শিবরাত্রির চার প্রহরের পূজার বিশেষ মন্ত্রগুলো ও নিয়মাবলী কি কি? ******************************************** শিবরাত্রির চার প্রহরের পূজায় প্রতিটি প্রহরে আলাদা আলাদা দ্রব্য দিয়ে মহাদেবের অভিষেক করা হয় এবং প্রতিটি নিবেদনের জন্য নির্দিষ্ট মন্ত্র রয়েছে। নিচে চার প্রহরের পূজার মন্ত্র ও নিয়মাবলী দেওয়া হলো:
প্রথম প্রহর (দুগ্ধ স্নান) ******************** প্রথম প্রহরে শিবলিঙ্গকে দুধ দিয়ে স্নান করানো হয়। এটি সুখ ও শান্তিপদ।
পুরাকালে শ্রীরামচন্দ্র সীতা ও লক্ষ্মণসহ ১৪ বছরের জন্য পঞ্চবটী বনে বাস করতেন। সেইসময় লঙ্কাপতি রাবণ সীতা দেবীকে হরণ করেন। সীতার অনুসন্ধানরত রামের সঙ্গে তখন মৃতপ্রায় জটায়ুর সাক্ষাৎ হয়। জটায়ু রাবণের সীতাহরণের সমস্ত ঘটনা রামচন্দ্রকে জানিয়ে মৃত্যুবরণ করল। এরপর সীতা উদ্ধারের জন্য বানররাজ সুগ্রীবের সাথে তিনি বন্ধুত্ব স্থাপন করেন। ভগবান রামচন্দ্রের কৃপায় হনুমান লঙ্কায় গমন করেন। সেখানে অশোক বনে সীতাদেবীকে দর্শন করে শ্রীরামচন্দ্র প্রদত্ত অঙ্গুরীয় (আংটি) তাঁকে অর্পণ করেন। ফিরে এসে শ্রীরামচন্দ্রের কাছে লঙ্কার সমস্ত ঘটনা ব্যাখ্যা করেন। হনুমানের কথা শুনে রামচন্দ্র সুগ্রীবের পরামর্শে সমুদ্রতীরে যান। সেই দুস্তর সমুদ্র দেখে তিনি লক্ষ্মণকে বললেন, কিভাবে এই অগাধ সমুদ্র পার হওয়া যায়? উত্তরে লক্ষ্মণ বললেন, সর্বজ্ঞাতা আদিদেব রামচন্দ্রকে তাঁর উপদেশ করার মতো কিছু নেই। তবে বক্দালভ্য নামে এক মুনি এই দ্বীপে বাস করতেন। লক্ষ্মণের কথা শুনে তাঁরা সেই মহামুনির আশ্রমে গেলেন। মুনিবর শ্রীরামচন্দ্রকে পুরাণপুরুষ বলে জানতে পারলেন। শ্রীরামচন্দ্র সেই মুনির কাছ থেকে সেই সমুদ্র উত্তীর্ণ হওয়ার উপায় জানতে চাইলেন। সেই মুনি জানান যে, ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের বিজয়া নামক একাদশী পালন করলে নিশ্চয়ই সৈন্যসহ সমুদ্র পার হওয়া যাবে। বিজয় লাভের জন্য দশমীর দিন সোনা, রূপা,তামা অথবা মাটির কলস সংগ্রহ করে তাতে জল ও আমপাতা দিয়ে সুগন্ধিচন্দনে সাজিয়ে তার উপর সোনার নারায়ণ মূর্তি স্থাপন করতে হবে। একাদশীর দিন যথাবিধি প্রাতঃস্নান করে কলসের গলায় মালাচন্দন পরিয়ে উপযুক্ত স্থানে নারকেল ও গুবাক দিয়ে পূজা করতে হবে। এরপর গন্ধ,পুষ্প, তুলসী, ধূপ-দীপ নৈবেদ্য ইত্যাদি দিয়ে পরম ভক্তি সহকারে নারায়ণের পূজা করে হরিকথা কীর্তনে সমস্ত দিন যাপন করতে হবে। রাত্রি জাগরণ করে অখণ্ড ঘি প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত রাখা ভালো। দ্বাদশীর দিন সূর্যোদয়ের পর সেই কলস বিসর্জনের জন্য কোন নদী, সরোবর বা জলাশয়ের কাছে বিধি অনুসারে পূজা নিবেদনের পর তা বিসর্জন দিতে হবে। তারপর ঐ মূর্তি বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণকে দান করতে হবে। ঋষির কথামতো ব্রত অনুষ্ঠানের ফলে তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন। সীতাপ্রাপ্তি, লঙ্কাজয়, রাবণবধের মাধ্যমে তিনি অতুল কীর্তি লাভ করেছিলেন।
তাই যথাবিধি যে মানুষ এই ব্রত পালন করবে, তাদের এ জগতে জয়লাভ ও পরজগতে অক্ষয় সুখ সুনিশ্চিত। এই ব্রতকথা শ্রবণ কীর্তনে বাজপেয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়।
মন্ত্রটা খুব ছোট। জপ করুন আর বিপদ থেকে বেঁচে যান!!এই মন্ত্রটার মাহাত্ম্যটা কী জানেন ? এই মন্ত্রের মাধ্যমে আপনি শ্রীকৃষ্ণকে উপলব্ধি করতে পারবেন। বুঝতে পারবেন, ভগবানের হাতটা আপনার মাথার উপরে আছে💝 “ওঁ কৃষ্ণায় বাসুদেবায় হরয়ে পরমাত্মনে” এই মন্ত্র ভীষণ শক্তিশালী। প্রতিটি শব্দের অর্থ হৃদয় ছুঁয়ে যায়, আর মনকে সরাসরি যুক্ত করে শ্রীকৃষ্ণের ঐশ্বরিক শক্তির সঙ্গে। এই মন্ত্র শুধুই জপ করার জন্য নয়, এই মন্ত্র বোঝার জন্য, কারণ যখন আমরা প্রতিটি শব্দের অর্থ জেনে উচ্চারণ করি, তখন তার প্রভাব পড়ে আমাদের মন, চেতনা ও আত্মার গভীরে। চলুন, এই মন্ত্রের আধ্যাত্মিক অর্থটা একটু জেনে নেওয়া যাক।
•#কৃষ্ণ — তিনি সেই দেবতা যিনি আনন্দ, প্রেম, ভক্তি ও ঈশ্বরত্বকে একত্রিত করেন। কৃষ্ণ মানেই পরমানন্দ—যেখানে দুঃখের স্থান নেই।
•#বাসুদেবায় — এই শব্দটি নির্দেশ করে কৃষ্ণের সেই সর্বব্যাপী রূপকে, যিনি প্রতিটি হৃদয়ে বাস করেন। তিনি বৈষ্ণব দর্শনের আচার্য রূপ, একই সঙ্গে ব্যক্তিগত ও বিশ্বজনীন।
•#হরয়ে — ‘হরি’ অর্থ যিনি পাপ, ক্লান্তি ও অজ্ঞানতা হরণ করেন। তিনি অলসতা দূর করেন এবং মুক্তির পথে নিয়ে যান।
•#পরমাত্মনে — তিনি নিষ্কলুষ, নির্দোষ, সর্বোচ্চ আত্মা—যিনি সমস্ত জীবের মধ্যে বিরাজমান। দেখুন, এই মন্ত্রের প্রতিটি শব্দ মিলিয়ে শ্রীকৃষ্ণের রূপ, সত্তা ও কৃপা সবকিছুরই এক পূর্ণ চিত্র তৈরি করছে। পৌরাণিক গুরুত্বটাও আরো সুন্দর.... ভাগবত পুরাণে বলা হয়েছে, যখন কৃষ্ণ কংসের সামনে তাঁর চতুর্ভুজ বিষ্ণু রূপ প্রকাশ করেন, তখন সেই বাসুদেব রূপ প্রকাশ পায়। এর মাধ্যমে প্রমাণ হয়— কৃষ্ণই নারায়ণ। মহাভারতের বিশ্বরূপ দর্শনে, অর্জুন যখন কৃষ্ণের বিশ্বরূপ দেখেন, তখন তিনি উপলব্ধি করেন— জন্ম, মৃত্যু, কাল ও সমগ্র বিশ্ব সবই কৃষ্ণের মধ্যেই অবস্থিত। আবার বিষ্ণু সহস্রনামে ‘হরি’ নামের উল্লেখ রয়েছে— যিনি সমস্ত পাপ বিনাশ করেন। আর একটা কথা বলে রাখি। বৈষ্ণব পরম্পরায় বলা হয়, এই মন্ত্র একসময় প্রকাশ্যে নয়, গুরু থেকে শিষ্যে গোপনে প্রদান করা হতো—কারণ এর শক্তি গভীর ও অন্তর্গত। এই মন্ত্র কেন বিপদ থেকে রক্ষা করে জানেন? এই মন্ত্র জপ করার মাধ্যমে— 🙏শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে গভীর আত্মিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অর্জুন যেমন সত্য ও ধর্মের পথে অবিচল ছিলেন, এই মন্ত্র তেমনই হৃদয়কে নির্মল করে। 🙏এই মন্ত্র কৃষ্ণের আশীর্বাদকে আহ্বান করে এবং নেতিবাচক শক্তি ও বিপদ থেকে রক্ষা করে। মানসিক, শারীরিক ও আত্মিক কষ্ট ধীরে ধীরে প্রশমিত হয়। 🙏অন্তরের ভারসাম্য বাড়ে, চেতনা প্রসারিত হয়, ঈশ্বর সম্পর্কে উপলব্ধি গভীর হয়। তাই এই মন্ত্র জপ শুরু করার আগে একটি ছোট প্রার্থনা করুন— “হে কৃষ্ণ, আমাকে তোমার চরণে স্থির রাখো।” শব্দের চেয়ে ভাবের দিকে মন দিন। প্রতিদিন একই জায়গায় জপ করুন🙏🙏 ধীরে ধীরে অনুভব করবেন— সেই জায়গায় কৃষ্ণের উপস্থিতি। যখন এই মন্ত্রকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে নেবেন, তখন মনে হবে— কৃষ্ণ শুধু শুনছেন না, ভিতর থেকে উত্তরও দিচ্ছেন। তাই এই মন্ত্র শুধুই একটি স্তোত্র নয়, এটি শ্রীকৃষ্ণের রূপ, সত্তা ও কৃপা— সবকিছুর এক মহাজাগতিক প্রতিফলন। যে হৃদয় দিয়ে এই মন্ত্র জপ করে, সে কখনো একা থাকে না। কারণ কৃষ্ণ তখন তার সঙ্গেই থাকেন 🙏🙏 হরেকৃষ্ণ!! হরেকৃষ্ণ!! কৃষ্ণকৃষ্ণ!! হরেহরে!! হরেরাম হরেরাম!! রামরাম!! হরেহরে!!🙏🙏
মৃত্যু আমাদের জীবনে যখন তখন আসতে পারে।তাই প্রতিদিন এইটা ভাবা উচিৎ আজ আমার জীবনের শেষ দিন হতে পারে।মৃত্যু আমাদের জীবনের শেষ পরীক্ষা তাই তার জন্য আমাদের সবসময় রেডি থাকতে হবে।কারণ আমরা জানিনা কখন আসবে মৃত্যু হটাৎ করে। অন্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা,অন্যের খারাপ চাওয়া,অন্যের নিন্দা করা,অন্যকে হিংসা করা,নিজেকে বড় ভাবা,অন্যের দোষ সবর্দায় দর্শন করা,কোনভাবে অন্যের মনে কষ্ট দেওয়া এইসব কর্ম ফল আমাদের ভোগ করতে হবেই।এইসব করা শুধু সময়ের অপচয় নয় এইসব আমাদের আরো নিচে নামায়।এই মুনুষ্য জীবনটা অনেক দামি তা যদি আমরা হেলায় হারাই তবে আমাদের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে তা আমরা কিন্তু একবারও ভাবছিনা। তাই আমরা যেখানে থাকি যে অবস্থায় থাকি না কেন সৎ পথে আর কৃষ্ণভাবনাময় যেন থাকি। হরেকৃষ্ণ
Krishna Bhakta Seva Samiti
শিবরাত্রির চার প্রহরের পূজার বিশেষ মন্ত্রগুলো ও নিয়মাবলী কি কি?
********************************************
শিবরাত্রির চার প্রহরের পূজায় প্রতিটি প্রহরে আলাদা আলাদা দ্রব্য দিয়ে মহাদেবের অভিষেক করা হয় এবং প্রতিটি নিবেদনের জন্য নির্দিষ্ট মন্ত্র রয়েছে। নিচে চার প্রহরের পূজার মন্ত্র ও নিয়মাবলী দেওয়া হলো:
প্রথম প্রহর (দুগ্ধ স্নান)
********************
প্রথম প্রহরে শিবলিঙ্গকে দুধ দিয়ে স্নান করানো হয়। এটি সুখ ও শান্তিপদ।
* মন্ত্র: "ওঁ হ্রীং ঈশানায নমঃ" অথবা "ওঁ হ্রীং শর্বায় ক্ষীরস্নানাং সমর্পয়ামি।"
দ্বিতীয় প্রহর (দধি স্নান)
*********************
দ্বিতীয় প্রহরে শিবলিঙ্গকে দই দিয়ে স্নান করানো হয়। এটি ধন-সম্পদ ও সমৃদ্ধি প্রদান করে।
* মন্ত্র: "ওঁ হ্রীং অঘোরায় নমঃ" অথবা "ওঁ হ্রীং ভবায় দধিস্নানাং সমর্পয়ামি।"
তৃতীয় প্রহর (ঘৃত স্নান)
*********************
তৃতীয় প্রহরে শিবলিঙ্গকে ঘি দিয়ে স্নান করানো হয়। এটি আরোগ্য এবং বিজয় অর্জনে সাহায্য করে।
* মন্ত্র: "ওঁ হ্রীং বামদেবায় নমঃ" অথবা "ওঁ হ্রীং রুদ্রায় ঘৃতস্নানাং সমর্পয়ামি।"
চতুর্থ প্রহর (মধু স্নান)
********************
চতুর্থ প্রহরে শিবলিঙ্গকে মধু দিয়ে স্নান করানো হয়। এটি মোক্ষ বা পরমানন্দ লাভের প্রতীক।
* মন্ত্র: "ওঁ হ্রীং সদ্যোজাতায় নমঃ" অথবা "ওঁ হ্রীং উগ্রায় মধুঃস্নানাং সমর্পয়ামি।"
প্রতিটি প্রহরে অর্ঘ্য নিবেদনের সাধারণ মন্ত্র
অভিষেক করার পর যখন আপনি জল, ফুল বা বেলপাতা নিবেদন করবেন, তখন এই মন্ত্রটি পাঠ করতে পারেন:
"ওঁ নমঃ শিবায়"
এছাড়াও শিবরাত্রির মূল সংকল্প মন্ত্র হলো:
"শিবরাত্রিব্রতং হ্যেতৎ করিষ্যেঽহং মহামল। নির্বিঘ্নমস্তু মে চাত্র ত্বৎপ্রসাদাজ্জগৎপতে।।"
(অর্থ: হে জগদীশ্বর, আমি আপনার আশীর্বাদে এই মহান শিবরাত্রি ব্রত পালন করছি, দয়া করে এটি নির্বিঘ্ন করুন।)
বিশেষ করনীয়:
**************
* প্রতিটি প্রহরের স্নান শেষে শুদ্ধ জল দিয়ে শিবলিঙ্গ ধুয়ে নিতে হয়।
* পূজার সময় সম্ভব হলে শিব চালিশা বা শিব অষ্টকম্ পাঠ করা অত্যন্ত ফলদায়ক।
***** এই রকম সনাতন শাস্ত্র সম্পর্কে জানতে ও পড়তে চাইলে, লাইক, কমেন্ট করে
পেজের সাথে থাকুন।
আর শেয়ার করে সকল সনাতনীদের পড়ার সুযোগ করে দিন
***" জয় সনাতন ধর্মের জয় "***
***" জয় হিন্দু জাতির জয় "***
___________________*******_________________
3 days ago | [YT] | 751
View 11 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
মহা শিবরাত্রি পুজোর সময়সূচি Har Har Mahadev
#shivratri
#shib
#shiv
#Mahadev
#mahakal
3 days ago | [YT] | 809
View 2 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
Kirtan Mela 2026, Sri Dham Mayapur
Day 1
3 days ago (edited) | [YT] | 63
View 1 reply
Krishna Bhakta Seva Samiti
বিজয়া একাদশীর মাহাত্ম্য!
পুরাকালে শ্রীরামচন্দ্র সীতা ও লক্ষ্মণসহ ১৪ বছরের জন্য পঞ্চবটী বনে বাস করতেন। সেইসময় লঙ্কাপতি রাবণ সীতা দেবীকে হরণ করেন। সীতার অনুসন্ধানরত রামের সঙ্গে তখন মৃতপ্রায় জটায়ুর সাক্ষাৎ হয়। জটায়ু রাবণের সীতাহরণের সমস্ত ঘটনা রামচন্দ্রকে জানিয়ে মৃত্যুবরণ করল। এরপর সীতা উদ্ধারের জন্য বানররাজ সুগ্রীবের সাথে তিনি বন্ধুত্ব স্থাপন করেন। ভগবান রামচন্দ্রের কৃপায় হনুমান লঙ্কায় গমন করেন। সেখানে অশোক বনে সীতাদেবীকে দর্শন করে শ্রীরামচন্দ্র প্রদত্ত অঙ্গুরীয় (আংটি) তাঁকে অর্পণ করেন। ফিরে এসে শ্রীরামচন্দ্রের কাছে লঙ্কার সমস্ত ঘটনা ব্যাখ্যা করেন। হনুমানের কথা শুনে রামচন্দ্র সুগ্রীবের পরামর্শে সমুদ্রতীরে যান। সেই দুস্তর সমুদ্র দেখে তিনি লক্ষ্মণকে বললেন, কিভাবে এই অগাধ সমুদ্র পার হওয়া যায়? উত্তরে লক্ষ্মণ বললেন, সর্বজ্ঞাতা আদিদেব রামচন্দ্রকে তাঁর উপদেশ করার মতো কিছু নেই। তবে বক্দালভ্য নামে এক মুনি এই দ্বীপে বাস করতেন। লক্ষ্মণের কথা শুনে তাঁরা সেই মহামুনির আশ্রমে গেলেন। মুনিবর শ্রীরামচন্দ্রকে পুরাণপুরুষ বলে জানতে পারলেন। শ্রীরামচন্দ্র সেই মুনির কাছ থেকে সেই সমুদ্র উত্তীর্ণ হওয়ার উপায় জানতে চাইলেন। সেই মুনি জানান যে, ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের বিজয়া নামক একাদশী পালন করলে নিশ্চয়ই সৈন্যসহ সমুদ্র পার হওয়া যাবে। বিজয় লাভের জন্য দশমীর দিন সোনা, রূপা,তামা অথবা মাটির কলস সংগ্রহ করে তাতে জল ও আমপাতা দিয়ে সুগন্ধিচন্দনে সাজিয়ে তার উপর সোনার নারায়ণ মূর্তি স্থাপন করতে হবে। একাদশীর দিন যথাবিধি প্রাতঃস্নান করে কলসের গলায় মালাচন্দন পরিয়ে উপযুক্ত স্থানে নারকেল ও গুবাক দিয়ে পূজা করতে হবে। এরপর গন্ধ,পুষ্প, তুলসী, ধূপ-দীপ নৈবেদ্য ইত্যাদি দিয়ে পরম ভক্তি সহকারে নারায়ণের পূজা করে হরিকথা কীর্তনে সমস্ত দিন যাপন করতে হবে। রাত্রি জাগরণ করে অখণ্ড ঘি প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত রাখা ভালো। দ্বাদশীর দিন সূর্যোদয়ের পর সেই কলস বিসর্জনের জন্য কোন নদী, সরোবর বা জলাশয়ের কাছে বিধি অনুসারে পূজা নিবেদনের পর তা বিসর্জন দিতে হবে। তারপর ঐ মূর্তি বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণকে দান করতে হবে। ঋষির কথামতো ব্রত অনুষ্ঠানের ফলে তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন। সীতাপ্রাপ্তি, লঙ্কাজয়, রাবণবধের মাধ্যমে তিনি অতুল কীর্তি লাভ করেছিলেন।
তাই যথাবিধি যে মানুষ এই ব্রত পালন করবে, তাদের এ জগতে জয়লাভ ও পরজগতে অক্ষয় সুখ সুনিশ্চিত। এই ব্রতকথা শ্রবণ কীর্তনে বাজপেয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়।
4 days ago | [YT] | 944
View 2 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
আগামীকাল ১৩ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার মহাপবিত্র—
🍂 বিজয়া একাদশী ব্রত 🍂
এই পুণ্যময় তিথিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের স্মরণে উপবাস ও ভক্তিমূলক সাধনা অপরিসীম ফল প্রদান করে।
🍎🍇🍓🥥🍉🍍🥭
🪷 আপনি নিজে এই একাদশী ব্রত পালন করুন এবং পরিবার–পরিজন, বন্ধু ও সকল ভক্তকে ব্রত পালনে উৎসাহিত করুন।
হরে কৃষ্ণ 🌼
🍁 Vijaya Ekadashi Vrat 2026 🍁
#বিজয়া_একাদশী #একাদশী #Ekadashi #VijayaEkadashi
সংগৃহীত
4 days ago | [YT] | 1,617
View 8 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
Today's Blessfull Darshan Sri Sri Radha Madhav, Sri Dham Mayapur,12.02.26
4 days ago | [YT] | 1,587
View 6 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
সংসারে কিছুই স্থায়ী নয়
না দুঃখ, না সুখ...
কিন্তু ঈশ্বরের আশ্রয় চিরস্থায়ী।
সেই আশ্রয়ে যেদিন পৌঁছাবে, সেদিনই শান্তি পাবে।
হরে কৃষ্ণ
🙏🙏
5 days ago | [YT] | 1,726
View 25 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
আজকের শ্রী রাধা মাধবের অপূর্ব দর্শন। শ্রী ধাম মায়াপুর।
1 week ago | [YT] | 3,771
View 23 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
মন্ত্রটা খুব ছোট। জপ করুন আর বিপদ থেকে বেঁচে যান!!এই মন্ত্রটার মাহাত্ম্যটা কী জানেন ?
এই মন্ত্রের মাধ্যমে আপনি শ্রীকৃষ্ণকে উপলব্ধি করতে পারবেন। বুঝতে পারবেন, ভগবানের হাতটা আপনার মাথার উপরে আছে💝
“ওঁ কৃষ্ণায় বাসুদেবায় হরয়ে পরমাত্মনে”
এই মন্ত্র ভীষণ শক্তিশালী।
প্রতিটি শব্দের অর্থ হৃদয় ছুঁয়ে যায়,
আর মনকে সরাসরি যুক্ত করে শ্রীকৃষ্ণের ঐশ্বরিক শক্তির সঙ্গে। এই মন্ত্র শুধুই জপ করার জন্য নয়,
এই মন্ত্র বোঝার জন্য, কারণ যখন আমরা প্রতিটি শব্দের অর্থ জেনে উচ্চারণ করি,
তখন তার প্রভাব পড়ে আমাদের মন, চেতনা ও আত্মার গভীরে। চলুন, এই মন্ত্রের আধ্যাত্মিক অর্থটা একটু জেনে নেওয়া যাক।
•#কৃষ্ণ —
তিনি সেই দেবতা যিনি আনন্দ, প্রেম, ভক্তি ও ঈশ্বরত্বকে একত্রিত করেন। কৃষ্ণ মানেই পরমানন্দ—যেখানে দুঃখের স্থান নেই।
•#বাসুদেবায় —
এই শব্দটি নির্দেশ করে কৃষ্ণের সেই সর্বব্যাপী রূপকে, যিনি প্রতিটি হৃদয়ে বাস করেন। তিনি বৈষ্ণব দর্শনের আচার্য রূপ, একই সঙ্গে ব্যক্তিগত ও বিশ্বজনীন।
•#হরয়ে —
‘হরি’ অর্থ যিনি পাপ, ক্লান্তি ও অজ্ঞানতা হরণ করেন। তিনি অলসতা দূর করেন
এবং মুক্তির পথে নিয়ে যান।
•#পরমাত্মনে —
তিনি নিষ্কলুষ, নির্দোষ, সর্বোচ্চ আত্মা—যিনি সমস্ত জীবের মধ্যে বিরাজমান।
দেখুন, এই মন্ত্রের প্রতিটি শব্দ মিলিয়ে শ্রীকৃষ্ণের রূপ, সত্তা ও কৃপা সবকিছুরই এক পূর্ণ চিত্র তৈরি করছে।
পৌরাণিক গুরুত্বটাও আরো সুন্দর....
ভাগবত পুরাণে বলা হয়েছে, যখন কৃষ্ণ কংসের সামনে তাঁর চতুর্ভুজ বিষ্ণু রূপ প্রকাশ করেন, তখন সেই বাসুদেব রূপ প্রকাশ পায়। এর মাধ্যমে প্রমাণ হয়— কৃষ্ণই নারায়ণ।
মহাভারতের বিশ্বরূপ দর্শনে,
অর্জুন যখন কৃষ্ণের বিশ্বরূপ দেখেন, তখন তিনি উপলব্ধি করেন— জন্ম, মৃত্যু, কাল ও সমগ্র বিশ্ব সবই কৃষ্ণের মধ্যেই অবস্থিত।
আবার বিষ্ণু সহস্রনামে ‘হরি’ নামের উল্লেখ রয়েছে— যিনি সমস্ত পাপ বিনাশ করেন।
আর একটা কথা বলে রাখি।
বৈষ্ণব পরম্পরায় বলা হয়, এই মন্ত্র একসময় প্রকাশ্যে নয়, গুরু থেকে শিষ্যে গোপনে প্রদান করা হতো—কারণ এর শক্তি গভীর ও অন্তর্গত।
এই মন্ত্র কেন বিপদ থেকে রক্ষা করে জানেন?
এই মন্ত্র জপ করার মাধ্যমে—
🙏শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে গভীর আত্মিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অর্জুন যেমন সত্য ও ধর্মের পথে অবিচল ছিলেন, এই মন্ত্র তেমনই হৃদয়কে নির্মল করে।
🙏এই মন্ত্র কৃষ্ণের আশীর্বাদকে আহ্বান করে এবং নেতিবাচক শক্তি ও বিপদ থেকে রক্ষা করে।
মানসিক, শারীরিক ও আত্মিক কষ্ট ধীরে ধীরে প্রশমিত হয়।
🙏অন্তরের ভারসাম্য বাড়ে, চেতনা প্রসারিত হয়, ঈশ্বর সম্পর্কে উপলব্ধি গভীর হয়।
তাই এই মন্ত্র জপ শুরু করার আগে একটি ছোট
প্রার্থনা করুন—
“হে কৃষ্ণ, আমাকে তোমার চরণে স্থির রাখো।”
শব্দের চেয়ে ভাবের দিকে মন দিন। প্রতিদিন একই জায়গায় জপ করুন🙏🙏
ধীরে ধীরে অনুভব করবেন— সেই জায়গায় কৃষ্ণের উপস্থিতি।
যখন এই মন্ত্রকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে নেবেন, তখন মনে হবে— কৃষ্ণ শুধু শুনছেন না, ভিতর থেকে উত্তরও দিচ্ছেন।
তাই এই মন্ত্র শুধুই একটি স্তোত্র নয়,
এটি শ্রীকৃষ্ণের রূপ, সত্তা ও কৃপা— সবকিছুর এক মহাজাগতিক প্রতিফলন। যে হৃদয় দিয়ে এই মন্ত্র জপ করে, সে কখনো একা থাকে না।
কারণ কৃষ্ণ তখন তার সঙ্গেই থাকেন
🙏🙏
হরেকৃষ্ণ!! হরেকৃষ্ণ!! কৃষ্ণকৃষ্ণ!! হরেহরে!! হরেরাম হরেরাম!! রামরাম!! হরেহরে!!🙏🙏
1 week ago | [YT] | 3,067
View 7 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
মৃত্যু আমাদের জীবনে যখন তখন আসতে পারে।তাই প্রতিদিন এইটা ভাবা উচিৎ আজ আমার জীবনের শেষ দিন হতে পারে।মৃত্যু আমাদের জীবনের শেষ পরীক্ষা তাই তার জন্য আমাদের সবসময় রেডি থাকতে হবে।কারণ আমরা জানিনা কখন আসবে মৃত্যু হটাৎ করে।
অন্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা,অন্যের খারাপ চাওয়া,অন্যের নিন্দা করা,অন্যকে হিংসা করা,নিজেকে বড় ভাবা,অন্যের দোষ সবর্দায় দর্শন করা,কোনভাবে অন্যের মনে কষ্ট দেওয়া এইসব কর্ম ফল আমাদের ভোগ করতে হবেই।এইসব করা শুধু সময়ের অপচয় নয় এইসব আমাদের আরো নিচে নামায়।এই মুনুষ্য জীবনটা অনেক দামি তা যদি আমরা হেলায় হারাই তবে আমাদের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে তা আমরা কিন্তু একবারও ভাবছিনা।
তাই আমরা যেখানে থাকি যে অবস্থায় থাকি না কেন সৎ পথে আর কৃষ্ণভাবনাময় যেন থাকি।
হরেকৃষ্ণ
1 week ago | [YT] | 1,433
View 15 replies
Load more