Classes are conducted on state-of-the-art content created by advanced technology through this channel. By which the scope of knowledge of the students will increase and creativity will increase.smartclass
এই চ্যানেলের মাধ্যমে উন্নত প্রযুক্তির দ্বারা তৈরিকৃত অত্যাধুনিক কনটেন্ট এ ক্লাস পরিচালনা করা হয়। যা দ্বারা শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধি পাবে।
smartclass-24
ইসলামের দৃষ্টিতে নেতা /জনপ্রতিনিধি নির্বাচন(ভোট) এবং নেতৃত্বের গুরুত্ব কি?
# ইসলামে নেতৃত্বের মূলনীতি #
একটি দল, সমাজ বা রাষ্ট্রের জন্য জনপ্রতিনিধি, নেতা বা আমির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নেতার চরিত্র ও সিদ্ধান্তের ওপরই জাতির সুখ-দুঃখ নির্ভর করে। নেতা যদি ন্যায়পরায়ণ হয় তবে সমাজে শান্তি বিরাজ করবে, আর নেতা যদি জালেম হয় তবে জনগণ জুলুমের শিকার হবে। তাই নেতৃত্বের ক্ষেত্রে সর্বাধিক যোগ্য ও সৎ ব্যক্তিকেই নির্বাচন করা জরুরি।
# ইসলামী নেতৃত্বের প্রধান গুণাবলি
১. **নরম ও কোমল স্বভাবের** – আল্লাহ বলেন, *“হে নবী! আপনি যদি রূঢ় ও কঠোর স্বভাবের হতেন, তবে মানুষ আপনার কাছ থেকে দূরে চলে যেত।”* (আলে ইমরান: ১৫৯)
২. **স্নেহশীল ও দয়ালু** – কুরআনে বলা হয়েছে, *“রাসূল তোমাদের কল্যাণকামী, মুমিনদের প্রতি স্নেহশীল ও দয়ালু।”* (তাওবা: ১২৮)
৩. **ধৈর্যশীল** – আল্লাহ বলেন, *“ঈমানদাররা সত্যের উপদেশ দেয় এবং ধৈর্যের উপদেশ দেয়।”* (আস্র: ৩)
৪. **হিতাকাঙ্ক্ষী** – রাসূল (সা.) দোয়া করেছেন, *“হে আল্লাহ! সাকিফ গোত্রকে হেদায়েত দাও।”* (তিরমিজি: ৩৯৪২)
৫. **পরামর্শপ্রিয়** – সাহাবারা বলেন, রাসূল (সা.) সর্বাধিক পরামর্শ গ্রহণ করতেন। (তিরমিজি: ১৭১৪)
৬. **সহজ ব্যবহারকারী** – নবী (সা.) বলেছেন, *“মানুষের সঙ্গে সহজ ব্যবহার কর, কঠিন করো না, সুসংবাদ দাও, বিমুখ করো না।”* (বুখারি: ৬৯)
৭. **নেতৃত্বে লোভ না থাকা** – নবী (সা.) বলেছেন, *“আমরা কখনো সেই ব্যক্তিকে নেতা বানাই না, যে নেতৃত্ব কামনা করে।”* (মুসলিম: ৪৭১৭)
৮. **সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজ থেকে নিষেধ** – যদি কোনো সমাজ অন্যায়কে প্রতিরোধ না করে, তবে আল্লাহ তাদের ওপর শাস্তি দেন। (আবু দাউদ)
# অসৎ নেতার জন্য হুঁশিয়ারি
* যে নেতা মুসলমানদের কল্যাণের চেষ্টা করবে না, সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। (মুসলিম: ৪৭৩১)
* প্রতারণামূলক নেতা জান্নাত থেকে বঞ্চিত হবে। (বুখারি)
* যে জনগণের কষ্ট লাঘব করবে, আল্লাহ তার কষ্ট লাঘব করবেন। (আবু দাউদ: ২৯৪৮)
# রাসূল (সা.)-এর দোয়া#
* অন্যায়কারী নেতার জন্য বদদোয়া: *“হে আল্লাহ! যে আমার উম্মতের ওপর দায়িত্ব পেয়ে তাদের কষ্ট দেয়, আপনিও তাকে কষ্ট দিন।”*
* ন্যায়পরায়ণ নেতার জন্য দোয়া: *“যে উম্মতের ওপর দায়িত্ব পেয়ে নম্র ব্যবহার করে, আপনিও তার সঙ্গে নম্র ব্যবহার করুন।”* (মুসলিম: ৪৭২২)
# যোগ্যতার শর্ত
* যদি যোগ্য কাউকে বাদ দিয়ে অযোগ্যকে নেতা বানানো হয়, তবে তা আল্লাহ, রাসূল ও মুমিনদের সঙ্গে খিয়ানত। (হাকিম: ৪/৯২)
নেতার আনুগত্য করাঃ
* রাসূল (সা.) বলেছেন, *“যে নেতা আল্লাহর বিধান মেনে চলে, তার আনুগত্য কর; সে যদি গোলামও হয়।”* (মুসলিম: ৪৭৬২, বুখারি: ৭১৪২)
ইসলামের দৃষ্টিতে নেতা শুধু ক্ষমতার অধিকারী নয়, বরং তিনি জনগণের অভিভাবক। তাঁর দায়িত্ব হলো দয়া, ন্যায়, পরামর্শ, ধৈর্য ও সৎকাজ প্রতিষ্ঠা করা। নেতৃত্ব আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি আমানত; তাই এর জন্য সর্বাধিক যোগ্য ও তাকওয়াবান ব্যক্তিকেই নির্বাচন করা জরুরি।
# ভোট কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ভোট শুধু রাজনৈতিক অধিকার নয়, বরং এটি একটি **আমানত**। এর মাধ্যমে আমরা সঠিক ও যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্বশীল পদে প্রতিষ্ঠিত করতে পারি। ইসলামে আমানত রক্ষা করা অপরিহার্য।
আল্লাহ বলেন:
**“আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দেন যে, তোমরা আমানত তাদেরই হাতে পৌঁছে দেবে, যারা তার উপযুক্ত।”**(সুরা নিসা: ৫৮)
ভোট হলো এক ধরনের **সাক্ষ্য**। সুতরাং, অযোগ্য বা অন্যায়কারীকে ভোট দেওয়া মানে ভুল সাক্ষ্য দেওয়া।
আল্লাহ বলেন:
**“তোমরা সাক্ষ্য গোপন করো না। যে কেউ সাক্ষ্য গোপন করে, তার অন্তর অবশ্যই পাপী।”**(সুরা বাকারা: ২৮৩)
# কে ভোট পাওয়ার যোগ্য ঃ
১. **সৎ, যোগ্য ও আল্লাহভীরু প্রার্থীকে ভোট দেওয়া ফরজুল কিফায়া**।
২. খোদাদ্রোহী, ইসলামবিদ্বেষী, জালেম বা রাষ্ট্রবিরোধীকে ভোট দেওয়া হারাম।
৩. যদি সৎ ও ন্যায়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত প্রার্থী পাওয়া যায়, তবে ভোটদান থেকে বিরত থাকা অন্যায়।
হাদিসে এসেছে:
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
**“যখন কোনো কাজের জন্য এমন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, অথচ সেখানে তার চেয়ে বেশি যোগ্য ব্যক্তি বিদ্যমান থাকে, তবে সে আল্লাহ, তাঁর রাসুল এবং সব মুমিনদের সঙ্গে খেয়ানত করে।”**(মুসতাদরাকুল হাকিম, ৪/৯২)
➡️ আল্লাহ বলেন:
**“তোমরা আল্লাহকে যতটুকু সম্ভব ভয় কর।”**(সুরা তাগাবুন: ১৬)
অর্থাৎ, যতটুকু সামর্থ্য আছে, সেই অনুযায়ী সর্বোত্তম চেষ্টা করতে হবে।
# ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকা কেন অন্যায়?
কারণ ভোট না দেওয়া মানে জালেম ও অযোগ্য ব্যক্তিদের জয়লাভের সুযোগ করে দেওয়া। এটা একধরনের **অন্যায়ের সহযোগিতা**।
➡️ আল্লাহ বলেন:
**“সৎকাজ ও তাকওয়ায় একে অপরকে সাহায্য করো, আর পাপ ও জুলুমে সাহায্য করো না।”**(সুরা মায়েদা: ২)
# সারসংক্ষেপ
* ভোট দেওয়া ইসলামে একটি বড় দায়িত্ব ও আমানত।
* সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়া ওয়াজিবুল কিফায়া।
* জালেম, খোদাদ্রোহী বা ইসলামবিদ্বেষীকে ভোট দেওয়া হারাম।
* সৎ প্রার্থী না থাকলে তুলনামূলক উত্তম বা কম ক্ষতিকর ব্যক্তিকে ভোট দিতে হবে।
* ভোটদান থেকে বিরত থাকা মানে অন্যায়কে সুযোগ দেওয়া।
সংক্ষেপে: **ভোট শুধু রাজনৈতিক কাজ নয়; এটি একটি ইসলামী দায়িত্ব ও আমানত। আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জনগণের কল্যাণের জন্য ভোট অবশ্যই সৎ, যোগ্য ও আল্লাহভীরু ব্যক্তিকেই দিতে হবে।**
-- হে মহান রাব্বুল আলামিন। আমাদিগকে সৎ যোগ্য ও আল্লাহ ভীরু নেতা নির্বাচনের মাধ্যমে এদেশে ইসলামী পার্লামেন্ট গঠনের তাওফিক দান করুন। আমিন।
4 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
smartclass-24
https://youtu.be/C1ZggR510A4
6 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
smartclass-24
স্মৃতিসৌধে এসে গুরুতর অসুস্থ মির্জা ফখরুল, শুয়ে পড়লেন মেঝেতেই @
1 year ago | [YT] | 1
View 0 replies
smartclass-24
ষাণ্মাসিক মূল্যায়নের ক্ষেত্রে করণীয় .....
কাজের ধারাবাহিকতা:
১। শিখনকালীন মূল্যায়ন: প্রত্যেকটি বিষয়ে প্রদত্ত যোগ্যতা আলাদা আলাদা শীটে মূল্যায়ন করতে হবে।
২। ষাণ্মাসিক মূল্যায়ন: ষাণ্মাসিক উৎসবের সময়ে উৎসবে প্রদত্ত PI মূল্যায়ন করতে হবে।
৩। PI ট্রান্সক্রিপ্ট তৈরি: শিখনকালীন মূল্যায়নের PI ও ষাণ্মাসিক মূল্যায়নের PI-এর সমন্বয়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর আলাদা আলাদা ট্রান্সক্রিপ্ট তৈরি করতে হবে।
৪। BI ট্রান্সক্রিপ্ট তৈরি: বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক ক্লাস চলাকালীন সময় থেকে ষাণ্মাসিক মূল্যায়নের সময় পর্যন্ত প্রতিটি শিক্ষার্থীর BI (১০টি সূচক) মূল্যায়ন একটি শীট করবেন এবং শ্রেণি শিক্ষক ১০টি BI নিয়ে একটি ট্রান্সক্রিপ্ট তৈরি হবে।
প্রত্যেক বিষয়ের কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে নতুন কারিকুলামে । মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এই যোগ্যতাকে একক যোগ্যতা হিসাবে ধরা হয়েছে। একটি একটি যোগ্যতা মূল্যায়নের জন্য এক বা একাধিক পারদর্শিতার সূচক বা PI নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রত্যেকটি PI-এর আবার তিনটি মাত্রা আছে এগুলো হলো চতুর্ভুজ(□) বৃত্ত(○) ও ত্রিভুজ(∆) । শিক্ষার্থীর এই PI গুলো দুইবার মূল্যায়িত হবে (১) শিখনকালীন মূল্যায়ন (২) ষাণ্মাসিক মূল্যায়ন। শিখনকালীন মূল্যায়নের সময় প্রতিটি যোগ্যতার জন্য এক একটি শীটে মূল্যায়ন করতে হবে । উল্লেখ্য শিখনকালীন মূল্যায়নের সময় একই PI বার বার করা যেতে পারে । কিন্তু ষাণ্মাসিক মূল্যায়নে একবারই করতে হয়। শিখনকালীন ও ষাণ্মাসিক মূল্যায়ন শেষে ট্রান্সক্রিপ্ট তৈরির সময় প্রতিটি PI-এর জন্য শিখনকালীন ও ষাণ্মাসিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত প্রতীকের মধ্যে একটিও ত্রিভুজ(∆) পেলে ট্রান্সক্রিপ্টে ত্রিভুজ(∆) দিতে হবে, যদি একটিও ত্রিভুজ(∆) না পায় এবং যদি একটিও বৃত্ত(○) পায় তবে ট্রান্সক্রিপ্টে বৃত্ত(○) চিহ্ন দিতে হবে আর যদি একটিও ত্রিভুজ(∆) বা বৃত্ত(○) না পায় তবে শুধুমাত্র চতুর্ভুজ(□) চিহ্ন দিতে হবে । এভাবে নির্দেশিকায় প্রদত্ত PI-এর মূল্যায়ন করে ষাণ্মাসিক ট্রান্সক্রিপ্ত তৈরি করতে হবে । এবং প্রত্যেক বিষয় শিক্ষক প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য একটি আচরণিক সূচক BI (দশটি সূচক) মূল্যায়ন করবেন। আর শ্রেণি শিক্ষক প্রত্যেক শিক্ষার্থীর সবগুলো BI মূল্যায়ন শীট নিয়ে একটি BI-এর ট্রান্সক্রিপ্ট তৈরি করতে হবে। শিক্ষার্থীকে শুধুমাত্র সেই ট্রান্সক্রিপ্ট প্রদান করতে হবে। BI-এর ট্রান্সক্রিপ্ট তৈরির সময় বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের দেওয়া মূল্যায়ন শীটের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রাপ্ত চিহ্নই ট্রান্সক্রিপ্টে উঠাতে হবে । তবে কখনো দুইটি চিহ্ন সমন সংখ্যকবার হলে তবে দুটির মধ্যে সর্বোচ্চ চিহ্নটাই ট্রান্সক্রিপ্টে উল্লেখ করতে হবে । এই ট্রান্সক্রিপ্টই শিক্ষার্থীতে প্রদান করতে হবে। প্রত্যেক শিক্ষার্থী মোট ১১ টি ট্রান্সক্রিপ্ট হাতে পাবে।
উল্লেখ্য শিখন কালীন মূল্যায়ন ও ষান্মাসিক মূল্যায়ন নির্দেশিকা না পড়লে কোনো ভাবেই মূল্যায়ন করা সম্ভব না।
2 years ago | [YT] | 3
View 1 reply
smartclass-24
দাদা ভাই
2 years ago | [YT] | 3
View 1 reply
smartclass-24
vt.tiktok.com/ZS8E5LSrE/
2 years ago | [YT] | 3
View 0 replies
smartclass-24
দাদু ভাইয়ের ছবি ২৩/০৪/২০২৩ইং।
2 years ago | [YT] | 2
View 0 replies
smartclass-24
I'm taking part in a very interesting topic #LikeeWallpaper from #Likee #HelloLikee, check it out! l.likee.video/h/2JYj0C
2 years ago | [YT] | 2
View 0 replies