল্টে ফেলি, যদি আমি নিয়্যত করি যে— আমি আল্লাহকে নয়, এই সিজদাহটা আমি আসলে ওই বৃদ্ধ লোকটাকেই দিচ্ছি, তখন সেই কাজটা হয়ে উঠবে একজনের মানুষের পক্ষে করা জগতের সবচেয়ে জঘন্য পাপ! এরচেয়ে বড় গুনাহ আর কিছু নেই।

একই সিজদাহ, একই মানুষ, একই জায়গা— শুধু নিয়্যতটা ভিন্ন। আর এই একটা জিনিস পুরো ব্যাপারটার মধ্যে কীরকম আকাশ-পাতাল তফাৎ করে দিলো দেখুন।

এজন্যেই ইমাম বুখারী রাহিমাহুল্লাহ তাঁর সহিহুল বুখারীর একেবারে প্রথম হাদিসটাই এনেছেন নিয়্যত নিয়ে:

'নিশ্চয় সকল কাজ নিয়্যতের ওপর নির্ভরশীল'।

2 years ago | [YT] | 6

Help

পাঁচটি ঘটনার পূর্বে পাঁচটি জিনিসকে মূল্যবান মনে করবেঃ তোমার বৃদ্ধ বয়সের পূর্বে তোমার যৌবনকে, ব্যাধির পূর্বে স্বাস্থ্যকে , দরিদ্রতার পূর্বে স্বচ্ছতাকে , কর্মব্যস্ততার পূর্বে অবসরকে এবং মৃত্যুর পূর্বে জীবনকে ।
— আল-হাদিস

2 years ago | [YT] | 2