শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, মানুষ তোমাকে যতবারই আঘাত করুক, মন খারাপ করো না।কারণ যারা তোমার হৃদয় ভাঙে, তারা কেউই তোমার ভাগ্য লেখে না। তোমার ভাগ্য লিখি আমি।তাই দুঃখে ভেঙে পড়ো না,ধৈর্য্য ধরো এবং নিজের উপর বিশ্বাস রাখো।সময় একদিন অবশ্যই তোমার পক্ষে আসবে। জীবনে কঠিন মুহুর্ত তোমাকে আরো শক্তিশালী করে তোলে ও সঠিক পথে এগিয়ে দেয়। শুধু আমার উপর ভরসা রাখো আর মন থেকে আমাকে স্মরণ করো।বিশ্বাস আর ধৈর্য্যই সবচেয়ে বড় শক্তি। রাধে রাধে 🙏🌿✨
পোস্ট না করে পারলাম না। শ্রীল প্রভুপাদ কি করে গেছেন আমাদের জন্য। যেখানে লোক নানা অজুহাত দেখিয়ে নাম জপ এড়িয়ে চলতে চায় কিন্তু ইচ্ছা থাকলে যে কোন পরিস্থিতিতে তা সম্ভব। তাই তো ভক্তি বিনোদ ঠাকুর লিখেছেন ....
🌿যে কোনো ব্যবসা ধরি,,🧑🔧 জীবন নির্বাহ করি।🙏 😄বলো মুখে হরি হরি,, 🙏এইমাত্র ভিক্ষা চাই।🙏 🙏👍ধর্ম পথে থাকি কর জীবন যাপন ভাই। 🙏🌹
🌸😨 দীক্ষিত হোক বা অদীক্ষিত — পুরুষোত্তম মাস নিয়ে শ্রীল জয় পতাকা স্বামী মহারাজের এই কথা শুনলে চমকে উঠবেন ! 😱📿 যা প্রত্যেক ভক্তের একবার হলেও জানা উচিত ✅📖 বার্তা হিসেবে আমি এটিই বলতে চাই যে, তোমরা পুরুষোত্তম ব্রত পালন কর, হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ কর, শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ অধ্যয়ন কর, প্রভুপাদের ইসকনে থাকো। গৌরাঙ্গ আমি চাই আমার সকল শিষ্য পুরুষোত্তম মাস পালন করুক। পুরুষোত্তম মাসের মহিমা 📜 (পদ্মপুরাণ ও স্কন্দপুরাণ হতে সংগৃহীত) 🙏 ভগবান শ্রীকৃষ্ণঃ পুরুষোত্তম মাসের এত ক্ষমতা যে, এই মাস পালনকারী সকলকে আমি কৃপা করতে দায়বদ্ধ। যিনি এ ব্রত পালন করেন তার পূর্বের সকল পাপ বিনাশ হয়। পুরুষোত্তম ব্রত পালন না করে শুদ্ধভক্তিযুক্ত সেবা করতে পারে না। বেদে বর্ণিত অন্যান্য কঠোর সংযমও ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করার চেয়েও পুরুষোত্তম মাসের গুরুত্ব অনেক অধিক। যে ব্যক্তি পুরুষোত্তম ব্রত পালন করেন তিনি এই জীবনান্তে আমার নিত্য ধাম গোলক প্রাপ্ত হবেন। 😇🌼 🙏✨ দুর্বাসা মুনিঃ পুরুষোত্তম মাসে কেবল একটি পবিত্র নদীতে স্নান করেই যে কেউ সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হতে পারেন। অন্য সকল মাসের মহিমা এই পুরুষোত্তম মাসের মহিমার এক ষোড়াংশও নয়। পুরুষোত্তম মাসে পবিত্র স্থানে স্নানের মাধ্যমে, দানের মাধ্যমে ও কৃষ্ণের পবিত্র নাম জপের মাধ্যমে সকল দুঃখ হতে পরিত্রাণ পাওয়া যায়, যেকোনো ধরনের পরিপূর্ণতা লাভ করা যায় ও যেকোনো আকাঙক্ষা পূর্ণ করা যায়। 🌸 🙏 বাল্মীকি মুনিঃ পুরুষোত্তম মাস পালনকারী এক হাজার অশ্বমেধ যজ্ঞ অনুষ্ঠানের চেয়েও অধিক সুফল লাভ করেন। পুরুষোত্তম মাস পালনকারীর দেহে সকল ধাম বাস করেন। যিনি শ্রদ্ধাভরে এই ব্রত পালন করেন তিনি গোলক বৃন্দাবনে ফিরে যান। 🌸💙 🙏নারদ মুনিঃ সকল মাস ব্রত ও সংযমের মধ্যে পুরুষোত্তম মাস শ্রেষ্ঠ। কেবল শ্রদ্ধাবনত চিত্তে পুরুষোত্তম ব্রত মাহাত্ম্য শ্রবণ মাত্রই কৃষ্ণ ভক্তি লাভ হয় ও সমস্ত পাপকর্মের ফল বিনাশ হয়। যিনি শুদ্ধভাবে পুরুষোত্তম ব্রত পালন করেন তিনি অশেষ সুকৃতি লাভ করেন ও চিন্ময় জগতে ফিরে যান। 🕊️💛 🌸 নৈমিষারণ্যের ঋষিগণ বলেনঃ করুণাময় পুরুষোত্তম মাস কল্পবৃক্ষের ন্যায় ভক্তের কামনা পূর্ণ করেন। 💖🙌 📌গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা শ্রীল জয় পতাকা স্বামী মহারাজের নির্দেশঃ “পুরুষোত্তম মাস পালন করো, হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করো, শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ অধ্যয়ন করো এবং ইসকনের সঙ্গেই থেকো।” 🙏আজ থেকেই সংকল্প নিন এই পবিত্র পুরুষোত্তম মাস যথাযথভাবে পালন করবেন, হরিনাম জপ করবেন এবং এই অমূল্য মহিমা সকল ভক্তদের কাছে শেয়ার শেয়ার করে পৌঁছে দেবেন। ( হরিবোল) 😇🙌🌸 🌸🙏 জয় পতিত পাবন গুরু মহারাজ কি জয় 🙌✨
২০২৬ সালের রথযাত্রা উৎসব ১৬ জুলাই, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। পঞ্জিকা অনুসারে, আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে জগন্নাথ দেবের এই বিখ্যাত রথযাত্রা বা রথের দড়িতে টান দেওয়ার উৎসব পালিত হয়।
🔹জেনে নিন রথযাত্রার সময় সূচী :
° স্নান যাত্রা: ২৯ শে জুন। সোমবার
🔸 রথযাত্রা (রথ যাত্রা): ১৬ জুলাই ২০২৬ (বৃহস্পতিবার)
🔸 বাহুদা যাত্রা (উল্টোরথ): ২৪ জুলাই ২০২৬ (শুক্রবার)
🔹বিশেষ তথ্যাদি:
🔸স্থান: উড়িষ্যার পুরী, যা বিশ্বজুড়ে রথযাত্রার জন্য বিখ্যাত।
🔸প্রস্তুতি: অক্ষয় তৃতীয়া থেকে পুরীতে রথ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
রথসমূহ: জগন্নাথ দেবের রথের নাম নন্দীঘোষ, বলভদ্রের তালধ্বজ এবং সুভদ্রার রথ দেবদলন নামে পরিচিত।
✍️স্ত্রী দীক্ষিতা কিন্তু স্বামী অদীক্ষিত ও আমিষাষী নিরামিষাষী স্ত্রীর করণীয় কী হওয়া উচিত⁉️
➡️ গৌড়ীয় বৈষ্ণব সিদ্ধান্ত ও প্রভুপাদ শ্রীশ্রীমদ্ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের শিক্ষার আলোকে বিষয়টি ধর্ম, আচরণ ও ভক্তির মানদণ্ডে বোঝা প্রয়োজন গৃহস্থ জীবনে স্বামীকে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান শাস্ত্রসম্মত। স্বামীকে গৃহস্থ আশ্রমে গুরুসম মর্যাদা দেওয়া হয়। তবে শাস্ত্র একই সঙ্গে স্পষ্ট করে যে কোনো আদেশ যদি ধর্মের বিপরীত হয়, তবে তা পালনযোগ্য নয়ভগবদ্গীতার নীতি অনুযায়ী আহার তিন প্রকার সাত্ত্বিক, রাজসিক ও তামসিক। মাংসাহার তামসিক আহারের অন্তর্ভুক্ত, যা মনকে স্থূল করে এবং ভক্তির বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে
প্রভুপাদ শ্রীশ্রীমদ্ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর বারবার শিক্ষা দিয়েছেন যে ভক্তির পথে অগ্রসর হতে হলে আহার ও আচরণ শুদ্ধ হওয়া অপরিহার্য। শুদ্ধ ভক্তি মানে শুধু মন্ত্র গ্রহণ নয়, বরং সমগ্র জীবনযাত্রার শুদ্ধতা... এই দৃষ্টিতে যে ব্যক্তি নিরামিষ ভক্তিমার্গ অনুসরণ করেন তার জন্য আমিষ রান্নায় প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেওয়া শাস্ত্র ও আচারের দৃষ্টিতে অনুচিত বলে বিবেচিত হয়, কারণ এতে হিংসাজনিত কর্মে সক্রিয় অংশগ্রহণ যুক্ত হয়,আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো উচ্ছিষ্ট বা অবশিষ্ট গ্রহণের প্রশ্ন। শাস্ত্র অনুযায়ী ভগবানকে অর্পণ না করা খাদ্য প্রসাদ নয়।
বিশেষ করে হিংসাজনিত খাদ্য কখনোই বৈষ্ণবীয় প্রসাদের মর্যাদা পায় না , অতএব আমিষভোজী স্বামীর উচ্ছিষ্ট গ্রহণকে বৈষ্ণবীয় শুদ্ধ আচারের মধ্যে উৎসাহ দেওয়া হয়নি। সম্মান প্রদর্শন ও সেবা আলাদা বিষয়, কিন্তু খাদ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে শুদ্ধতা অপরিহার্য গৌড়ীয় বৈষ্ণব সিদ্ধান্তের সারকথা হলো স্বামীকে সম্মান করা কর্তব্য, কিন্তু ধর্মবিরুদ্ধ আচারে অংশগ্রহণ কর্তব্য নয়। ভক্তির পথে অগ্রগতির জন্য আহার, আচরণ ও চেতনা সবই শুদ্ধ রাখা প্রয়োজন
প্রভুপাদ শ্রীশ্রীমদ্ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের শিক্ষার আলোকে মূল লক্ষ্য একটাই ভক্তিকে বিশুদ্ধ রাখা এবং কৃষ্ণচেতনায় জীবনকে প্রতিষ্ঠিত করা....🙏🌷🙏
এমন এক রহস্য যা বিজ্ঞানও আজ পর্যন্ত ব্যাখ্যা করতে পারেনি! 😮✨ ( কিন্তু কেন❓) 🌿 ‘মঙ্গলাগিরিতে পবিত্র ভগবান নৃসিংহদেব’ 🌿 অনেকেই বলে— 👉 ‘পৃথিবীতে ভগবান বলে কিছু নেই।’ 👉 ‘ভগবানকে কেউ দেখেছে নাকি?’ 👉 ‘বিজ্ঞানের যুগে ভগবান শুধু কল্পনা!’ 😌 কিন্তু এইসব কথার বিপরীতে ‘মঙ্গলাগিরি’ এক জীবন্ত প্রমাণ… 🌸 পারমার্থিক জগতে ভক্ত ও ভগবানের অপ্রাকৃত লীলা দর্শন করলে আমাদের ভক্তি ও বিশ্বাস আরও দৃঢ় হয়। ভক্তরা আচার্যদের লীলা ও জ্ঞান দ্বারা ভগবানের প্রতি অটল বিশ্বাস স্থাপন করেন। 🙏 আমরা হয়তো সরাসরি ভগবানের লীলা উপলব্ধি করতে পারি না, কিন্তু মঙ্গলাগিরি ধামে এলে বুঝতে পারবো — 💫 ভক্ত ও ভগবানের সাক্ষাৎ লীলা দর্শন করা যায়! 💖 এতে জন্মায় গভীর শ্রদ্ধা ও প্রেমভক্তি। 🦁👤 অর্ধসিংহ ও অর্ধমানব রূপে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অবতার এবং ভগবান নৃসিংহদেব যিনি সত্যযুগে ভক্ত প্রহ্লাদকে রক্ষা করতে অবতীর্ণ হন। 📍 দক্ষিণ ভারতে, অহোভিলামের নিকটে অবস্থিত এই পবিত্র মঙ্গলাগিরি ধাম— 🐘 যার আকৃতি চারদিক থেকে হাতির মতো (স্কন্দ পুরাণে এর উল্লেখ আছে)। 🌄 একবার ঋষ্যশৃঙ্গি নামে এক বালক, যিনি শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে জন্মেছিলেন, তপস্যা করে ভগবানকে সন্তুষ্ট করেন। 🙏 তাঁর প্রার্থনায় ভগবান লক্ষ্মী-নৃসিংহ রূপে এই পাহাড়ে আবির্ভূত হন। তাই এই পাহাড়ের নাম হয়— ‘স্তোত্রাদ্রি’ 👉 ৬০০টি সিঁড়ি পেরিয়ে পৌঁছাতে হয় এই মন্দিরে— ক্লান্তি আসবে ঠিকই…😓 কিন্তু… 👇 🥤 এক বিশেষ প্রসাদ আপনার সমস্ত ক্লান্তি দূর করবে! 👉 আখের রস, কর্পুর, এলাচ, কালো মরিচ মিশিয়ে তৈরি অপূর্ব শরবত— “পঙ্কম” 👉 আর এই "পঙ্কম" নৃসিংহ দেব ভগবানের খুব প্রিয় 😇💖 💫 এই পঙ্কম ভগবান নৃসিংহদেবকে নিবেদন করা হয়। 🏔️ গুহার ভিতরে অবস্থিত মন্দিরে বিরাজ করছেন— 🔥 পঙ্কল নৃসিংহ (স্বপ্রকাশিত বিগ্রহ) 😲 আশ্চর্য বৈশিষ্ট্য: 👉 বিশাল মুখ (৬ ইঞ্চি গভীর) 👉 চার হাত 👉 ডানে শঙ্খ 🐚 👉 বামে সুদর্শন চক্র ⚡ 🥤 ভক্তরা যখন পঙ্কম নিবেদন করেন— ⛪ পূজারী শঙ্খের মাধ্যমে তা ভগবানের মুখে প্রবেশ করান 🎧 তখন শোনা যায় এক দিব্য “খল খল” শব্দ! 😳 অর্থাৎ— ভগবান স্বয়ং নৃসিংহ দেব সেই ভোগ গ্রহণ করছেন! ✨ 👉 কিন্তু হঠাৎ শব্দ বন্ধ হয়ে যায়…তখন আর ভোগ দেওয়া হয় না ! ❗ সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়— 💥 ভগবান কখনো পুরোটা গ্রহণ করেন না! 👉 সবসময় ঠিক অর্ধেকই গ্রহণ করেন! 🐜 আরও বিস্ময়কর— 👉 এত মিষ্টি পানীয় থাকা সত্ত্বেও সেখানে একটিও পিঁপড়ে নেই! এত পানীয় কোথায় যায়— কেউ জানে না! 😇 🌙 স্কন্দ পুরাণে বলা আছে— ✨ প্রতিদিন রাতে দেবতারা এসে এই মন্দিরে পূজা করেন 🚪 সন্ধ্যার পর মন্দির বন্ধ হয়ে যায় 🌸 আর সকালে দরজা খোলার পর— 💐 চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে এক অপূর্ব সুগন্ধ! 😮 কিন্তু সেই সুগন্ধ সারাদিন থাকে না… 👉 আবার রাতে বন্ধ 👉 সকালে একই সুগন্ধ! 💖 সত্যিই… ভগবান নৃসিংহদেবের এই অপরূপ লীলা , এবং অলৌকিক ও বিস্ময়কর! দৃশ্য শুনে মন ভরে গেল ❤️✨ 🩵 যদি আপনি ভগবান নৃসিংহদেবকে হৃদয় থেকে বিশ্বাস করেন, তাহলে একবার লিখুন — 👉“জয় নৃসিংহদেব” ভগবান কি জয় 😇🩵🌸 🌸 পোস্টটি শেয়ার করুন, যাতে আরও মানুষ ভগবানের এই অলৌকিক লীলা জানতে পারেন।
Krishna Bhakta Seva Samiti
🪷|| শ্রীশ্রী যুগলাষ্টকম্ || 🪷
(শ্রীল জীব গোস্বামী )
কৃষ্ণ প্রেমময়ী রাধা
রাধা প্রেমময় হরিঃ ।
জীবনে নিধনে নিত্যম্
রাধাকৃষ্ণ গতির্মমঃ॥ ১
কৃষ্ণস্য দ্রবিণম্ রাধা
রাধায়াঃ দ্রবিণম্ হরিঃ ।
জীবনে নিধনে নিত্যম্
রাধাকৃষ্ণ গতির্মমঃ॥ ২
কৃষ্ণপ্রাণময়ী রাধা
রাধাপ্রাণময়ো হরিঃ।
জীবনে নিধনে নিত্যম্
রাধাকৃষ্ণ গতির্মমঃ॥ ৩
কৃষ্ণদ্রবময়ী রাধা
রাধাদ্রবময়ো হরিঃ।
জীবনে নিধনে নিত্যম্
রাধাকৃষ্ণ গতির্মমঃ॥ ৪
কৃষ্ণগেহেস্থিতা রাধা
রাধাগেহেস্থিত হরিঃ।
জীবনে নিধনে নিত্যম্
রাধাকৃষ্ণ গতির্মমঃ॥ ৫
কৃষ্ণচিত্তস্থিতা রাধা
রাধাচিত্তস্থিত হরিঃ।
জীবনে নিধনে নিত্যম্
রাধাকৃষ্ণ গতির্মমঃ॥ ৬
নীলাম্বরধরা রাধা
পীতাম্বরধরো হরিঃ।
জীবনে নিধনে নিত্যম্
রাধাকৃষ্ণ গতির্মমঃ॥ ৭
বৃন্দাবনেশ্বরী রাধা
কৃষ্ণ বৃন্দাবনেশ্বরঃ।
জীবনে নিধনে নিত্যম্
রাধাকৃষ্ণ গতির্মমঃ॥ ৮
1 day ago | [YT] | 2,673
View 48 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
পুরুষোত্তম মাসের আজ প্রথম দিন। এই বছর এক্সট্রা অনেক গুলো সময় পাওয়া যাচ্ছে বেশি বেশি ভজন করার জন্য। তাই আর দেরি কেন??
জয় নিতাই, জয় গৌর, জয় জয় শ্রী রাধে..... 🤍💜
1 day ago | [YT] | 3,288
View 38 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, মানুষ তোমাকে যতবারই আঘাত করুক, মন খারাপ করো না।কারণ যারা তোমার হৃদয় ভাঙে, তারা কেউই তোমার ভাগ্য লেখে না।
তোমার ভাগ্য লিখি আমি।তাই দুঃখে ভেঙে পড়ো না,ধৈর্য্য ধরো এবং নিজের উপর বিশ্বাস রাখো।সময় একদিন অবশ্যই তোমার পক্ষে আসবে।
জীবনে কঠিন মুহুর্ত তোমাকে আরো শক্তিশালী করে তোলে ও সঠিক পথে এগিয়ে দেয়।
শুধু আমার উপর ভরসা রাখো আর মন থেকে আমাকে স্মরণ করো।বিশ্বাস আর ধৈর্য্যই সবচেয়ে বড় শক্তি।
রাধে রাধে 🙏🌿✨
3 days ago | [YT] | 6,273
View 79 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
পোস্ট না করে পারলাম না। শ্রীল প্রভুপাদ কি করে গেছেন আমাদের জন্য। যেখানে লোক নানা অজুহাত দেখিয়ে নাম জপ এড়িয়ে চলতে চায় কিন্তু ইচ্ছা থাকলে যে কোন পরিস্থিতিতে তা সম্ভব। তাই তো ভক্তি বিনোদ ঠাকুর লিখেছেন ....
🌿যে কোনো ব্যবসা ধরি,,🧑🔧 জীবন নির্বাহ করি।🙏
😄বলো মুখে হরি হরি,, 🙏এইমাত্র ভিক্ষা চাই।🙏
🙏👍ধর্ম পথে থাকি কর জীবন যাপন ভাই। 🙏🌹
🙏📿হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে 🙏
🙏📿হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে 🙏
মুচি হয়ে সুচি হয় যদি কৃষ্ণ ভজে
সূচি হয়ে মুচি হয় যদি কৃষ্ণ তেজে
🥰হরিনাম জপ করুন সুখী হোউন🥰
3 days ago | [YT] | 930
View 16 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
🌸😨 দীক্ষিত হোক বা অদীক্ষিত — পুরুষোত্তম মাস নিয়ে শ্রীল জয় পতাকা স্বামী মহারাজের এই কথা শুনলে চমকে উঠবেন ! 😱📿 যা প্রত্যেক ভক্তের একবার হলেও জানা উচিত
✅📖 বার্তা হিসেবে আমি এটিই বলতে চাই যে, তোমরা পুরুষোত্তম ব্রত পালন কর, হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ কর, শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ অধ্যয়ন কর, প্রভুপাদের ইসকনে থাকো। গৌরাঙ্গ আমি চাই আমার সকল শিষ্য পুরুষোত্তম মাস পালন করুক। পুরুষোত্তম মাসের মহিমা 📜 (পদ্মপুরাণ ও স্কন্দপুরাণ হতে সংগৃহীত)
🙏 ভগবান শ্রীকৃষ্ণঃ পুরুষোত্তম মাসের এত ক্ষমতা যে, এই মাস পালনকারী সকলকে আমি কৃপা করতে দায়বদ্ধ। যিনি এ ব্রত পালন করেন তার পূর্বের সকল পাপ বিনাশ হয়। পুরুষোত্তম ব্রত পালন না করে শুদ্ধভক্তিযুক্ত সেবা করতে পারে না। বেদে বর্ণিত অন্যান্য কঠোর সংযমও ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করার চেয়েও পুরুষোত্তম মাসের গুরুত্ব অনেক অধিক। যে ব্যক্তি পুরুষোত্তম ব্রত পালন করেন তিনি এই জীবনান্তে আমার নিত্য ধাম গোলক প্রাপ্ত হবেন। 😇🌼
🙏✨ দুর্বাসা মুনিঃ পুরুষোত্তম মাসে কেবল একটি পবিত্র নদীতে স্নান করেই যে কেউ সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হতে পারেন। অন্য সকল মাসের মহিমা এই পুরুষোত্তম মাসের মহিমার এক ষোড়াংশও নয়। পুরুষোত্তম মাসে পবিত্র স্থানে স্নানের মাধ্যমে, দানের মাধ্যমে ও কৃষ্ণের পবিত্র নাম জপের মাধ্যমে সকল দুঃখ হতে পরিত্রাণ পাওয়া যায়, যেকোনো ধরনের পরিপূর্ণতা লাভ করা যায় ও যেকোনো আকাঙক্ষা পূর্ণ করা যায়। 🌸
🙏 বাল্মীকি মুনিঃ পুরুষোত্তম মাস পালনকারী এক হাজার অশ্বমেধ যজ্ঞ অনুষ্ঠানের চেয়েও অধিক সুফল লাভ করেন। পুরুষোত্তম মাস পালনকারীর দেহে সকল ধাম বাস করেন। যিনি শ্রদ্ধাভরে এই ব্রত পালন করেন তিনি গোলক বৃন্দাবনে ফিরে যান। 🌸💙
🙏নারদ মুনিঃ সকল মাস ব্রত ও সংযমের মধ্যে পুরুষোত্তম মাস শ্রেষ্ঠ। কেবল শ্রদ্ধাবনত চিত্তে পুরুষোত্তম ব্রত মাহাত্ম্য শ্রবণ মাত্রই কৃষ্ণ ভক্তি লাভ হয় ও সমস্ত পাপকর্মের ফল বিনাশ হয়। যিনি শুদ্ধভাবে পুরুষোত্তম ব্রত পালন করেন তিনি অশেষ সুকৃতি লাভ করেন ও চিন্ময় জগতে ফিরে যান। 🕊️💛
🌸 নৈমিষারণ্যের ঋষিগণ বলেনঃ করুণাময় পুরুষোত্তম মাস কল্পবৃক্ষের ন্যায় ভক্তের কামনা পূর্ণ করেন। 💖🙌
📌গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা
শ্রীল জয় পতাকা স্বামী মহারাজের নির্দেশঃ “পুরুষোত্তম মাস পালন করো, হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করো, শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ অধ্যয়ন করো এবং ইসকনের সঙ্গেই থেকো।”
🙏আজ থেকেই সংকল্প নিন এই পবিত্র পুরুষোত্তম মাস যথাযথভাবে পালন করবেন, হরিনাম জপ করবেন এবং এই অমূল্য মহিমা সকল ভক্তদের কাছে শেয়ার শেয়ার করে পৌঁছে দেবেন। ( হরিবোল) 😇🙌🌸
🌸🙏 জয় পতিত পাবন গুরু মহারাজ কি জয় 🙌✨
4 days ago | [YT] | 1,078
View 14 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
‼️ মঙ্গল আরতির কয়েকটি প্রধান ফল‼️
🌿চিত্ত শুদ্ধি ও মন শান্ত হয়
🌿ভোরের ব্রাহ্মমুহূর্তে ভগবানের নাম, কীর্তন ও আরতি মনকে পবিত্র করে এবং দুশ্চিন্তা কমায়।
ভক্তি বৃদ্ধি পায়
🌿প্রতিদিন সকালে শ্রীশ্রী রাধা-কৃষ্ণ বা ভগবানের দর্শন ও সেবা করলে হৃদয়ে ভক্তি, প্রেম ও ঈশ্বরস্মরণ বাড়ে।
🌿অলসতা ও তামোগুণ দূর হয়
🌿ভোরে জাগ্রত হয়ে আরতিতে যোগ দিলে জীবন শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়
🌿পাপক্ষয় ও শুভফল লাভ
🌿বৈষ্ণব গ্রন্থে বলা হয়েছে, ভগবানের আরতি দর্শন ও নামসংকীর্তনে বহু জন্মের পাপ ক্ষয় হয় এবং শুভ সংস্কার জন্মায়।
🌿গৃহে মঙ্গল ও ইতিবাচক পরিবেশ আসে
🌿বাড়িতে মঙ্গল আরতি করলে পরিবেশ শান্ত, পবিত্র ও আনন্দময় হয়।
🌿কৃষ্ণস্মরণ দৃঢ় হয়
🌿দিনের শুরু ভগবানের নাম দিয়ে করলে সারাদিন ঈশ্বরচিন্তা বজায় রাখা সহজ হয়।🙏🙏
কৃপা পূর্বক সকলকে গৌর গৃহে ভগবানের
মঙ্গলা দর্শন করুন 🙏🙏
কৃষ্ণময় শুভ সকালে সকল সাধুগুরু বৈষ্ণবের চরণ কমলে আমার ভক্তিপূর্ণ সশ্রদ্ধ কোটি কোটি প্রনাম
🙇🙇
হরেকৃষ্ণ!! হরেকৃষ্ণ!! কৃষ্ণকৃষ্ণ!! হরেহরে!! হরেরাম হরেরাম!!রামরাম!!হরেহরে!!🙏
6 days ago | [YT] | 2,737
View 2 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
রথযাত্রার ২০২৬
২০২৬ সালের রথযাত্রা উৎসব ১৬ জুলাই, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। পঞ্জিকা অনুসারে, আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে জগন্নাথ দেবের এই বিখ্যাত রথযাত্রা বা রথের দড়িতে টান দেওয়ার উৎসব পালিত হয়।
🔹জেনে নিন রথযাত্রার সময় সূচী :
° স্নান যাত্রা: ২৯ শে জুন। সোমবার
🔸 রথযাত্রা (রথ যাত্রা): ১৬ জুলাই ২০২৬ (বৃহস্পতিবার)
🔸 বাহুদা যাত্রা (উল্টোরথ): ২৪ জুলাই ২০২৬ (শুক্রবার)
🔹বিশেষ তথ্যাদি:
🔸স্থান: উড়িষ্যার পুরী, যা বিশ্বজুড়ে রথযাত্রার জন্য বিখ্যাত।
🔸প্রস্তুতি: অক্ষয় তৃতীয়া থেকে পুরীতে রথ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
রথসমূহ: জগন্নাথ দেবের রথের নাম নন্দীঘোষ, বলভদ্রের তালধ্বজ এবং সুভদ্রার রথ দেবদলন নামে পরিচিত।
জয় জগন্নাথ দেব, জয় বলভদ্র জয় সুভদ্রা 🙏
1 week ago | [YT] | 1,191
View 6 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
Today's Darshan Sri Dham Mayapur
1 week ago | [YT] | 2,314
View 19 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
✍️স্ত্রী দীক্ষিতা কিন্তু স্বামী অদীক্ষিত ও আমিষাষী নিরামিষাষী স্ত্রীর করণীয় কী হওয়া উচিত⁉️
➡️ গৌড়ীয় বৈষ্ণব সিদ্ধান্ত ও প্রভুপাদ শ্রীশ্রীমদ্ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের শিক্ষার আলোকে বিষয়টি ধর্ম, আচরণ ও ভক্তির মানদণ্ডে বোঝা প্রয়োজন
গৃহস্থ জীবনে স্বামীকে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান শাস্ত্রসম্মত। স্বামীকে গৃহস্থ আশ্রমে গুরুসম মর্যাদা দেওয়া হয়। তবে শাস্ত্র একই সঙ্গে স্পষ্ট করে যে কোনো আদেশ যদি ধর্মের বিপরীত হয়, তবে তা পালনযোগ্য নয়ভগবদ্গীতার নীতি অনুযায়ী আহার তিন প্রকার সাত্ত্বিক, রাজসিক ও তামসিক। মাংসাহার তামসিক আহারের অন্তর্ভুক্ত, যা মনকে স্থূল করে এবং ভক্তির বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে
প্রভুপাদ শ্রীশ্রীমদ্ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর বারবার শিক্ষা দিয়েছেন যে ভক্তির পথে অগ্রসর হতে হলে আহার ও আচরণ শুদ্ধ হওয়া অপরিহার্য। শুদ্ধ ভক্তি মানে শুধু মন্ত্র গ্রহণ নয়, বরং সমগ্র জীবনযাত্রার শুদ্ধতা... এই দৃষ্টিতে যে ব্যক্তি নিরামিষ ভক্তিমার্গ অনুসরণ করেন তার জন্য আমিষ রান্নায় প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেওয়া শাস্ত্র ও আচারের দৃষ্টিতে অনুচিত বলে বিবেচিত হয়, কারণ এতে হিংসাজনিত কর্মে সক্রিয় অংশগ্রহণ যুক্ত হয়,আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো উচ্ছিষ্ট বা অবশিষ্ট গ্রহণের প্রশ্ন। শাস্ত্র অনুযায়ী ভগবানকে অর্পণ না করা খাদ্য প্রসাদ নয়।
বিশেষ করে হিংসাজনিত খাদ্য কখনোই বৈষ্ণবীয় প্রসাদের মর্যাদা পায় না , অতএব আমিষভোজী স্বামীর উচ্ছিষ্ট গ্রহণকে বৈষ্ণবীয় শুদ্ধ আচারের মধ্যে উৎসাহ দেওয়া হয়নি। সম্মান প্রদর্শন ও সেবা আলাদা বিষয়, কিন্তু খাদ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে শুদ্ধতা অপরিহার্য
গৌড়ীয় বৈষ্ণব সিদ্ধান্তের সারকথা হলো স্বামীকে সম্মান করা কর্তব্য, কিন্তু ধর্মবিরুদ্ধ আচারে অংশগ্রহণ কর্তব্য নয়। ভক্তির পথে অগ্রগতির জন্য আহার, আচরণ ও চেতনা সবই শুদ্ধ রাখা প্রয়োজন
প্রভুপাদ শ্রীশ্রীমদ্ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের শিক্ষার আলোকে মূল লক্ষ্য একটাই ভক্তিকে বিশুদ্ধ রাখা এবং কৃষ্ণচেতনায় জীবনকে প্রতিষ্ঠিত করা....🙏🌷🙏
হরে কৃষ্ণ ....🌼❣️💐
রাধে রাধে ....🙌
1 week ago | [YT] | 2,395
View 17 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
✍️ভগবান নৃসিংহ—দেবের অপরূপ অলৌকিক লীলা মহিমা ‼️
এমন এক রহস্য যা বিজ্ঞানও আজ পর্যন্ত ব্যাখ্যা করতে পারেনি! 😮✨ ( কিন্তু কেন❓)
🌿 ‘মঙ্গলাগিরিতে পবিত্র ভগবান নৃসিংহদেব’ 🌿
অনেকেই বলে—
👉 ‘পৃথিবীতে ভগবান বলে কিছু নেই।’
👉 ‘ভগবানকে কেউ দেখেছে নাকি?’
👉 ‘বিজ্ঞানের যুগে ভগবান শুধু কল্পনা!’
😌 কিন্তু এইসব কথার বিপরীতে ‘মঙ্গলাগিরি’ এক জীবন্ত প্রমাণ…
🌸 পারমার্থিক জগতে ভক্ত ও ভগবানের অপ্রাকৃত লীলা দর্শন করলে আমাদের ভক্তি ও বিশ্বাস আরও দৃঢ় হয়। ভক্তরা আচার্যদের লীলা ও জ্ঞান দ্বারা ভগবানের প্রতি অটল বিশ্বাস স্থাপন করেন।
🙏 আমরা হয়তো সরাসরি ভগবানের লীলা উপলব্ধি করতে পারি না, কিন্তু মঙ্গলাগিরি ধামে এলে বুঝতে পারবো —
💫 ভক্ত ও ভগবানের সাক্ষাৎ লীলা দর্শন করা যায়!
💖 এতে জন্মায় গভীর শ্রদ্ধা ও প্রেমভক্তি।
🦁👤 অর্ধসিংহ ও অর্ধমানব রূপে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অবতার
এবং ভগবান নৃসিংহদেব যিনি সত্যযুগে ভক্ত প্রহ্লাদকে রক্ষা করতে অবতীর্ণ হন।
📍 দক্ষিণ ভারতে, অহোভিলামের নিকটে অবস্থিত এই পবিত্র মঙ্গলাগিরি ধাম— 🐘 যার আকৃতি চারদিক থেকে হাতির মতো (স্কন্দ পুরাণে এর উল্লেখ আছে)।
🌄 একবার ঋষ্যশৃঙ্গি নামে এক বালক, যিনি শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে জন্মেছিলেন, তপস্যা করে ভগবানকে সন্তুষ্ট করেন।
🙏 তাঁর প্রার্থনায় ভগবান লক্ষ্মী-নৃসিংহ রূপে এই পাহাড়ে আবির্ভূত হন। তাই এই পাহাড়ের নাম হয়— ‘স্তোত্রাদ্রি’
👉 ৬০০টি সিঁড়ি পেরিয়ে পৌঁছাতে হয় এই মন্দিরে— ক্লান্তি আসবে ঠিকই…😓
কিন্তু… 👇
🥤 এক বিশেষ প্রসাদ আপনার সমস্ত ক্লান্তি দূর করবে!
👉 আখের রস, কর্পুর, এলাচ, কালো মরিচ মিশিয়ে তৈরি অপূর্ব শরবত— “পঙ্কম”
👉 আর এই "পঙ্কম" নৃসিংহ দেব ভগবানের খুব প্রিয় 😇💖
💫 এই পঙ্কম ভগবান নৃসিংহদেবকে নিবেদন করা হয়।
🏔️ গুহার ভিতরে অবস্থিত মন্দিরে বিরাজ করছেন—
🔥 পঙ্কল নৃসিংহ (স্বপ্রকাশিত বিগ্রহ)
😲 আশ্চর্য বৈশিষ্ট্য:
👉 বিশাল মুখ (৬ ইঞ্চি গভীর)
👉 চার হাত
👉 ডানে শঙ্খ 🐚
👉 বামে সুদর্শন চক্র ⚡
🥤 ভক্তরা যখন পঙ্কম নিবেদন করেন—
⛪ পূজারী শঙ্খের মাধ্যমে তা ভগবানের মুখে প্রবেশ করান
🎧 তখন শোনা যায় এক দিব্য “খল খল” শব্দ!
😳 অর্থাৎ— ভগবান স্বয়ং নৃসিংহ দেব সেই ভোগ গ্রহণ করছেন! ✨
👉 কিন্তু হঠাৎ শব্দ বন্ধ হয়ে যায়…তখন আর ভোগ দেওয়া হয় না !
❗ সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়—
💥 ভগবান কখনো পুরোটা গ্রহণ করেন না!
👉 সবসময় ঠিক অর্ধেকই গ্রহণ করেন!
🐜 আরও বিস্ময়কর—
👉 এত মিষ্টি পানীয় থাকা সত্ত্বেও সেখানে একটিও পিঁপড়ে নেই! এত পানীয় কোথায় যায়— কেউ জানে না! 😇
🌙 স্কন্দ পুরাণে বলা আছে—
✨ প্রতিদিন রাতে দেবতারা এসে এই মন্দিরে পূজা করেন
🚪 সন্ধ্যার পর মন্দির বন্ধ হয়ে যায়
🌸 আর সকালে দরজা খোলার পর—
💐 চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে এক অপূর্ব সুগন্ধ!
😮 কিন্তু সেই সুগন্ধ সারাদিন থাকে না…
👉 আবার রাতে বন্ধ
👉 সকালে একই সুগন্ধ!
💖 সত্যিই… ভগবান নৃসিংহদেবের এই অপরূপ লীলা , এবং অলৌকিক ও বিস্ময়কর! দৃশ্য শুনে মন ভরে গেল ❤️✨
🩵 যদি আপনি ভগবান নৃসিংহদেবকে হৃদয় থেকে বিশ্বাস করেন, তাহলে একবার লিখুন —
👉“জয় নৃসিংহদেব” ভগবান কি জয় 😇🩵🌸
🌸 পোস্টটি শেয়ার করুন, যাতে আরও মানুষ ভগবানের এই অলৌকিক লীলা জানতে পারেন।
1 week ago | [YT] | 3,530
View 36 replies
Load more