Rasel Engineering

Welcome to Rasel Engineering –
your go-to hub for all things engineering! Join us as we dive into the fascinating world of technology, innovation, and problem-solving. From breaking down complex concepts with clear explanations to showcasing hands-on projects, tutorials, and the latest engineering marvels, we’ve got something for enthusiasts, students, and pros alike. Expect a mix of practical builds, insightful analyses, and a passion for pushing the boundaries of what’s possible. Subscribe now and let’s engineer a smarter future together!"

Overall I'll guide you to Become a Content creator.if you are interested in this Channels

Copyright Disclaimer: - Under section 107 of the copyright Act 1976, allowance is mad for FAIR USE for purpose such a as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship and research. Fair use is a use permitted by copyright statues that might otherwise be infringing. Non- Profit, educational or personal use tips the balance in favor of FAIR



Rasel Engineering

স্বামীর অধিকার, তার প্রতি কৃতজ্ঞতা হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ!
ওয়াজ-মাহফিল, ইউটিউব, ভার্চুয়াল সবখানেই নারীর হক, নিয়ে আলোচনা হয়! কিন্তু বেচারা স্বামীর!?

হিপোক্রেসি বাদ দিয়ে দেখে নেন—একজন স্ত্রীর কি-কর্তব্য এবং রাসূল তার উদ্দেশ্যে কী-কী বলে গিয়েছেন!!

প্রথমত বৈধকর্মে ও আদেশে স্বামীর আনুগত্য, স্ত্রীর কর্তব্য।
প্রিয় নবী (ﷺ) বলেন:
إِذَا صَلَّتِ الْمَرْأَةُ خَمْسَهَا، وَصَامَتْ شَهْرَهَا، وَحَصَّنَتْ فَرْجَهَا، وَأَطَاعَتْ بَعْلَهَا، دَخَلَتْ مِنْ أَيِّ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ شَاءَتْ.
রমণী পাঁচ ওয়াক্তের নামায, রমযানের, ইজ্জতের হিফাযত ও স্বামীর আনুগত্য করলে জান্নাতের যে-কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে।

শ্রেষ্ঠ রমণী সেই, যার প্রতি তার স্বামী দৃকপাত করলে সে—তাকে খোশ করে দেয়, কোন আদেশ করলে তা পালন করে এবং তার জীবন ও সম্পদে স্বামীর বিরুদ্ধাচরণ করে না।

প্রিয় নবী (ﷺ) বলেন:
لَوْ كُنْتُ آمِرًا أَحَدًا أَنْ يَسْجُدَ لِأَحَدٍ لَأَمَرْتُ الْمَرْأَةَ أَنْ تَسْجُدَ لِزَوْجِهَا.
যদি আমি কাউকে কারো জন্য সিজদা করতে আদেশ করতাম, তাহলে নারীকে আদেশ করতাম, সে যেন তার স্বামীকে সিজদা করে।

مِن حَقِّ الزَّوجِ عَلَى زَوجَتِهِ إن سَالَ دَماً وَقَيحاً وَصَديداً فَلَحَسَتهُ بِلِسَانِهَا مَا أَدَّتْ حَقَّهُ.
স্ত্রীর কাছে স্বামীর এমন অধিকার আছে যে, স্বামীর শরীর থেকে রক্ত, পুঁজ ও পচা তরল বের হয়, আর স্ত্রী তা জিহ্বা দিয়ে চেটে ফেলে— তবুও সে স্বামীর পূর্ণ হক আদায় করতে পারবে না!

মেয়েরা যদি নিজ স্বামীর হক (যথার্থরূপে) জানতো, তাহলে তার দুপুর অথবা রাতের খাবার খেয়ে শেষ না করা পর্যন্ত সে (তার পাশে) দাঁড়িয়ে থাকতো।

فَوَالَّذِى نَفْسِى بِيَدِهِ لاَ تُؤَدِّى الْمَرْأَةُ حَقَّ رَبِّهَا عَزَّ وَجَلَّ حَتَّى تُؤَدِّىَ حَقَّ زَوْجِهَا كُلِّهِ
তাঁর শপথ যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! নারী আল্লাহ হক ততক্ষণ পর্যন্ত আদায় করতে পারে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে —তার স্বামীর হক আদায় করেছে।

اثْنَانِ لا تُجَاوِزُ صَلاتُهُمَا رُءُوسَهُمَا : عَبْدٌ آبِقٌ مِنْ مَوَالِيهِ حَتَّى يَرْجِعَ إِلَيْهِمْ ، وَامْرَأَةٌ عَصَتْ زَوْجَهَا حَتَّى تَرْجِعَ.
দুই ব্যক্তির নামায (কবুল হয় না) সেই ক্রীতদাস যে তার প্রভুর নিকট থেকে পলায়ন করেছে, এবং যে স্ত্রী তার স্বামীর অবাধ্যাচরণ করেছে, সে তার বাধ্য না হওয়া পর্যন্ত!

অন্য হাদিসে আসছে—তিন ব্যক্তির নামায কবুল হয় না, তন্মধ্যে একশ্রেণী হলো— রাত্রে সঙ্গমের উদ্দেশ্যে স্বামী ডাকলে যে স্ত্রী তাতে অসম্মত হয়।

إِذَا دَعَا الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ إِلَى فِرَاشِهِ فَأَبَتْ، لَعَنَتْهَا الْمَلَائِكَةُ حَتَّى تُصْبِحَ.
(وفي رواية: حَتَّى يَرْضَى عَنْهَا)
স্বামী দাম্পত্যের জন্য ডাকলে স্ত্রী অকারণে অস্বীকার করলে—স্বামী সন্তুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত (বা সকাল পর্যন্ত) ফেরেশতারা তার ওপর অভিশাপ দিতে থাকেন!

স্বামীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা!
لَا يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَى امْرَأَةٍ لَا تَشْكُرُ لِزَوْجِهَا وَهِيَ لَا تَسْتَغْنِي عَنْهُ.
যে নারী স্বামীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না— অথচ সে স্বামীর ওপর নির্ভরশীল—আল্লাহ তার দিকে দৃষ্টিও দেন না!

وَنِسَاؤُكُمْ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ: الْوَدُودُ الْعَؤُودُ عَلَى زَوْجِهَا، الَّتِي إِذَا غَضِبَ جَاءَتْ حَتَّى تَضَعَ يَدَهَا فِي يَدِهِ، ثُمَّ تَقُولُ: لَا أَذُوقُ غَمْضًا حَتَّى تَرْضَى.
জান্নাতী স্ত্রী সেই নারী—যিনি স্বামীর প্রতি ভালোবাসাময় ও অনুগত! ভুল হলে অহংকার না করে বারবার স্বামীর কাছে ফিরে আসেন। স্বামী রাগ করলে কাছে এসে হাত ধরে বলেন— আপনি সন্তুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত আমি ঘুমাব না।

অসংখ্য হাদিছ এখানে উল্লেখ করিনি! পরিশেষে চোখ বন্ধ করে বলেন! এমন স্ত্রী বাংলাদেশে কতো পার্সেন্ট আছে!?

1 month ago | [YT] | 0

Rasel Engineering

নাম সাকিব আল হাসান। ৮,৩০০ মাইল দূর আটলান্টিকের ওপারে থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক স্পিনিং মারতেই ঢাকায় টোকাইদের ঘুম নিদ্রা হারাম হয়ে উঠেছে। যে যার মতো সমাল সামাল ডাক পরছে। জয়বাংলার স্পিনিং এক বিন্দু মাত্র দেখালেন,বাকি যে কত কৌশল বাকি আছে বল্ড আউট করতে। জয়বাংলা।

4 months ago | [YT] | 0

Rasel Engineering

স্ত্রী যদি দুঃসময় সহ্য করতে না পারে, সে আসলে স্বামীর সঙ্গী নয়, বোঝা মাত্র

– ভালোবাসা মানে শুধু বিলাসিতা নয়।

ভালোবাসা যদি শুধু রঙিন শাড়ি, দামি গয়না আর রেস্টুরেন্টের টেবিল ঘিরেই সীমাবদ্ধ থাকে, তবে সেটা আসল ভালোবাসা নয়—ওটা কেবল বিলাসিতার নেশা।

একজন পুরুষের জীবন সবসময় একরকম যায় না।
👉 কখনো তার হাতে টাকা থাকে,
👉 কখনো থাকে না।
👉 কখনো সাফল্যের আলোয় ভাসে,
👉 কখনো ব্যর্থতার অন্ধকারে ডুবে যায়।

এটাই জীবন। এটাই বাস্তবতা।

❌ কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো—
অনেক স্ত্রী স্বামীর দুঃসময় সহ্য করতে পারে না।
অভাব এলেই মুখ ভার,
টাকা কম হলেই অভিযোগ,
সামান্য কষ্ট এলেই সংসার ছেড়ে দেওয়ার হুমকি।

তখন সেই নারী আসলে স্ত্রী নয়, হয়ে ওঠে স্বামীর জন্য এক ভয়ঙ্কর বোঝা।

💡 মনে রাখুন—
👉 যে স্ত্রী স্বামীর কষ্টের সময়ে পাশে দাঁড়ায়,
তার হাত ধরে বলে, “আমি আছি”—
সে-ই আসল সঙ্গী।
👉 আর যে কেবল সুখের সময় হাসে, দুঃসময় এলেই মুখ ফিরিয়ে নেয়,
সে কোনোদিন স্বামীর জীবনের অংশ হতে পারে না।

একবার ভেবে দেখুন—
আপনি কি শুধু বিলাসিতার জন্য ভালোবাসছেন,
নাকি দুঃসময়েও স্বামীর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করার শক্তি রাখেন?

কারণ সুখের সময়ের ভালোবাসা সস্তা,
কিন্তু দুঃসময়কে সহ্য করার নামই আসল ভালোবাসা।

#দুঃসময় #বিবাহিতজীবন #BanglaStatus #TrueLove #RelationshipReality
#Raselengineering
#post

4 months ago | [YT] | 0

Rasel Engineering

পুরুষের সবচেয়ে বড় শত্রু তার নিজের পুরুষাঙ্গ । আর নারীর?

আপনার প্যান্টের ভেতরের অঙ্গটিই কি আপনার ব্রেনকে কন্ট্রোল করে? পুরুষের পতন কি তার নিজের রক্ত-মাংসে লেখা থাকে?
আর নারীর সর্বনাশ কি তার অফুরন্ত চাহিদার আগুনে?

আজ কোনো ভদ্রতার মুখোশ নয়, কোনো মিষ্টি কথার প্রলেপ নয়। আজ আমি, রাসেল ইন্জিনিয়ার, সেই কদর্য, ভয়ংকর সত্যটা তুলে ধরব, যা আমাদের সমাজকে, সম্পর্কগুলোকে, আর আমাদের ভেতরকার সত্তাটাকে একটা অদৃশ্য ক্যান্সারের মতো কুরে কুরে খাচ্ছে।

ভয় পাবেন না, কারণ ভয় পেয়েই তো জীবনটা শেষ করে দিলেন। আজ মুখোমুখি হওয়ার দিন।

পুরুষ: আপনার সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতক কি আপনার নিজের শরীরেই বাস করে?

চলুন, সমস্ত ভনিতা আর সামাজিকতার দেয়াল ভেঙে আজ কথা বলি। একজন পুরুষ হিসেবে, আপনার জীবনের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে বিধ্বংসী শত্রু কে? কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী? কোনো অশুভ শক্তি? নাকি আপনার ভাগ্য? না। আপনার সবচেয়ে বড় শত্রু আপনারই শরীরের একটি অংশ। হ্যাঁ, আমি আপনার সেই অঙ্গটির কথাই বলছি, যাকে ঘিরে আপনার পৌরুষের অহংকার, আপনার ক্ষমতার দম্ভ, আপনার আদিম অস্তিত্বের জানান। আপনার ‘নুনু’। যে অঙ্গটি আপনাকে সৃষ্টির স্বর্গীয় ক্ষমতা দিয়েছে, সেই অঙ্গটিই যখন আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তখন সেটি আপনার জন্য নরকের দরজা খুলে দেয়।

একবার আপনার জীবনের দিকে ফিরে তাকান। কতগুলো সাজানো স্বপ্ন, কতগুলো সুন্দর সম্পর্ক, কতগুলো উজ্জ্বল সম্ভাবনা শুধু এক মুহূর্তের শারীরিক উন্মাদনার কাছে বলিদান দিয়েছেন? আপনার প্যান্টের ভেতরের সেই আদিম আগ্নেয়গিরি যখন জেগে ওঠে, তখন কি আপনার মস্তিষ্ক, আপনার বিবেক, আপনার বছরের পর বছর ধরে অর্জিত জ্ঞান আর সম্মান—সবকিছু এক মুহূর্তে ছাই হয়ে যায় না?

আপনি একজন বুদ্ধিমান, বিচক্ষণ মানুষ। আপনি জানেন কোনটা ঠিক, কোনটা ভুল। আপনি আপনার স্ত্রী বা সঙ্গীকে ভালোবাসেন, তাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতির মূল্য বোঝেন। কিন্তু যখন এক মুহূর্তের জন্য আপনার চোখের সামনে অন্য কোনো শরীর ভেসে ওঠে, তখন আপনার ভেতরের সেই নিয়ন্ত্রণহীন জানোয়ারটা জেগে ওঠে। সেই জানোয়ার আপনার সমস্ত বিবেককে গলা টিপে হত্যা করে। সে আপনাকে বোঝায়, "এটাই জীবন। একবারই তো সুযোগ। উপভোগ করে নাও।" আর আপনি, একজন শক্তিশালী পুরুষ, সেই কয়েক ইঞ্চি মাংসের দাসের মতো তার নির্দেশ পালন করেন।

আপনি ভাবেন, কেউ জানবে না। কিন্তু আপনি ভুলে যান, আপনার সবচেয়ে বড় বিচারক আপনি নিজেই। ক্ষণিকের উত্তেজনার পর যখন আপনি একা হন, তখন নিজের প্রতি যে ঘৃণা, যে আত্মগ্লানি অনুভব করেন, সেই নরকযন্ত্রণা থেকে আপনাকে কে মুক্তি দেবে? যে পুরুষ তার যৌন ইচ্ছাকে শাসন করতে পারে না, সে আসলে একজন ক্রীতদাস। তার শরীর তার কাছে একটা কারাগার। সে সারাজীবন শুধু তাৎক্ষণিক মুক্তির জন্য ছটফট করে, আর সেই মুক্তির লোভে সে তার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সবকিছু—বিশ্বাস, ভালোবাসা, সম্মান, শান্তি—একে একে হারাতে থাকে।

ইতিহাস সাক্ষী, পৃথিবীর বহু ক্ষমতাধর রাজা, জ্ঞানী ব্যক্তি, সফল মানুষ ধ্বংস হয়ে গেছে শুধু তাদের এই একটি দুর্বলতার কারণে। তাদের তলোয়ারের ধার, বুদ্ধির জোর—কোনোকিছুই তাদের কামনার আগুনের সামনে টিকতে পারেনি। আপনিও সেই একই ফাঁদে পা দিচ্ছেন না তো? আপনার জীবনের যত বিপর্যয়, যত অশান্তি, তার মূলে কি আপনার এই নিয়ন্ত্রণহীন শারীরিক ক্ষুধা দায়ী নয়? নিজেকে প্রশ্ন করুন। উত্তরটা যদি ভয়ঙ্কর হয়, তাহলে বুঝবেন, বিপদ সংকেত আপনার কানের পাশেই বাজছে। সময় থাকতে লাগামটা ধরুন, নইলে এই লাগামহীন ঘোড়া আপনাকে এমন জায়গায় আছড়ে ফেলবে, যেখান থেকে ফেরার কোনো পথ থাকবে না।

নারী: আপনার অতৃপ্ত লোভই কি আপনার শরীরকে পণ্য বানিয়ে তুলেছে?

এবার নারীদের দিকে আসি। সমাজের চোখে আপনারা কোমল, মমতাময়ী, ভালোবাসার প্রতিমূর্তি। কিন্তু আপনার বুকের ভেতরের সেই গোপন কুঠুরিতে কী বাস করে? সেখানে কি ভালোবাসা আর মমতার পাশাপাশি এক অতৃপ্ত, ক্ষুধার্ত রাক্ষসী বাস করে না? যে রাক্ষসীর খিদে কখনো মেটে না? আর সেই রাক্ষসীর নাম হলো ‘লোভ’।

আপনার স্বামী বা সঙ্গী আপনাকে ভালোবাসে। সে তার সাধ্যের সবটুকু দিয়ে আপনার সব চাহিদা পূরণ করার চেষ্টা করে। সে আপনাকে সম্মান দেয়, সময় দেয়, নিরাপত্তা দেয়। আপনার জীবনটা হয়তো অনেকের কাছেই স্বপ্নের মতো। কিন্তু আপনার মন ভরে না। কারণ, আপনার চোখ নিজের প্লেটের দিকে নয়, অন্যের প্লেটের দিকে। ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে অন্যের বিলাসবহুল জীবনযাত্রা, বান্ধবীর নতুন ডায়মন্ডের নেকলেস, প্রতিবেশীর নতুন মডেলের গাড়ি—এই সবকিছু আপনার ভেতরের অতৃপ্তির আগুনে ঘি ঢালে। আপনার মনে হয়, "আমার যা আছে, তা যথেষ্ট নয়। আমার আরও চাই, আরও চাই, আরও চাই!"

এই ‘আরও চাই’ রোগটা এক ভয়ংকর মানসিক ক্যান্সার। এটা আপনার শান্তিকে কেড়ে নেয়, আপনার ঘুমকে নষ্ট করে দেয়। আপনার সঙ্গীর অক্লান্ত পরিশ্রম, তার ভালোবাসা, তার ত্যাগ—সবকিছু আপনার কাছে তুচ্ছ মনে হতে থাকে। আপনার চোখে তখন সে আর ভালোবাসার মানুষ থাকে না, হয়ে ওঠে আপনার অফুরন্ত চাহিদার জোগান দেওয়ার একটা মেশিন।

আমি বলছি, আমি নিজের চোখে দেখেছি কীভাবে এই সর্বনাশা লোভ একটা সাজানো সংসারকে ধ্বংস করে দেয়। যখন একজন নারীর স্বামী তার আকাশছোঁয়া চাহিদা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়, আর ঠিক সেই মুহূর্তে অন্য কোনো পুরুষ তার সামনে অর্থের ঝনঝনানি, ক্ষমতার হাতছানি আর বিলাসিতার রঙিন স্বপ্ন নিয়ে হাজির হয়, তখন কী হয়?

তখন কিছু নারী তার নীতি, আদর্শ, সততা, এমনকি তার নিজের শরীরকেও বিসর্জন দিতে দ্বিধা করে না। যে শরীরটা ছিল ভালোবাসার মন্দির, সেই শরীরকেই সে তার লোভ মেটানোর জন্য সবচেয়ে সহজ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। সে এক পুরুষের ভালোবাসা আর বিশ্বাসকে পায়ের নিচে পিষে অন্য পুরুষের অর্থে কেনা বিছানায় নিজেকে সঁপে দেয়। সে ভাবে, সে খুব চালাক। সে ভালোবাসা আর বিলাসিতা—দুটোই ভোগ করছে। কিন্তু সে আসলে নিজের আত্মাকেই একটু একটু করে বিক্রি করে দিচ্ছে।

এই ধরনের নারীরা ভুলে যায়, টাকা দিয়ে দামী অলংকার কেনা যায়, সম্মান নয়। টাকা দিয়ে বিলাসবহুল জীবন কেনা যায়, কিন্তু মানসিক শান্তি কেনা যায় না। যখন সেই অর্থদাতা পুরুষটি তাকে ব্যবহার করার পর ছুড়ে ফেলে দেয়, তখন সে না পায় সম্মান, না পায় ভালোবাসা। তার জন্য পড়ে থাকে শুধু একরাশ অনুশোচনা আর একাকীত্ব। যে নারী অল্পে তুষ্ট থাকতে জানে, যে তার সঙ্গীর পাশে থেকে শূন্য থেকে শিখরে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে, সেই প্রকৃত রানী। আর যে নারী অন্যের তৈরি প্রাসাদের লোভে নিজের কুঁড়েঘরের রাজাকে ছেড়ে যায়, তার ভাগ্য দাসী হওয়া ছাড়া আর কিছুই লেখা থাকে না।

এতক্ষণ ধরে যে দুটি ভয়ংকর শত্রুর কথা বললাম—পুরুষের নিয়ন্ত্রণহীন ‘নুনু’ আর নারীর অতৃপ্ত ‘লোভ’—এগুলোই আপনার জীবনের ৭০ শতাংশ সমস্যার মূল কারণ। বিশ্বাস হচ্ছে না?

একবার ভাবুন, যে পুরুষ তার যৌন ক্ষুধাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে শিখে গেছে, সে কখনও বিশ্বাসঘাতকতা করবে না। তার পরিবারে অশান্তি থাকবে না। সে তার সমস্ত শক্তি, মেধা আর সময় নিজের উন্নতিতে এবং পরিবারকে ভালোবাসায় ব্যয় করবে। তার জীবনে আসবে সফলতা, সম্মান আর মানসিক স্থিতি।

আর যে নারী তার লোভকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখে গেছে, সে তার সঙ্গীর অল্প আয়েও সুখী থাকবে। সে বাইরের চাকচিক্য দেখে হাহুতাশ করবে না। সে তার সঙ্গীর সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে উঠবে, বোঝা নয়। তাদের সংসারে থাকবে বিশ্বাস, বোঝাপড়া আর অফুরন্ত ভালোবাসা।

বিষয়টা খুবই সরল। আপনার যুদ্ধটা বাইরের কারো সাথে নয়, আপনার যুদ্ধ আপনার নিজের ভেতরের এই পশুটার সাথে। পুরুষকে তার প্যান্টের ভেতরের পশুটাকে বশ করতে হবে, আর নারীকে তার বুকের ভেতরের পশুটাকে।

আজ রাতেই সিদ্ধান্ত নিন। আপনি কি আপনার ভেতরের জানোয়ারটার দাস হয়েই জীবনটা কাটিয়ে দেবেন? নাকি তাকে শিকল পরিয়ে নিজের আত্মার অধিপতি হবেন?

পুরুষদের জন্য: আপনার আসল পৌরুষ আপনার নিয়ন্ত্রণহীনতায় নয়, আপনার কঠোর আত্মনিয়ন্ত্রণে। আপনার শক্তি হাজারটা শরীর জয় করায় নয়, একটা মনকে আজীবন বিশ্বস্ত থাকায়।

নারীদের জন্য: আপনার আসল সৌন্দর্য দামী পোশাকে নয়, আপনার তৃপ্ত হাসিতে। আপনার আসল শক্তি অন্যের সম্পদে নয়, নিজের সঙ্গীর প্রতি (অটুট) বিশ্বাসে।
আপনাদের বিচার করতে আসিনি। এসেছি শুধু আয়নাটা তুলে ধরতে। সেই আয়নায় নিজের প্রতিবিম্ব দেখে যদি ভয় লাগে, যদি নিজেকে অপরাধী মনে হয়, তাহলে জানবেন—এখনো সময় আছে। কাল সকালটা আপনার জন্য একটা নতুন সুযোগ। হয় নিজেকে বদলান, নয়তো এই আত্মবিধ্বংসী খেলায় তিলে তিলে শেষ হয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন। সিদ্ধান্ত আপনার।

4 months ago | [YT] | 0

Rasel Engineering

আমার চোখ, আমার ছায়া সবই ক্লান্ত😊
আমার সমস্ত অঙ্গ এক সঙ্গে মৃত্যুর গান গাইতে উদ্যাত🖤🥀
একদিন হঠাৎ আমার সময় ফুরোবে🥲
সকাল হবে না, তখন আর আসবে না বিকেল কিংবা সন্ধ্যা😔
দিন-দুপুর নাকে লাগবে আগরবাতির ঘ্রাণ।
সে দিন নিভে যাবে আমার বুকের বেড়ে ওঠা পরম আরাধ্য প্রাণ🖤🥀

4 months ago | [YT] | 1

Rasel Engineering

মাফিয়া💥🔥

4 months ago | [YT] | 1