Samrat Chattapadhoy is a 24 years experienced NGO Activist & Consultant in Kolkata , West Bengal . He engaged with NGO Sector & gained experiences of working with State , Central Govt. & International Projects as project coordinator Or as project Manager .
He Trained on Community Organisation & leadership development , Social Work & Social Research , Documentation Communication , Project Formulation , Planning Monitoring & Evaluation including NGO Management . He is Training of Trainers on Entrepreneurship development .
He is globally connected , locally engaged as an Active Citizen of British Council & engaged with Print & Digital media sector as Editor . He is a Convener of West Bengal NGO Network .
NGO Samrat is a Bangla YouTube Channel providing master guide on NGO Registration , Society & Club Registration , Trust Registration , Section 8 Company Registration , Audit & Income Tax , 12 & 80G Tax Exemption Registration , Project Information , CSR Funding & NGO Job . .
NGO Samrat
CSR বা প্রজেক্ট প্রপোজাল তৈরি করার সময় এনজিও পরিচালকদের সবচেয়ে বড় দ্বিধা তৈরি হয়—Administrative Cost (প্রশাসনিক খরচ) নিয়ে।
অনেকে ভাবেন, প্রপোজালে অফিস খরচ, স্টাফের বেতন বা গাড়ি ভাড়া বেশি দেখালে ডোনার ফান্ড দেবে না। আবার অনেকে ভুল করে মূল প্রজেক্ট খরচের চেয়ে প্রশাসনিক খরচ বাড়িয়ে ফেলেন, যার ফলে পুরো প্রপোজাল এক নিমেষে রিজেক্ট হয়ে যায়!
সহজ কথায়, Administrative Cost বা Overheads কী?
একটি প্রজেক্ট সফলভাবে চালাতে গিয়ে যেসব খরচ সরাসরি উপভোক্তা (Beneficiary)-র হাতে পৌঁছায় না, কিন্তু সংস্থা পরিচালনার জন্য প্রয়োজন—সেগুলোই হলো অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কস্ট।
প্রপোজালে সাধারণত কী কী খরচ এর মধ্যে পড়ে?
১. অফিস পরিচালনা ও ইউটিলিটি: অফিস ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, ইন্টারনেট ও টেলিফোন খরচ।
২. অ্যাডমিন ও কো-অর্ডিনেশন স্টাফের বেতন: যেমন Accountant, HR, Manager বা Sweeper-এর বেতন (যারা ফিল্ডে সরাসরি প্রজেক্টের কাজ করছেন না)।
৩. অডিট ও আইনি খরচ: প্রজেক্ট অডিট ফি, ব্যাংক চার্জ ও স্টেশনারি জিনিসপত্র।
৪. যাতায়াত ও মেইনটেন্যান্স: প্রজেক্ট মনিটরিং বা ট্রাভেলিং খরচ।
নিরাপদ সীমা কত? (Rule of Thumb): বড় কর্পোরেট ও CSR ডোনারদের নিয়ম অনুযায়ী, মোট প্রজেক্ট বাজেটের ১০% থেকে ১৫%-এর বেশি Administrative Cost দেখানো বিপজ্জনক।
যদি আপনার বাজেট ৫ লাখ টাকা হয়: তবে অ্যাডমিন খরচ ৫০,০০০ থেকে ৭৫,০০০ টাকার মধ্যে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
যদি খরচ এর চেয়ে বেশি হয়ে যায়: ডোনার ধরে নেবে ফান্ডের বড় অংশ আপনার অফিস চালাতে চলে যাচ্ছে, যা আসল সামাজিক প্রভাব (Social Impact) তৈরি করবে না।
বাজেট বানানোর সময় ডোনারকে কীভাবে বোঝাবেন?
প্রপোজালে শুধু "Admin Cost = 10%" লিখে দেবেন না। বাজেট শিটে স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিন এই খরচ না থাকলে কেন মূল ফিল্ডের কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। প্রতিটি খরচের সাথে একটি যৌক্তিক ব্যাখ্যা (Justification) রাখা বাধ্যতামূলক।-সম্রাট চট্টোপাধ্যায়
2 weeks ago (edited) | [YT] | 5
View 0 replies
NGO Samrat
CSR proposal নিয়ে কাজ করতে গিয়ে একটা বিষয় বারবার চোখে পড়ে—অনেক ভালো উদ্যোগও শুধু বাজেটের উপস্থাপনার কারণে দুর্বল হয়ে যায়।
বিশেষ করে Cost Per Beneficiary-এর হিসাবটা অনেকেই ঠিকভাবে দেখান না।
সহজ করে বলি। ধরুন, দুইটা NGO একই ৫ লাখ টাকার জন্য আবেদন করল।
প্রথম NGO ৫ লাখ টাকা দিয়ে ৫০ জনকে সেবা দেবে।
হিসাব করলে জনপ্রতি খরচ দাঁড়ায় ১০,০০০ টাকা।
অন্য NGO একই ৫ লাখ টাকা দিয়ে ৫০০ জন মানুষের কাছে সরাসরি সেবা পৌঁছাবে।
এখানে জনপ্রতি খরচ ১,০০০ টাকা।
একজন CSR donor তখন স্বাভাবিকভাবেই জানতে চাইবেন—একই পরিমাণ অর্থ খরচ করে কোন প্রকল্পে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব?
কিন্তু এখানেই একটা ভুল আমরা অনেক সময় করি।
শুধু “কম খরচে বেশি মানুষ” দেখালেই proposal শক্তিশালী হয়ে যায় না। কাজের মান, beneficiary-এর প্রকৃত প্রয়োজন, intervention-এর ধরন এবং প্রত্যাশিত ফলাফল—সবকিছুরই গুরুত্ব আছে।
তাই বাজেট বানানোর সময় আমি মনে করি অন্তত ৩টা বিষয় পরিষ্কার রাখা দরকার।
১. Direct আর Indirect beneficiary আলাদা রাখুন।
কতজন সরাসরি সেবা পাচ্ছেন এবং কতজন পরোক্ষভাবে উপকৃত হবেন—দুটো আলাদা করে দেখানো ভালো।
২. Administrative cost-এর যৌক্তিকতা দেখান।
অফিস বা management-এর প্রয়োজনীয় খরচ অবশ্যই থাকবে। কিন্তু বাজেটের বড় অংশ যদি মূল কার্যক্রমের বাইরে চলে যায়, donor-এর প্রশ্ন আসাটাই স্বাভাবিক।
৩. জনপ্রতি খরচের একটা যুক্তি রাখুন।
আপনি স্বাস্থ্য, শিক্ষা, livelihood বা skill development—যে sector-এই কাজ করেন না কেন, আপনার Cost Per Beneficiary কেন এই পরিমাণ, সেটা proposal দেখেই যেন বোঝা যায়।
শেষ পর্যন্ত CSR donor শুধু এই হিসাবটা দেখতে চান না যে—
“আপনি কত টাকা চাইছেন?” তারা এটাও দেখতে চান— “এই টাকায় বাস্তবে কতটা পরিবর্তন তৈরি হবে?”
ভালো proposal-এর ক্ষেত্রে এই দুইটা প্রশ্নের উত্তরই পরিষ্কার থাকা দরকার। -সম্রাট চট্টোপাধ্যায়
3 weeks ago | [YT] | 7
View 0 replies
NGO Samrat
সকল সমাজকর্মী, সমাজসেবী প্রতিষ্ঠান দের জানাই স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা! 🇮🇳
দেশগঠন ও সামাজিক রূপান্তরে আপনাদের অক্লান্ত পরিশ্রমই আমাদের সত্যিকারের স্বাধীনতার দিকে নিয়ে যায়। আসুন, সঠিক দিকনির্দেশনা ও স্বচ্ছতার সাথে সমাজসেবার কাজকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাই।
বীর শহীদদের জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম। জয় হিন্দ
1 month ago | [YT] | 9
View 1 reply
NGO Samrat
NEW Video Uploaded - Watch It NOW
2 months ago (edited) | [YT] | 7
View 0 replies
NGO Samrat
মহাজাতি রোড নলতায়, কলকাতা ২৮ সম্প্রতি শিবানী বৈদ্য ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন মানবিক প্রয়াস সুসম্পন্ন করলো, তাদের অনুষ্ঠান সূচিতে ছিল বইপ্রদান, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নানা সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড। উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট জনেরা। সমাজ উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটি আপনাদের মূল্যবান পরামর্শ কামনা করে 9883269830
আমি খুব ভাগ্যবান এরকম সংগঠন তৈরিতে আমার একটি ছোট্ট ভূমিকা রয়েছে।
3 months ago | [YT] | 4
View 0 replies
NGO Samrat
New Video Uploaded - Watch : https://youtu.be/xK_cO1AdwxE
4 months ago | [YT] | 7
View 0 replies
NGO Samrat
সকল সমাজ সেবী ও সংগঠক দের জানাই বাংলা নববর্ষের প্রীতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
5 months ago | [YT] | 11
View 4 replies
NGO Samrat
ফান্ডিং প্রপোজাল রিজেক্ট হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো— ভুল দরজায় কড়া নাড়া। একজন এনজিও প্রধান হিসেবে আপনার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো 'সময়'। এই সময় বাঁচানোর এবং ফান্ড পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ানোর সেরা উপায় হলো দাতা সংস্থার বিগত দিনের রেকর্ড (Past Funding History) বিশ্লেষণ করা।
কেন আপনি ডোনারের আগের রেকর্ড দেখবেন?
১. ফান্ডের পরিমাণ (Grant Size): আপনার প্রজেক্টের বাজেট কি ৫০ লাখ টাকা, কিন্তু ওই দাতা সংস্থা কি গড়ে ৫-১০ লাখ টাকার বেশি ফান্ড দেয় না? এই তথ্যটি আগে জানলে আপনি ছোট প্রজেক্ট নিয়ে তাদের কাছে যেতে পারেন অথবা বড় ডোনারের খোঁজ করতে পারেন।
২. এনজিওর ধরন (Type of NGO): অনেক দাতা সংস্থা শুধুমাত্র তৃণমূল পর্যায়ের (Grassroot) ছোট এনজিওদের সাথে কাজ করতে পছন্দ করে। আবার কেউ কেউ শুধু বড় বা আন্তর্জাতিক এনজিওদের ফান্ড দেয়। আপনার এনজিও তাদের 'পছন্দের তালিকায়' পড়ে কি না, তা আগের ফান্ডের রেকর্ড দেখলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।
৩. কাজের ক্ষেত্র ও প্রভাব: তারা কি গত ৩ বছর ধরে শুধু 'জলবায়ু পরিবর্তন' নিয়ে কাজ করা এনজিওদের ফান্ড দিচ্ছে? নাকি তাদের ঝোঁক এখন 'নারী ক্ষমতায়ন'-এর দিকে? এই প্যাটার্ন বুঝলে আপনি আপনার প্রপোজালটি তাদের বর্তমান আগ্রহ অনুযায়ী সাজাতে পারবেন।
রিসার্চ না করে প্রপোজাল পাঠানো মানে অন্ধকারে তীর ছোঁড়া। সঠিক তথ্য এবং ডেটা নিয়ে এগোলে আপনার সফল হওয়ার সুযোগ অনেক বেড়ে যায়। --- সম্রাট চট্টোপাধ্যায় ,
5 months ago | [YT] | 5
View 0 replies
NGO Samrat
সকল সমাজকর্মী, এনজিও, প্রতিষ্ঠানদের কে জানাই ঈদ মোবারক।
6 months ago | [YT] | 12
View 0 replies
NGO Samrat
এনজিও-র সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল: কেন নিয়মিত আপডেট দেওয়া জরুরি?
অনেক এনজিও পরিচালক প্রশ্ন করেন— "আমরা তো মাঠে কাজ করছি, সেগুলো ফেসবুকে দেওয়ার কী প্রয়োজন?" একজন কনসালটেন্ট হিসেবে আমার অভিজ্ঞতা বলে, বর্তমান সময়ে আপনার কাজের 'ডিজিটাল প্রমাণ' না থাকলে অনেক বড় সুযোগ আপনার হাতছাড়া হতে পারে।
কেন আপনার এনজিও-র ফেসবুক বা লিঙ্কডইন প্রোফাইল নিয়মিত আপডেট রাখা উচিত? নিচে ৪টি প্রধান কারণ দেওয়া হলো:
১. সোশ্যাল প্রুফ এবং বিশ্বাসযোগ্যতা (Social Proof & Trust)
একজন ডোনার বা সরকারি আধিকারিক যখন আপনার এনজিও সম্পর্কে জানতে চাইবেন, তারা প্রথমেই আপনার সোশ্যাল মিডিয়া পেজ চেক করবেন। নিয়মিত আপডেট প্রমাণ করে যে আপনার সংস্থাটি সক্রিয় (Active) এবং বাস্তবে কাজ করছে। মৃত বা নিথর পেজ সংস্থার ভাবমূর্তি নষ্ট করে।
২. ডোনারদের আকৃষ্ট করা (Attracting Donors)
বড় কর্পোরেট সংস্থাগুলো যখন CSR Fund দেওয়ার জন্য এনজিও খোঁজে, তারা সেই সংস্থাকেই অগ্রাধিকার দেয় যাদের কাজের স্বচ্ছতা এবং ইমপ্যাক্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় দৃশ্যমান। আপনার পোস্ট করা একটি ছোট্ট ভিডিও বা ছবি কোনো বড় ফাণ্ডিংয়ের রাস্তা খুলে দিতে পারে।
৩. কাজের স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা (Transparency)
আপনি মানুষের কাছ থেকে যে দান বা সরকারি অনুদান নিচ্ছেন, তা কোথায় খরচ হচ্ছে—তার ছোট ছোট আপডেট (যেমন: বস্ত্র বিতরণ, চারাগাছ রোপণ বা শিক্ষা শিবির) মানুষের মনে আপনার প্রতি বিশ্বাস বাড়িয়ে তোলে। স্বচ্ছতা থাকলেই মানুষ আপনার পাশে দাঁড়াবে।
৪. প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং (LinkedIn-এর গুরুত্ব)
ফেসবুকে যেমন সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়, LinkedIn-এ তেমনি প্রফেশনাল নেটওয়ার্ক তৈরি হয়। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে এবং তাদের সামনে আপনার সংস্থার পেশাদারিত্ব তুলে ধরতে লিঙ্কডইন-এর কোনো বিকল্প নেই।
📌 পরামর্শ: আপনার কাজের প্রতিটি মুহূর্ত পোস্ট করার দরকার নেই। সপ্তাহে অন্তত ২-৩টি মানসম্মত পোস্ট করুন যেখানে কাজের গুণগত মান ফুটে উঠবে। --- সম্রাট চট্টোপাধ্যায়।
6 months ago | [YT] | 5
View 3 replies
Load more