আমরা গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি যে শ্রীমান অগ্নিদেব দাস ২৮ এপ্রিল রাত ৮টা ৩৪ মিনিটে (MDT) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উটাহ অঙ্গরাজ্যের Salt Lake City শহরে পরলোকগমন করেছেন। গত রবিবার স্পেনে শহরে কারু দাসের স্মরণসভার পর তিনি গুরুতর স্ট্রোকে আক্রান্ত হন।
অনুরাধা দাসীর একটি পোস্টে বলা হয়েছে: “তিনি বহু ভক্তদের দ্বারা পরিবেষ্টিত ছিলেন, এবং অনলাইনে ৯৯ জন ভক্ত—গুরুভাই, গুরুবোন, জ্যেষ্ঠ ভক্ত এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা—যোগ দিয়েছিলেন। নিরবচ্ছিন্নভাবে কীর্তন চলছিল, যা এক গভীর শান্তিপূর্ণ ও পবিত্র পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল। উপস্থিত নার্স ও ডাক্তাররাও এই দৃশ্য দেখে গভীরভাবে আবেগাপ্লুত হন এবং নীরবে বিস্ময়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন।”
শ্রীমান অগ্নিদেব দাস ছিলেন শ্রীল প্রভুপাদের একজন জ্যেষ্ঠ শিষ্য, যিনি ১৯৭৪ সালে দীক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি একজন সুপরিচিত কীর্তনীয়, প্রচারক এবং সংগীত রেকর্ডিং শিল্পী ছিলেন, যার ভক্তিমূলক সংগীত বহু দশক ধরে সারা বিশ্বের ভক্তদের অনুপ্রাণিত করেছে।
Salt Lake City-তে একটি ছোট স্থানীয় অনুষ্ঠান ও দাহসংস্কারের আয়োজন করা হয়েছিল। সময়সূচি ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত হলে জানানো হবে।
আমাদের প্রার্থনা করা উচিত যেন নৃসিংহদেব আমাদের হৃদয়ে অবস্থান করেন। আমাদের প্রার্থনা করা উচিত যেন তিনি সেখানে বাস করেন; এবং তাঁর দিব্য উপস্থিতির মাধ্যমে সকল অমঙ্গল, সসল অপবিত্রতা, সকল জাগতিক কামনাবাসনা, চিন্তা এবং কলুষ অবিলম্বে দূর হয়ে যাবে।
✍️শুদ্ধ বৈষ্ণব মতে নৃসিংহ চতুর্দশী পালন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ‼️
কারণ ভগবান নৃসিংহদেব ভক্ত প্রহ্লাদকে রক্ষা করতে এই তিথিতেই আবির্ভূত হয়েছিলেন। বৈষ্ণব শাস্ত্র (যেমন— হরিভক্তিবিলাস) অনুযায়ী এই ব্রত পালনের বিশেষ নিয়মগুলো নিচে দেওয়া হলোঃ
⭕️শুদ্ধ বৈষ্ণব মতে ব্রত পালনের প্রস্তুতি আগের দিন থেকেই শুরু হয়। ত্রয়োদশীতে সংযম পালন করতে হবে এবং রাতে একবার সাত্ত্বিক আহার গ্রহণ করতে হবে।
⭕️চতুর্দশী দিনের কৃত্য (সকাল ও দুপুর)
⭕️ব্রাহ্ম মুহূর্তে জাগরণ: সূর্যোদয়ের কমপক্ষে ১ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট আগে ঘুম থেকে উঠে স্নান সেরে তিলক সেবা করতে হবে। ⭕️সকালে মন্দিরে বা বিগ্রহের সামনে এই দিনটি পূর্ণ উপবাসে থেকে ভগবানকে সন্তুষ্ট করার সংকল্প করতে হবে। . সংকল্প মন্ত্র: "নৃসিংহ চতুর্দশ্যাং তু লব্ধজন্মাসি ভূতলে। অহমপ্যুপবাসেন তোষয়িষ্যামি কেশব।।"
⭕️একটি বেদীতে ভগবান নৃসিংহদেব এবং মাতা লক্ষ্মীর (লক্ষ্মী-নৃসিংহ) ছবি বা মূর্তি স্থাপন করুন। গৃহস্থের জন্য লক্ষ্মী-নৃসিংহ রূপের পূজা অত্যন্ত শুভ ও শান্তিপূর্ণ।
⭕️উপবাস: বৈষ্ণব মতে এই দিনটি নির্জলা (জল ছাড়া) উপবাস থাকা সর্বোত্তম। তবে সামর্থ্য না থাকলে বিকেলের আগে অনুকল্প (ফলমূল বা জল) গ্রহণ করা যায়। কিন্তু কোনোভাবেই অন্ন বা শস্য (চাল, ডাল, গম ইত্যাদি) গ্রহণ করা যাবে না।
⭕️শ্রবণ ও কীর্তন: দিনভর 'নৃসিংহ কবচ' পাঠ, শ্রীমদ্ভাগবতের সপ্তম স্কন্ধ (প্রহ্লাদ চরিত্র) পাঠ এবং হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করতে হবে।
⭕️ সন্ধ্যার বিশেষ পূজা (আবির্ভাব কাল) ভগবান নৃসিংহদেব গোধূলি বেলায় (সূর্যাস্তের সময়) আবির্ভূত হয়েছিলেন, তাই এই সময়টি অত্যন্ত বিশেষ। অভিষেক: বিগ্রহ থাকলে পঞ্চামৃত ও ডাবের জল দিয়ে অভিষেক করতে হবে।
⭕️ভোগ নিবেদন: অভিষেক শেষে ভগবানকে বিশেষ ভোগ নিবেদন করতে হবে। এই দিনে 'পানক (Panakam): এটি গুড়, জল, গোলমরিচ এবং এলাচ দিয়ে তৈরি এক ধরণের বিশেষ শরবত। এটি নৃসিংহদেবের অত্যন্ত প্রিয়। তরমুজ , পাকা আম, শষা শীতল জাতীয় ফল নৃসিংহ ভগবানের অত্যান্ত প্রিয় এছাড়াও পায়েস লুচি এইসব দেওয়া যাবে।
⭕️ভোগ নিবেদন শেষে ভগবানের আরোতি করতে হবে।। নৃসিংহ আরোতি।। নৃসিংহ ভগবানের চরণে ১০৮টি নাম দিয়ে ১০৮টি তুলসী পত্র দিয়ে চন্দন সুগন্ধি লাগিয়ে অর্পণ করলে ভগবান অভিষ্ট অভিলাস পূর্ণ করেন।।
সধবা বা বিবাহিত নারীদের একাদশী ব্রত পালন করা কি ঠিক? শাস্ত্র কি বলে? উত্তরঃ ১। ব্রাহ্মণক্ষত্রিয়বিশাং শূদ্রণাঞ্চৈব যোষিতাম্ মোক্ষদং কূব্ব্বতাং ভক্ত্যা বিষ্ণো প্রিয়তরং দ্বিজাঃ। [বৃহন্নারদীয় পুরাণ,অধ্যায়-২১ শ্লোক-২]
👉অনুবাদ: ব্রাহ্মণ,ক্ষত্রিয়,বৈশ্য,শুদ্র এবং বিবাহিত স্ত্রীলোক -ইহাদের মধ্যে যে কোন ব্যক্তি হউক,ভক্তি পূর্বক একাদশী ব্রত পালন করে মুক্তি লাভ করতে পারে।
👉বঙ্গানুবাদ:যে স্ত্রী পতি সহ একাদশীব্রত করে,সে সুপুত্রা স্বামী-সুভাগা হয়, মরণান্তে হরিগৃহ বৈকুন্ঠে যায়। একাদশীতে ভক্তিভাবে যে জন হরির অগ্ৰে প্ৰদীপ দান করে,তাহার পুণ্যের সংখ্যা নাই অর্থাৎ অগণিত পুণ্য লাভ করে। আর যে স্ত্রী স্বামীর সহিত একাদশীতে রাত্রি জাগরণ করে,সে চিরকাল পতি সহ হরির নিকেতনে বাস করে।
৩। যা নারী স্বামীসহিতা কুর্য্যাচ্চ হরিবাসরম। সুপুত্রা ভর্ত্তসুভগা ভবেৎ সা প্রতিজন্মানি। [পদ্মপুরাণ, ব্রহ্মখন্ড, ৫/১৯]
👉বঙ্গানুবাদ:যে নারী স্বামীর সাথে একাদশীব্রত করে,সে জন্মে জন্মে সপুত্রা ও স্বামীসুভাগা হয়।
৪। যা নারী ভর্তৃসহিতা করোাত্যেকাদশীব্রতম্ সুপ্রজা স্বামিসুভগা সা ভবেৎ প্রতিজন্মনি। স্বামিনা সহ যা নারী কুরুতে জাগরং হরেঃ সা তিষ্ঠেদ্বিষ্ণুভবনে চিরং ভর্তা সহ দ্বিজ || [পদ্মপুরাণ,ও অধ্যায়-২ শ্লোক- ১০৫]
👉বঙ্গানুবাদ:যে নারী স্বামীর সাথে একাদশীব্রত করে,সে জন্মে জন্ম সুপুত্রা ও স্বামীসুভগা হয়। আর যে নারী স্বামীর সঙ্গে জাগরানুষ্ঠান করে,সে স্বামীর সাথে সুচিরকাল বৈকুন্ঠধামে অবস্থান করে।
৫। দুর্ভাগা যা করোত্যেনাং সা স্ত্রী সৌভাগ্যমাপুয়াৎ। লোকানাঞ্চৈব সর্ব্বোষাং ভুক্তিমুক্তিপ্রদায়িনী। [ পদ্মপুরাণ,উত্তরখন্ড, ৪৮/৪]
👉বঙ্গানুবাদ:কোন দুর্ভাগা স্ত্রী যদি একাদশী ব্ৰত আচরণ করেন,তিনি সৌভাগ্য লাভ করেন। এই একাদশী ব্রত সর্বলোকের মুক্তিপ্রদায়িনী,সর্বপাহারিণী ও গর্ভবাসনিবারিণী।
👉বঙ্গানুবাদ:নারদ বলিলেন,"যজ্ঞসীতা গোপীগণ রাধার মুখে একাদশী মাহাত্ম্য শুণে কৃষ্ণপ্রাপ্তির জন্য যথাবিধি একাদশী ব্রত করেন। তাঁদের একাদশী ব্রত ফলে স্বয়ং গোপবালক হরি প্রসন্ন হয়ে অগ্ৰহায়ণ মাসের পূৰ্ণিমায় তাঁহাদের সহিত রাসনৃত্য করেছিলেন।
👉বঙ্গানুবাদ:শ্রীমতি রাধিকা গোপীকাদের বললেন, "একদা দেবপত্নীগণ কোন এক ব্রাহ্মণীকে এই একাদশীব্রতের উপদেশ করেন, ঐ ব্রাহ্মণী মানুষী হয়েও এ একাদশী ব্রত পালন দ্বারা ধনধান্য ও স্বৰ্গসুখ লাভ করে ছিলেন।
🌿আশা করি, আর কারো কথা শুনে বিভ্রান্ত হবেন না সধবা নারীর একাদশী ব্রত পালন করা নিয়ে।
🙏ভালো লাগলে শেয়ার করে আপনার সনাতনী বন্ধুদের জানার সুযোগ করে দিন🙏 হরে কৃষ্ণ 🙏
হে শ্রীনৃসিংহ! হে মহাভীম! আমার উপর দয়া প্রকাশ করুন, অদ্য আমি আপনার ব্রত আচরণ করিব, নির্বিঘ্নে সম্পূর্ণ করুন।
🙏শ্রীনৃসিংহ স্তব/প্রণাম🙏 জয় নৃসিংহ শ্রীনৃসিংহ জয় জয় জয় শ্রীনৃসিংহ উগ্রং বীরং মহাবিষ্ণুং জ্বলন্তং সর্বতোমুখম্ । নৃসিংহং ভীষণং ভদ্রং মৃত্যোমৃত্যুং নমাম্যহম্ । শ্রীনৃসিংহ জয় নৃসিংহ জয় জয় নৃসিংহ প্রহ্লাদেশ জয় পদ্মমুখ পদ্মভূঙ্গ ।
কেউ এই পবিত্র ব্রতদিন সম্পর্কে জেনেও যদি তা পালন না করেন, তবে চন্দ্রসূর্য যতদিন থাকবে, ততদিন তাকে নরক বাস করতে হবে, একথা স্বয়ং নৃসিংহদেব তাঁর ভক্ত প্রহ্লাদকে বলেছেন।
অর্থাৎ আমার সন্তুষ্টির লক্ষ্যে চতুর্দশী ব্রত কর্তব্য। জন্ম-মৃত্যুময় সংসার ভয়-ভীত মানুষ এই পরম গোপনীয় ও শ্রেষ্ঠ ব্রত পালন করবে।।
গোধূলি পর্যন্ত নির্জলা উপবাস থাকতে হবে। নির্জলা থাকতে না পারলে ফল প্রসাদ পেতে পারেন। গোধূলি লগ্নে নৃসিংহদেবকে দুধ, দই, ঘি, মধু, মিছরির জল এবং ফলের রস দিয়ে অভিষেক করাতে পারেন (নৃসিংহদেবের চিত্রপটে অভিষেক করা যাবে)। অভিষেকের পরে নৃসিংহদেবকে ফলমূল, সবজি রান্না করে ভোগ দিয়ে প্রসাদ গ্রহণ করতে পারেন।
একাদশীর দিন যে অনুকল্প গ্রহণ করা হয় সেটাই ব্রতের দিন গ্রহণ করা যাবে।
কিন্তু ব্রতের দিন অন্ন, রুটি, লুচি, পরোটা গ্রহণ করা যাবে না। তবে অবশ্যই নৃসিংহদেবকে "পনকম্ " নিবেদন করতে পারেন। "পনকম্" হলো শীতল জল, তাল-মিছরি, লেবুর রস এবং আদা দিয়ে তৈরি একরকম পানীয় যা নৃসিংহদেবের অত্যন্ত প্রিয়। ব্রতের দিন সম্ভব হলে নৃসিংহদেবের ১০৮টি নাম পড়ে নৃসিংহদেবের চরণে ১০৮টি তুলসীপাতা চন্দনে মাখিয়ে অর্পণ করতে পারেন। নৃসিংহদেবের ব্রতকথা শ্রবণ করুন।
শ্রীমদ্ভাগবতের ৭ (সপ্তম) স্কন্ধের ৮ম অধ্যায় শ্রীনৃসিংহদেবের আবির্ভাব লীলা পাঠ করুন। অথবা শুদ্ধভক্তের নিকট থেকে শ্রবণ করুন। ব্রতের দিন নৃসিংহদেবের প্রণাম মন্ত্র এবং স্তব পাঠ করুন। মনে রাখবেন নৃসিংহদেব অত্যন্ত কৃপালু।তিনি ভক্তের মনোবাসনা অবশ্যই পূরণ করবেন। তিনি অত্যন্ত করুণাময়। তিনি তাঁর ভক্তকে সর্ববিপদ থেকে রক্ষা করেন, যেমন----তাঁর ভক্ত প্রহ্লাদকে রক্ষা করেছিলেন। ব্রতের পর দিন সকালে ভগবানকে অন্ন, বিভিন্ন দ্রব্যাদি রান্না করে ভোগ দিয়ে প্রসাদ গ্রহণ করতে পারেন।
Krishna Bhakta Seva Samiti
১০৮ জোড়া তুলসী কে কে নিবেদন করলেন
আজকে
ভগবান নৃসিংহদেবের চরণে?
13 hours ago | [YT] | 2,514
View 14 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
শ্রীমান অগ্নিদেব দাস প্রভুর ভগবানের ধামের উদ্দেশ্যে যাত্রা। পতিত পাবন শ্রীশ্রীমদ রাধানাথ স্বামী মহারাজ হরিনাম শোনাচ্ছিলেন ।
আমরা গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি যে শ্রীমান অগ্নিদেব দাস ২৮ এপ্রিল রাত ৮টা ৩৪ মিনিটে (MDT) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উটাহ অঙ্গরাজ্যের Salt Lake City শহরে পরলোকগমন করেছেন। গত রবিবার স্পেনে শহরে কারু দাসের স্মরণসভার পর তিনি গুরুতর স্ট্রোকে আক্রান্ত হন।
অনুরাধা দাসীর একটি পোস্টে বলা হয়েছে: “তিনি বহু ভক্তদের দ্বারা পরিবেষ্টিত ছিলেন, এবং অনলাইনে ৯৯ জন ভক্ত—গুরুভাই, গুরুবোন, জ্যেষ্ঠ ভক্ত এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা—যোগ দিয়েছিলেন। নিরবচ্ছিন্নভাবে কীর্তন চলছিল, যা এক গভীর শান্তিপূর্ণ ও পবিত্র পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল। উপস্থিত নার্স ও ডাক্তাররাও এই দৃশ্য দেখে গভীরভাবে আবেগাপ্লুত হন এবং নীরবে বিস্ময়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন।”
শ্রীমান অগ্নিদেব দাস ছিলেন শ্রীল প্রভুপাদের একজন জ্যেষ্ঠ শিষ্য, যিনি ১৯৭৪ সালে দীক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি একজন সুপরিচিত কীর্তনীয়, প্রচারক এবং সংগীত রেকর্ডিং শিল্পী ছিলেন, যার ভক্তিমূলক সংগীত বহু দশক ধরে সারা বিশ্বের ভক্তদের অনুপ্রাণিত করেছে।
Salt Lake City-তে একটি ছোট স্থানীয় অনুষ্ঠান ও দাহসংস্কারের আয়োজন করা হয়েছিল। সময়সূচি ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত হলে জানানো হবে।
19 hours ago | [YT] | 860
View 3 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
✍️নৃসিংহদেবের কাছে কি প্রার্থনা করা উচিত⁉️
আমাদের প্রার্থনা করা উচিত যেন নৃসিংহদেব আমাদের হৃদয়ে অবস্থান করেন। আমাদের প্রার্থনা করা উচিত যেন তিনি সেখানে বাস করেন; এবং তাঁর দিব্য উপস্থিতির মাধ্যমে সকল অমঙ্গল, সসল অপবিত্রতা, সকল জাগতিক কামনাবাসনা, চিন্তা এবং কলুষ অবিলম্বে দূর হয়ে যাবে।
~শ্রীল জয়পতাকা স্বামী মহারাজের অ্যাপবার্তা
১১ই মে, ২০২৫
21 hours ago | [YT] | 1,316
View 10 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
✍️শুদ্ধ বৈষ্ণব মতে নৃসিংহ চতুর্দশী পালন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ‼️
কারণ ভগবান নৃসিংহদেব ভক্ত প্রহ্লাদকে রক্ষা করতে এই তিথিতেই আবির্ভূত হয়েছিলেন। বৈষ্ণব শাস্ত্র (যেমন— হরিভক্তিবিলাস) অনুযায়ী এই ব্রত পালনের বিশেষ নিয়মগুলো নিচে দেওয়া হলোঃ
⭕️শুদ্ধ বৈষ্ণব মতে ব্রত পালনের প্রস্তুতি আগের দিন থেকেই শুরু হয়। ত্রয়োদশীতে সংযম পালন করতে হবে এবং রাতে একবার সাত্ত্বিক আহার গ্রহণ করতে হবে।
⭕️চতুর্দশী দিনের কৃত্য (সকাল ও দুপুর)
⭕️ব্রাহ্ম মুহূর্তে জাগরণ: সূর্যোদয়ের কমপক্ষে ১ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট আগে ঘুম থেকে উঠে স্নান সেরে তিলক সেবা করতে হবে।
⭕️সকালে মন্দিরে বা বিগ্রহের সামনে এই দিনটি পূর্ণ উপবাসে থেকে ভগবানকে সন্তুষ্ট করার সংকল্প করতে হবে।
. সংকল্প মন্ত্র:
"নৃসিংহ চতুর্দশ্যাং তু লব্ধজন্মাসি ভূতলে।
অহমপ্যুপবাসেন তোষয়িষ্যামি কেশব।।"
⭕️প্রণাম মন্ত্র”
"নমস্তে নরসিংহায় প্রহ্লাদাহ্লাদ-দায়িনে।
হিরণ্যকশিপোর্বক্ষঃ-শিলা-টঙ্ক-নখালয়ে।।"
⭕️একটি বেদীতে ভগবান নৃসিংহদেব এবং মাতা লক্ষ্মীর (লক্ষ্মী-নৃসিংহ) ছবি বা মূর্তি স্থাপন করুন। গৃহস্থের জন্য লক্ষ্মী-নৃসিংহ রূপের পূজা অত্যন্ত শুভ ও শান্তিপূর্ণ।
⭕️উপবাস: বৈষ্ণব মতে এই দিনটি নির্জলা (জল ছাড়া) উপবাস থাকা সর্বোত্তম। তবে সামর্থ্য না থাকলে বিকেলের আগে অনুকল্প (ফলমূল বা জল) গ্রহণ করা যায়। কিন্তু কোনোভাবেই অন্ন বা শস্য (চাল, ডাল, গম ইত্যাদি) গ্রহণ করা যাবে না।
⭕️শ্রবণ ও কীর্তন: দিনভর 'নৃসিংহ কবচ' পাঠ, শ্রীমদ্ভাগবতের সপ্তম স্কন্ধ (প্রহ্লাদ চরিত্র) পাঠ এবং হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করতে হবে।
⭕️ সন্ধ্যার বিশেষ পূজা (আবির্ভাব কাল)
ভগবান নৃসিংহদেব গোধূলি বেলায় (সূর্যাস্তের সময়) আবির্ভূত হয়েছিলেন, তাই এই সময়টি অত্যন্ত বিশেষ।
অভিষেক: বিগ্রহ থাকলে পঞ্চামৃত ও ডাবের জল দিয়ে অভিষেক করতে হবে।
⭕️ভোগ নিবেদন: অভিষেক শেষে ভগবানকে বিশেষ ভোগ নিবেদন করতে হবে। এই দিনে 'পানক (Panakam): এটি গুড়, জল, গোলমরিচ এবং এলাচ দিয়ে তৈরি এক ধরণের বিশেষ শরবত। এটি নৃসিংহদেবের অত্যন্ত প্রিয়। তরমুজ , পাকা আম, শষা শীতল জাতীয় ফল নৃসিংহ ভগবানের অত্যান্ত প্রিয় এছাড়াও পায়েস লুচি এইসব দেওয়া যাবে।
⭕️ভোগ নিবেদন শেষে ভগবানের আরোতি করতে হবে।। নৃসিংহ আরোতি।।
নৃসিংহ ভগবানের চরণে ১০৮টি নাম দিয়ে ১০৮টি তুলসী পত্র দিয়ে চন্দন সুগন্ধি লাগিয়ে অর্পণ করলে ভগবান অভিষ্ট অভিলাস পূর্ণ করেন।।
⭕️সেই তুলসী পত্র বাড়ির সকলেই খেলে সবার প্রতি ভগবানে অশেষ কৃপা বর্ষিত হয়।
⭕️সন্ধ্যায় প্রসাদ: সন্ধ্যার পূজা ও আরতির পর শস্যহীন প্রসাদ (যেমন— ফল, মিষ্টি বা সাবু) গ্রহণ করবেন।
⭕️পারন বা অন্ন প্রসাদ গ্রহণ করতে হবে পরদিন সূর্যোদয়ের পর নির্দিষ্ট সময়ে।
🙏🙏জয় নৃসিংহ ভগবান সকলের কৃপা করুন।।🙏🙏🙏
1 day ago | [YT] | 2,700
View 16 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
ভগবান শ্রী নৃসিংহদেবের প্রিয় শরবত পনকম। আগামীকাল নৃসিংহ চতুর্দশী এই উপলক্ষে ভগবান শ্রী নৃসিংহদেবের প্রিয় পনকম নিবেদন করবেন 🙏🙏
1 day ago | [YT] | 149
View 2 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
আগামীকাল নৃসিংহ চতুর্দশী
ভগবান নৃসিংহদেবের শুভ আবির্ভাব তিথি ❣️
গোধুলি পর্যন্ত নির্জলা উপবাস🙏🙏
1 day ago | [YT] | 1,326
View 16 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
নৃসিংহ চতুর্দশীর জন্য প্রস্তুত তো..?😊
1 day ago | [YT] | 2,862
View 23 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
সধবা বা বিবাহিত নারীদের একাদশী ব্রত পালন করা কি ঠিক? শাস্ত্র কি বলে?
উত্তরঃ
১। ব্রাহ্মণক্ষত্রিয়বিশাং শূদ্রণাঞ্চৈব যোষিতাম্
মোক্ষদং কূব্ব্বতাং ভক্ত্যা বিষ্ণো প্রিয়তরং দ্বিজাঃ।
[বৃহন্নারদীয় পুরাণ,অধ্যায়-২১ শ্লোক-২]
👉অনুবাদ: ব্রাহ্মণ,ক্ষত্রিয়,বৈশ্য,শুদ্র এবং বিবাহিত স্ত্রীলোক -ইহাদের মধ্যে যে কোন ব্যক্তি হউক,ভক্তি পূর্বক একাদশী ব্রত পালন করে মুক্তি লাভ করতে পারে।
২। পতিসহিতা যা যোষিৎ করোতি হরিবাসরম।
সুপুত্ৰা স্বামিসুভগা যাতি প্ৰেত্য হরেগৃহম।
যো যচ্ছতি হরেরগ্ৰে প্ৰদীপং ভক্তিভাবতঃ।
হরের্দিনে দ্বিজশ্রেষ্ঠ পুণ্যসঙ্গ্যা ন বিদ্যতে।
যাঙ্গনা ভর্তৃসহিতা কুরুতে জাগরং হরেঃ।
হরেনিকেতনে তিষ্ঠেচ্চিরং পত্যা সহ দ্বিজ।
[পদ্মপুরাণ,অধ্যায় ৪৪, শ্লোক-৭৬-৭৮]
👉বঙ্গানুবাদ:যে স্ত্রী পতি সহ একাদশীব্রত করে,সে সুপুত্রা স্বামী-সুভাগা হয়, মরণান্তে হরিগৃহ বৈকুন্ঠে যায়। একাদশীতে ভক্তিভাবে যে জন হরির অগ্ৰে প্ৰদীপ দান করে,তাহার পুণ্যের সংখ্যা নাই অর্থাৎ অগণিত পুণ্য লাভ করে। আর যে স্ত্রী স্বামীর সহিত একাদশীতে রাত্রি জাগরণ করে,সে চিরকাল পতি সহ হরির নিকেতনে বাস করে।
৩। যা নারী স্বামীসহিতা কুর্য্যাচ্চ হরিবাসরম।
সুপুত্রা ভর্ত্তসুভগা ভবেৎ সা প্রতিজন্মানি।
[পদ্মপুরাণ, ব্রহ্মখন্ড, ৫/১৯]
👉বঙ্গানুবাদ:যে নারী স্বামীর সাথে একাদশীব্রত করে,সে জন্মে জন্মে সপুত্রা ও স্বামীসুভাগা হয়।
৪। যা নারী ভর্তৃসহিতা করোাত্যেকাদশীব্রতম্
সুপ্রজা স্বামিসুভগা সা ভবেৎ প্রতিজন্মনি।
স্বামিনা সহ যা নারী কুরুতে জাগরং হরেঃ
সা তিষ্ঠেদ্বিষ্ণুভবনে চিরং ভর্তা সহ দ্বিজ ||
[পদ্মপুরাণ,ও অধ্যায়-২ শ্লোক- ১০৫]
👉বঙ্গানুবাদ:যে নারী স্বামীর সাথে একাদশীব্রত করে,সে জন্মে জন্ম সুপুত্রা ও স্বামীসুভগা হয়। আর যে নারী স্বামীর সঙ্গে জাগরানুষ্ঠান করে,সে স্বামীর সাথে সুচিরকাল বৈকুন্ঠধামে অবস্থান করে।
৫। দুর্ভাগা যা করোত্যেনাং সা স্ত্রী সৌভাগ্যমাপুয়াৎ। লোকানাঞ্চৈব সর্ব্বোষাং ভুক্তিমুক্তিপ্রদায়িনী।
[ পদ্মপুরাণ,উত্তরখন্ড, ৪৮/৪]
👉বঙ্গানুবাদ:কোন দুর্ভাগা স্ত্রী যদি একাদশী ব্ৰত আচরণ করেন,তিনি সৌভাগ্য লাভ করেন। এই একাদশী ব্রত সর্বলোকের মুক্তিপ্রদায়িনী,সর্বপাহারিণী ও গর্ভবাসনিবারিণী।
৬। সপুত্রশ সভাৰ্য্যশ্চ স্বজনৈর্ভক্তিসংযুতঃ।একাদশ্যামুপবসেৎ পক্ষয়োরভয়োরপি৷
[বিষুধর্মোত্তর, হ.ভ.বি., ১২|৪৭]
👉বঙ্গানুবাদ: পুত্র, ভার্যা (পত্নী) ও স্বজনবর্গের সহিত ভক্তিযুক্ত হয়ে উভয়পক্ষের একাদশীতে উপবাস কর্তব্য।
৭। আরিরাধয়িষুঃ কৃষ্ণং মহিষ্যা তুল্যশীলয়া।
যুক্তঃ সংবৎসরং বীরো দধার দ্বাদশীব্রতম্।
শ্রীমদ্ভাগবতম ৯।৪|২৯]
👉অনুবাদ:ভগবান শ্ৰীকৃষ্ণের আরাধনা করার জন্য অম্বরীষ মহারাজ তারই মতো গুণবতী স্ত্রীসহ এক বৎসর কাল যাবৎ একাদশী এবং দ্বাদশীব্রত পালন করেছিলেন।
৮। ইতি রাধামুখাচ্ছুত্বা যজ্ঞসীতাশ্চ গোপিকাঃ। একাদশীব্রত চক্রবিধিবৎ কৃষ্ণলালসাঃ ||২৩ একাদশীদিনেনাপি প্রসন্নঃ শ্রীহরিঃ স্বয়ম।
মার্গশীর্ষে পূর্ণিমায়াং রাসং তাতিশ্চকার হ।২৪
[গর্গসংহিতা, মাধুর্য্যখনড, অধ্যায় ৯, শ্লোক ২৩-২৪]
👉বঙ্গানুবাদ:নারদ বলিলেন,"যজ্ঞসীতা গোপীগণ রাধার মুখে একাদশী মাহাত্ম্য শুণে কৃষ্ণপ্রাপ্তির জন্য যথাবিধি একাদশী ব্রত করেন। তাঁদের একাদশী ব্রত ফলে স্বয়ং গোপবালক হরি প্রসন্ন হয়ে অগ্ৰহায়ণ মাসের পূৰ্ণিমায় তাঁহাদের সহিত রাসনৃত্য করেছিলেন।
৯। শৃণু রাজন যথা বৃত্তং দৃষ্টং তৎকথয়ামি তে। মর্ত্যলোকে পুরা হাসীদব্রাহ্মণ্যেকা চ ভারত ব্রতচৰ্য্যারুতা নিত্যং দেবপূজারতা সদা।২৩ মাসোপবাসনিরতা মম ভক্তা চ সবব্বদা।
কৃষ্ণোপবাসসংযুক্তা মম পূজাপরায়ণ ||
[পদ্মপুরাণ, উত্তরখন্ড, ৪২| ২২-২৪]
👉বঙ্গানুবাদ: শ্ৰীকৃষ্ণ কহিলেন, রাজন শ্রবণ করুন বৃত্তান্ত বলিতেছি-হে পার্থিব যুধিষ্ঠির পুরাকালে মর্ত্যলোকে ব্রতচৰ্য্যানিরতা, নিত্য দেবপূজা পরায়ণ এক ব্রাহ্মণী ছিলেন। তিনি আমার নিত্যভক্ত,মাসোপবাসে নিয়তা, কৃষ্ণপ্রীত্যর্থ উপবাস পরায়ণা এবং মদীয় পূজায় একান্ত অনুরক্তা।
১০। সাপ্যৈবং মঞ্জুঘোষা চ কৃত্বৈতদব্রতমু্ত্তমম। পিশাচত্বাদ্বিনিৰ্ম্মক্তা পাপমোচনিকাব্রতাৎ।
দিব্যরূপধরা সা বৈ গতা নাকে বরাপ্সরাঃ।
[পদ্মপুরাণ,উত্তরখন্ড,অধ্যায়-৪৬/৪৬]
👉বঙ্গানুবাদ:অপ্সরা মঞ্জুঘোষাও উক্ত উত্তম একাদশী ব্রত অনুষ্ঠান পালনে পিশাচত্ব হইতে মুক্ত হইল। পাপমোচনী একাদশী ব্রতের প্রভাবে সে দিব্যরূপ ধারনপূর্ব্বক স্বর্গে গমন করিলো।
১১। ব্রাহ্মণ্যৈে দেবপত্নীভিদত্তমেকাদশীব্রতম।
তেন লেভে স্বর্গসৌখ্যং ধনধান্তঞ্চ মানুষী ||
[গৰ্গসংহিতা,মাধুর্য্যখন্ড,অধ্যায় ৯,শ্লোক-৭]
👉বঙ্গানুবাদ:শ্রীমতি রাধিকা গোপীকাদের বললেন, "একদা দেবপত্নীগণ কোন এক ব্রাহ্মণীকে এই একাদশীব্রতের উপদেশ করেন, ঐ ব্রাহ্মণী মানুষী হয়েও এ একাদশী ব্রত পালন দ্বারা ধনধান্য ও স্বৰ্গসুখ লাভ করে ছিলেন।
🌿আশা করি, আর কারো কথা শুনে বিভ্রান্ত হবেন না সধবা নারীর একাদশী ব্রত পালন করা নিয়ে।
🙏ভালো লাগলে শেয়ার করে আপনার সনাতনী বন্ধুদের জানার সুযোগ করে দিন🙏 হরে কৃষ্ণ 🙏
#sanatandharma #gita #motivation #krishna #ekadashi
2 days ago | [YT] | 201
View 1 reply
Krishna Bhakta Seva Samiti
প্রতিদিন যে ভক্ত নৃসিংহদেবের এই অষ্টোত্তর শতনাম পাঠ করেন, তার জীবনে সুখের অভাব হয় না:-
১▪ ওঁ নরসিংহায় নমঃ
২▪ ওঁ মহাসিংহায় নমঃ
৩▪ ওঁ দিব্যসিংহায় নমঃ
৪▪ ওঁ মহাবলায় নমঃ
৫▪ ওঁ উগ্রসিংহায় নমঃ
৬▪ ওঁ মহাদেবায় নমঃ
৭▪ ওঁ স্তম্ভজায় নমঃ
৮▪ ওঁ উগ্রলোচনায় নমঃ
৯▪ ওঁ রৌদ্রায় নমঃ
১০▪ওঁ সর্বদ্ভুতায় নমঃ
১১▪ওঁ শ্রীমানায় নমঃ
১২▪ওঁ যোগানন্দায় নমঃ
১৩▪ওঁ ত্রিবিক্রমায় নমঃ
১৪▪ওঁ হারিণে নমঃ
১৫▪ওঁ কোলাহলায় নমঃ
১৬▪ওঁ চক্রিণে নমঃ
১৭▪ওঁ বিজয়ায় নমঃ
১৮▪ওঁ জয়বর্ধনায় নমঃ
১৯▪ওঁ পঞ্চাননায় নমঃ
২০▪ওঁ পরমব্রহ্মায় নমঃ
২১▪ওঁ অঘোরায় নমঃ
২২▪ওঁ ঘোরবিক্রমায় নমঃ
২৩▪ওঁ জ্বলন্মুখায় নমঃ
২৪▪ওঁ জ্বলমালিনে নমঃ
২৫▪ওঁ মহাজ্বলায় নমঃ
২৬▪ওঁ মহাপ্রভুয়ায় নমঃ
২৭▪ওঁ নীতিলক্ষায় নমঃ
২৮▪ওঁ সহস্রাক্ষায় নমঃ
২৯▪ওঁ দুর্নিরীক্ষায় নমঃ
৩০▪ওঁ প্রতাপণায় নমঃ
৩১▪ওঁ মহাদ্রংষ্ট্রায় নমঃ
৩২▪ওঁ যুদ্ধপ্রজ্ঞায় নমঃ
৩৩▪ওঁ চন্দ্রকোপিনে নমঃ
৩৪▪ওঁ সদাশিবায় নমঃ
৩৫▪ওঁ হিরণ্যকশিপুধ্বংসিনে নমঃ
৩৬▪ওঁ দৈত্যদানবভঞ্জনায় নমঃ
৩৭▪ওঁ গুণভদ্রায় নমঃ
৩৮▪ওঁ মহাভদ্রায় নমঃ
৩৯▪ওঁ বলভদ্রায় নমঃ
৪০▪ওঁ সুভদ্রকায় নমঃ
৪১▪ওঁ করালায় নমঃ
৪২▪ওঁ বিকরালায় নমঃ
৪৩▪ওঁ বিকর্তায় নমঃ
৪৪▪ওঁ সর্বকর্তৃকায় নমঃ
৪৫▪ওঁ শিশুমারায় নমঃ
৪৬▪ওঁ ত্রিলোকাত্মায় নমঃ
৪৭▪ওঁ ঈশায় নমঃ
৪৮▪ওঁ সর্বেশ্বরায় নমঃ
৪৯▪ওঁ বিভূয়ায় নমঃ
৫০▪ওঁ ভৈরবডম্ভরায় নমঃ
৫১▪ওঁ দিব্যায় নমঃ
৫২▪ওঁ অচ্যুতায় নমঃ
৫৩▪ওঁ কবিনে নমঃ
৫৪▪ওঁ মাধবায় নমঃ
৫৫▪ওঁ অধোক্ষজায় নমঃ
৫৬▪ওঁ অক্ষরায় নমঃ
৫৭▪ওঁ সর্বায় নমঃ
৫৮▪ওঁ বনমালিনে নমঃ
৫৯▪ওঁ বরপ্রদায় নমঃ
৬০▪ওঁ বিশ্বম্ভরায় নমঃ
৬১▪ওঁ অদ্ভুতায় নমঃ
৬২▪ওঁ ভব্যায় নমঃ
৬৩▪ওঁ শ্রীবিষ্ণবে নমঃ
৬৪▪ওঁ পুরুষোত্তমায় নমঃ
৬৫▪ওঁ অনঘাস্ত্রায় নমঃ
৬৬▪ওঁ নখাস্ত্রায় নমঃ
৬৭▪ওঁ সূর্যজ্যোতিনে নমঃ
৬৮▪ওঁ সুরেশ্বরায় নমঃ
৬৯▪ওঁ সহস্রবাহুয়ায় নমঃ
৭০▪ওঁ সর্বজ্ঞায় নমঃ
৭১▪ওঁ সর্বসিদ্ধিপ্রদায়কায় নমঃ
৭২▪ওঁ বজ্রদংষ্ট্রায় নমঃ
৭৩▪ওঁ বজ্রনখায় নমঃ
৭৪▪ওঁ মহানন্দায় নমঃ
৭৫▪ওঁ পরন্তপায় নমঃ
৭৬▪ওঁ সর্বমন্ত্রৈকরূপায় নমঃ
৭৭▪ওঁ সর্বযন্ত্রবিদারণায় নমঃ
৭৮▪ওঁ সর্বতন্ত্রাত্মকায় নমঃ
৭৯▪ওঁ অব্যক্তায় নমঃ
৮০▪ওঁ সুব্যক্তায় নমঃ
৮১▪ওঁ ভক্তবৎসল নমঃ
৮২▪ওঁ বৈশাখশুক্লদ্ভুত্যায় নমঃ
৮৩▪ওঁ শরণাগত বৎসলায় নমঃ
৮৪▪ওঁ উদারকীতির্নে নমঃ
৮৫▪ওঁ পূণ্যাত্মায় নমঃ
৮৬▪ওঁ মহাত্মায় নমঃ
৮৭▪ওঁ চণ্ডবিক্রমায় নমঃ
৮৮▪ওঁ বেদত্রয়ায় নমঃ
৮৯▪ওঁ প্রপুজ্যায় নমঃ
৯০▪ওঁ ভগবানায় নমঃ
৯১▪ওঁ পরমেশ্বরায় নমঃ
৯২▪ওঁ শ্রীবৎসাঙ্কায় নমঃ
৯৩▪ওঁ জগদ্ব্যাপিনে নমঃ
৯৪▪ওঁ জগন্মায়ায় নমঃ
৯৫▪ওঁ জগৎ-পালায় নমঃ
৯৬▪ওঁ জগন্নাথায় নমঃ
৯৭▪ওঁ মহাখগায় নমঃ
৯৮▪ওঁ দ্বিরূপভৃতয়া নমঃ
৯৯▪ওঁ পরমাত্মায় নমঃ
১০০▪ওঁ পরং জ্যোতিষে নমঃ
১০১▪ওঁ নির্গুণায় নমঃ
১০২▪ওঁ নৃকেশরীণে নমঃ
১০৩▪ওঁ পরতত্ত্বায় নমঃ
১০৪▪ওঁ পরমধামায় নমঃ
১০৫▪ওঁ সচ্চিদানন্দ বিগ্রহায় নমঃ
১০৬▪ওঁ ধীরায় নমঃ
১০৭▪ওঁ লক্ষ্মীনৃসিংহায় নমঃ
১০৮▪ওঁ প্রহ্লাদপালকায় নমঃ
জয় শ্রী নৃসিংহদেব
#মায়াপুর #Narsimha #Narsimhachaturdashi
3 days ago | [YT] | 2,564
View 12 replies
Krishna Bhakta Seva Samiti
শ্রী শ্রী নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত পালনের নিয়ম -
🙏নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রতের সঙ্কল্প মন্ত্র🙏
শ্রীনৃসিংহ মহাভীম দয়াং কুরু মমোপরি । অদ্যাহং তে বিধাস্যামি ব্রতং নিৰ্ব্বিঘ্নতাং নয় ৷৷
হে শ্রীনৃসিংহ! হে মহাভীম! আমার উপর দয়া প্রকাশ করুন, অদ্য আমি আপনার ব্রত আচরণ করিব, নির্বিঘ্নে সম্পূর্ণ করুন।
🙏শ্রীনৃসিংহ স্তব/প্রণাম🙏
জয় নৃসিংহ শ্রীনৃসিংহ জয় জয় জয় শ্রীনৃসিংহ উগ্রং বীরং মহাবিষ্ণুং জ্বলন্তং সর্বতোমুখম্ । নৃসিংহং ভীষণং ভদ্রং মৃত্যোমৃত্যুং নমাম্যহম্ । শ্রীনৃসিংহ জয় নৃসিংহ জয় জয় নৃসিংহ প্রহ্লাদেশ জয় পদ্মমুখ পদ্মভূঙ্গ ।
🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸
(৩০এপ্রিল ২০২৬ ) ১৬ই বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে ভক্তবৃন্দ অবশ্যই পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অবতার শ্রীনৃসিংহ দেবের পবিত্র আবির্ভাব তিথিতে উপবাস ব্রত ভক্তিভরে পালন করুুন।
কেউ এই পবিত্র ব্রতদিন সম্পর্কে জেনেও যদি তা পালন না করেন, তবে চন্দ্রসূর্য যতদিন থাকবে, ততদিন তাকে নরক বাস করতে হবে, একথা স্বয়ং নৃসিংহদেব তাঁর ভক্ত প্রহ্লাদকে বলেছেন।
তিনি ভক্ত প্রহ্লাদককে বলেছেন-
"-বর্ষে বর্ষে তু কর্তব্যং মমসন্তুষ্টি কারণম।
মহাগুহ্যম ইদম্ শ্রেষ্ঠং মানবৈর্ভবভীরুভিঃ।।
অর্থাৎ আমার সন্তুষ্টির লক্ষ্যে চতুর্দশী ব্রত কর্তব্য। জন্ম-মৃত্যুময় সংসার ভয়-ভীত মানুষ এই পরম গোপনীয় ও শ্রেষ্ঠ ব্রত পালন করবে।।
গোধূলি পর্যন্ত নির্জলা উপবাস থাকতে হবে।
নির্জলা থাকতে না পারলে ফল প্রসাদ পেতে পারেন।
গোধূলি লগ্নে নৃসিংহদেবকে দুধ, দই, ঘি, মধু, মিছরির জল এবং ফলের রস দিয়ে অভিষেক করাতে পারেন (নৃসিংহদেবের চিত্রপটে অভিষেক করা যাবে)। অভিষেকের পরে নৃসিংহদেবকে ফলমূল, সবজি রান্না করে ভোগ দিয়ে প্রসাদ গ্রহণ করতে পারেন।
একাদশীর দিন যে অনুকল্প গ্রহণ করা হয় সেটাই ব্রতের দিন গ্রহণ করা যাবে।
কিন্তু ব্রতের দিন অন্ন, রুটি, লুচি, পরোটা গ্রহণ করা যাবে না। তবে অবশ্যই নৃসিংহদেবকে "পনকম্ " নিবেদন করতে পারেন। "পনকম্" হলো শীতল জল, তাল-মিছরি, লেবুর রস এবং আদা দিয়ে তৈরি একরকম পানীয় যা নৃসিংহদেবের অত্যন্ত প্রিয়। ব্রতের দিন সম্ভব হলে নৃসিংহদেবের ১০৮টি নাম পড়ে নৃসিংহদেবের চরণে ১০৮টি তুলসীপাতা চন্দনে মাখিয়ে অর্পণ করতে পারেন। নৃসিংহদেবের ব্রতকথা শ্রবণ করুন।
শ্রীমদ্ভাগবতের ৭ (সপ্তম) স্কন্ধের ৮ম অধ্যায় শ্রীনৃসিংহদেবের আবির্ভাব লীলা পাঠ করুন। অথবা শুদ্ধভক্তের নিকট থেকে শ্রবণ করুন। ব্রতের দিন নৃসিংহদেবের প্রণাম মন্ত্র এবং স্তব পাঠ করুন। মনে রাখবেন নৃসিংহদেব অত্যন্ত কৃপালু।তিনি ভক্তের মনোবাসনা অবশ্যই পূরণ করবেন। তিনি অত্যন্ত করুণাময়। তিনি তাঁর ভক্তকে সর্ববিপদ থেকে রক্ষা করেন, যেমন----তাঁর ভক্ত প্রহ্লাদকে রক্ষা করেছিলেন। ব্রতের পর দিন সকালে ভগবানকে অন্ন, বিভিন্ন দ্রব্যাদি রান্না করে ভোগ দিয়ে প্রসাদ গ্রহণ করতে পারেন।
ভক্তদের অবগতির জন্য শ্রীনৃসিংহদেবের স্তব ও প্রণাম মন্ত্র নিচে প্রদত্ত হলো---
স্তবঃ- ----
জয় নৃসিংহ শ্রীনৃসিংহ।
জয় জয় জয় শ্রীনৃসিংহ।।
উগ্রং বীরং মহাবিষ্ণুং
জ্বলন্তং সর্বতোমুখম্।
নৃসিংহং ভীষণম ভদ্রং
মৃত্যুর্মৃত্যুং নমাম্যহম্।।
শ্রীনৃসিংহ, জয় নৃসিংহ, জয় জয় নৃসিং।
প্রহ্লাদেশ জয় পদ্মমুখ পদ্মভৃঙ্গ ।।
প্রণাম মন্ত্রঃ
নমস্তে নরসিংহায় প্রহ্লাদাহ্লাদ দায়িনে।
হিরণ্যকশিপো র্বক্ষঃ শিখাটঙ্ক নখালয়ে।।
ইতো নৃসিংহঃ পরতো নৃসিংহ
যতো যতো যামি ততো নৃসিংহো।
বহির্নৃসিংহো হৃদয়ে নৃসিংহো
নৃসিংহমাদিং শরণং প্রপদ্যে।।
তব কর কমলবরে নখমদ্ভূতশৃঙ্গম্
দলিতহিরণ্যকশিপু তনুভৃঙ্গম।
কেশব ধৃত-নরহরিরূপ জয় জগদীশ হরে।।
♥♥♥শ্রীশ্রী নৃসিংহ দেবের ১০৮ নাম♥♥♥এটি পাঠ করলে সমস্ত বিপদ থেকে ভগবান শ্রীশ্রী নৃসিংহদেব রক্ষা করবেন।সবাই প্রত্যেকদিন অন্তত একবার পাঠ করবেন।
১.ওঁ নরসিংহায় নমঃ
২. ওঁ মহাসিংহায় নমঃ
৩.ওঁ দিব্যসিংহায় নমঃ
৪. ওঁ মহাবলায় নমঃ
৫. ওঁ উগ্রসিংহায় নমঃ
৬.ওঁ মহাদেবায় নমঃ
৭. ওঁ স্তম্ভজায় নমঃ
৮. ওঁ উগ্রলোচনায় নমঃ
৯. ওঁ রৌদ্রায় নমঃ
১০.ওঁ সর্বদ্ভুতায় নমঃ
১১.ওঁ শ্রীমানায় নমঃ
১২.ওঁ যোগানন্দায় নমঃ
১৩.ওঁ ত্রিবিক্রমায় নমঃ
১৪.ওঁ হারিণে নমঃ
১৫.ওঁ কোলাহলায় নমঃ
১৬.ওঁ চক্রিণে নমঃ
১৭.ওঁ বিজয়ায় নমঃ
১৮.ওঁ জয়বর্ধনায় নমঃ
১৯.ওঁ পঞ্চাননায় নমঃ
২০. ওঁ পরমব্রহ্মায় নমঃ
২১. ওঁ অঘোরায় নমঃ
২২. ওঁ ঘোরবিক্রমায় নমঃ
২৩. ওঁ জ্বলন্মুখায় নমঃ
২৪.ওঁ জ্বলমালিনে নমঃ
২৫.ওঁ মহাজ্বলায় নমঃ
২৬.ওঁ মহাপ্রভুয়ায় নমঃ
২৭.ওঁ নীতিলক্ষায় নমঃ
২৮.ওঁ সহস্রাক্ষায় নমঃ
২৯🌸ওঁ দুর্নিরীক্ষায় নমঃ
৩০🌸ওঁ প্রতাপণায় নমঃ
৩১🌸ওঁ মহাদ্রংষ্ট্রায় নমঃ
৩২🌸ওঁ যুদ্ধপ্রজ্ঞায় নমঃ
৩৩🌸ওঁ চন্দ্রকোপিনে নমঃ
৩৪🌸ওঁ সদাশিবায় নমঃ
৩৫.ওঁ হিরণ্যকশিপুধ্বংসিনে নমঃ
৩৬.ওঁ দৈত্যদানবভঞ্জনায় নমঃ
৩৭.ওঁ গুণভদ্রায় নমঃ
৩৮.ওঁ মহাভদ্রায় নমঃ
৩৯.ওঁ বলভদ্রায় নমঃ
৪০.ওঁ সুভদ্রকায় নমঃ
৪১.ওঁ করালায় নমঃ
৪২.ওঁ বিকরালায় নমঃ
৪৩.ওঁ বিকর্তায় নমঃ
৪৪.ওঁ সর্বকর্তৃকায় নমঃ
৪৫.ওঁ শিশুমারায় নমঃ
৪৬.ওঁ ত্রিলোকাত্মায় নমঃ
৪৭.ওঁ ঈশায় নমঃ
৪৮.ওঁ সর্বেশ্বরায় নমঃ
৪৯. ওঁ বিভূয়ায় নমঃ
৫০.ওঁ ভৈরবডম্ভরায় নমঃ
৫১.ওঁ দিব্যায় নমঃ
৫২.ওঁ অচ্যুতায় নমঃ
৫৩.ওঁ কবিনে নমঃ
৫৪.ওঁ মাধবায় নমঃ
৫৫.ওঁ অধোক্ষজায় নমঃ
৫৬.ওঁ অক্ষরায় নমঃ
৫৭.ওঁ সর্বায় নমঃ
৫৮.ওঁ বনমালিনে নমঃ
৫৯.ওঁ বরপ্রদায় নমঃ
৬০.ওঁ বিশ্বম্ভরায় নমঃ
৬১.ওঁ অদ্ভুতায় নমঃ
৬২.ওঁ ভব্যায় নমঃ
৬৩.ওঁ শ্রীবিষ্ণবে নমঃ
৬৪.ওঁ পুরুষোত্তমায় নমঃ
৬৫.ওঁ অনঘাস্ত্রায় নমঃ
৬৬.ওঁ নখাস্ত্রায় নমঃ
৬৭.ওঁ সূর্যজ্যোতিনে নমঃ
৬৮.ওঁ সুরেশ্বরায় নমঃ
৬৯.ওঁ সহস্রবাহুয়ায় নমঃ
৭০.ওঁ সর্বজ্ঞায় নমঃ
৭১.ওঁ সর্বসিদ্ধিপ্রদায়কায় নমঃ
৭২.ওঁ বজ্রদংষ্ট্রায় নমঃ
৭৩..ওঁ বজ্রনখায় নমঃ
৭৪.ওঁ মহানন্দায় নমঃ
৭৫.ওঁ পরন্তপায় নমঃ
৭৬.ওঁ সর্বমন্ত্রৈকরূপায় নমঃ
৭৭.ওঁ সর্বযন্ত্রবিদারণায় নমঃ
৭৮.ওঁ সর্বতন্ত্রাত্মকায় নমঃ
৭৯.ওঁ অব্যক্তায় নমঃ
৮০.ওঁ সুব্যক্তায় নমঃ
৮১.ওঁ ভক্তবৎসল নমঃ
৮২.ওঁ বৈশাখশুক্লদ্ভুত্যায় নমঃ
৮৩.ওঁ শরণাগত বৎসলায় নমঃ
৮৪.ওঁ উদারকীতির্নে নমঃ
৮৫.ওঁ পূণ্যাত্মায় নমঃ
৮৬.ওঁ মহাত্মায় নমঃ
৮৭.ওঁ চণ্ডবিক্রমায় নমঃ
৮৮.ওঁ বেদত্রয়ায় নমঃ
৮৯.ওঁ প্রপুজ্যায় নমঃ
৯০.ওঁ ভগবানায় নমঃ
৯১.ওঁ পরমেশ্বরায় নমঃ
৯২.ওঁ শ্রীবৎসাঙ্কায় নমঃ
৯৩.ওঁ জগদ্ব্যাপিনে নমঃ
৯৪.ওঁ জগন্মায়ায় নমঃ
৯৫.ওঁ জগৎ-পালায় নমঃ
৯৬.ওঁ জগন্নাথায় নমঃ
৯৭.ওঁ মহাখগায় নমঃ
৯৮.ওঁ দ্বিরূপভৃতয়া নমঃ
৯৯.ওঁ পরমাত্মায় নমঃ
১০০.ওঁ পরং জ্যোতিষে নমঃ
১০১.;ওঁ নির্গুণায় নমঃ
১০২.ওঁ নৃকেশরীণে নমঃ
১০৩.ওঁ পরতত্ত্বায় নমঃ
১০৪..ওঁ পরমধামায় নমঃ
১০৫.ওঁ সচ্চিদানন্দ বিগ্রহায় নমঃ
১০৬.ওঁ ধীরায় নমঃ
১০৭.ওঁ লক্ষ্মীনৃসিংহায় নমঃ
১০৮.ওঁ প্রহ্লাদপালকায় নমঃ
🙏আপনার স্বজনদের জানাতে শেয়ার করুন।🙏
3 days ago | [YT] | 3,775
View 13 replies
Load more