✤𝓦𝓮𝓵𝓬𝓸𝓶𝓮 𝓽𝓸 𝓶𝔂 𝓬𝓱𝓪𝓷𝓷𝓮𝓵 ꧁𝓔𝓾𝓹𝓱𝓸𝓻𝓲𝓪꧂✤
চ্যানেলে প্রবেশ করার আগে প্লিজ জুতা খুলে আসবে🙂 ll কারণ আমি ময়লা আবর্জনা বারবার পরিষ্কার করতে পারব না🐣....
⠀ 。゚゚・。・゚゚。
゚。 。゚
゚・。・゚
︵ ︵
( ╲ / /
╲ ╲/ /
╲ ╲ /
╭ ͡ ╲ ╲
╭ ͡ ╲ ╲ ノ
╭ ͡ ╲ ╲ ╱
╲ ╲ ╱
╲ ╱
︶
I purple You 💜
꧁𝓔𝓾𝓹𝓱𝓸𝓻𝓲𝓪 ꧂
#হৃদয়_গহীনে_তুমি
#পার্ট_১৩
#লেখনীতে_ফাহিমা
#হ্যাপি_রিডিং
_____________________💙_______________________
প্রায় কয়েক মিনিট বাদেই তামিম একটা এম্বুলেন্স নিয়ে রাজের বলা ঠিকানায় আসে। তবে রাজের নিথর দেহ মাটিতে পড়ে থাকতে দেখে তামিম যেন থমকে যায়। নিজের ছোটবেলার বন্ধুর আজ এই অবস্থা দেখে কিভাবে নিজেকে শান্ত রাখবে সে? দৌঁড়ে ছুটে যায় রাজের কাছে। কোনো উত্তর আসবে না জেনেও প্রশ্ন করে, "এই রাজ, কি হয়েছে তোর? চোখটা খোল। তোর এই অবস্থা কে করেছে? বলেছিলাম না কোনো ঝামেলা হলে আমাকে জানাতে?"
হ্যাঁ, সকল প্রশ্নের কোনো উত্তর মিলল না তার। রাজকে তাড়াতাড়ি এম্বুলেন্সে তুলে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। আর অপরদিকে তামিম রাজের বাড়ির সবাইকে রাজের অবস্থা সম্পর্কে জানিয়ে হাসপাতালে আসতে বলে। সবার চোখে মুখে দুশ্চিন্তার ছাপ পড়ে যায়। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে পৌঁছায় তারা। রাজের মা ইতোমধ্যে কান্নায় ভেঙে পড়েছে। কারো চিন্তার অন্ত নেই। রাজকে ওটি তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।ওকে আয়ানদের হাসপাতালেই আনা হয়েছে। আয়ানই রাজের অপারেশন করছে। আনিকা বেগমকে অঝোরে কাদতে দেখে শিউলি বেগম আনিকা বেগমের কাছে গিয়ে সমবেদনা জানিয়ে বলে,
"ভাবি, প্লিজ এতো কান্নাকাটি করো না। রাজ খুব শীঘ্রই সুস্থ হয়ে যাবে। তুমি এভাবে ভেঙে পড়লে বাকি সবার কি হবে?"
আনিকা বেগমের কান্নার বেগ আরও বেড়ে গেল। একমাত্র ছেলের এই দশা দেখে নিজেকে আর কোনমতে ঠিক রাখতে পারছে না সে।
অপরদিকে কলেজের গেটের সামনে অনেকক্ষণ যাবৎ অপরাজিতা রাজের জন্য অপেক্ষা করছে। কিন্তু রাজের দেখা মিলল না তার। প্রথমে বিষয়টা স্বাভাবিকভাবে নিলেও পরে কেন যেন অপরাজিতার দুশ্চিন্তা হতে লাগলো। যে ছেলে কলেজ ছুটি হওয়ার আগেই গাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে তার আজকে এতো দেরি? তাই তাড়াতাড়ি রাজের মোবাইলে কল করলো সে। কিন্তু অপর পাশ থেকে ইয়াশের কন্ঠ শুনে অপরাজিতার খটকা লাগল। জিজ্ঞাসা করলো,
"ভাইয়া তোর কন্ঠ এমন শুনাচ্ছে কেন? আর রাজ ভাই কোথায়?"
"রাজ ভাইয়ের এক্সিডেন্ট হয়েছে। আয়ান ভাই ওর অপারেশন করছে।"
কথাটা শোনামাত্রই অপরাজিতার হাত থেকে মোবাইল নিচে পড়ে যায়। ইয়াশ অপর পাশ থেকে অনেকবার হ্যালো বলার পরেও কোনো জবাব না পেয়ে কল কেটে দেয়। অপরাজিতা আর এক মুহূর্তও অপেক্ষা না করে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। গাড়ি থেকে নেমে দৌঁড়ে থার্ড ফ্লোরে ওটির সামনে যায়। সেখানে বাড়ির সবাই ছিল। জানতে পারে, তামিম রাজকে হাসপাতালে এনেছে। তাই তামিমের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলো, "রাজ ভাইয়ের এই অবস্থা কি করে হলো?"
তামিম চুপ থাকে। কোনো প্রকার উত্তর না পেয়ে এবার খানিকটা জোর গলায় জিজ্ঞাসা করলো,
"প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন না কেন? প্লিজ বলুন।"
তামিম ভাঙা কন্ঠে জবাব দেয়,
"আমি নিজেও জানি না। রাজই আমাকে কল করে এম্বুলেন্স নিয়ে আসতে বলেছিল। হয়তো কারো সাথে ফাইট করেছে।"
অপরাজিতার চোখ বেয়ে নোনা জল গড়িয়ে পড়ে। মনে মনে ভাবছে, "তুমি আমাকে ছেড়ে এতো তাড়াতাড়ি চলে যেতে পারো না, রাজ ভাই। তুমি চলে গেলে যে আমি দিশেহারা হয়ে যাব। বলেছিলে আমি না চাইলেও সবসময় আমার পাশে থাকবে। তাহলে এখন মাঝপথে আমাকে একা ফেলে চলে যাচ্ছ কেন? এই তোমার প্রতিশ্রুতি?"
অপরাজিতাকে তামিম কী বলে সান্ত্বনা দিবে সেটা তার জানা নেই। অপরাজিতা ওযু করে জায়নামাজ নিয়ে একটা ফাঁকা জায়গায় যায়। মেয়েদের নামাজ পড়ার জন্য জায়গা বরাদ্দ আছে সেখানে। নামাজ পড়ার সময় অপরাজিতা সিজদাই লুটিয়ে পড়ে অঝোরে কান্না করতে লাগে। রাজের জন্য অনেক কষ্ট হচ্ছে ওর। বুকটা যেন ফেটে যাচ্ছে। সালাম ফিরিয়ে দুয়া করার সময় বললো,
"হে আমার রব, আজ পর্যন্ত আমি আপনার কাছে কোনকিছুই এতো ব্যাকুল হয়ে চাই নি। তবে আজ চাচ্ছি। আমার ভালোবাসার মানুষটাকে, আমার রাজ ভাইকে দয়া করে সুস্থ করে দিন। শুনেছি খোদার দরবারে এসে কেউ যদি কোনকিছু মন থেকে চায়, তাহলে আপনি তাকে ফিরিয়ে দেন না। আশা করি, আমাকেও ফিরিয়ে দিবেন না। আমার তো আপনার উপর সম্পূর্ণ বিশ্বাস আছে। আমিন।''
নামাজ শেষ হতেই অপরাজিতা হাউমাউ করে কেঁদে উঠল।
রাজের অবস্থার খবর পেয়ে রাজের সকল বন্ধুরা ও সানায়া হাসপাতালে এসেছে। খানিকক্ষণ বাদে একজন নার্স বেরিয়ে এসে জানায়,
"পেশেন্টের অনেক ব্লাড লস হয়েছে। কিন্তু হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকে O+ গ্রুপের রক্ত বেশি নেই। আর এখন কোনো ডোনারও খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আপনাদের কারও সাথে কি পেশেন্টের ব্লাড গ্রুপ ম্যাচ করে?"
দুর্ভাগ্যবশত, কারো সাথে রাজের ব্লাড গ্রুপ ম্যাচ করছিল না। তবে তখন সবাইকে এক প্রকার অবাক করে দিয়ে সানায়া বলে, "আমার সাথে ম্যাচ করে। আমি পেশেন্টকে ব্লাড ডোনেট করতে চাই।"
"ধন্যবাদ! আপনি আমার সাথে আসুন। আপনার কিছু
পেপারে সাইন করতে হবে।"
মায়াকুঞ্জের সবাই সানায়াকে মন থেকে ধন্যবাদ জানায়। সানায়া নার্সের সাথে যেতে ধরলে জিসান বলে, "কি করছিস তুই? এতো ব্লাড ডোনেট করলে তো তুই অসুস্থ হয়ে যাবি।"
"ভাইয়া প্লিজ, আমাকে আটকাস না। রাজ ভাইয়ের জন্য অন্তত এইটুকু করতে দে। আর এটা তো আমি নিজের ইচ্ছায় করছি।''
জিসান কিছু একটা ভেবে জবাব দিল, "ঠিক আছে। যা খুশি কর। তবে নিজের খেয়াল রাখিস।"
সানায়া একটা মুচকি হাসি দিয়ে নার্সের সাথে চলে যায়। সব পেপারে সাইন করার পর ওকে হালকা পাতলা কিছু খাওয়িয়ে ব্লাড নেওয়ার জন্য বেডে শোয়ানো হয়। পরিমাণমতো ব্লাড নিয়ে নার্স চলে যায়। প্রায় অনেকটা ব্লাড নেওয়াই সানায়ার দুর্বল অনুভূত হচ্ছে। তবে এতে তার কোনো আফসোস নেই। নিজের এক তরফা ভালোবাসার একটা উপকারে এসেছে সে। সেটাই অনেক।
বেশ কিছুক্ষণ পর আয়ান ওটি থেকে বের হয়ে জানায়, "অপারেশন সাকসেসফুল। কিন্তু এখন জ্ঞান ফিরবে না। আরও কিছুক্ষণ সময় লাগবে। তোমরা তো অনেকক্ষণ যাবৎ হাসপাতালে রয়েছ। নিশ্চয়ই অনেক ক্লান্ত হয়ে গিয়েছ। আমার এপার্টমেন্টের চাবি নিয়ে সেখানে রেস্ট নাও। রাজের জ্ঞান ফিরলে আমি তোমাদের ইনফর্ম করবো।"
অপরাজিতা শিউলি বেগমকে বলে, "আম্মু, তুমি সবাইকে নিয়ে যাও। এখানে যেহেতু একজনের থাকা দরকার, তাই আমিই নাহয় থেকে যায়। তুমি চাচিকে সামলিও।"
শিউলি বেগম সম্মতি জানিয়ে সবাইকে নিয়ে আয়ানের এপার্টমেন্টে যায়।
অপরাজিতা আয়ানকে জিজ্ঞাসা করে,
"ভাইয়া, আমি কি এখন রাজ ভাইয়ের কাছে যেতে পারব?"
"হ্যাঁ, যা তবে বেশি শব্দ করিস না।"
"ঠিক আছে।"
অপরাজিতা রাজের কাছে গিয়ে একটা চেয়ার টেনে বসে। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পরও রাজের জ্ঞান না ফেরায় অপরাজিতা কান্না করে রাজের একটা হাত ধরে বলে, "আর কতো কাদাবে আমায়? এইটাই কি যথেষ্ট নয়? এইবার তো হুশে ফিরে আসো। সত্যি বলছি, তোমাকে আর জ্বালাবো না। তোমার সব কথা শুনে চলবো। এখন প্লিজ চোখটা খুলো।"
রাজের হাতের একটা আঙ্গুল নড়ে ওঠে। অপরাজিতা বুঝতে পারে, রাজের জ্ঞান ফিরেছে। তাই অপরাজিতা সবাইকে জানানোর জন্য উঠতে যায়। তবে রাজ অপরাজিতার হাত টেনে ধরে ওকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলে, "কান্না করে নিজের কি অবস্থা করে ফেলেছিস! কলেজ থেকে এখানে আসতে কোনো অসুবিধা হয় নি তো?"
"নিজে যে ঘায়েল হয়ে হাসপাতালে পড়ে আছে তার কোনো ঠিক ঠিকানা নেই। এখনো আমার চিন্তা করছে। আমি তো কোনো বাচ্চা না। তোমার এখন নিজের চিন্তা করা উচিত।"
এই বলে অপরাজিতা উঠতে নিলে রাজ মৃদু কণ্ঠে বলে, "sshhhh! একদম নড়বি না। এভাবেই থাক কিছুক্ষণ।"
"সেখানে কয়জন ছিল?"
"কোথায়?"
"যেখানে ফাইট করতে গিয়ে তোমার এই অবস্থা।"
রাজ খানিকটা হকচকিয়ে জবাব দিল,
"তিনজন ছিল। আমি শো অফ করছি না তবে আমি সেই তিনজনের সাথে একাই ফাইট করে ওদের হারিয়েছি। একজন তো ভয় পেয়ে আগেই পালিয়ে গিয়েছিল।"
এই বলে রাজ হেঁসে ওঠে। তবে অপরাজিতা চিন্তিত স্বরে বলে, "আমি জানি, তুমি অনেক সাহসী। তবে তোমার একাই তিনজনের সাথে ফাইট করা ঠিক হয় নি। আজকে যদি বড়ো কিছু হয়ে যেত? কথা দাও, এরপর এমন কিছু হলে সেখানে থেকে পালিয়ে আসবে! আমি তোমাকে আবার এই অবস্থায় দেখতে চাই না।"
"দেখ আমি প্রমিস তো করতে পারব না। কারণ প্রমিস শুধু ভাঙার জন্যই করা হয়। তবে আমি চেষ্টা করতে পারি।"
অপরদিকে সানায়া রাজকে দেখার জন্য আসে। তবে অপরাজিতা আর রাজকে একসাথে দেখে ও সেখানেই থমকে যায়। বুকভরা কষ্ট নিয়ে একটা হাসি দিয়ে মনে মনে বলে, "আমি তোমাকে ভালোবাসি। নিজের থেকেও বেশি। তবে তুমি যে এর আগেই অন্য কারো হয়ে গিয়েছ, সেটা আমার জানা ছিল না। আমি যতোই চেষ্টা করি না কেন, তবে তোমাকে ভালো না বাসার কোনো কারণই খুঁজে পাই না। কিন্তু, আমি তোমার খুশিতেই খুশি।"
এই বলে সানায়া বুক চাপা কষ্ট নিয়ে সেখান থেকে চলে যায়।
#চলবে
1 week ago (edited) | [YT] | 9
View 4 replies
꧁𝓔𝓾𝓹𝓱𝓸𝓻𝓲𝓪 ꧂
#হৃদয়_গহীনে_তুমি
#পার্ট_১২
#লেখনীতে_ফাহিমা_ইসলাম
রাজের নিথর দেহটি মাটিতে পড়ে আছে। দেহ তার নিস্তেজ। মাথার যেই জায়গা থেকে রক্ত পড়ছিল, ইতোমধ্যে সেই জায়গা থেকে রক্ত পড়াও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তবে ক্ষতের দাগ রয়েছে এখনো। আর সাদা শার্টের যেই জায়গাগুলোতে রক্ত লেগেছিল, সময়ের ব্যবধানে তা শুকিয়ে গিয়েছে। হাত - পা বাঁধা অবস্থায় তাকে ফেলে রাখা হয়েছে। রাজের মাথার পাশে একটা চেয়ার টেনে বসে আছে কালো মাস্ক পড়া এক লোক। চোখ মুখ সবই ঢাকা। কেননা, রাজ এতোটাই চতুর ছিল যে, যদি সে লোকটির চক্ষুমাত্রও দেখে ফেলত তাহলে নিমিষেই বুঝে যেত যে লোকটা আসলে কে। তাই ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে সতর্কতাস্বরূপ কালো মাস্কটা পড়েছে। লোকটার পাশে তার দুইজন চামচাও বসে আছে। কালো মাস্ক পরিহিত সেই লোকটি তার চামচাদের উদ্দেশ্যে বললো, "এর জ্ঞান কখন ফিরবে? ওর আর্তনাদ না শোনা পর্যন্ত আমি শান্তিতে নিঃশ্বাসও ফেলব না।"
ব্যক্তিটির চোখে আক্রোশের ছাপ স্পষ্ট। যেন এই দিনেরি অপেক্ষায় ছিল লোকটি।
পরক্ষনেই লোকটি তার চামচাদের আবার বললো,
"এক বালতি পানি আনতো।"
একজন জিজ্ঞাসা করলো, "কিন্তু কেন?"
লোকটা তার এই প্রশ্নে অসন্তুষ্ট হয়ে সাথে সাথেই তার চামচার গলা চেপে ধরে বললো,
"তোর সাহস কিকরে হলো আমাকে প্রশ্ন করার? এখানে শুধু আমিই প্রশ্ন করব। যা বলেছি, চুপচাপ সেটাই কর।"
লোকটা দাঁত কিড়মিড় করতে করতে চেয়ারে গিয়ে বসলো। আর তার সেই চামচাটাও যেন হাপ ছেড়ে বাঁচলো। মনে মনে বললো, "এ কোন পাগলের খপ্পড়ে পড়লাম রে, বাবা!? এখান থেকে বেঁচে ফিরলে আর জীবনেও এই লোকটার সামনে পড়ব না।এখনি তো মরতে মরতে বাঁচলাম।"
কিছুক্ষণ পর চামচাগুলো এক বালতি পানি নিয়ে এসে কালো মাস্ক পরিহিত লোকটার কাছে দিল। পানি পাওয়া মাত্রই লোকটা আর এক মুহূর্তও দেরি না করে রাজের মুখের উপর পানি ফেললো। উদ্দেশ্য একটাই, রাজের জ্ঞান ফেরানো। কেননা লোকটি মনে করছিল, যেহেতু রাজের হাত - পা বাঁধা তাই রাজ ওদের সাথে পেরে উঠবে না। মুখে পানি পড়া মাত্রই রাজ ধীরে ধীরে জ্ঞান ফিরে পেলো। নিজেকে একটা পরিত্যক্ত বাংলোর মাঝে আবিষ্কার করলো। মাথায় এখনও চিনচিন ব্যথা অনুভূত হচ্ছিল। ওর সাথে আসলে কি ঘটেছিল সেটা মনে করতে কয়েক সেকেন্ড সময় নিল। রাজকে দেখে লোকটা বললো,
"তোকে অসহায় অবস্থায় দেখে আমার যে কি শান্তি লাগছে, তা বলার বাহির।"
"কে তুই? আমার ভয়ে কাপুরুষের মতো নিজেকে আড়াল করে রেখেছিস?"
এই কথা শুনে লোকটা রাজকে সজোরে একটা ঘুষি মারে। যার দরুণ রাজের ঠোঁট থেকে রক্তপাত হওয়া শুরু হয়। রাজ তাচ্ছিল্যের হাসি হেঁসে বললো,
"তোর সবথেকে বড়ো ভুল হয়েছে আমার জ্ঞান ফেরানো। আর এর মূল্য তোর খুব শীঘ্রই দিতে হবে। "
"মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে এসেও তেজ দেখাচ্ছিস? একটু তো ভয় কর।"
"কি চাস তুই?"
রাজের প্রশ্নে লোকটা একটা বিকট হাসি দিয়ে এগোতে এগোতে বললো,
"আমি চাই তুই আমার কাছে মাথা নত কর।"
রাজ রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে জবাব দিল,
"এই রাজ কখনো কারো কাছে মাথা নত করে নি আর নাই বা করবে। আমি মরে যাব কিন্তু তাও তোর মতো কাপুরুষের সামনে মাথা নত করে নিজের সম্মান খোয়াবো না।"
রাজের কথাই লোকটা রাজের মাথায় বন্দুক ঠেকালো। কিন্তু রাজের চোখেমুখে ভয়ের বিন্দুমাত্র ছাপও পাওয়া গেল না। লোকটা উন্মাদের মতো হাসতে হাসতে বললো,
"হয়তো এভাবে আমি তোকে হারাতে পারবো না। কিন্তু তোর কোনো তো উইকনেস আছে। সেটাই খুঁজে বের করব। তোর কোনো পছন্দের মানুষকে ধরে আনলে কেমন হয়?"
রাজের চোখে তখন অপরাজিতার প্রতিচ্ছবিই ভেসে উঠলো। চোখ লাল হয়ে গিয়েছে তার। অত্যন্ত রাগী কন্ঠে বললো,,,,
--- আই উইল কিল ইউ বিচ!
এই বলে রাজ নিজের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে দড়িগুলো ছিঁড়ে ফেললো। শুভ্র ত্বকে এখন শরীরের প্রত্যেকটা রগ ভাসমান হয়ে উঠেছে। রাজ এখন হিংস্র পশুর ন্যায় হয়ে গিয়েছে। হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে সে। রাজ গিয়ে লোকটার গলা সজোরে চেপে ধরে। যার ফলে লোকটির হাত থেকে বন্দুকটা পড়ে যায়। লোকটা রাজের হাত থেকে ছোটার চেষ্টা করছিল। কিন্তু রাজের শক্তির সামনে তা ছিল পিঁপড়ার সমতুল্য। রাজ একটা বাকা হাসি দিয়ে বলে,
--- তুই কি ভেবেছিলি? বনের রাজাকে আটকে রাখলে বন্য পশুপাখিরা রাজত্ব পেয়ে যাবে? ইউ আর ফা*কিং রং। আমার নাম রাজ। আর আমার এই নামের মধ্যেই রাজত্বের ভাব লুকিয়ে আছে। তোর মতো পিঁপড়া আমাকে হারাবে? নাইস জোক্স!
রাজকে দড়ি ছিঁড়ে ফেলতে দেখে সবার চোখ রীতিমতো কপালে উঠে গেছে। এতো শক্ত দড়ি ছেঁড়া কারো পক্ষে অসম্ভব ছিল। কালো মাস্ক পরিহিত লোকটা তখন যে চামচাকে ভয় দেখিয়েছিল, সে একটা শুঁকনো ঢোক গিলে এক হাত দিয়ে লুঙ্গি উঁচু করে ধরে জোরে একটা দৌড় দেয় আর বলে,,,
"আপনি বাঁচলে বাপের নাম। আমার অকালে মরার শখ হয় নি। আমি তো এখনো বিয়েই করি নি।"
অপরদিকে রাজ আর সেই লোকটার মাঝে প্রচুর ধস্তাধস্তি হচ্ছিল। যার এক পর্যায়ে রাজ লোকটাকে কাবু করে ফেলে। ও যখনি লোকটার মাস্ক খুলে দেখতে যাচ্ছিল লোকটা আসলে কে,,, তখনি ঐ লোকটা ওর আরেকটা চামচাকে ইশারা করে বলে, পড়ে থাকা বন্দুকটা দিয়ে রাজকে গুলি করতে। লোকটার কথামত চামচাটা কাপা কাপা হাতে রাজকে গুলি করে দেয়। যেটা গিয়ে রাজের পিঠ বরাবর লাগে। প্রচণ্ড ব্যথায় রাজ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। সেই ফাঁকে লোকটা আর তার চামচা সেখান থেকে জান বাঁচিয়ে পালায়।
রাজের চোখ প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। চোখে শুধুমাত্র অপরাজিতার প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠছে। তবে চোখ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগেই কোনোরকমে ও তামিমকে কল করে। তামিম রাজের কণ্ঠ শোনামাত্রই বুঝে যায় রাজের সাথে কিছু একটা হয়েছে। তামিম চিন্তিত হয়ে জিজ্ঞাসা করে,,
--- তোর কন্ঠ এমন শুনাচ্ছে কেন? কি হয়েছে তোর সাথে?
রাজ প্রচণ্ড কষ্ট করে বললো,
--- তামিম, তোকে কোনকিছু এক্সপ্লেইন করার মতো সময় আমার কাছে নেই। আমি তোকে যে লোকেশনের কথা বলছি, সেখানে তাড়াতাড়ি অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে আয়।
--- ঠিক আছে। তুই জাস্ট লোকেশনটা বল।
রাজ কোনমতে লোকেশনটা বলে ফোনটা কেটে দেয়। অনেক কষ্ট হচ্ছে ওর। চোখগুলো আর শত চেষ্টা করেও খোলা রাখতে পারছে না। মনে হচ্ছে এই বুঝি এখানেই সব শেষ হয়ে গেলো। তবে এই মুহূর্তেও অপরাজিতার কথা ভাবতে ভাবতে বললো,
"এখানেই আমার গল্প শেষ হয়ে যেতে পারে না। এখনও তোর সাথে আমার একটা ছোট্ট সংসার গড়ার স্বপ্নটা বাকি রয়ে গেছে, অপরাজিতা। তোকে যে আমি কতটা ভালোবাসি সেটা বলাও বাকি রয়ে গেছে। আমাকে তোর জন্য হলেও বেঁচে ফিরতে হবে। ভালোবাসি তোকে আমি, অপরাজিতা। নিজের থেকেও বেশি।"
এসব ভাবতে ভাবতে রাজের চোখ দিয়ে দুফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়লো। আর নিজেকে আটকে রাখতে পারল না সে। তার নীল চোখজোড়া আস্তে আস্তে বন্ধ হয়ে গেল।
তাহলে এখানেই কি সব শেষ?
#চলবে
3 weeks ago | [YT] | 15
View 4 replies
꧁𝓔𝓾𝓹𝓱𝓸𝓻𝓲𝓪 ꧂
#হৃদয়_গহীনে_তুমি
#পার্ট_১১
#লেখনীতে_ফাহিমা ইসলাম
#হ্যাপি_রিডিং
রাজের আকস্মিক এই কথাই অপরাজিতার পুরো শরীরে যেন অদ্ভুত এক শিহরণ বয়ে গেল। রাজ কাছে আসায় অপরাজিতার বক্ষপিঞ্জর দিকবেদিক
ছুটতে লাগলো। অপরাজিতা আনমনেই আওরালো,
"আমার তো এখন শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছে। মনে হচ্ছে, আমি যেন শ্বাস নেওয়াই ভুলে গেছি। এটাই যদি ভালোবাসা হয়ে থাকে,, তাহলে হ্যাঁ! আমি সত্যিই তোমাকে ভালোবাসি। খুব বেশি। এক কথায়, নিজের থেকেও বেশি।"
অপরাজিতাকে নিজের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে রাজ খানিকটা ঝুকলো। ঠিক ততখানিই ঝুকল,, যতটা ঝুকলে রাজ অপরাজিতার চোখে চোখ রাখতে পারবে। অপরাজিতার এবার যেন হৃদয়টা বের হয়ে যেতে চাচ্ছে। সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ের ন্যায় সেই একজোড়া নীল চোখের দিকে তাকালেই অপরাজিতার দেহখানিতে এক ভিন্ন অনুভূতি বয়ে যায়। যেই অনুভূতির সঙ্গে অপরাজিতা এর আগে কখনও পরিচিত ছিল না। অপরাজিতা মনে মনে বললো,
"এভাবে চেয়ে থাকলে অপর প্রান্তের মানুষটার হৃদয়ে যে সুনামি শুরু হয়ে যায়, সে সম্পর্কে কি তোমার কোনো ধারণা আছে?"
অপরাজিতার না বলা কথাগুলো ওর চোখে ভেসে উঠছে। আর রাজ অপরাজিতার চোখজোড়ার পানে চেয়ে যেন একটা বইয়ের পাতার মতো অপরাজিতার মনের কথাগুলো পড়ে যাচ্ছে। অপরাজিতা নিজেকে ধাতস্থ করে বললো,
"এভাবে তোমার চোখ দিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে থেক নাতো!"
এই বলে অপরাজিতা রাজের চোখজোড়া থেকে নিজের দৃষ্টি সরিয়ে নেয়। কিন্তু রাজ আবারও নিজের দৃষ্টির সাথে অপরাজিতার দৃষ্টি মিলিয়ে বললো,
"কেন তাকাব না? চোখ আমার। তো আমি যার দিকে খুশি তার দিকেই তাকিয়ে থাকব। আর এই মুহূর্তে আমার তোর চোখের দিকে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা করছে।"
অপরাজিতা রাজকে এক ধাক্কায় সরিয়ে দিয়ে বললো,
"তো? এখন আমি তোমাকে আমার চোখ খুলে দিয়ে দিব নাকি? আজব তোহ!"
অপরাজিতার আকস্মিক ধাক্কায় রাজ দুকদম পিছিয়ে খানিকটা হেঁসে বললো,
"বাহ্! তোর গায়ে তো অনেক শক্তি। But I like it."
রাজের কথাই অপরাজিতা ওর চোখ ঘুরালো। রাজ এবারও হেঁসে বললো,
"তুই কি জানিস? তোর এই চোখ ঘুরানো আর তোর এই অ্যাটিটিউড তোকে সবার থেকে আলাদা করে।"
"কালকেই তো আমার সাথে রাগারাগি করলা। আবার এখন মনে হচ্ছে, মুখ দিয়ে মধু ঝড়ছে।"
"কই? আমি তো রাগারাগি করি নি। তুই নিজেই তো আমাকে মিথ্যা বলে বোকা বানাতে চেয়েছিলি। যদিও আমি সবকিছু তখনই বুঝে গিয়েছিলাম কিন্তু কিছু বলি নি। কারণ তুই আমাকে বোকা বানানোর জন্য এতকিছু করলি। তাই আমি ভাবলাম, কোনকিছু না বোঝার ভান করে থাকলে ক্ষতি কি!'
অপরাজিতা বুঝতে পারল, রাজকে বোকা বানাতে গিয়ে,,, ও নিজেই বোকা হয়ে গিয়েছে। অপরাজিতার কিছু বলার আগেই রাজ বললো,
"এখন তরকারি খা। আর নাহয় একটু আগে যা বললাম,,, সেটা আমি এখন সত্যি করে ফেলব।"
কি আর করার? এখন ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও অপরাজিতা তরকারি দিয়ে খাওয়া শুরু করে। অপরাজিতার খাওয়া যখন শেষের দিকে তখন রাজ বলে, "খাওয়া শেষ করে তাড়াতাড়ি নিচে আসিস। আমি ওয়েট করছি।"
যথারীতি, অপরাজিতা পুরো খাবার শেষ করে নিচে যায়। অপরাজিতা রাজের পাশের সিটে বসতেই, রাজ গাড়ি ড্রাইভ করা শুরু করে। গাড়ির মধ্যে মিনিট পাঁচেক সময় পর্যন্ত নীরবতা চলছিল। কিন্তু অপরাজিতা নীরবতা ভেঙে রাজের সাথে কথা বলা শুরু করে। উদ্দেশ্য একটাই। আর তা হলো, রাজের মুখ থেকে 'ভালোবাসি' কথাটা শোনা।
--- আচ্ছা রাজ ভাইয়া, তুমি কি কখনও কাউকে ভালোবাসো নি?
--- তুই জেনে কি করবি?
--- আরে! বলো না! আমি কাউকে বলবো না, প্রমিস।
--- উমমম!! হ্যাঁ! বাসি তো। নয় বছরেরও বেশি সময় ধরে।
--- কে সে?
--- ফরগেট ইট! কেউ না! আমি জাস্ট মজা করলাম।
অপরাজিতার ক্ষণিকের জন্য মনে হলো, রাজ হয়তো ওকে শুধুমাত্র নিজের বোন হিসেবেই ভালোবাসে আর যত্ন নেয়। আর সেটাকেই হয়তো অপরাজিতা ভুলভাবে ধরে নিয়েছে। তাই বললো,
--- আচ্ছা? একতরফা ভালোবাসার মাঝে এতো কষ্টের কি আছে? আমরা তো তাদের নিজেদের হৃদয় থেকে গভীরভাবে ভালোবাসি। তাও কেন কষ্ট হয়?
--- হ্যাঁ, একতরফা ভালোবাসা অনেক কষ্টের হয়। এটা এমন এক অনুভূতি, যেটা আমরা থামাতে পারি না, নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না আর শেষও করে দিতে পারি না। আর এটাই সবথেকে বেশি কষ্ট দেয়। আমরা জানি যে, অপর প্রান্তের মানুষটা আমাদের জন্য একই অনুভূতি রাখে না কিন্তু তাও আমরা আমাদের অনুভূতিটাকে দাফন করতে পারি না।
অপরাজিতা মনে মনে বললো, "আর তুমি যদি আমাকে না ভালোবাসো, তাহলে আমার অনুভূতিও তো এভাবে শূন্যে আটকে থাকবে। যেটা, না নিচে নামতে পারবে আর নাই বা, উপরে যেতে পারবে।"
কিছুক্ষণের মাঝে ওদের গাড়ি অপরাজিতার কলেজের সামনে চলে আসে। অপরাজিতা রাজকে গুডবাই বলে চলে যায়। হ্যাঁ, রাজেরও অনেক কষ্ট হচ্ছে, অপরাজিতাকে নিজের অনুভূতির সম্পর্কে না বলতে পেরে। কিন্তু ওর কিছুই যে করার নেই। কারণ ও তো আয়ানকে আগেই কথা দিয়ে ফেলেছে যে, HSC পরীক্ষার আগে ও অপরাজিতার কাছে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করবে না। এখন ওর কাছে অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
হঠাৎ,,, রাজের কাছে একটা আননোন নাম্বার থেকে ম্যাসেজ আসে। রাজ এটা ভেবে অবাক হয় যে, আননোন নাম্বার থেকে কে ওকে ম্যাসেজ করছে। রাজকে ম্যাসেজে একটা জায়গায় দেখা করতে বলা হয়েছে। কিন্তু রাজ সেটাকে ইগনোর করে অফিসে চলে যায়।
রাজ অফিসে একটা প্রজেক্টের কিছু ফাইল চেক করছিল। তবে তখনও সেই আননোন নাম্বার থেকে ম্যাসেজ আসছিল। রাজ এখন এক প্রকার বিরক্ত হয়ে ম্যাসেজের রিপ্লাই দিল।
--- কে আপনি?
--- আমি কে, সেটা বড়ো কথা নয়। তোর যদি কলিজা থাকে, তাহলে আমার পাঠানো লোকেশনে আসিস।
--- ডাইরেক্ট থ্রেট? ভয় দেখাচ্ছিস আমায়? হ্যাঁ, আমার কলিজা আছে কিন্তু আমি যদি তোর কাছে যাই, তাহলে তোর কলিজা থাকবে না।
--- তাই নাকি? সেটা তো তোর সাথে দেখা করার পর বোঝা যাবে।
--- আমার তো অনেক শত্রু আছে। বাট তুই যে কে,, সেটা বুঝতে পারছি না।
--- দেখা হলেই বুঝতে পারবি।
রাজ রেডি হয়ে লোকটার পাঠানো লোকেশনে যায়। গাড়ি একটা জায়গায় পার্ক করে পায়ে হেঁটে একটা ফাঁকা পরিত্যক্ত জায়গায় এসে পৌঁছায়। যখন রাজ চারদিকে সেই লোকটাকে খুঁজছিল, তখন একজন ওর মাথায় জোরে কিছু একটা দিয়ে বারি মারে। যেটার বেগ এতো বেশি ছিল যে রাজ সাথে সাথে নিচে পড়ে যায়। আর পাশাপাশি ওর মাথা থেকেও ব্লিডিং হচ্ছিল। সাদা শার্টে রক্ত বেয়ে বেয়ে পড়ে অনেক অংশ ভিজে লাল হয়ে গিয়েছে। মাথায় প্রচণ্ড ব্যাথা অনুভব হচ্ছে ওর। রাজ দাঁড়ানোর চেষ্টা করলো কিন্তু ওর শরীর যেন ক্রমশ অবস হয়ে যাচ্ছে। ও লোকটাকে দেখার চেষ্টা করলো কিন্তু কোনো লাভ হলো না। কারণ ওর চোখ ইতোমধ্যেই ঘোলা হয়ে গিয়েছিল। যেকোনো সময় জ্ঞান হারাতে পারে। তবে পুরোপুরি জ্ঞান হারানোর আগে রাজ অস্পষ্ট স্বরে বললো, "পেছন থেকে আঘাত করে নিজেকে কাপুরুষ প্রমাণ করলি। তাই না? তোর যদি সাহস থাকত, তাহলে পেছন থেকে না বরং সামনে থেকে আঘাত করার চেষ্টা করতি।"
কোনমতে কথাটুকু শেষ করার সাথে সাথেই ওর চোখজোড়া বন্ধ হয়ে গেল। হ্যাঁ, রাজ অজ্ঞান হয়ে গিয়েছে। রাজকে জ্ঞান হারাতে দেখে লোকটা রাজ্য জয়ের একটা হাসি দিল। যে হাসিতে ছিল ক্ষোভ আর প্রতিশোধের মিশ্রণ।
#চলবে
4 weeks ago | [YT] | 14
View 10 replies
꧁𝓔𝓾𝓹𝓱𝓸𝓻𝓲𝓪 ꧂
এইবার ঈদে কোনো জুতা কিনি নাই। কারণ তোমাদের Jungkook ভাইয়া আমাকে এতো ভালোবাসে যে, আমাকে মাটিতে পা ফেলতে দেয় না 😌🕊️।
বাই দা ঠ্যাং, হাম্বা মোবারক 💐💌।
রাগ করলা 🐸?
1 month ago | [YT] | 32
View 5 replies
꧁𝓔𝓾𝓹𝓱𝓸𝓻𝓲𝓪 ꧂
#হৃদয়_গহীনে_তুমি
#পার্ট_১০
#লেখনীতে_ফাহিমা_ইসলাম
সূর্যোদয়ের মাধ্যমে নতুন এক দিনের সূচনা ঘটে। সূর্যের সোনালী আভা চারপাশকে সুরভিত করে তুলেছে। মনে হচ্ছে, ধরণী আজ নতুন রূপে সেজে ওঠেছে। খোলা জানালা দিয়ে এক ফালি সূর্যের আলো অপরাজিতার রুমে প্রবেশ করেছে।
তবে আজ অপরাজিতা এলার্ম বাজার আগেই উঠে গিয়েছে। ও যে আজকে আগে উঠেছে সেটা শুনে তোমরা যতটা অবাক হয়েছ, তার থেকে শত গুণ বেশি অবাক হয়েছে অপরাজিতা নিজেই। কারণ ঘুম থেকে উঠেই ও ওর বিছানার পাশে ডায়োরের ২০ টা পারফিউম দেখতে পায়। সেটার সাথে একটা স্টিকি নোটও পায়। নোটটা খুলে পড়তেই বুঝতে পারে যে এই পারফিউমগুলো রাজ দিয়েছে। নোটে লেখা ছিল,
"এখানে ডায়োরের ২০ টা পারফিউম আছে। তোর লাগলে আরও কিনে দিবো। অন্যকারো কাছ থেকে নেওয়ার দরকার নেই।"
অপরাজিতা মৃদু হেসে স্টিকি নোটটা একটা ড্রয়ারে রেখে দেয়। যেখানে রাজের দেওয়া আরও নোট ছিল। এগুলো ও যত্ন সহকারে একসাথে রেখে দিয়েছে। অপরাজিতা মনে মনে ভাবছে,
"তাহলে কাঠখোট্টা মনে হয় এইবার ভালোভাবেই জেলাস হয়েছে। তবে এতগুলো পারফিউম না দিয়ে 'I love you' লিখে দিলে আরও বেশি খুশি হতাম। তবে আমিও হাল ছাড়বো না। 'ভালোবাসি' কথাটা আমি তোমার মুখ থেকে বের করেই ছাড়বো। সোজা আঙ্গুলে না হলে আঙ্গুল বেকা করবো।"
এসব ভাবতে ভাবতে অপরাজিতা রাজের রুমের সামনে যায় ওকে দেখার জন্য। অপরাজিতা রুমে নক করতেই রাজ দরজা খুলে দেয়। রাজ তখন শার্ট পড়ছিল বলে শার্টের কয়েকটা বোতাম খোলা ছিল। অপরাজিতা সেদিকে তাকাতেই রাজ শার্টের বোতামগুলো তড়িঘড়ি করে লাগিয়ে ফেলে বলে,
"কি দিনকাল পড়লো রে বাবা! আজকাল দেখি ছেলেরা ঘরেও নিরাপদ নেই।"
অপরাজিতা চোখ ছোটছোট করে বললো,
"কথাটা কি আমাকে বললে?"
রাজ:- না না! তোকে বলতে যাবো কেনো? আমার ঘরে তো একটা ভূত আছে। ওকেই বলছি।
অপরাজিতা:- এক্সকিউজ মি, তুমি কি আমাকে ভূত বললা?
রাজ: আমি তো কাউকে মিন করে বলি নি। তো এখন যদি কথাটা কারও গায়ে গিয়ে লাগে তাহলে আমার তো কিছু করার নেই।
অপরাজিতার এখন ইচ্ছা করছে রাজের চুল ধরে টানতে। কিন্তু কোনমতে নিজেকে সামলিয়ে মুখে জোরপূর্বক একটা হাসি দিয়ে বললো,
"তুমি কি কালকে রাগ করেছিলে?"
"আমার রাগ করা বা না করা নিয়ে তোর কি আদৌ কিছু এসে যায়?"
"কোনকিছু যায় না আসলে কি জিজ্ঞাসা করতাম?"
রাজ কোনো উত্তর না দিয়ে টাই লাগাতে থাকে। অপরাজিতাকে জ্বালাতে বেশ ভালোই লাগছে ওর।রাজকে টাই লাগাতে দেখে অপরাজিতা বলে,
"আমিও টাই লাগানো শিখেছি!"
রাজ একটা ভ্রু উঁচু করে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল, "তোর তো টাই নেই। তাহলে কার জন্য শিখলি?"
অপরাজিতা মুচকি হেসে বলল, "বিশেষ একজনের জন্য।"
"বিশেষ একজন? বাহ! ভালোই।"
অপরাজিতা তো একদম অবাক হয়ে যায়। কারণ ও তো এটা রাজের জন্যই শিখেছিল। অপরাজিতা মনে করেছিল রাজ বুঝবে যে অপরাজিতা আসলে কি বোঝাতে চাচ্ছে। কিন্তু ওই লোকটা তো কিছুই বুঝলো না।
রাজ টাই লাগিয়ে সেটা খানিকটা লুজ করতে করতে অপরাজিতার কাছে গিয়ে বললো,
"তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নিচে আয়। আমি ডাইনিং টেবিলে ওয়েট করছি।"
রাজকে এতটা কাছে দেখে অপরাজিতা খানিকটা নার্ভাস হয়ে বললো,
"আচ্ছা। তাহলে আমি এখন যাই।"
অপরাজিতা তাড়াতাড়ি সেখান থেকে কেটে পড়ে। আর অপরাজিতা যেতেই রাজ যেনো হাসিতে ফেটে পড়ে। আসলে কালকে রাতে যখন অপরাজিতা ওকে বলেছিল যে, ওকে একটা ছেলে পারফিউম গিফট করেছে তখন সেটা সত্যি মনে করে ছেলেটা আসলেই অনেক জেলাস হয়েছিল। তাই সাথে সাথে ওই ব্র্যান্ডেরই আরও ২০ টা পারফিউম অর্ডার করেছিল। অপরাজিতা যখন ঘুমিয়েছিল তখন রাজ ওর টেবিলে সেই পারফিউমগুলো রেখে গিয়েছিল। তবে পরে জানতে পেরেছে যে অপরাজিতা ঐ পারফিউম নিজের টাকাতেই কিনেছে। এটা শুনে বেচারার মনে একটু স্বস্তি আসে। কিন্তু এখন সবকিছু জেনেও অপরাজিতাকে জ্বালাতে বেশ ভালো লাগছে ওর।
অপরদিকে অপরাজিতার মা অপরাজিতাকে বলেছে ইয়াশকে ঘুম থেকে একটু ডেকে তুলতে। এটা শুনে অপরাজিতা একটা শয়তানি হাসি দিয়ে ইয়াশের রুমে যায় কারণ প্রতিবার ইয়াশ ওর ঘুমের বারোটা বাজিয়ে ওকে ডেকে তুলে। কিন্তু আজকে অপরাজিতা ইয়াশকে এমনভাবে ডেকে তুলবে যে ইয়াশ সেটা কোনোদিনও ভুলবে না।
অপরাজিতা ইয়াশের রুমে গিয়ে একটা কাগজ নিয়ে ওর কানের ভেতর ঢুকিয়ে ঘোরাতে থাকে যেন কাতুকুতু বা সুড়সুড়ি লেগে ছেলেটা ওঠে যায়। কিন্তু এতে কোনো পরিবর্তন ঘটে না। এরপর অপরাজিতা ইয়াশের চুল ধরে টেনে ওকে ওঠানোর চেষ্টা করে কিন্তু এতেও কোনো লাভ হয় না। অবশেষে অপরাজিতা এক গ্লাস পানি এনে ইয়াশের মুখে ফেলে দেয়। ইয়াশ তখন চিল্লিয়ে ঘুম থেকে ওঠে বলে,
"ও আম্মুগো আমাকে বাঁচাও। বন্যা হচ্ছে। তোমার সোনার ছেলেটা বন্যায় ডুবে গেলো গো। ও আম্মু গো।"
ইয়াশকে চিল্লাতে দেখে অপরাজিতা বলে,
"এভাবে ভেড়ার মতো চিল্লাচ্ছিস কেনো?"
"ওয়েট, তুই কি আমার মুখে পানি ফালাইলি? ঘসেটি বেগম কোথাকার।"
"আমি ঘসেটি বেগম হলে তুই কি? তুই তো আস্ত একটা মীরজাফর রে!"
"তুই তো কটকটি।"
"তুই একটা bolbfish"
"Bolbfish? Bolbfish টা আসলে কি? না মানে ক্লাসের একজন আমাকে bolbfish বলে ডাকে। কিন্তু আমি তো চিনি না।"
অপরাজিতা হাসতে হাসতে গুগল থেকে bolbfish এর একটা ছবি সার্চ করে দেখায়। ছবিটা দেখে ইয়াশের মাথায় যেন আকাশটা ভেঙে পড়ে। চোখ বড় বড় করে বলে, "আমাকে কোন দিক থেকে এইটার মতো লাগতেছে? আমার এত্ত হ্যান্ডসাম ফেইস এর সাথে এইটা যায় নাকি? মেয়েটা মনে হয় অন্ধ।"
অপরাজিতা হাসতে হাসতে বলে,
"কই? ঠিকই তো আছে। সব দিক থেকেই তোকে ঐ bolbfish এর মতো লাগে। নাহলে দুইজনই কীভাবে তোকে একই নামে ডাকতে পারে? তোকে কে এই নামে ডাকছে রে?"
ইয়াশ রাগে কটমট করতে করতে বলে,
"রূপালি।"
অপরাজিতা হাসতে হাসতে সেখান থেকে চলে যায়। আর ইয়াশ তো রাগে একপ্রকার ফুঁসছে।
ডাইনিং টেবিলে বসে অপরাজিতা আর রাজ খাচ্ছে। কিন্তু অপরাজিতা খাওয়ার থেকে বেশি রাজকে পর্যবেক্ষণ করছে। রাজ অপরাজিতার দিকে আড়চোখে তাকিয়ে বললো,
"আমার দিকে তাকিয়ে না থেকে খাবার খা। নাহয় খবরটা ঠান্ডা হয়ে যাবে।"
রাজের কথা শুনে অপরাজিতা কিছুটা ইতস্তত হয়ে খাওয়া শুরু করে। অপরাজিতাকে শুধু শাকসবজি খেতে দেখে রাজ মাংসের তরকারি এগিয়ে দিয়ে বলে,
"বাসায় কি খাবারের অভাব পড়েছে নাকি? এসব ঘাসপাতা খাচ্ছিস কেন? এগুলো তো ছাগলেরা খায়।"
"তোমাকে বলছে? বেশি মসলাযুক্ত খাবার খেলে অনেক সমস্যা হয়। তাই খাই না।"
"কই? আমিও তো খাই। আমার তো কোনো সমস্যা হয় না। আমি একদম ফিট এন্ড পারফেক্ট আছি।"
"তুমি খেলে খাও। আমি খাবো না। খেলে যদি মোটা হয়ে যাই!??"
"না খেতে খেতে তো চিকন হয়ে যাচ্ছিস। কয়েকদিন পর তোকে অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে দেখা লাগবে।"
"না। আমি খাবো না।"
"খা। আর নাহলে..........
"নাহলে কি?"
রাজ অপরাজিতার ঠোঁটের দিকে তাকিয়ে বলে,
"নাহলে আমি তোকে খেয়ে ফেলব।"
#চলবে
1 month ago | [YT] | 16
View 14 replies
꧁𝓔𝓾𝓹𝓱𝓸𝓻𝓲𝓪 ꧂
তোমাকে দেখেছিলাম হঠাৎ সেই ঝুম বৃষ্টির দিনে। হ্যাঁ, বৃষ্টি কিছুক্ষণ পরেই থেমে গিয়েছিল,,, কিন্তু,,,, তুমি আমার হৃদয়ে রয়ে গেলে আজীবন। যেই বৃষ্টি আমার কাছে বিরক্তির মূর্তপ্রতীক ছিল,,,,সেটা এখন আমার কাছে সোনালী স্মৃতি। আমার বৃষ্টি এখনো পছন্দ আর সাথে তুমিও 😌🫀.....
1 month ago | [YT] | 25
View 10 replies
꧁𝓔𝓾𝓹𝓱𝓸𝓻𝓲𝓪 ꧂
#হৃদয়_গহীনে_তুমি
#পর্ব_০৯
#লেখনীতে_ফাহিমা_ইসলাম
হ্যাপি রিডিং 🍀
অপরাজিতার সেই মায়াপূর্ণ হাসির পানে রাজ নির্বাক দৃষ্টিতে চেয়ে রইলো। অতঃপর আনমনেই আওরালো,
"তোর আর আমার মাঝের পার্থক্য হয়তো এতটুকুই! আর সেটা হলো, তুই হাসতে ভালোবাসিস আর আমি তোর হাসিমাখা মুখ দেখতে ভালোবাসি। আর যখন আমি দেখি তোর হাসির কারণটা আমি,,, তখন আমার হৃদয়ে রীতিমতো ঝড় শুরু হয়ে যায়। যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এক কথায় অসম্ভব।"
রাজকে আনমনে কিছু ভাবতে দেখে অপরাজিতা মজা করে রাজের নাকে কিছুটা আইস ক্রিম লাগিয়ে দিল। আকস্মিক এমন কাণ্ডে রাজ খানিকটা অবাক হলো বটে। রাজ অপরাজিতার দিকে তাকাতেই অপরাজিতা চোখ বন্ধ করে ফেলে। মজা করতে গিয়ে আবার বাড়াবাড়ি করে ফেললো না তো? যদি এখন একটা থাপ্পড় মেরে দেয়! যা দেখে রাজ ওর হাসি আর নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে সজোরে হেঁসে উঠলো। রাজের হাসির শব্দ শুনে অপরাজিতা বোকা হয়ে গেল। লোকটা এভাবে হাসলো কেনো? পাগল টাগল হয়ে গেলো না তো আবার? কে জানে? এর আগে তো কখনও এভাবে হাসতে দেখে নি।
"আজব তো! এভাবে হাসছো কেনো?"
রাজ হালকা কন্ঠে ধীরে ধীরে বললো,
" তো হাসবো না? তোকে তো আমি ভালোবাসতে বাসতেই কোনো কুল কিনারা খুঁজে পাই না। সেখানে তোর গায়ে হাত তোলার কথা তো আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারি না। তোর গায়ে হাত তোলার চেয়ে আমি নিজের মৃত্যুকেই শ্রেয় মনে করবো!"
রাজের অস্পষ্ট কথা শুনে অপরাজিতা হকচকিয়ে প্রশ্ন করে, "কিছু বললে?"
রাজ নিজেকে সামলিয়ে বললো,
"বলি তো অনেক কিছুই। কিন্তু সেটা একবারের বেশি বলি না।"
এই বলে রাজ অপরাজিতার কপালে একটা টোকা মারে। যার দরুণ অপরাজিতা পরক্ষনেই কপালে হাত দিয়ে বললো, "আউচচচ! কপালে টোকা দিলে কেনো?''
রাজ প্রত্যুত্তরে কিছু না বলে গাড়িতে উঠে বসে।
:- তাড়াতাড়ি আয়।
অপরাজিতা চোখ উল্টিয়ে বললো,
"লোকটা আসলেই একটা কাঠখোট্টা।"
যা শুনে রাজ স্মার্ক করে বললো,
"কাঠখোট্টা? তাও ভালো। কারণ ভেবে খুশি হলাম যে আমার প্রণয়িনীও আমাকে একটা nickname দিয়েছে। কিরকম নাম দিলো সেটা দেখার বিষয় না।"
অপরাজিতা ব্যাকসিটের ডোর খুলে আজও অনেক জিনিসপত্র রাখা দেখতে পায়।
:- এগুলো কি সরাবা না?
:- এই জন্মে আর সরাচ্ছি না।
অপরাজিতা আর কথা না বাড়িয়ে রাজের পাশে বসে পড়লো। যা দেখে রাজ মৃদু হাসলো। রাজ এক হাত দিয়ে গাড়ি ড্রাইভ করছিল আর "Tere liye" গানটা গুনগুন করে গাচ্ছিল। অপরাজিতা মনে মনে বললো,
"মানুষের ঢং দেখে আর বাচি না!"
রাজ গানের শেষ লাইনটুকু শেষ করে বললো,
"কেমন হয়েছে রে?"
অপরাজিতা মিথ্যা বলার বৃথা চেষ্টা করে বললো,
"আমার কাছে একদম বাজে লেগেছে?"
:- কোনটা বাজে লেগেছে? আমাকে নাকি গানটাকে?
:- দুটোই। আর একটা কথা বলে দেই, এখানে আমার ০.১% ও চান্স নেই তোমাকে ভালো লাগার।
:- সে নাহয় মানলাম! তবে বেশি ঘৃণা করতে গিয়ে তুই আবার আমার লাইফের ০.১% হয়ে যাস না যেন।"
:- মানে?
রাজ মুচকি হেঁসে বলতে শুরু করলো,
"যদি ১৭% লোক আমাদের চিনে থাকে তাহলে সেখান থেকে ৭%লোক আমাদের ঘৃণা করবে। ৩% মানুষ আমাদের পছন্দ করবে। ২% লোক আমাদেরকে বুঝবে। প্রায় ৫% মানুষ আমাদেরকে তাদের স্বার্থের জন্য ব্যবহার করবে । আর বাকি ০.১% মানুষ আমাদেরকে নিঃস্বার্থ ভাবে ভালোবাসবে। আমাদের পাশে থাকবে। তাই বলছি, ঘৃণা করতে গিয়ে তুই আমার লাইফের ০.১% এর তালিকায় নাম লেখাস না যেন।"
রাজের কথাই অপরাজিতা যেন কয়েক সেকেন্ডের জন্য বাকরুদ্ধ হয়ে গেলো।
সন্ধ্যার দিকে অপরাজিতার কাছে একটা পার্সেল আসে। অপরাজিতা ছুটে গিয়ে সেটা রিসিভ করে। আসলে সেখানে "Dior" এর পারফিউম ছিল। যেটা ও কয়েকদিন আগেই অর্ডার করেছিল।
রাজ অপরাজিতার রুমের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। তখন অপরাজিতা কি করছে সেটা দেখার জন্য রাজ রুমে উঁকি দিতেই অপরাজিতার হাতে "Dior" এর পারফিউম দেখতে পায়। রাজ তো আর জানে না যে এ পারফিউমটা অপরাজিতা নিজেই কিনেছে। তাই এই পারফিউম অপরাজিতাকে কে দিয়েছে সেটা জানার জন্য রাজ ওর রুমের ভেতরে যায়।
:- কী করছিস?
:- আকাশের তারা গুনছি। গুনবে আমার সাথে?
:- সবসময় ত্যাড়া ত্যাড়া কথা না বললে তোর ভালো লাগে না, তাই না?
:- হ্যাঁ। তুমি যেমন আমার রুমে নক করে ঢুকতে পারো না, আমিও তেমন সোজা কথা বলতে পারি না।
রাজ অপরাজিতার কথার তোয়াক্কা না করে ওর হাতের দিকে ইশারা করে বললো,
"এই পারফিউম তোকে কে দিয়েছে?"
রাজকে জেলাস করানোর জন্য অপরাজিতা বললো,
"একটা ছেলে দিয়েছে।"
:- কোন ছেলে?
:- তৌসিফ। ও আমার ফ্রেন্ড হয়।
:- তৌসিফ? তোর ফ্রেন্ড? ও কেন তোকে পারফিউম দিয়েছে?
:- জানি না। আমাকে পছন্দ......
ব্যাস পুরো কথা শেষ করার আগেই রাজ ওর মুখ আলতো করে চেপে ধরে যেন ব্যথা না পায়।
"চুপ কর। আর পারফিউমটা ইউজ করিস না। প্লিজ? এইবার অন্তত কথাটা শোন।"
রাজকে সরিয়ে দিয়ে অপরাজিতা দুই কদম পিছিয়ে বললো, "তাতে তোমার কি? আর এটা জানতে পারলে ছেলেটা তো কষ্ট পাবে।"
:- আর আমি? আমার কষ্ট পাওয়া?"
অপরাজিতা রাজের মুখ থেকে "ভালোবাসি" কথাটা বেড় করার জন্য বললো,
"কষ্ট পাবে কেনো?"
কিন্তু রাজ প্রত্যুত্তরে বললো,
"ঠিকই তো! আমি কেন কষ্ট পাবো? আর আমি তোর কে হই যে তুই আমার কথা শুনবি? আমি হয়তো তোর পার্সোনাল লাইফে একটু বেশিই ইন্টারফেয়ার করে ফেলছি। I'm sorry. আমি তোকে আর ডিস্টার্ব করবো না।"
এই বলে রাজ চলে যেতে নিলে অপরাজিতা জিজ্ঞাসা করে, "কই যাচ্ছ?"
:- তোর জেনে লাভ নেই।
অপরাজিতা রাজের যাওয়ার পানে চেয়ে আছে। করতে চাইলো কি আর হলো কি!
:- এই রে! রাজ ভাই রাগ করলো নাকি? ধ্যাত! এতো ওভার এক্টিং করা ঠিক হয় নাই। ভাবের এক্টিং টা যদি একটু কমিয়ে করতাম তাহলে হয়তো কিছু একটা হতো। ভালো লাগে না! এখন যদি সত্যিই কথা না বলে আমার সাথে?
#চলবে
2 months ago | [YT] | 19
View 10 replies
꧁𝓔𝓾𝓹𝓱𝓸𝓻𝓲𝓪 ꧂
🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂 🎂💌𝐇𝐚𝐩𝐩𝐲 𝐛𝐢𝐫𝐭𝐡𝐝𝐚𝐲💌 🎂
আল্লাহ যেন তোর জীবন চন্দ্রমল্লিকার মতো রাঙিয়ে দেয় 💌। সারা জীবন যেনো হাসি খুশি থাকিস এই দুয়াই করি। আজকে তোর জীবনের আরও একটি বছর বেড়ে গেলো। [ কয়েকদিন পর বুড়ি হয়ে যাবি 👺 ] এইদিনের মতো প্রতিদিনও যেন তোর ঠোঁটের কোণে সেই চিরচেনা হাসিটা লেগে থাকে। কারণ এই হাসিটাই তোর আগামী জীবনের পথ চলার ঢাল হয়ে দাঁড়াবে।
[কখনও বড়লক্স হইয়া গেলে আমাকে আবার ভুইলা যাইস না তাইলে মাইরা ফালামু 👹]
তোকে শত কোটি ধন্যবাদ আমার জীবনে এসে আমার জীবনকে স্পেশাল করার জন্য।🎀
পরিশেষে একটা কথা বলে যায়,,,,
"তুই আমার যে সে ফ্রেন্ড না।
তুই হলি আমার যে 'সে' ফ্রেন্ড।"
হি হিহি জানি কিছুই বুঝোস নাই 🤧।
বাই দা ঠ্যাং, তোকে জানাই হাজার কোটি গোলাপের শুভেচ্ছা আর ভালোবাসা 💌🎀🫀🔗🦋🖇️💐💫🕊️~............
2 months ago | [YT] | 21
View 9 replies
꧁𝓔𝓾𝓹𝓱𝓸𝓻𝓲𝓪 ꧂
তুমি অন্য গ্রহের চাঁদ 😌!!
আমার একলা থাকার ছাদ 🖇️~~
তোমার ফেরার সম্ভাবনা!?!? _____
অমাবস্যায় জোছনা 🫀🕊️♡♡""""
~আমার একান্ত অন্য গ্রহের চাঁদ 😌🫀!!"~
2 months ago (edited) | [YT] | 106
View 20 replies
꧁𝓔𝓾𝓹𝓱𝓸𝓻𝓲𝓪 ꧂
#হৃদয়_গহীনে_তুমি
#লেখনীতে_ফাহিমা_ইসলাম
#পার্ট_০৮
আজকে মিটিংয়ে রাজ তার একটা প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করবে। যেটা নিয়ে ও অনেকদিন যাবৎ কাজ করেছে। অবশেষে আজ সে দিন চলে এলো। রাজ তার নিজের উপর সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাস রেখে প্রেজেন্টেশন শুরু করলো। কোম্পানিতে আরও কি কি সংযোজন করলে ভালো হয় সেটার প্রেক্ষিতে নিজের মতামত দিচ্ছে। যা সবার কাছেই ভালো লেগেছে। ছেলেটার অক্লান্ত পরিশ্রম যেনো আজ সফল হলো। প্রেজেন্টেশন শেষে সবাই করতালির মাধ্যমে ওকে উৎসাহ জানালো। আতিক খান খানিকটা তৃপ্তির হাসি দিয়ে বললো, "আমি এখানে পক্ষপাতিত্ব করছি না। তবে সত্যি বলতে, রাজ যে আইডিয়াগুলো দিলো সেগুলো খুবই অনন্য। সবাই নিশ্চয় এটা পছন্দ করবে। আর এতে কিং ইন্ডাস্ট্রিরও অনেক বেশি প্রফিট হবে বলে আমি মনে করছি। কি বলো, রাকিব ভাই?"
" হ্যাঁ, আমিও তাই মনে করছি। রাজ যদি ওর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারে, তাহলে আমি ওকে কোম্পানির CEO পদে নিযুক্ত করবো। আশা করছি, আমি যোগ্য মানুষকেই এই পদে বসাতে পারবো।"
রাকিব খানের আজ তার ছেলেকে নিয়ে ভীষন গর্ব হচ্ছে। কবে যে তার ছেলেটা এতো বড়ো হয়ে গেলো সেটা যেনো সে বুঝতেই পারল না। রাজ যদি এই প্রজেক্টে সফল না হতে পারে, তাতেও রাকিব খানের কোনো আফসোস থাকবে না। কারণ যাকে সে ছোটবেলায় হাত ধরে হাঁটতে শিখিয়েছে আজ সে একটা বড়ো কাজের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে। এটাই যেন রাকিব খানের কাছে বড়ো প্রাপ্তির।
রাজ খানিকটা হেঁসে বললো, "ইনশাআল্লাহ্! আমি কথা দিচ্ছি, আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করবো। আমার পক্ষ থেকে অন্তত চেষ্টার কোনরকম কমতি থাকবে না।"
রাজের অভয় শুনে রাকিব খান ও আতিক খানসহ বাকি সব এমপ্লয়ীরাও খুশি হয়। আজ থেকে রাজের জীবনে নতুন এক অধ্যায় শুরু হবে।
অন্যদিকে, অপরাজিতা ব্রেক টাইমে রাজের কথা ভাবছিল। কেনো জানি, না চাইতেও তার মনটা পড়ে থাকে সমুদ্রের শান্ত ঢেউয়ের ন্যায় নীল বর্ণের চোখের অধিকারীর সেই পুরুষের উপর। নিজের অদম্য মনটাকে কেনো যেন সে আর দমিয়ে রাখতে পারছে না। আর সেই পুরুষের কথা ভাবতেই অষ্টাদশীর বুকের বাম পাশে অবস্থানরত ছোট্টো হৃদয়টা দিকবেদিক ছুটে বেড়ায়। রাজ কি অপরাজিতার হৃদয়ের মণিকোঠায় একটু হলেও ঠাঁই পেয়েছে? হয়তো তাই! তবে এর কোনো প্রকার উত্তর অপরাজিতার কাছে এই মুহুর্তে নেই। মনে মনে ভাবছে, "আমার সাথে কি হচ্ছে সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই। তবে আমি যেটাকে ভালোবাসা ভাবছি সেটা অ্যাট্রাকশন নয়তো? হয়তোবা না। এর আগে তো কখনও এমনটা হয় নি। বুঝব কি করে?"
অপরাজিতাকে অনেকক্ষণ আনমনে কিছু একটা ভাবতে দেখে ইভা আর আলিয়া একে অপরের দিকে চাওয়াচাওয়ি করছে। শেষ পর্যন্ত আলিয়া ওকে জিজ্ঞাসা করলো, "এতক্ষণ ধরে কি এমন ভাবছিস যে তোর সামনে বসে থাকা দুইটা জ্বলজ্যান্ত মানুষকে কোনো পাত্তাই দিচ্ছিস না?!?"
অপরাজিতা মুখ ফসকে বলে ফেললো,
"আমাকে মনে হয় কাঠখোট্টা লোকটা কালোজাদু করেছে রে। কোনোমতেই আমার মাথা থেকে ওর কথা ঝেড়ে ফেলতে পারছি না!"
পরক্ষনেই অপরাজিতা তার মুখ হাত দিয়ে চেপে ধরলো। ওদের দুইজনের সামনে এ কি বলে বসলো সে? এখন ওদের দুইজনের জেরার হাত থেকে কি বাঁচতে পারবে ও?
অপরাজিতা যেমন ভেবেছিল ঠিক তেমনটাই হয়। দুইজন মিলে ওকে ব্রেকফেইল গাড়ির মতো একের পর এক প্রশ্ন করেই চলেছে। থামার কোনো নামগন্ধই নেই। এক পর্যায়ে অপরাজিতা কোনো রকমে ওদের থামিয়ে বললো, "আমি তোদের প্রশ্নের উত্তর কিভাবে দেবো যেখানে কিনা আমার নিজেরই এর সূত্রপাত সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই?"
আলিয়া:- তাহলে দেরি করছিস কেন? গিয়ে তোর মনের কথা প্রকাশ করে দে। শুভ কাজে দেরি করতে নেই।
অপরাজিতা:- সেসব নাহয় মানলাম। কিন্তু ওই কাঠখোট্টা লোকটা কি আমায় পছন্দ করে? যদি রিজেক্ট করে দেয়?
ইভা:- রিজেক্ট হতে ভয় পাস? আরে ভাই, রিজেক্ট হলেও লাভ আছে। রিজেক্ট হওয়ার পর অনেকেই কবি, সাহিত্যিক, লেখক হয়ে যায়। তাই প্যারা নাই। চিল কর।
অপরাজিতা:- তোদের কথা শুনতে শুনতেই তো আমার জীবন চিলের মতো উড়ে যাচ্ছে।
আলিয়া:- কে বলতে পারে! হয়তোবা রাজ ভাইও তোকে ভালোবাসে।
অপরাজিতা:- তোর এমন মনে হয়?
আলিয়া:- হ্যাঁ! তবে সবথেকে বেশি কঠিন হলো অপরপক্ষের মানুষটার অনুভূতি সম্পর্কে জানতে পারা।
ইয়াশ আর ওর ফ্রেন্ড সার্কেলের সবাই বাস্কেট বল খেলছিল। যার এক পর্যায়ে ইয়াশ বলটাকে ছুঁড়ে মারে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেটা গিয়ে রূপালীর মাথায় লাগে। এতে তো রূপালি অনেক রেগে যায়। আর বলটা সেখানে নিয়ে গিয়ে কে বল ছুঁড়ে মেরেছে সেটা জিজ্ঞাসা করে। সবাই ইয়াশের দিকে ইশারা করলে রূপালি ইয়াশের দিকে তাকায়। ইয়াশের শরীর থেকে যেন আত্মা প্রায় বেরিয়েই যাচ্ছিল। রূপালির মনে পড়ে এই ছেলেটাকে তো এর আগেও একবার সে দেখেছে। কিন্তু কোথায় দেখেছিল সেটা ও ঠিক মনে করতে পারছিল না। তবে হঠাৎই ওর মনে পড়ে যায় যে, ও তো ইয়াশকে রেসিং কম্পিটিশনের সময় মেইন রোডে দেখেছিল। ইয়াশ রুপালিকে ওর দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে বলে,
:- আমি জানি আমি অনেক হ্যান্ডসাম! তাই বলে কি তুমি আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে থাকবে নাকি?
:- না, এরকম কিছুই না। আমার মনে হয়, আমি তোমাকে এর আগেও কোথাও দেখেছি।
:- কোথায়?
রূপালি যখন রেসিংয়ের রেস বলে তখনি ইয়াশ বুঝে যায় যে রূপালি রেসিং কম্পিটিশনের কথা বলবে। তাই ইয়াশ রূপালীর মুখ হাত দিয়ে চেপে ধরে ওকে সবার আড়ালে নিয়ে গিয়ে বলে,
:- তুমি আমাকে রেসিং কম্পিটিশনের সময় মেইন রোডে দেখেছিলে নাকি?
:- হুমমম। সেটাই তো বলতে চাইছিলাম। কিন্তু তুমি আমাকে এখানে নিয়ে আসলে কেনো?
ইয়াশ হাত জোড় করে বললো,
:- কাউকে বইলো না প্লিজ। আমি তো কম্পিটিশনে জিতিও নি।
পরক্ষনেই ওর মনে পড়ল, ও কেনো মেয়েটিকে এত ভালো করে বলছে? যদি মেয়েটি ওকে সিরিয়াসলি না নেয়? তাই ও নিজের মুখে একটা সিরিয়াসনেসের ভাব নিয়ে বললো, "দেখলেও ভুলে যাও। অহেতুক ঝামেলা সৃষ্টি করো না।"
রূপালির তো এইবার আরও রাগ ওঠে যায়। একেই তো ইয়াশ ওর মাথায় বল ছুঁড়ে মেরেছে আর একবার সরিও বলার প্রয়োজনবোধ করে নি। তার উপর নিজেই একটা ঝামেলা করে ওকে ঝামেলা করতে না করছে। ইয়াশ যেন নিজেই কুমিরের খালে গিয়ে লাফালাফি করে এসেছে। বেশি সিরিয়াস হতে গিয়ে রূপালীকে আরও রাগিয়ে দিয়েছে।
এরপর এই নিয়ে এক কথাই দুই কথাই ওদের মাঝে তুমুল ঝগড়া শুরু হয়ে যায়। শুধু বাকি রয়েছিল একে অপরের চুল ধরে টানাটানি করা। ঝগড়ার শব্দ পেয়ে সবাই সেখানে ছুটে আসে ওদেরকে থামানোর জন্য।
ইয়াশ:- আমার কাছে যদি পারমাণবিক বোমা থাকতো, তাহলে ঐটা সবার আগে তোর মাথার উপর ফালাতাম, ডাইনি!"
রূপালি:- তুই মানুষের এমন অনিষ্ট করবি বলেই তো তোকে কেউ পারমাণবিক বোমা দেয় নাই।
ওদের এমন কান্ড দেখে সবাই একদম হতবাক। কোনমতে ওদেরকে থামায়। ঝগড়া থামলেও বা কি হবে? দুইজন একে অপরের দিকে এমনভাবে তাকিয়ে আছে যেন চোখ দিয়েই ওরা দুইজন দুইজনকে গিলে খেয়ে ফেলবে।
কলেজ শেষে অপরাজিতা বাইরে রাজকে খুঁজছিল। কিন্তু কোথাও সেই মানুষটিকে খুঁজে না পেয়ে ভাবলো একবার কল করবে। কিন্তু ও তো গতকাল নতুন একটা সিম কিনেছে। Unknown number দেখে যদি রাজ কল কেটে দেয়? কিন্তু কী আর করার? একবার নাহয় কল করেই দেখুক! যদি রিসিভ করে! যেমন ভাবা তেমন কাজ। সকল দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে উঠে মোবাইল বের করে রাজের নাম্বার ডায়াল করে কল দিলো। সাথে সাথেই রাজ সেটা রিসিভ করে "হ্যালো" বললো। রাজের কণ্ঠ শোনামাত্রই অপরাজিতার হৃদয়ের ধুকপুকানি বেড়ে গেলো। হঠাৎ যেনো সে কথা বলতেই ভুলে গেলো। অপর প্রান্তে থাকা রাজ বলে উঠলো, "কল দিয়ে কথা বলছিস না যে? নাকি এখন থেকে তোর নিশ্বাসের শব্দ শুনে আমার তোকে চেনার অভ্যাস করতে হবে?"
রাজের কথা শুনে অপরাজিতা রীতিমতো অবাক হলো বটে। একেই তো unknown number থেকে কল করেছে তার উপর ও কোনরূপ কথাও বলে নি। তাহলে রাজ কিভাবে বুঝল যে অপরাজিতাই কল করেছে? মনের কৌতূহল মেটাতে প্রশ্ন করলো,
"তুমি কিভাবে বুঝলে যে আমি কল করেছি?"
"জানি না। হয়তো তোকে চেনার জন্য আমার কাছে তোর ঐ নিশ্বাসের শব্দটাই যথেষ্ট ছিল!"
রাজের কথা শুনে অপরাজিতার শরীরের মধ্য দিয়ে যেনো অদ্ভুত এক শিহরণ বয়ে গেলো। পরমুহূর্তেই নিজেকে স্বাভাবিক করে বললো,
"তুমি এখন কোথায়?"
রাজ অপরাজিতার পেছনে দাঁড়িয়ে ওকে বললো,
"একবার পেছনে তাকা তো!"
অপরাজিতা পেছনে তাকিয়ে রাজকে দেখে আরেক দফা অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলো,
"তুমি এখানে কখন এলে?"
রাজ অপরাজিতার হাতে আইস ক্রিম ধরিয়ে দিয়ে বললো, "অনেক আগেই এসেছিলাম। তোর জন্য আইস ক্রিম কিনতে একটা দোকানে গিয়েছিলাম।"
আইস ক্রিম পেয়ে অপরাজিতা মহাখুশি। আর অপরাজিতার খুশি দেখে রাজও ভীষন খুশি হয়। অপরাজিতার থেকেও বেশি।
@🦋My Dream🦋 @Sabnur-wb3bs @Jungkookferiha-j1g @JeOn_OrNi_Ot7 @BTSarmy-sadika @Toya-moni-77 @Seven_moon_Samiya @Purplegalaxy-x9h @Samia_x_army_7 @Armylink_Najratul@JeongirlHabiba_ot7 @ᯓ𝐉𝐞𝐨𝐧♡𝐇𝐚𝐛𝐢𝐛𝐚ᵒᵗ⁷🌷 @all
2 months ago (edited) | [YT] | 12
View 17 replies
Load more