Viral Facts

3 days ago | [YT] | 0

Viral Facts

Sohel Taj said well.

6 months ago | [YT] | 0

Viral Facts

"ভালো আচরণ বনাম প্রতিভা – কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ?



সফলতার জন্য কোনটি বেশি প্রয়োজন, প্রতিভা নাকি ভালো আচরণ? চলুন কুরআন ও হাদিসের আলোকে এটি বিশ্লেষণ করি।

১ - প্রতিভার পক্ষে যুক্তি]
সফলতার জন্য প্রতিভা ও দক্ষতা জরুরি। কুরআনে বলা হয়েছে,
"আর বলুন, তোমরা কাজ করো, অতঃপর আল্লাহ, তাঁর রাসূল এবং মু’মিনগণ তোমাদের কাজ প্রত্যক্ষ করবেন.(সূরা আত-তাওবা: ১০৫)।
কোনো দক্ষতা ছাড়া উন্নতি সম্ভব নয়। নবী দাউদ (আ.) ছিলেন একজন লৌহশিল্পী, আর আমাদের নবী মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী।

২ - ভালো আচরণের পক্ষে যুক্তি
কিন্তু সত্যিকারের সফলতা কী? রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,
"তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সে, যার চরিত্র সর্বোত্তম।" (বুখারি)
প্রতিভা মানুষকে ধনী করতে পারে, কিন্তু উত্তম চরিত্র মানুষকে সম্মানিত করে এবং আল্লাহর রহমত লাভ করায়। কুরআনে বলা হয়েছে,
"নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে আল্লাহর নিকট সবচেয়ে সম্মানিত সে, যে সবচেয়ে মুত্তাকি (পরহেজগার)।" (সূরা আল-হুজুরাত: ১৩)।

প্রতিভা ও দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ, তবে ইসলাম অনুযায়ী উত্তম চরিত্র সর্বাধিক মূল্যবান। প্রতিভা আপনাকে উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে, কিন্তু কেবল ভালো আচরণই আপনাকে সেখানে ধরে রাখতে পারে। আল্লাহ আমাদের উত্তম চরিত্র দান করুন। আমীন!

10 months ago | [YT] | 1

Viral Facts

পর্বতগুলোর ভূমিকা - আল্লাহর এক মহাবিস্ময়!"



আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেছেন—
‘আমি পর্বতকে ভূমির জন্য খুঁটি হিসেবে স্থাপন করেছি।’ (সূরা নাবা ৭৮:৭)

কিন্তু এর অর্থ কী? পর্বত কি সত্যিই খুঁটির মতো কাজ করে? বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে কীভাবে এটি সত্য? আজ আমরা এই বিষয়ে গভীরভাবে জানবো! ভিডিওটি পুরো দেখুন, কারণ শেষে এমন কিছু জানবেন যা আপনাকে অবাক করে দেবে!
১: পর্বতের ভূমিকা কী?
"আপনি কি জানেন, পর্বতগুলো শুধুমাত্র ভূমির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, বরং এটি আমাদের পৃথিবীকে স্থিতিশীল রাখে?

কুরআনে পর্বতকে ‘খুঁটি’ বলা হয়েছে। এর মানে কী? বিজ্ঞান বলে, পর্বতগুলোর একটি বিশাল অংশ মাটির নিচে প্রবেশ করে থাকে, যা পৃথিবীর ভূত্বককে স্থিতিশীল করে। একে বলা হয় ‘রুট সিস্টেম’ বা ‘গোড়ার মতো শক্ত ভিত্তি’।"
আপনি যদি একটা তাঁবু খাটান, তাহলে দেখবেন তাঁবুর দড়িগুলো মাটির গভীরে পুঁতে রাখতে হয়, যাতে এটি উড়ে না যায়। ঠিক তেমনই, আল্লাহ আমাদের পৃথিবীর জন্য পর্বত তৈরি করেছেন যেন এটি কম্পিত না হয়। সুবহানাল্লাহ!

কোনো সন্দেহ নেই যে কুরআনের প্রতিটি বাণী সত্য! আজকের আধুনিক বিজ্ঞানও এটি স্বীকার করেছে!

উনিশ শত শতাব্দীতে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন যে পর্বতগুলোতে শিকড়ের মতো অংশ থাকে, যা ভূপৃষ্ঠের গভীরে প্রবেশ করে এবং ভূকম্পন বা টেকটোনিক প্লেটের গতিবিধিকে নিয়ন্ত্রণ করে।"

“বিজ্ঞান কী বলে?”]
পর্বত থাকায় আমাদের পৃথিবী অতিরিক্ত কম্পিত হয় না, আর এটি পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করে। কুরআন এই সত্য চোদ্দোশো বছর আগেই জানিয়ে দিয়েছে! আলহামদুলিল্লাহ!

৩: পর্বতের অন্যান্য উপকারিতা]
কিন্তু শুধু তাই নয়! পর্বত আমাদের জীবনে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে—

✅ পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখে
✅ জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে
✅ বৃষ্টি সৃষ্টি করতে সাহায্য করে
✅ নদী ও পানির উত্স ধরে রাখে

এমনকি আমরা যে বিশুদ্ধ বাতাস গ্রহণ করি, তা অনেকাংশে পাহাড়ি গাছপালার অবদান!

৪: আমাদের কী করা উচিত?]
আমাদের উচিত আল্লাহর দেওয়া এই মহা নেয়ামত সংরক্ষণ করা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, আমরা আজ বন উজাড় করে পর্বতের সৌন্দর্য ধ্বংস করছি।

🌱 আমাদের আরও বেশি গাছ লাগানো উচিত।
🌍 পরিবেশ দূষণ রোধ করা উচিত।
🤲 আল্লাহর সৃষ্টি সম্পর্কে সচেতন হওয়া উচিত।"

"আপনার করণীয়!

"সুবহানাল্লাহ! পর্বত শুধু সৌন্দর্য নয়, বরং আমাদের নিরাপত্তার এক বিশাল উপহার! 🏔️ আল্লাহর সৃষ্টি কত অসাধারণ, তাই না?

আপনি যদি বিশ্বাস করেন যে কুরআনের প্রতিটি বাণী সত্য, তাহলে কমেন্টে ‘সুবহানাল্লাহ’ লিখুন! আর এমন আরও ইসলামিক এবং বিজ্ঞানভিত্তিক ভিডিওর জন্য চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন!

লাইক, শেয়ার এবং সাবস্ক্রাইব করুন! ❤️

10 months ago | [YT] | 0

Viral Facts

গ্রহ ও নক্ষত্রের নির্দিষ্ট কক্ষপথ: (সূরা ইয়াসিন ৩৬:৪০) – বৈজ্ঞানিক ও ইসলামী ব্যাখ্যা
আল্লাহ বলেন:

"সূর্য কখনো চন্দ্রকে ধরে ফেলতে পারবে না, আর রাতও কখনো দিনের আগে আসতে পারবে না। প্রত্যেকেই নিজ নিজ কক্ষপথে সঞ্চারণশীল।" (সূরা ইয়াসিন ৩৬:৪০)

এই আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ আমাদের মহাবিশ্বের নিখুঁত শৃঙ্খলার কথা জানিয়ে দিয়েছেন, যা আধুনিক বিজ্ঞানের সাথেও পুরোপুরি মিল রয়েছে।

বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ:
আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানে আমরা জানি যে, সূর্য, চন্দ্র এবং অন্যান্য গ্রহ-নক্ষত্র প্রত্যেকে নিজস্ব কক্ষপথে নির্দিষ্ট নিয়মে ঘূর্ণায়মান।

সূর্যের গতি: সূর্য তার নিজস্ব কক্ষপথে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২২০ কিলোমিটার বেগে আকাশগঙ্গা ছায়াপথের কেন্দ্রকে প্রদক্ষিণ করছে।
চাঁদের গতি: চাঁদ পৃথিবীকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করে, কিন্তু কখনোই সূর্যের কক্ষপথে চলে যায় না বা একে অতিক্রম করে না।
দিন-রাতের পরিবর্তন: পৃথিবী সূর্যের চারদিকে আবর্তিত হয়, ফলে নির্দিষ্ট সময় পর দিন ও রাত সৃষ্টি হয়, যা কখনোই একে অপরের আগে আসে না।
ইসলামিক শিক্ষা:
এই আয়াত থেকে বোঝা যায় যে, আল্লাহ মহাবিশ্বের প্রত্যেক বস্তু নির্দিষ্ট নিয়ম ও শৃঙ্খলার মধ্যে সৃষ্টি করেছেন। এ থেকে আমরা শিক্ষা পাই যে, আমাদের জীবনেও শৃঙ্খলা থাকা জরুরি।

উপসংহার:
সূরা ইয়াসিনের এই আয়াত বিজ্ঞানের চমৎকার বাস্তবতার সাথে মিলে যায়, যা প্রমাণ করে যে, কুরআন শুধু ধর্মীয় গ্রন্থ নয়, বরং এতে বিশ্বজগতের বাস্তবতাও তুলে ধরা হয়েছে।

You said:
Please write it within 500 words more details
ChatGPT said:
গ্রহ ও নক্ষত্রের নির্দিষ্ট কক্ষপথ: (সূরা ইয়াসিন ৩৬:৪০) – বৈজ্ঞানিক ও ইসলামী বিশ্লেষণ
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন:

"সূর্য কখনো চন্দ্রকে ধরে ফেলতে পারবে না, আর রাতও কখনো দিনের আগে আসতে পারবে না। প্রত্যেকেই নিজ নিজ কক্ষপথে সঞ্চারণশীল।" (সূরা ইয়াসিন ৩৬:৪০)

এই আয়াতে মহান আল্লাহ আমাদের মহাবিশ্বের শৃঙ্খলা, সুবিন্যস্ততা এবং গ্রহ-নক্ষত্রের নির্দিষ্ট কক্ষপথে চলার বাস্তবতা বর্ণনা করেছেন। আধুনিক বিজ্ঞানও এই বাস্তবতাকে প্রমাণ করেছে, যা কুরআনের অলৌকিকত্বের অন্যতম নিদর্শন।

বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ:
আজকের জ্যোতির্বিজ্ঞান আমাদের জানায় যে, মহাবিশ্বের প্রতিটি নক্ষত্র, গ্রহ এবং উপগ্রহ নির্দিষ্ট কক্ষপথে চলাচল করে। এই ধারাবাহিকতা ব্যাহত হলে মহাবিশ্বে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতো।

১. সূর্যের নিজস্ব কক্ষপথ
অনেকেই মনে করেন সূর্য স্থির, কিন্তু আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে যে, সূর্যও একটি কক্ষপথে নিজস্ব গতি অনুসারে পরিভ্রমণ করছে।

সূর্য প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২২০ কিলোমিটার গতিতে ছায়াপথের কেন্দ্রকে প্রদক্ষিণ করছে।
এটি Galactic Orbit (আকাশগঙ্গার চারপাশে প্রদক্ষিণ) সম্পন্ন করতে প্রায় ২২৫-২৫০ মিলিয়ন বছর সময় নেয়।
এই তথ্য বিজ্ঞানীরা ২০শ শতাব্দীর শেষের দিকে নিশ্চিত করেছেন, যা কুরআনে প্রায় ১৪০০ বছর আগেই উল্লেখ করা হয়েছে।
২. চাঁদের কক্ষপথ ও গতি
চাঁদ তার নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে এবং একইসঙ্গে সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবীর সাথে আবর্তিত হচ্ছে।

চাঁদের কক্ষপথ এমনভাবে বিন্যস্ত যে এটি কখনো সূর্যের কক্ষপথকে অতিক্রম করে না বা একে ধরা দেয় না।
চাঁদের এক মাসব্যাপী আবর্তন হিজরি ক্যালেন্ডারের ভিত্তি, যা কুরআনে সূক্ষ্মভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
৩. দিন ও রাতের পরিবর্তন
আল্লাহ বলেন, "রাত কখনো দিনের আগে আসতে পারে না", অর্থাৎ দিন ও রাতের পরিবর্তন একটি নির্দিষ্ট প্রাকৃতিক নিয়মের মাধ্যমে ঘটে।

পৃথিবী তার নিজস্ব অক্ষে ঘূর্ণন করায় দিন ও রাত সৃষ্টি হয়।
পৃথিবীর সূর্যের চারদিকে আবর্তনের কারণে ঋতু পরিবর্তন হয়, যা সূর্য-চন্দ্রের পূর্বনির্ধারিত গতির প্রমাণ।
পৃথিবীর এই নিয়ন্ত্রিত গতিই দিন-রাতের সময় নির্ধারণ করে, যা কখনোই পূর্বনির্ধারিত নিয়ম ভঙ্গ করে না।
ইসলামিক শিক্ষা ও গুরুত্ব:
১. মহাবিশ্বের শৃঙ্খলা ও পরিকল্পনা
এই আয়াত প্রমাণ করে যে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা মহাবিশ্বকে একটি নিখুঁত শৃঙ্খলার মধ্যে পরিচালনা করছেন। পৃথিবী, সূর্য, চাঁদ এবং অন্যান্য নক্ষত্র যদি তাদের নির্দিষ্ট কক্ষপথে না থাকতো, তাহলে মহাবিশ্বে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতো।

২. কুরআনের অলৌকিকতা
কুরআন ১৪০০ বছর আগে এমন একটি বৈজ্ঞানিক সত্য প্রকাশ করেছে, যা মানুষ মাত্র কয়েক শতাব্দী আগে বুঝতে সক্ষম হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, কুরআন শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় গ্রন্থই নয়, বরং এতে বিজ্ঞান, মহাবিশ্ব ও জীবন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান রয়েছে।

৩. আল্লাহর শক্তির প্রমাণ
এটি আমাদের জন্য একটি শিক্ষা যে, আল্লাহর সৃষ্টি কখনো বিশৃঙ্খল বা এলোমেলো নয়। তাঁর প্রতিটি সৃষ্টির পিছনে রয়েছে নির্দিষ্ট নিয়ম ও উদ্দেশ্য।

৪. জীবনের শৃঙ্খলার শিক্ষা
যেমনটি আল্লাহ মহাবিশ্বকে নির্দিষ্ট নিয়মের অধীনে পরিচালনা করেন, তেমনি আমাদের জীবনেও শৃঙ্খলা ও নিয়ম থাকা উচিত। নির্দিষ্ট লক্ষ্য ছাড়া জীবন যেমন অর্থহীন, তেমনি শৃঙ্খলা ছাড়া মহাবিশ্বও টিকে থাকতে পারত না।

উপসংহার:
সূরা ইয়াসিনের ৩৬:৪০ নম্বর আয়াত বিজ্ঞানের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। এটি প্রমাণ করে যে, আল্লাহর সৃষ্টি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে, যা আমাদের চিন্তা ও গবেষণার মাধ্যমে উপলব্ধি করা উচিত। বিজ্ঞান যতই উন্নত হোক না কেন, কুরআনের সত্যতা বারবার প্রমাণিত হয়। এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, আল্লাহর সৃষ্টিতে কোনো ভুল নেই এবং প্রতিটি জিনিস নিখুঁতভাবে পরিচালিত হয়।

"এতে যারা গভীরভাবে চিন্তা করে, তাদের জন্য নিঃসন্দেহে নিদর্শন রয়েছে।" (সূরা আলে ইমরান ৩:১৯০-১৯১)

আল্লাহ আমাদের কুরআনের জ্ঞান বুঝার এবং তার উপর আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

11 months ago | [YT] | 0

Viral Facts

গরিব মানুষের জন্য সহজ উপায়ে ধনী হওয়ার পথ:
ধনী হওয়ার কোনো ম্যাজিক নেই, তবে স্মার্ট পরিকল্পনা, ধৈর্য ও পরিশ্রম করলে সফল হওয়া সম্ভব। এখানে কিছু সহজ ও বাস্তবসম্মত উপায় আছে যা দরিদ্র মানুষকেও ধনী হতে সাহায্য করবে।

১. চাহিদাসম্পন্ন একটি দক্ষতা শেখা (ফ্রি)
অধিকাংশ ধনী মানুষ একটি মূল্যবান দক্ষতা শিখে সেটার মাধ্যমে ধনী হয়েছে।
সহজ দক্ষতা: ডিজিটাল মার্কেটিং, ফ্রিল্যান্সিং (গ্রাফিক ডিজাইন, লেখালেখি, প্রোগ্রামিং), ইলেকট্রিক বা প্লাম্বিং কাজ।
কোথায় শিখবেন: ইউটিউব, Coursera, Udemy, Google Digital Garage (বিনামূল্যে)।
২. কম পুঁজিতে ছোট ব্যবসা শুরু করুন
যা মানুষ প্রতিদিন কিনবে, তাই বিক্রি করুন।
উদাহরণ:
পাইকারি দামে পণ্য কিনে অনলাইনে বা লোকাল মার্কেটে বিক্রি করা।
ছোটখাটো স্ট্রিট ফুড ব্যবসা (চটপটি, ফুচকা, স্ন্যাকস)।
মোবাইল মেরামত বা ইলেকট্রনিকস সার্ভিস।
৩. ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন করুন
সহজ অনলাইন কাজ:
ফ্রিল্যান্সিং (Fiverr, Upwork)
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (প্রোডাক্ট প্রোমোট করে কমিশন আয়)
ইউটিউব বা টিকটক (একটি মোবাইল দিয়েই শুরু করুন)
কোনো দক্ষতা না থাকলে? ডাটা এন্ট্রি, কাস্টমার সার্ভিস বা রিসেলিং ব্যবসা শুরু করুন।
৪. সঞ্চয় ও বিনিয়োগ করুন
নিয়ম: যত কমই উপার্জন করেন, কমপক্ষে ১০% সঞ্চয় করুন।
কোথায় বিনিয়োগ করবেন?
ছোট লাভজনক ব্যবসা
গবাদি পশু, স্বর্ণ বা সস্তায় জমি কিনে রাখা
যা করবেন না: অপ্রয়োজনীয় খরচে টাকা নষ্ট করা।
৫. পরিশ্রমের সাথে বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করুন
ধনী হওয়ার শুধু কষ্টের কাজ নয়, বুদ্ধিমত্তারও দরকার।
যখন ব্যবসা বড় হবে, তখন কাজের জন্য অন্যকে নিয়োগ করুন এবং নিজে বড় সুযোগ খুঁজুন।
বহুমুখী আয়ের উৎস তৈরি করুন, যেন একটি জায়গা থেকে টাকা না এলেও সমস্যা না হয়।
৬. সঠিক মানুষদের সাথে মেলামেশা করুন
ধনী হতে চাইলে ধনী ও সফল মানুষদের সাথে মেলামেশা করুন।
ব্যবসা ইভেন্টে যান, উদ্যোক্তাদের সাথে কথা বলুন, ধনী মানুষ কীভাবে সফল হয়েছে তা শিখুন।
৭. ধৈর্য ধরুন এবং আল্লাহর ওপর ভরসা করুন
ধনী হওয়া একদিনের বিষয় নয়।
পরিশ্রম করুন, ধৈর্য ধরুন এবং নিয়মিত দোয়া করুন।
দোয়া + কঠোর পরিশ্রম = সাফল্য
🔹 বাস্তব সত্য: অধিকাংশ ধনী মানুষ গরিব পরিবার থেকে উঠে এসেছে। তারা সুযোগ খুঁজেছে, পরিশ্রম করেছে এবং কখনো হাল ছাড়েনি। আপনিও পারবেন! আজই শুরু করুন! 🚀

11 months ago | [YT] | 1

Viral Facts

আপনার স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে চান প্রাকৃতিক উপায়ে? পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি DXN Morinzhi—একটি শক্তিশালী ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট যা তৈরি হয়েছে Morinda citrifolia (ননী ফল) থেকে। এটি আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, শরীরকে ডিটক্সিফাই করে, এবং সামগ্রিক সুস্থতা নিশ্চিত করে। চলুন জেনে নেই এর অসাধারণ উপকারিতা!



🍃 Morinzhi কী?
Morinzhi হল প্রাকৃতিক ননী ফল থেকে তৈরি একটি স্বাস্থ্যকর সাপ্লিমেন্ট। শত শত বছর ধরে এটি আয়ুর্বেদ ও প্রাকৃতিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ, ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

DXN Morinzhi-এর প্রধান উপকারিতা
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় – "Morinzhi শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে, যাতে আপনি সহজে অসুস্থ না হন।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ – "এটি ফ্রি-র‍্যাডিক্যাল প্রতিরোধ করে, যা বার্ধক্য ধীর করে এবং শরীরকে সুস্থ রাখে।

❤️ হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখে – "রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে।

🧠 মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায় – "স্ট্রেস কমায়, মনোযোগ বৃদ্ধি করে এবং ঘুম ভালো করতে সাহায্য করে।

🌱 হজম ও শরীর ডিটক্সিফাই করে – "পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে এবং শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে।
Morinzhi কীভাবে ব্যবহার করবেন?
✔️ "খুব সহজ! প্রতিদিন ৩০ মিলি. (২ চামচ) পানি বা জুসের সাথে মিশিয়ে খাবারের আগে গ্রহণ করুন। ভালো ফলাফলের জন্য নিয়মিত ব্যবহার করুন এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করুন।

কেন DXN Morinzhi বেছে নেবেন?
🌟 ১০০% প্রাকৃতিক ও নিরাপদ
🌟 বিশ্বব্যাপী লাখো মানুষের আস্থা
🌟 বৈজ্ঞানিকভাবে গবেষিত উপাদান

বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার মানুষ DXN Morinzhi-এর উপকারিতা উপভোগ করছেন। আপনি কেন পিছিয়ে থাকবেন?

আপনার স্বাস্থ্যকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিতে চান? আজই DXN Morinzhi ট্রাই করুন এবং পার্থক্য অনুভব করুন!"

অর্ডার করতে আপনার নিকটস্থ DXN ডিস্ট্রিবিউটরের সাথে যোগাযোগ করুন বা Deexen ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন!
আমি একজন অভিজ্ঞ ডক্টর এবং আমি ডিএক্সেন এর সাথে কাজ করে নিজের ও পরিবারের সুস্থতা রক্ষা করে ভালো আছি এবং এখন থেকে আমি প্রতি মাসে আনলিমিটেড ইনকাম করছি , আপনিও আপনার ইনকাম বহুগুনে বাড়িয়ে নিন, ডিএক্সেন এর প্রোডাক্ট ব্যবহার করে, আর পরিবারের সুস্থতা বজায় রাখুন , ডিএক্সেন এ জয়েন করার জন্য কমেন্ট করুন এবং ফোন নম্বর দিয়ে রাখুন .
আরো জ্ঞান অর্জনের জন্য আমাদের কাছে কমেন্ট করুন, সাবস্ক্রাইব ও লাইক করুন .

11 months ago | [YT] | 0

Viral Facts

The Expansion of the Universe – A Quranic Miracle!

"Did you know that what modern science discovered in the 20th century was already mentioned in the Quran 1400 years ago? Today, we will explore the amazing truth about the expansion of the universe!"
"Modern astronomy tells us that the universe is constantly expanding. But did you know that Allah already revealed this fact in the Quran over 1400 years ago?"


'And We have built the universe with power, and indeed, We are expanding it.' (Surah Adh-Dhariyat 51:47)

"In 1929, scientist Edwin Hubble observed that galaxies are moving away from each other. This led to the groundbreaking discovery that the universe is expanding! Later, in 1965, the discovery of cosmic microwave background radiation further confirmed the Big Bang theory and the universe’s expansion."
"What is truly astonishing is that while science discovered this fact less than 100 years ago, the Holy Quran mentioned it long before! This is yet another proof that the Quran is a book of divine knowledge from Allah, free from error."
"Today, scientific discoveries are aligning with the truth of the Quran. Let’s explore its wisdom, understand its connection to science, and strengthen our faith."

"What are your thoughts on this Quranic miracle? Comment below and share this video so more people can learn about this amazing fact!"

#QuranAndScience #BigBang #IslamAndScience #UniverseExpansion #QuranMiracles

11 months ago | [YT] | 0

Viral Facts

বিগ ব্যাং থিওরি: কুরআন বলে, আকাশ ও পৃথিবী একত্রে ছিল, পরে আলাদা করা হয়। (সূরা আম্বিয়া ২১:৩০)
মহাবিশ্বের সৃষ্টির রহস্য আজও বিজ্ঞানীদের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু।"
বিজ্ঞানীরা মহাবিস্ফোরণের মডেল নিয়ে গবেষণা করছেন, কম্পিউটারে মহাবিশ্বের বিস্তার দেখাচ্ছেন।

বিগ ব্যাং তত্ত্ব অনুযায়ী, প্রায় তেরো দশমিক আট বিলিয়ন বছর আগে একটি বিশাল বিস্ফোরণের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়।"
কুরআনের সূরা আম্বিয়া ২১:৩০-এ বলা হয়েছে: 'আকাশ ও পৃথিবী একত্রে ছিল, পরে আলাদা করা হয়।' এই বর্ণনা বিগ ব্যাং তত্ত্বের সাথে বিস্ময়কর সাদৃশ্যপূর্ণ।

বিজ্ঞানী ও ধর্মীয় পণ্ডিতরা একত্রে আলোচনা করছেন, কুরআনের আয়াত ও বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের সম্পর্ক নিয়ে।

এটি প্রমাণ করে যে, কুরআনে মহাবিশ্বের সৃষ্টির বিষয়ে পূর্বেই এমন তথ্য উল্লেখিত হয়েছে, যা আধুনিক বিজ্ঞানের আবিষ্কারের সাথে মিলে যায়।
মহাবিশ্বের বিস্তার, নক্ষত্র, গ্রহ এবং পৃথিবীকে প্রদর্শন করে।

বিজ্ঞান ও ধর্মের এই মিল আমাদের সৃষ্টির রহস্যের গভীরে নিয়ে যায়, যা আমাদের বিশ্বাস ও জ্ঞানের সমন্বয়কে শক্তিশালী করে।

এই স্ক্রিপ্টটি কুরআনের আয়াত এবং বিগ ব্যাং তত্ত্বের মধ্যে সাদৃশ্য তুলে ধরে, যা দর্শকদের বিজ্ঞান ও ধর্মের সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে।
ইসলামের যেকোনো বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের জন্য বা আপনি কোন বিষয়ে ভিডিও দেখতে চান তা কমেন্টে লিখুন আমরা সে বিষয়ে নেক্সট ভিডিও বানাবো
আরো জ্ঞান অর্জনের জন্য আমাদের কাছে কমেন্ট করুন, সাবস্ক্রাইব ও লাইক করুন .

11 months ago | [YT] | 0

Viral Facts

দেশের বিভিন্ন জায়গায় যে খুন, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজি হচ্ছে তা করা করছে বলে আপনি মনে করেন ?

11 months ago | [YT] | 0