Daily Charmonai - দৈনিক চরমোনাই

📌 Daily Charmonai – দৈনিক চরমোনাই | অফিসিয়াল YouTube Channel

দৈনিক চরমোনাই চ্যানেলে আপনাকে স্বাগতম!
এখানে প্রতিদিন পাবেন চরমোনাই, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার তাজা খবর, স্থানীয় আপডেট, সমাজ ও জনজীবনের বাস্তব গল্প, সচেতনতামূলক কনটেন্ট এবং মাঠের মানুষের কণ্ঠ।

✔️ স্থানীয় সংবাদ
✔️ ব্রেকিং নিউজ
✔️ সমাজ ও জনস্বার্থ বিষয়ক প্রতিবেদন
✔️ মাঠপর্যায়ের লাইভ আপডেট
✔️ বিভিন্ন সচেতনমূলক ভিডিও
✔️ বিশেষ প্রতিবেদন (Investigative Report)

আমরা সত্য, ন্যায় ও নির্ভুল তথ্য তুলে ধরতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আপডেট পেতে Subscribe করে পাশে থাকুন! 🔔


Daily Charmonai - দৈনিক চরমোনাই

ফজা পাগলাও দেখি লাইনে! এখন শুধু বাকি আছে বাংলার লেনিন বাকশালি মুজা সেলিম 😁

1 month ago | [YT] | 3

Daily Charmonai - দৈনিক চরমোনাই

তিনি তোমাদের মুক্তির জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন
তোমরা তার হত্যার বিচারটুকু চাইতে এখনই কি ভুলে গেছো?😔

1 month ago | [YT] | 8

Daily Charmonai - দৈনিক চরমোনাই

A man across the multiverse.

A very short travelling time in this world but what a colourful & impactful life he has made!

-Sabbir Hossain Sagor

একজন কিংবদন্তির কথা বলছি......🖤

1 month ago | [YT] | 24

Daily Charmonai - দৈনিক চরমোনাই

ওসমান হাদী'র চাপ সামলাতে পারলানা,
১৮ কোটির চাপ সামলাতে পারবেতো!?

2 months ago | [YT] | 0

Daily Charmonai - দৈনিক চরমোনাই

ওসমান হাদীর সুস্থতা কামনা করে চরমোনাই মসজিদে দোয়া করেন পীর সাহেব চরমোনাই ও শায়খে চরমোনাই হাফিজাহুল্লাহ!

2 months ago | [YT] | 8

Daily Charmonai - দৈনিক চরমোনাই

আমরা ভীষণ খাচ্ছি-দাচ্ছি।
সোনার চামচে তুলে নিচ্ছি গরম খাবার,
মাংসের সুগন্ধ ভাসছে বাতাসে,
পানির গ্লাসে কাঁচের প্রতিফলন জ্বলজ্বল করছে
আমাদের টেবিলে আলো জ্বলছে,
আমাদের জানালায় বসন্তের হাওয়া।

আর ওখানে, অনেক দূরে,
একটা শহর আছে—
যার রাত এখন আর কালো নয়,
আগুনের লেলিহান শিখায় লাল হয়ে আছে আকাশ।
সেখানে কারো টেবিল নেই,
শুধু উল্টে যাওয়া থালার পাশে
একজোড়া ছোট্ট হাত নিস্তেজ হয়ে পড়ে আছে।

দুই শহরে আজানের সুর।
এক শহরে—
সুরের ঢেউ বয়ে যায় বাতাসে,
শান্তিময় কণ্ঠ ভেসে আসে মিনার থেকে,
আর আমরা তা শুনতে শুনতে চায়ের কাপে চুমুক দেই।

অন্য শহরে—
আজান ওঠে, কিন্তু ভেঙে পড়ে শব্দের শরীর।
মিনারের পাশে এক বৃদ্ধ বসে থাকেন,
তার কপালে রক্ত জমাট—
আজান শেষ হবার আগেই
আকাশ ফেটে পড়ে আগুনে।
আজানের শব্দ মিলিয়ে যায় বোমার বিস্ফোরণে,
সেখানকার শিশুরা জানে না,
আজান আগে আসে, না ধ্বংস?

আমরা খাচ্ছি-দাচ্ছি,
রেস্টুরেন্টের উজ্জ্বল আলোর নিচে
হাসিমুখে কেউ বলে—
"আজ খাবারের স্বাদ দারুণ!"
কিন্তু গাজার শিশুরা এখন আর স্বাদ বোঝে না,
তারা শুধু জানে,
মাটির নিচে কতটুকু জায়গা পেলে
একজন মানুষ লুকিয়ে থাকতে পারে।

দুই শহর,
কিন্তু একটায় রাত মানে বিশ্রাম,
অন্যটায় রাত মানে—
এটাই হয়তো শেষ রাত।
একটায় ঘুম মানে স্বপ্ন দেখা,
অন্যটায় ঘুম মানে—
চিরতরে শুয়ে পড়া।

আমরা বাস করছি একটিতে,
আর অন্যটি জ্বলছে,
আমরা কেবল দেখতে পাচ্ছি ধোঁয়া,
কিন্তু গন্ধ পাচ্ছি না পোড়া মাংসের।
আমাদের রাত শেষে সকাল আসে,
ওদের রাতের পরে আসে শোকের নতুন সংখ্যা।

দুই শহরে আজান হয়,
একটায় প্রার্থনার জন্য,
অন্যটায় বেঁচে থাকার আকুতি নিয়ে।
সবার আকাশ একটাই,
সবার আল্লাহ একজনই,
তবু কেন এতো রক্ত ঝরে?

( সংগৃহীত )

10 months ago | [YT] | 1

Daily Charmonai - দৈনিক চরমোনাই

৮০ হাজার টাকা বেতনের হারুন সাহেব! সুবহানাল্লাহ। সময় নিয়ে পড়বেন! সামান্য তথ্য এখানে।

১/ সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব আছে হারুন সাহেবের।
২/ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের নিউ হাইড পার্ক এলাকায় স্ত্রীর নামে পাঁচ মিলিয়ন ডলারের একটি বাড়ি কিনেছেন হারুন।
৩/ উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ২০ নম্বর রোডে (লেকপাড়ের রোডে) রয়েছে ৬তলা একটি আলিশান বাড়ি। এটি গেস্ট হাউস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪/ একই রোডের মাথায় ৮তলা আরেকটি বাড়ি আছে হারুনের। এই বাড়ির চতুর্থ তলায় পরিবারে নিয়ে থাকতেন।
৫/ উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ৭ নম্বর রোডের হোল্ডিং নম্বর-৫ এ ১০ কাঠা জায়গার ওপর একটি ১০তলা মার্কেট। এটি হারুনের শ্বশুরের নামে করা হয়েছে।
৬/ উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরের সোনারগাঁও জনপথ রোডের ২১ নম্বরে ৬তলা একটি বাড়ি। এই বাড়িটি বন্ধক রেখে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে।

৭/ উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের শাহ মখদুম এভিনিউয়ে ১২ নম্বর প্লটটির মালিক হারুন। এখানে তাজ ফুডকোর্টসহ কয়েকটি দোকান ভাড়া দেওয়া আছে।
৮/ উত্তরা ১৩ নাম্বার সেক্টরের সোনারগাঁও জনপথ রোডের ৭৯ নম্বর হোল্ডিংয়ের একটি প্লট জজ মিয়া নামের এক ব্যক্তির কাছে ভাড়া দেওয়া আছে।
৮/ ৩ নম্বর সেক্টরে ১৫ নম্বর রোডের ২৩ নম্বর হোল্ডিংয়ে ১৪ তলা বাণিজ্যিক ভবন,
৯/ ১৩ নম্বর সেক্টরে ৩ নম্বর রোডের ৪৯ নম্বর বাড়িতে ৬তলা ভবন,
১০/ ৩ নম্বর সেক্টরের ৯ নম্বর রোডের ১ নম্বর হোল্ডিংয়ে ৭ কাঠার বাণিজ্যিক প্লট,
১০/ ১০ নম্বর সেক্টরের ১১ নম্বর রোডের ৩৯ নম্বর হোল্ডিংয়ে ৫ কাঠার একটি প্লট
১১/ ৫ নম্বর সেক্টরে ৬ নম্বর রোডে ঢুকতেই প্রথমে ২৯ ও ৩০ নম্বর হোল্ডিংয়ের ১০ কাঠার দুটি প্লটের মালিক হারুন। শেষ দুটি প্লটের মধ্যে একটিতে টিনশেড ঘর বানিয়ে ভাড়া দেওয়া এবং অন্যটি গোডাউন।
১২/ ১৪ নম্বর সেক্টরের ২০ নম্বর রোডের ১৭ ও ১৯ নম্বর প্লট চারটি কোম্পানির শোরুম হিসেবে ভাড়া দেওয়া।
১৩/ ১০ নম্বর সেক্টরের ১২ নম্বর রোডের ৪ নম্বর বাড়ির ৫ তলায় কথিত মামা জাহাঙ্গীরের অফিস। এই অফিসেই হারুনের সব সম্পত্তির কাগজপত্র রক্ষিত থাকে বলে জানিয়েছে জাহাঙ্গীরের ঘনিষ্ঠ সূত্র।

উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ৯ নম্বর রোডের ১৪ নম্বর প্লটটি হিরন নামের এক ব্যক্তির কাছে ৩২ কোটি টাকায় বিক্রি করেছেন হারুন। ৩ নম্বর সেক্টরের সাবেক ৯ নম্বর রোড বর্তমানে রবীন্দ্র সরণিতে ৭ কাঠার ৪১ নম্বর প্লটটি মাসিক ১৪ লাখ টাকায় ভাড়া দেওয়া আছে। ১১ নম্বর সেক্টরের উত্তরা স্মৃতি কেবল টিভি লিমিটেডের পাশে ৫ কাঠার আরেকটি প্লট ‘স্টার কার সেলেকশন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া দেওয়া আছে। এ ছাড়া ১৩ নম্বর সেক্টর, জম টাওয়ারের পাশে, উত্তরা থার্ড ফেইসে, পূর্বাচলে কয়েক ডজন ফ্ল্যাট রয়েছে হারুনের।

বনানী কবরস্থানের দক্ষিণ পাশে ২০ কাঠার প্লট দখল করে একটি কোম্পানির কাছে ৭০ কোটি টাকায় বিক্রি করেন হারুন। টঙ্গীর সাতাইশ মৌজায় ৮ বিঘা জমিতে কোনো অনুমোদন ছাড়াই নির্মাণ করা হচ্ছে ‘জেএইচ-জিওটেক্স লিমিটেড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। টঙ্গীর গুশুলিয়া মৌজায় ছায়াকুঞ্জ-৫ আবাসিক প্রকল্পের ভেতরে ১২ বিঘা জমিতে গড়ে তোলা হচ্ছে আবাসিক হোটেল। ছাড়া হারুন অর রশীদের নামে কিশোরগঞ্জে মিঠামইনে প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট নামে একটি বিলাসবহুল রিসোর্ট রয়েছে। যেটি পরিচালনা করেন হারুনের ভাই ডাক্তার শাহরিয়ার। গাজীপুরে রয়েছে সবুজ পাতা রিসোর্ট এবং ‘গ্রিন টেক’ নামে আরও একটি বিলাসবহুল রিসোর্টের শেয়ার। এ ছাড়া নন্দন পার্কেও শেয়ার আছে হারুনের। আছে আমেরিকান ডেইরি নামে একটি কোম্পানিতে বিনিয়োগ। এই কোম্পানির এমডি হারুনের স্ত্রী। ময়মনসিংহের ত্রিশালের সাবেক এমপি আনিসের সঙ্গে ফিশারিজ এবং রেস্টুরেন্টের যৌথ ব্যবসা আছে হারুনের।
বিদেশে অর্থ পাচারের সুবিধার জন্য গড়ে তোলা হয় নিজস্ব মানি এক্সচেঞ্জ। ঢাকায় এই প্রতিষ্ঠানের অফিস পুরানা পল্টনের আজাদ প্রোডাক্টসের গলিতে। কার্যক্রম পরিচালনায় দুবাইয়ে আছে আরেকটি অফিস। এই মানি এক্সচেঞ্জ পরিচালনা করেন এডিসি সাইফুল ইসলামের দুই ভাই। একজন থাকেন দেশে। আরেক ভাই রিফাত অবস্থান করেন দুবাই।

11 months ago | [YT] | 1