Samrat Chattapadhoy is a 24 years experienced NGO Activist & Consultant in Kolkata , West Bengal . He  engaged with NGO Sector & gained experiences of  working with State ,  Central Govt. & International Projects as project coordinator Or as project Manager .

He Trained on Community Organisation & leadership development , Social Work & Social Research , Documentation Communication , Project Formulation , Planning Monitoring & Evaluation including NGO Management . He is Training of Trainers on Entrepreneurship development . 
He is globally connected , locally engaged as an Active Citizen of British Council &  engaged with Print & Digital media sector as Editor . He is a Convener of West Bengal NGO Network . 

NGO Samrat is a Bangla YouTube Channel providing master guide on NGO Registration , Society & Club Registration , Trust Registration , Section 8 Company Registration , Audit & Income Tax , 12 & 80G Tax Exemption Registration , Project Information , CSR Funding & NGO Job . .


NGO Samrat

এনজিও-র ভাউচার ম্যানেজমেন্ট: ভাউচার কী এবং কেন এটি আপনার সংস্থার জন্য জরুরি?

একটি এনজিও যখন সমাজসেবামূলক কাজ করে, তখন প্রতিটি টাকা খরচের স্বচ্ছতা থাকা আবশ্যিক। আর সেই স্বচ্ছতার প্রথম ধাপ হলো 'ভাউচার'। আজ থেকে আমরা এনজিও-র ভাউচার ম্যানেজমেন্ট নিয়ে একটি বিশেষ ধারাবাহিক আলোচনা শুরু করছি।

🔍 ভাউচার কী?
সহজ কথায়, ভাউচার হলো একটি অভ্যন্তরীণ হিসাব সংক্রান্ত দলিল (Document), যা আপনার সংস্থার কোনো একটি নির্দিষ্ট লেনদেনের (Transaction) সত্যতা প্রমাণ করে। আপনি যখন কাউকে টাকা দিচ্ছেন বা কোনো কেনাকাটা করছেন, তার সপক্ষে যে লিখিত প্রমাণটি আপনি ফাইলে রাখছেন, সেটিই ভাউচার। এটি শুধু একটি কাগজের টুকরো নয়, এটি আপনার খরচের আইনি স্বীকৃতি।

❓ কেন ভাউচার রাখা জরুরি?
১. অডিটের মেরুদণ্ড: বছরের শেষে যখন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (CA) আপনার সংস্থার অডিট করবেন, তখন তিনি প্রতিটি খরচের সপক্ষে ভাউচার খুঁজবেন। ভাউচার ছাড়া অডিট রিপোর্ট অসম্পূর্ণ এবং এটি 'Audit Objection'-এর কারণ হতে পারে।

২. আইনি সুরক্ষা ও কমপ্লায়েন্স: ইনকাম ট্যাক্স ডিপার্টমেন্ট (যেমন ১২এ বা ৮০জি) বা ফরেন কন্ট্রিবিউশন (FCRA) সংক্রান্ত স্ক্রুটিনিতে ভাউচারই হলো আপনার প্রধান প্রতিরক্ষা। এটি প্রমাণ করে যে সংস্থার টাকা নয়ছয় হয়নি।

৩. ডোনারদের বিশ্বাসযোগ্যতা: কোনো সরকারি দপ্তর বা বড় কর্পোরেট হাউস যখন আপনার এনজিও-কে ফান্ড দেয়, তখন তারা ফান্ডের 'Utilization Report' চায়। সঠিক ভাউচার থাকলে ডোনারদের কাছে আপনার সংস্থার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয় এবং ভবিষ্যতে বড় ফান্ড পাওয়ার পথ সুগম হয়।

৪. আর্থিক শৃঙ্খলা: ভাউচার থাকলে সংস্থার অভ্যন্তরে চুরির ভয় থাকে না এবং সম্পাদক বা কোষাধ্যক্ষ খুব সহজেই হিসাব মেলাতে পারেন।

📌 মনে রাখবেন: "কাজ ভালো করলেই হয় না, তার সঠিক ডকুমেন্টেশন বা প্রমাণও থাকতে হয়।" 🤝 সম্রাট চট্টোপাধ্যায়।

#NGOConsultant #NGOAudit #VoucherManagement #WestBengalNGO #FinancialTransparency #NGOCompliance #SeriesPart1 #ngoconsultancy #ngosamrat #wesrbengalngos

2 days ago | [YT] | 7

NGO Samrat

First-time CSR Proposal শক্তিশালী হয় ভাষা দিয়ে নয়, Structure দিয়ে।

CSR proposal বানানোর সময় নতুন NGO-রা যেগুলো ভুল করে—
▪ Problem statement clear করে না
▪ Budget justification দেয় না
▪ Activity–Outcome–Impact আলাদা করে দেখায় না
▪ Legal eligibility upfront mention করে না

Strong CSR proposal মানে👇
✔ Specific problem, specific solution
✔ Clear timeline & measurable output
✔ CSR Schedule VII aligned activity
✔ NGO legal readiness clearly stated

📌 CSR fund নতুন NGO-কে দেয়,
কিন্তু confused proposal-কে নয়। - সম্রাট চট্টোপাধ্যায়।

#CSR #CSRinAction #CSRInitiative #ngosamrat #ngoconsultant
#csrfunding #csrproposal #funding #ngoconsultant

1 week ago | [YT] | 5

NGO Samrat

সমাজ গঠনে ও উন্নয়নে এনজিওদের ভূমিকা : পর্ব – ৫ : টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও ভবিষ্যৎ সমাজ গঠনে পশ্চিমবঙ্গের এনজিওদের ভূমিকা

সমাজ উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় আজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হল—এই উন্নয়ন কতটা টেকসই এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কতটা নিরাপদ। পশ্চিমবঙ্গের এনজিওগুলি এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে কেবল তাৎক্ষণিক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়নের পথে কাজ করছে। পরিবেশ সংরক্ষণ, বিকল্প জীবিকা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং স্থানীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার—এই সব বিষয়কে কেন্দ্র করেই তাদের কর্মকাণ্ড বিস্তৃত হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের বহু এলাকায় পরিবেশগত অবক্ষয় ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব স্পষ্ট। নদীভাঙন, খরা, বন উজাড় ও মাটির উর্বরতা হ্রাস—এই সমস্যাগুলির মোকাবিলায় এনজিওগুলি সচেতনতা ও কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে। বৃক্ষরোপণ, জল সংরক্ষণ, জৈব চাষ ও পরিবেশবান্ধব জীবিকা উন্নয়নের মাধ্যমে তারা প্রকৃতি ও মানুষের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করছে।

বিশেষ করে জঙ্গলমহল ও আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় এনজিওগুলির ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এখানকার মানুষদের জন্য টেকসই বিকল্প জীবিকার উৎস খুঁজে বের করা, পতিত জমিতে অল্প সেচে ফলের বাগান, এগ্রো-ফরেস্ট্রি ও বনভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে তোলার মাধ্যমে তারা শুধু আয় বৃদ্ধি নয়, সামাজিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত করছে। এর ফলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনে স্থায়িত্ব ও আত্মবিশ্বাস তৈরি হচ্ছে।

শহর ও শহরতলির এলাকাতেও এনজিওগুলি টেকসই উন্নয়নের ধারণাকে সামনে রেখে কাজ করছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানীয় জল ও স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যবিধি এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তারা একটি সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক সমাজ গড়ে তুলতে সহায়তা করছে। সরকারি উদ্যোগ ও কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (CSR) প্রকল্পের সঙ্গে সমন্বয় রেখে এই কাজগুলি আরও বিস্তৃত আকার নিচ্ছে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, পশ্চিমবঙ্গের এনজিওগুলি আজ কেবল সমাজসেবী প্রতিষ্ঠান নয়, বরং ভবিষ্যৎ সমাজ গঠনের অন্যতম অংশীদার। মানুষের ক্ষমতায়ন, প্রকৃতির সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে তারা একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ নির্মাণের পথে কাজ করে চলেছে। এই ধারাবাহিক প্রবন্ধের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের এনজিও আন্দোলনের যে বহুমাত্রিক চিত্র উঠে এল, তা নিঃসন্দেহে আগামী দিনের সমাজ ভাবনায় আমাদের নতুন করে ভাবতে সাহায্য করবে।

পুনশ্চ.

১. পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর (SHG) সংখ্যা প্রায় ১১ লক্ষ। এর একটি বড় অংশই প্রাথমিকভাবে এনজিওদের উদ্যোগে গঠিত ও সংগঠিত হয়েছিল, যা পরবর্তীতে রাজ্যের গ্রামীণ অর্থনীতির মেরুদণ্ডে পরিণত হয়েছে।

২. নারী ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে এনজিওগুলি কার্যত “চেঞ্জ এজেন্ট” হিসেবে কাজ করছে। এর ফলে পশ্চিমবঙ্গের দীর্ঘদিনের অদৃশ্য শ্রমশক্তি—নারীশক্তি—আজ আত্মবিশ্বাস ও উদ্দীপনার সঙ্গে বলতে পারছে, “We Can” / “আমরা পারি”।

৩. পশ্চিমবঙ্গের বহু এনজিও অনগ্রসর অঞ্চল ও জঙ্গলমহলে টেকসই আদিবাসী উন্নয়নের মাধ্যমে আদিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য এক ধরনের “নিরাপত্তা জাল” তৈরি করেছে। বিকল্প জীবিকার উৎস হিসেবে পতিত জমিতে প্রায় বিনা সেচে ফলের বাগান, এগ্রো-ফরেস্ট্রি ইত্যাদি উদ্যোগে তারা সক্রিয় সহায়তা করছে।

৪. পশ্চিমবঙ্গের অনেক এনজিও CSR প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষা, স্কিল ট্রেনিং, ওয়াটার ও স্যানিটেশন, মহিলাদের ঋতুকালীন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সচেতনতা, স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরি ও বিপণন ব্যবস্থাপনা এবং জীবিকা-বর্ধক কর্মসূচি সফলভাবে রূপায়ণ করছে।

৫. পশ্চিমবঙ্গে এনজিওদের মাধ্যমে কৃষক উৎপাদক গোষ্ঠী (FPO) গঠনের কাজ শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের বাধ্যতামূলক কম দামে বিক্রির সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের কৃষি উন্নয়ন দপ্তরের অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তায়। উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহল এলাকায় এনজিওদের সহায়তায় মহিলা FPO গঠিত হয়েছে, যারা জৈব চাষ ও দেশি ধান সংরক্ষণে উল্লেখযোগ্য কাজ করছে।

৬. অনেক এনজিও নারীদের জমির অধিকার বিষয়ে সচেতনতা তৈরির কাজ করছে এবং এই ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ফলাফল আসতে চলেছে। যেহেতু ২০২৬ সালকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ “মহিলা কৃষকদের আন্তর্জাতিক বছর” হিসেবে ঘোষণা করেছে, তাই মহিলা কৃষকদের ক্ষমতায়নে এনজিওগুলির আরও সক্রিয় উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন।

1 week ago | [YT] | 10

NGO Samrat

NGO পরিচালনায় খেয়াল রাখুন—

✔ Governing Body Meeting Minutes ঠিকভাবে লেখা আছে কি?
✔ Resolution-এ উদ্দেশ্য ও সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কি?
✔ Bank Account Operation Resolution আপডেটেড কি না?
✔ Amendment হলে Registrar-কে জানানো হয়েছে কি?

📌 এই ছোট টেকনিক্যাল বিষয়গুলোই ভবিষ্যতে
Audit Objection, Notice কিংবা Registration Cancellation থেকে রক্ষা করে।- সম্রাট চট্টোপাধ্যায়।

#westbengalngos #ngoconsultant #ngoregiatration #NGOs #ngosamrat #ngoconsultant #trustregistration

2 weeks ago | [YT] | 3

NGO Samrat

সমাজ গঠনে ও উন্নয়নে এনজিওদের ভূমিকা : পর্ব – ৪ : পশ্চিমবঙ্গে নারী ক্ষমতায়ন ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠায় এনজিওদের ভূমিকা ---- সমাজের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন নারী ও পুরুষ উভয়ের সমান অংশগ্রহণ এবং অধিকার নিশ্চিত হয়। পশ্চিমবঙ্গে নারী সমাজ দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক বৈষম্য, আর্থিক নির্ভরতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সীমাবদ্ধতার শিকার হয়েছে। এই বাস্তবতায় পশ্চিমবঙ্গের এনজিওগুলি নারী ক্ষমতায়ন ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এক শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে চলেছে।


নারী ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে এনজিওগুলির প্রথম ও প্রধান উদ্যোগ হল আর্থিক স্বাবলম্বিতা। গ্রামীণ ও শহরতলির মহিলাদের নিয়ে স্বনির্ভর গোষ্ঠী গঠন করে তারা সঞ্চয় ও ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবস্থা করেছে। এই গোষ্ঠীগুলির মাধ্যমে মহিলারা ছোট ব্যবসা, হস্তশিল্প, সেলাই, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ ও মৎস্যচাষের সঙ্গে যুক্ত হতে পারছেন। ফলে পরিবারের আয়ে তাঁদের অবদান বাড়ছে এবং আত্মবিশ্বাসও বৃদ্ধি পাচ্ছে।


শুধু আর্থিক উন্নয়ন নয়, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতেও এনজিওগুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাল্যবিবাহ, পণপ্রথা, গার্হস্থ্য হিংসা ও নারী নির্যাতনের মতো সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে তারা নিয়মিত প্রচার ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। আইনগত অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে এনজিওগুলি মহিলাদের নিজেদের অধিকার রক্ষায় সাহসী করে তুলছে।


পশ্চিমবঙ্গের বহু এনজিও নারী ও কন্যাশিশু শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে। মেয়েদের স্কুলে ধরে রাখা, উচ্চশিক্ষায় উৎসাহ প্রদান এবং কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের পথ খুলে দেওয়া—এই সব উদ্যোগ নারীর সামাজিক অবস্থানকে দৃঢ় করছে। শিক্ষিত নারী যে শুধু পরিবার নয়, পুরো সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে—এই ধারণা ধীরে ধীরে বাস্তব রূপ পাচ্ছে।


সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এনজিওগুলি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়িয়েছে। তফসিলি জাতি ও উপজাতি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং সমাজের অন্যান্য পিছিয়ে পড়া অংশের জন্য তারা শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জীবিকা উন্নয়নের বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর ফলে সমাজের মূল স্রোতে তাঁদের অন্তর্ভুক্তি সহজ হচ্ছে।

নারী নেতৃত্ব গড়ে তোলাও পশ্চিমবঙ্গের এনজিও আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। গ্রাম পঞ্চায়েত, স্থানীয় কমিটি ও সামাজিক সংগঠনে নারীদের নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত করতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। এর ফলে নারীরা শুধু উপকারভোগী নয়, বরং সমাজ পরিবর্তনের নেতৃত্বদানকারী হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করছেন।


সব মিলিয়ে বলা যায়, নারী ক্ষমতায়ন ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠায় পশ্চিমবঙ্গের এনজিওগুলি সমাজকে আরও মানবিক, সমতাভিত্তিক ও সচেতন করে তুলছে। পরবর্তী ও শেষ পর্বে আমরা টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ সমাজ গঠনে পশ্চিমবঙ্গের এনজিওদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করব।

3 weeks ago (edited) | [YT] | 14

NGO Samrat

সকল সমাজ কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই ৭৭ তম সাধারণতন্ত্র দিবস ২০২৬ এর প্রীতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

3 weeks ago | [YT] | 10

NGO Samrat

নতুন ভিডিও দেখুন: https://youtu.be/3B0SkM4Vch4

3 weeks ago | [YT] | 2

NGO Samrat

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিনে তাঁর আদর্শ ও ত্যাগকে শ্রদ্ধা জানাই। দেশ ও সমাজের সেবায় তাঁর পথেই এগিয়ে চলার অঙ্গীকার আমাদের ।

3 weeks ago | [YT] | 11

NGO Samrat

সমাজ গঠনে ও উন্নয়নে এনজিওদের ভূমিকা | পর্ব – ৩ : পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে এনজিওদের অবদান .
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য—এই দুই ক্ষেত্র একটি সমাজের ভিত্তি নির্মাণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিমবঙ্গে সরকারি উদ্যোগ থাকলেও বহু প্রত্যন্ত গ্রাম, চা-বাগান এলাকা ও শহরের বস্তি অঞ্চলে আজও মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা সহজলভ্য নয়। এই বাস্তবতায় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এনজিও দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে একটি পরিপূরক ও কার্যকর ভূমিকা পালন করে চলেছে।


শিক্ষাক্ষেত্রে এনজিওগুলির কাজ মূলত পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। বহু এলাকায় তারা অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা কেন্দ্র বা ব্রিজ কোর্স চালু করেছে, যেখানে স্কুলছুট ও শ্রমজীবী পরিবারের শিশুরা প্রাথমিক শিক্ষা লাভের সুযোগ পায়। ধীরে ধীরে এই শিশুদের আবার মূলধারার বিদ্যালয়ে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর ফলে শিক্ষার বাইরে পড়ে থাকা বহু শিশু নতুন করে ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগ পেয়েছে।


প্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষা ও সাক্ষরতা কর্মসূচিতেও এনজিওগুলির ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে গ্রামীণ মহিলা ও শ্রমজীবী মানুষদের পড়া-লেখার দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে তারা শুধু শিক্ষিতই নয়, বরং সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলছে। শিক্ষা যে কেবল চাকরির মাধ্যম নয়, বরং অধিকার ও আত্মমর্যাদার পথ—এই বোধ গড়ে তুলতেই এনজিওগুলি নিরলসভাবে কাজ করছে।


স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের এনজিওগুলির অবদান আরও বহুমুখী। গ্রামীণ ও দূরবর্তী এলাকায় প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দিতে অনেক এনজিও নিয়মিত স্বাস্থ্য শিবির, বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণের ব্যবস্থা করে। মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য, টিকাকরণ, পুষ্টি এবং নিরাপদ প্রসব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তারা মৃত্যুহার কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে।


পুষ্টিহীনতা পশ্চিমবঙ্গের একটি বড় সামাজিক সমস্যা, বিশেষ করে শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে। এনজিওগুলি পুষ্টিকর খাদ্য সম্পর্কে সচেতনতা, রান্নার সঠিক পদ্ধতি ও স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য খাদ্য ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে এই সমস্যার মোকাবিলা করছে। অনেক ক্ষেত্রে তারা সরকারি প্রকল্পের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করে, যাতে পরিষেবার পরিসর আরও বিস্তৃত হয়।


স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এনজিওগুলির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, নিরাপদ পানীয় জল ব্যবহার, স্যানিটেশন ও সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ বিষয়ে নিয়মিত প্রচার ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা মানুষের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছে। এর ফলে রোগ প্রতিরোধের পাশাপাশি চিকিৎসা ব্যয়ের চাপও অনেকটাই কমছে।

এইভাবে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের এনজিওগুলি কেবল তাৎক্ষণিক সেবা প্রদান নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক পরিবর্তনের ভিত্তি তৈরি করছে।

পরবর্তী পর্বে আমরা নারী ক্ষমতায়ন ও সামাজিক ন্যায়ের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের এনজিওদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করব।


#ngosamrat #ngoconsultant #ngoconsultancy #NGORegistration
#westbengalngos #NGOs #nonprofitorganization

4 weeks ago | [YT] | 16

NGO Samrat

আমাদের প্রিয় স্বামীজির আজ জন্মদিন, জন্মদিন পালন হোক স্বপ্নে ,শপথে ও কর্মে ।
"*ভারতের ডালের সুপ, বেনারসি শাড়ি কেটে স্কার্ট তৈরি করে রপ্তানি চেয়েছিলেন স্বামীজি*"।

1 month ago | [YT] | 4